It-Page

It-Page It is a source of all information and technology related knowledge

26/03/2025

ডাকাত

23/10/2016

গনিত রাজা হতে চান ? যে কোন শতকরা হিসাব নিকাশ করে ফেলুন মাত্র এক সেকেন্ডে-
-
1. 30% of 50 = 15 (3×5=15)
-
টেকনিকঃ
প্রশ্নে উল্লেখিত সংখ্যা দুটি হল 30 এবং 50।
এখানে উভয় সংখ্যার এককের ঘরের অংক ‘শুন্য’
আছে। যদি উভয় সংখ্যার এককের ঘরের অংক ‘শুন্য’
হয় তাহলে উভয় সংখ্যা থেকে তাদের (শুন্য) বাদ
দিয়ে বাকি যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাদেরকে
গুণ করলেই উত্তর বের হয়ে যাবে অর্থাৎ এখানে 3
এবং 5 কে গুণ করলেই উত্তর বের হয়ে যাবে।
-
আরও কিছু দেখুন -
2. 40% of 60 = 24 (4×6=24)
3. 20% of 190 = 38 (2×19=38)
4. 80% of 40 = 32 (8×4=32)
5. ৫০ এর ১০% কত? =৫ (৫×১=৫)
-
-
১. 20% of 18= 3 (2×1.8 = 3.6)
-
টেকনিকঃ
এখানে দুটি সংখ্যার মধ্যে একটির এককের ঘরের
সংখ্যা ‘শুন্য’। তাহলে এখন কি করব? ঐ ‘শুন্য’ টাকে
বাদ দেব আর যে সংখ্যায় ‘শুন্য’ নেই সেই সংখ্যার
এককের ঘরের আগে একটা ‘দশমিক’ বসিয়ে দেব।
বাকী কাজটা আগের মতই।
-
আরও কিছু দেখুন -
২. 25% of 44=11 (2.5×4.4=11)
৩. 245% of 245=600.25 (24.5×24.5=600.25)
৪. ১২৫ এর ২০% কত? = ২৫ (১২.৫×২=২৫)
৫. ১১৫২৫ এর ২৩% কত? =২৬৫০.৭৫ (১১৫২.৫×২.৩)
=২৬৫০.৭৫

10/04/2016
۞۞ফ্রিল্যান্সিং কি,কেন করবেন,কোথায় করবেন?۞۞►►ফ্রিল্যান্সিং কি:ফ্রিল্যান্সিং এর অর্থ দাড়ায় মুক্ত পেশা,স্বাধীনভাবে কাজ করা...
25/03/2016

۞۞ফ্রিল্যান্সিং কি,কেন করবেন,কোথায় করবেন?۞۞

►►ফ্রিল্যান্সিং কি:

ফ্রিল্যান্সিং এর অর্থ দাড়ায় মুক্ত পেশা,স্বাধীনভাবে কাজ করা।যারা স্বাধীনভাবে কাজ করেন তাদেরকে বলা হয়ে থাকে ফ্রিল্যান্সার।চাকরি যেমন একটি পেশা তেমনি Freelancing একটি পেশা।চাকরি করতে হলে অফিসের বস বা যার চাকরি করেন তার কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হয়।কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং করতে কোন অফিসের বসের কথা না মানলেও চলবে কারন আপনি নিজেই নিজের বস,ইচ্ছা হলে কাজ করবেন,না হলে করবেন না।ফ্রিল্যান্সিং সাধারনত দুভাবেই করা যায় অনলাইন এবং

অফলাইন।মূলত অনলাইনেই ফ্রিল্যান্সিং বেশী করা হয়ে থাকে।মূলত উন্নত দেশগুলোর কাজের রেট খুব বেশী তাই তারা চান তাদের কাজগুলো তারা নিম্নআয়ের দেশের লোকেদের কাছ থেকে করিয়ে নেবেন।এতে তাদের খরচ কমবে।তেমনি নিম্নআয়ের দেশের লোকেরা সেই কাজগুলো করে দিলে যথেষ্ট উপার্জন করতে পারবে।বেশীরভাগ ক্ষেত্রে বিদেশী ক্লায়েন্টরা তাদের এই কাজগুলো সরাসরি করান না এবং যারা এসব কাজ করে দেন তারাও সরাসরি করে দেন না।এ দুইয়ের মাঝে থাকে একটি মার্কেটপ্লেস যাকে বলা হয়ে থাকে ফ্রিল্যান্সার মার্কেটপ্লেস।এখানে ক্লায়েন্টরা কাজ জমা করেন এবং ফ্রিল্যান্সাররা সেই কাজ করে দেন,বিনিময়ে অর্থ পান।অনলাইনে বহু মার্কেটপ্লেস রয়েছে যেখানে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ পাওয়া যায়।প্রশ্ন করতে পারেন কাজগুলো কি কি?নানারকম কাজ পাওয়া যায়।এককথায় বলতে গেলে কম্পিউটার দিয়ে যা যা করা সম্ভব প্রায় সবই।তবে বাংলাদেশীরা যে কাজগুলো বেশী করে তা হল-গ্রাফিক্স ডিজাইন,ওয়েব ডিজাইন,ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি।

►►কেন করবেন:
প্রথমেই বলা হয়েছে ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে মুক্তপেশা।এটা বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন কারনে করতে পারেন।নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়।তবে সাধারনত যেসব কারনে মানুষ ফ্রিল্যান্সিং করেন তার একটা নমুনা তুলে দেওয়া হচ্ছে-

►►বেতন কম:
অনেকে রয়েছেন যিনি কোন সরকারী বা বেসরকারী চাকরি করেন,কিন্তু তার বেতন কম।এজন্য তিনি অতিরিক্ত সময়ে ফ্রিল্যান্সিং করে তার আয় বাড়ান।এমন উদাহরনও আছে যে অনেকে চাকরি ছেড়ে দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করছেন।

►►ছোটখাট ব্যবসা:
কেউ কেউ খুব ছোট আকারে ব্যবসা করেন,ব্যবসাতে তার সময়ও তেমন ব্যয় হয় না তেমনি সেখান থেকে তার খুব বেশী লাভও আসে না।এখন তিনি চান তিনি তার ব্যবসা করার সময় বাদ দিয়ে যে অতিরিক্ত সময় পান সেই সময়ে তার যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিং করে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করবেন একইসাথে তার সময়কে কাজে লাগানো হবে।

►►পেশা হিসাবে:
কেউ কেউ এটাকে তার পুরোপুরি পেশা হিসাবে নিতে চায়।কারন হিসাবে বলা যায় সে কম্পিউটারের বেশ কিছু বিষয়ে খুবই পারদর্শী,এখন তিনি চাচ্ছেন তিনি সেই দক্ষতাটাকেই কাজে লাগাবেন।একদিকে তার অর্থ উপার্জন হবে অন্যদিকে তার দক্ষতাগুলো আরো ধারালো হবে।তাছাড়া যোগ্য ব্যক্তিকে বেশী দেরী করেত হয় না কাজ পেতে,কম যোগ্যতাসম্পন্নদের মত।কাজেই তার জন্য এটাই বেশী সুবিধাজনক।

►►মুক্তভাবে কাজ করার ইচ্ছা:
অনেকে রয়েছেন যারা চাকরি করতে পছন্দ করেন না।স্বাধীনভাবে কাজ করতে ভালবাসেন।মন যখন চায় তখন কাজ করেন,না চাইলে করেন না।কিন্তু প্রচলিত চাকরিতে এ ধরনের কোন সুযোগ নেই কারন-আপনি যার চাকরি করবেন তার কথা শুনতেই হবে।এখানে নিজের ইচ্ছার কোন মুল্য নেই।সাধারনত এ সমস্ত মানুষ ফ্রিল্যান্সিং করেন।এর বাইরে আরো নানাধরনের কারন থাকতে পারে।

►►কোথায় করবেন:
বিক্রেতারা তাদের পন্য বিক্রি করেন বাজারে,ক্রেতাও সেখানে পন্য কেনেন।কিন্তু কেনাবেচার কাজটা হয় বাজারে।তেমনি ফ্রিল্যান্সিং কাজ করতে দরকার ফিল্যান্সার মার্কেটপ্লেস।অনলাইনে অনেক ফ্রিল্যান্সার মার্কেটপ্লেস রয়েছে তাদের ভিতর নামকরা কয়েকটি মার্কেটপ্লেসের ওয়েবসাইট এর ঠিকানা দেওয়া হল-
www.upwork.com
www.freelancer.com
www.fiverr.com
www.peopleperhour.com
www.guru.com
www.vworker.com
www.getacoder.com
www.microworker.com

ম্যাজিক দেখতে চান?Start লিখে কমেন্ট করুন।তারপর ছবির উপর ক্লিক করুন।দেখুন ছেলেটির কী অবস্থা হয়...!!!
31/12/2015

ম্যাজিক দেখতে চান?
Start লিখে কমেন্ট করুন।
তারপর ছবির উপর ক্লিক করুন।
দেখুন ছেলেটির কী অবস্থা হয়...!!!

স্মার্টফোন ও স্মার্টঘড়ির পরে এবার আসছে স্মার্ট প্রজেক্টরের যুগ। ওয়াই-ফাই এবং ফোরজি এলটিই নির্ভর ৫-ইঞ্চি টাচস্ক্রিন ডিসপ্...
27/05/2015

স্মার্টফোন ও স্মার্টঘড়ির পরে এবার আসছে স্মার্ট প্রজেক্টরের যুগ। ওয়াই-ফাই এবং ফোরজি এলটিই নির্ভর ৫-ইঞ্চি টাচস্ক্রিন ডিসপ্লেসহ বাজারে আসছে অ্যান্ড্রয়েডভিত্তিক ‘স্মার্ট’ প্রজেক্টর জেডটিই স্প্রো টু। টাচস্ক্রিন, অ্যান্ড্রয়েড এবং ফোরজি এলটিইর সমন্বয় প্রজেকশনকে নতুনত্ব দিবে।
বহনযোগ্য বলা হলেও কোনো বৈদ্যুতিক আউটলেট, তারযুক্ত স্পিকারে সংযুক্ত অবস্থায় সবচেয়ে ভালো পারফরম্যান্স দেবে নতুন জেডটিই স্প্রো টু প্রজেক্টরটি। প্রজেকশন স্ক্রিনে ১২০-ইঞ্চি মাপের ছায়াচিত্র তৈরিতে সক্ষম এই প্রজেক্টরটি।
স্প্রো টু প্রজেক্টরটির ছবিগুলো অনেক বেশি উজ্জ্বল, আউটপুটও বেশ ভালো। এছাড়া বেশির ভাগ পিকো প্রজেক্টরের তুলনায় ব্যাটারির আয়ুও অনেক বেশি। এর আরো একটা মজার দিক হলো অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ এবং ইন্টারনেট থেকে সরাসরি প্রজেকশন মতা। এই ডিভাইসটির সাথে এর নিজস্ব ফোরজি এলটিই অ্যান্টেনা সংযুক্ত, যার মাধ্যমে সরাসরি ইন্টারনেটে সংযুক্ত হতে পারবে প্রজেক্টরটি। এ ছাড়া ওয়াই-ফাই হটস্পট হিসেবে ১০টি ডিভাইসের সাথে সংযোগ রায় সম এ স্মার্ট প্রজেক্টর। এর অভ্যন্তরীণ স্টোরেজ মতা ১৬ জিবি। মিডিয়া স্টোরেজ এবং প্লেব্যাকের জন্য মাইক্রোএসডি কার্ড স্লট ছাড়াও আছে একটি ইউএসবি ৩.০ পোর্ট। সর্বশেষ মোবাইল ডিভাইস, গেম কনসোল, সেট-টপ বক্স, এবং কম্পিউটারের সাথে সংযোগ দেয়ার জন্য আছে একটি এইচডিএমআই পোর্ট। এই প্রজেক্টর চালাতে প্রয়োজন হবে না কোনো রিমোট কন্ট্রোল বা কিকারের। স্প্রো টুর ৫-ইঞ্চি টাচস্ক্রিন দিয়েই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব সব কিছু। অ্যান্ড্রয়েড ৪.৪.৪ কিটক্যাট অপারেটিং সিস্টেমে চলবে প্রজেক্টরটি। ক্রোম, ইউটিউব, নেটফিক্স, টেম্পল রানসহ গুগল প্লে স্টোরের অ্যান্ড্রয়েডভিত্তিক যেকোনো সফটওয়্যারই চালানোর উপযুক্ত এ স্মার্ট প্রজেক্টরটি। এর মূল্য ৪০০ মার্কিন ডলার।

নষ্ট মেমোরি কার্ড ঠিক করার উপায়:বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে মেমরি কার্ড একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটার মধ্যে আপনি রাখতে...
24/03/2015

নষ্ট মেমোরি কার্ড ঠিক করার উপায়:

বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে মেমরি কার্ড একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটার মধ্যে আপনি রাখতে পারেন গুরুত্বপূর্ণ সব ডাটা। এছাড়াও জীবনের স্মৃতি চিহ্নিত কিছু ছবি আমরা আমদের মোবাইলের মেমরি কার্ডের মধ্যেই রাখি। তথ্য আদান প্রদান করার সময় ফোনের মেমোরি কার্ড হঠাৎ.খুলে নেওয়া হলে বা কোনো ভাবে সংযোগ বিছিন্ন হলে সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অকেজো হয়ে যায়। ফলে আপনি পরেন মহাবিপাকে। অবশেষে আপনার প্রয়োজনীয় কিছু ডকুমেন্ট হারিয়ে আপনি হতাশায় ভোগেন। নানান ভাবে এমন অকেজো মেমোরি কার্ড সচল করা গেলেও সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অথবা বাহ্যিকভাবে নষ্ট মেমরি কার্ডকে ঠিক করা কঠিন। তারপও আধুনিক কম্পউটারের যুগে সবই সম্ভব।

এবার আপনাদের জানাবো কিভাবে নষ্ট মেমোরি কার্ড ঠিক করবেন।

ডেটা রিকভারি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে:

মেমোরি কার্ডের তথ্য দেখা যাচ্ছে, কিন্তু সেটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে ডেটা উপস্থিত থাকে কিন্তু কম্পিউটার বা অন্য যন্ত্র সেটিকে পড়তে (রিড) পারে না। এক্ষেত্রে সবাই ভাবে যে মেমোরি কার্ডটি বোধহয় নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু না, এমন অবস্থা থেকেরিকভারি সফটওয়্যার মেমোরি কার্ডটাকে ফিরিয়ে আনতে পারে।

আর এ জন্য যা করতে হবে আপনাকে:
প্রথমে কার্ড রিডারে মেমোরি কার্ড ঢুকিয়ে নিয়ে কম্পিউটারে সংযোগ দিন। খেয়াল রাখুন, মেমোরি কার্ড ফাইল এক্সপ্লোরারে বা হার্ড ড্রাইভের অন্যান্য ডিস্কের মতো দেখালে এটিতে প্রবেশ করা যাবে না, কিন্তু ফাইল সিস্টেম ঠিক আছে। এবার য়াপনার উইন্ডোজ এর স্টার্ট মেন্যুতে গিয়ে cmd লিখুন। এতে আপনার স্টার্ট মেন্যুর উপর দিকে কমান্ড প্রম্পট(cmd) দেখা যাবে। এখন এর ওপর ডান বোতাম চেপে Run asadministratorনির্বাচন করে সেটি খুলুন। কমান্ড

প্রম্পট চালু হলে এখানেchkdskmr লিখে enter ক্লিক করুন। এখানে m হচ্ছে মেমোরি কার্ডের ড্রাইভ ।

কম্পিউটারে কার্ডের ড্রাইভ লেটার যে টি দেখাবে সেটি এখানে লিখে চেক ডিস্কের কাজটি সম্পন্ন হতে দিন।

এখানেconvertlostchainsto filesবার্তা এলে y চাপুন। এ ক্ষেত্রে ফাইল কাঠামো ঠিক থাকলে কার্ডের তথ্য আবার ব্যবহার করা যাবে। মেমোরি কার্ড যদিinvalid filesystemদেখায় তাহলে সেটির ড্রাইভের ডান ক্লিক করেFormat-এ ক্লিক করুন।File systemথেকেFATনির্বাচন করে Quick format-এর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Format-এ ক্লিক করুন। ফরম্যাট সম্পন্ন হলে মেমোরি কার্ডের তথ্য হারালেও কার্ড নষ্ট হবে না।
( সূত্র-ওয়েবসাইট)

23/02/2015

ওয়েব ডিজাইনারদের জন্য অনলাইনে অনেক Tools আছে তবে কিছু Tools আছে যা সকল ডিজাইনারদের সারাজীবন কাজে লাগে ।

Tools এর বিস্তারিত নীচে:-

Firebug : Firebug Mozilla Firefox এর একটি অসাধারন extension যা ওয়েবডেভেলোপমেন্ট কাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । যাতে রয়েছে built-in JavaScript Debugger যা ডেভেলোপারদেরকে ক্রমান্নয়ে script লেখা এবং লিখিত script গুলোর ভূল ধরিয়ে দেয় ।

Notepad++ : Notepad++ একটি ধারুন কোড এডিটর। আমি ব্যাক্তিগভাবে কোডিং এর জন্য Notepad++ ব্যবহার করি। আপনি চাইলে নোটপ্যাড বিনামূল্যে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

Zen-Coding : Zen-Coding একটি Not Pad++ এর Plugin যা শুধুমাত্র Advance লেভেলের ওয়েব ডেভেলোপারদের জন্য। আপনি এটির মাধ্যমে 10 মিনিটের কোন 2 মিনিটেই করতে পারবেন। যারা একেবারেই নতুন তারা এই Plugin টা ব্যবহার করবেন না। এটি ব্যবহার করার নিয়ম ।

Bootstrap : Bootstrap হল একটি অসাধারণ টুলস যা দ্বারা আপনি খুব সহজে Responsive Website তৈরি করতে পারবেন। Bootstrap সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এখানে আপনি প্রচুর উদাহরণ পাবেন যেটা আপনাকে ওয়েবসাইট তৈরিতে অনেক সহযোগিতা করবে। Bootstrap এর উপর বিস্তারিতভাবে আরেকটি পোষ্টে লেখার চেষ্টা করবো।

Pixie : Pixie এমন একটি Software যা আপনাকে যেকোন Color এর HEX, HTML, RGB, CMYK, HSV এর কোড গুলো দেখাবে। আপনি খুব সহজে সেগুলো Copy & Past করে ব্যবহার করতে পারবেন।

CSS Class Copier: …….. চরম একটি সফ্টওয়্যার !!!!! যারা ওয়েবডিজাইন বা ডেভেলপমেন্ট এর কাজ করেন বা শিখছেন, তাদের জন্য একটি কাজের সফ্টওয়্যার, যার নাম Class Copier. HTML ফাইল থেকে Class Name গুলো style sheet এ কপি করতে অনেক সময় নষ্ট হয়। আপনি চাইলে খুব সহজে এটি ব্যবহার করে Class গুলো কপি করতে পারেন।


CSSTidy : CSSTidy এমন একটি opensourse application যা CSS কোড কে optimize করে এবং ফাইলসাইজ কমিয়ে দেয় যার ফলে website এর স্পীড বহুলাংশে বৃদ্ধি পায়। CSSTidy কিভাবে কাজ করে তা বুঝার জন্য “before and after” উদাহরণ ভালভাবে দেখতে পারেন ।


GrepWin : GrepWin এর কাজ হচ্ছে Replace করা। মনে করুর বায়ার আপনাকে 1000 HTML ফাইল দিয়ে বলল যেখানে যেখানে High লেখা আছে সেখানে Top লিখতে হবে। এই ধরনের কাজগুলো করার জন্য GrepWin ব্যবহার করা হয়।


Everything : Everything খুব ছোট একটা Software কিন্তু কাজট খুব বড়। যা দিয়ে আমরা খুব সহজে কম্পিউটারের যেকোন ফাইল অল্প সময়ের ভিতর খুঁজে পেতে পারি।


TinyPNG : TinyPNG একটি অসাধারন টুলস যা ইমেজ সাইজ আপনার png ফাইল এর সাইজ ৭০% পর্যন্ত কমিয়ে ফেলতে পারে । তবে ২টি ছবি দেখতে একই রকম দেখাবে।

PSD Design: যারা প্র্যাকটিস করার জন্য PSD ফাইল খুজছেন তাদের জন্য দারুন একটি সাইট।

(সূত্র: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহিত)

Address

IT-Page. Com
Dhaka
10000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when It-Page posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share