বোলচাল - কথন শিল্প এবং আবৃত্তি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • বোলচাল - কথন শিল্প এবং আবৃত্তি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র

বোলচাল - কথন শিল্প এবং আবৃত্তি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র “বোলচাল – কথনশিল্প ও আবৃত্তি প্রশিক্ষণের অনলাইন কেন্দ্র।
কণ্ঠ, উচ্চারণ,উপস্থাপনা ও কথা বলার দক্ষতা গড়ে তুলুন পারভেজ চৌধুরীর সঙ্গে।”

 #আবৃত্তিতে_যুক্তির_প্রয়োগ: একজন আবৃত্তিশিল্পীর নিজস্বতা নির্মাণের মূল ভিত্তিআমরা প্রায়ই বলি, "অমুক শিল্পীর কণ্ঠ অসাধারণ...
06/07/2026

#আবৃত্তিতে_যুক্তির_প্রয়োগ:
একজন আবৃত্তিশিল্পীর নিজস্বতা নির্মাণের মূল ভিত্তি

আমরা প্রায়ই বলি, "অমুক শিল্পীর কণ্ঠ অসাধারণ", "তমুকের আবেগ খুব ভালো", "তার উপস্থাপনা অন্যরকম।" কিন্তু খুব কমই প্রশ্ন করি, কেন তিনি কোনো একটি শব্দে জোর দিলেন? কেন একটি লাইনে ধীর হলেন? কেন কোথাও নীরব রইলেন? কেন কণ্ঠ হঠাৎ দৃঢ় হলো, আবার কোথাও মৃদু হয়ে এলো?
এই "কেন"-এর উত্তরই হলো যুক্তি।

আমার অভিমত, আবৃত্তি কেবল সুন্দর কণ্ঠের শিল্প নয়; এটি যুক্তি, বোধ, অনুভূতি ও নন্দনের সমন্বয়ে নির্মিত একটি ব্যাখ্যাশিল্প। একজন আবৃত্তিকার কবিতা পড়েন না, তিনি কবিতাকে ব্যাখ্যা করেন। আর সেই ব্যাখ্যার প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে একটি সুস্পষ্ট কারণ থাকা আবশ্যক।

আবৃত্তি কণ্ঠ দিয়ে শুরু হয় না, শুরু হয় চিন্তা দিয়ে।
একটি কবিতা হাতে নিয়ে প্রথমেই নিজেকে প্রশ্ন করুন-
• কবি কী বলতে চেয়েছেন?
• কাকে বলছেন?
• কেন বলছেন?
• কোন সময়, কোন পরিস্থিতিতে বলছেন?
• বক্তার মানসিক অবস্থা কী?
• কবিতার আবেগ কোথায় শুরু হয়েছে, কোথায় চূড়ায় পৌঁছেছে, কোথায় প্রশমিত হয়েছে?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর না জেনে কণ্ঠের কারুকাজ শুরু করা মানে অন্ধকারে পথ চলা।

#কবিতার ভাবই কণ্ঠের রং নির্ধারণ করবে।
প্রেমের কবিতায় যে কোমলতা প্রয়োজন, বিদ্রোহের কবিতায় তা নয়। শোকের কবিতায় যে ভার, ব্যঙ্গের কবিতায় তা নয়। দর্শনধর্মী কবিতায় যে গভীরতা প্রয়োজন, যুদ্ধের কবিতায় তার পরিবর্তে প্রয়োজন গতি, তীব্রতা ও শক্তি।

একই বাক্য, "ফিরে এসো", আদেশ হিসেবেও বলা যায়, আকুতি হিসেবেও বলা যায়, আবার অভিমান, ভালোবাসা কিংবা আতঙ্ক হিসেবেও বলা যায়। শব্দ একই, কিন্তু পরিস্থিতি বদলালে কণ্ঠও বদলে যায়। এটাই যুক্তির প্রয়োগ।

আবৃত্তিতে কণ্ঠের ওঠানামা কখনোই প্রদর্শনের বিষয় নয়। কণ্ঠ তখনই উঠবে, যখন ভাব উঠবে। কণ্ঠ তখনই নামবে, যখন ভাব নেমে আসবে। অর্থাৎ আবেগ কণ্ঠকে পরিচালিত করবে, কণ্ঠ আবেগকে নয়।

অনেক আবৃত্তিকার অকারণে শব্দে শব্দে জোর দেন। অথচ জোর দেওয়া উচিত কেবল তখনই, যখন কোনো শব্দ অর্থগত, আবেগগত বা নাটকীয়ভাবে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। একইভাবে সব সময় উচ্চকণ্ঠে বলাও যেমন ভুল, তেমনি সব সময় নিচু স্বরে বলাও ভুল। কখন কোথায় কোন মাত্রার কণ্ঠ প্রয়োজন, সেটি কবিতাই নির্ধারণ করবে।

* #যতি, বিরতি ও নীরবতা আবৃত্তির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
যতি কেবল ব্যাকরণের নিয়ম নয়, অর্থেরও নিয়ম।
বিরতি শুধু শ্বাস নেওয়ার জন্য নয়, শ্রোতাকে ভাবার সুযোগ দেওয়ার জন্য।
আর নীরবতা... সেটিই অনেক সময় আবৃত্তির সবচেয়ে শক্তিশালী উচ্চারণ। এমন মুহূর্ত আসে, যখন শব্দের চেয়ে নীরবতা বেশি কথা বলে।

একজন দক্ষ আবৃত্তিকার জানেন, কোথায় থামতে হবে, কতক্ষণ থামতে হবে, এবং কেন থামতে হবে।

#আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো চরিত্রবোধ (characterization)।
সব কবিতায় বক্তা কবি নন। কখনও একজন কৃষক, কখনও একজন মুক্তিযোদ্ধা, কখনও একজন মা, কখনও একজন প্রেমিক, কখনও একজন বৃদ্ধ কিংবা একজন শিশু কথা বলে। তাই আবৃত্তির আগে নির্ধারণ করতে হবে, "এই কথাগুলো কে বলছে?" চরিত্র বদলালে কণ্ঠের ভঙ্গিও বদলাবে।

আবার সব শব্দের ওজনও এক নয়। কিছু শব্দ কেবল তথ্য বহন করে, কিছু শব্দ অনুভূতি বহন করে, আর কিছু শব্দ পুরো কবিতার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। একজন আবৃত্তিকারকে এই শব্দগুলোর গুরুত্ব বুঝতে হবে।

অনেকেই মনে করেন, বেশি আবেগ মানেই ভালো আবৃত্তি। আমি তা মনে করি না। কারণ, যদি প্রতিটি লাইন একই তীব্রতায় বলা হয়, তবে কোনো লাইনই আর আলাদা হয়ে ওঠে না। আবৃত্তির সৌন্দর্য চূড়ান্ত আবেগে নয়, বরং আবেগের উত্থান-পতনের বিন্যাসে।

#নিজস্বতা নিয়েও একটি ভুল ধারণা রয়েছে।
নিজস্বতা মানে অন্যদের মতো না হওয়া নয়।
নিজস্বতা মানে, নিজের বোধ দিয়ে কবিতার একটি যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা নির্মাণ করা। দশজন শিল্পী একই কবিতা দশভাবে বলতে পারেন, এবং সবগুলোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে, যদি প্রতিটি ব্যাখ্যার পেছনে কবিতানির্ভর যুক্তি থাকে।

#আমার কাছে একজন আবৃত্তিকার অনেকটা একজন চলচ্চিত্র পরিচালকের মতো। পরিচালক যেমন নির্ধারণ করেন কোথায় ক্লোজ শট, কোথায় নীরবতা, কোথায় আলো কমবে, কোথায় দৃশ্যের গতি বাড়বে, তেমনি আবৃত্তিকারও নির্ধারণ করেন কোথায় কণ্ঠ দৃঢ় হবে, কোথায় কোমল হবে, কোথায় গতি বাড়বে, কোথায় বিরতি আসবে, কোথায় নীরবতা কথা বলবে।

#সবশেষে একটি কথাই বলতে চাই।
"আবৃত্তি হলো কবিতার লিখিত ভাষাকে
যুক্তিনির্ভর কণ্ঠভাষায় রূপান্তরের শিল্প।"

কণ্ঠের প্রতিটি ওঠানামা, প্রতিটি জোর, প্রতিটি যতি, প্রতিটি বিরতি, এমনকি প্রতিটি নীরবতাও তখনই শিল্প হয়ে ওঠে, যখন তার পেছনে কবিতা-উৎসারিত একটি সুস্পষ্ট যুক্তি থাকে।

নিজেকে প্রতিবার একটি প্রশ্ন করুন:
"আমি এটি এভাবেই বলছি কেন?"

যদি সেই প্রশ্নের উত্তর কবিতার ভেতরেই পাওয়া যায়, তবে আপনার আবৃত্তি যুক্তিসঙ্গত। আর যদি উত্তর হয়, "শুনতে ভালো লাগে", তবে সেটি হয়তো অলঙ্কার, কিন্তু শিল্প নয়।

15/02/2026

নমোঃ বাংলাদেশ 🙏🙏

05/02/2026

কোলকাতার টেলিভিশন চ্যানেল "রুপসী বাংলা" থেকে প্রচারিত জনপ্রিয় LIVE অনুষ্ঠান "আজি এ প্রভাতে" থেকে একটি ছোট্ট অংশ।
অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করছিলেন প্রখ্যাত শিল্পী প্রিয়ংবদা ব্যানার্জি।
অশেষ কৃতজ্ঞতা সহশিল্পী প্রখ্যাত Singer Dola Banerjee

25/01/2026
19/01/2026

অনিন্দিতা কাজীর সঞ্চালনায় এবং সংগীত শিল্পী দিনাত জাহান মুন্নীর সাথে কোলকাতার তারা টিভিতে প্রচারিত "আজ সকালের আমন্ত্রণে" - অনুষ্ঠানের ভিডিওটি ল্যাপটপের কোনায় পড়েছিলো।

13/01/2026

ভারতের প্রখ্যাত R-PLUS NEWS LIVE চ্যানেলের বিশেষ আয়োজন - মহান একুশে ফেব্রুয়ারী উপলক্ষে প্রচারিত একটি LIVE অনুষ্ঠানে।
#২১শে ফেব্রুয়ারী #পারভেজ_চৌধুরী #শহীদদিবস

03/01/2026

#কবিতা_আবৃত্তিযোগ্য_হয়না
#আবৃত্তিকারের_যোগ্যতা_কবিতাকে_আবৃত্তিযোগ্য_ক_করে
--পারভেজ চৌধুরী

“কোনো কবিতাই আবৃত্তিযোগ্য নয়, বরং আবৃত্তিকারের যোগ্যতা যেকোনো কবিতাকে আবৃত্তিযোগ্য করে তুলে”—এই কথাটি প্রথমে অনেকের কাছেই ধাক্কা লাগতে পারে। কারণ আমরা ছোটবেলা থেকেই শিখে এসেছি, কিছু কবিতা আবৃত্তির জন্য, আর কিছু কবিতা নীরবে পড়ার জন্য। কিন্তু একটু গভীরভাবে ভাবলে বোঝা যায়, এই বিভাজন আসলে কবিতার নয়, আমাদের সীমাবদ্ধতার।

একটি কবিতা যখন কাগজে লেখা থাকে, তখন সেটি কেবল কিছু শব্দের বিন্যাস। এর ভেতরে আবেগ, ছন্দ এবং চিত্রকল্প সুপ্ত অবস্থায় থাকে। আবৃত্তিকার যখন সেই কবিতাটি পাঠ করেন, তখন তিনি মূলত ওই মৃত অক্ষরগুলোর ওপর প্রাণের সঞ্চার করেন। কোনো কবিতা যদি কাঠখোট্টা বা গদ্যধর্মীও হয়, একজন দক্ষ আবৃত্তিকার তার কণ্ঠের ওঠা-নামা (intonation), বিরতি (pauses) এবং আবেগ দিয়ে সেই গদ্যের ভেতরেও একধরনের অন্তর্লীন ছন্দ তৈরি করতে পারেন।

*​** আবৃত্তিকারের ‘যোগ্যতা’ কী?
​এখানে ‘যোগ্যতা’ বলতে কেবল সুন্দর কণ্ঠস্বরকে বোঝায় না। আবৃত্তিকারের যোগ্যতার কয়েকটি স্তর রয়েছে:
​অনুধাবন: কবিতার গভীরে প্রবেশ করে কবিতার মূল সুরটি ধরতে পারা।
​নির্মাণ: কবিতার শব্দের অতিরিক্ত যা কিছু আছে—নিঃশব্দতা, হাহাকার বা বিদ্রোহ—তা নিজের বোধ দিয়ে পুনর্নির্মাণ করা।
​উপস্থাপনা: এমনভাবে কবিতাটি পরিবেশন করা যাতে শ্রোতা কেবল শব্দ শুনছেন না, বরং একটি দৃশ্য দেখতে পাচ্ছেন।

​***সাধারণ বনাম অসাধারণ
​অনেক সময় অত্যন্ত সাধারণ মানের কবিতাও একজন গুণী আবৃত্তিকারের কণ্ঠে অসাধারণ হয়ে ওঠে। আবার জীবনানন্দ দাশের মতো কবির জটিল চিত্রকল্পের কবিতা, যা একসময় মনে করা হতো আবৃত্তিযোগ্য নয়, তা-ও আজ আবৃত্তিকারদের মুনশিয়ানায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এখানেই আবৃত্তিকারের সার্থকতা। তিনি মাধ্যম হিসেবে কাজ করেন না, বরং নিজেই একজন ‘সহ-স্রষ্টা’ হয়ে ওঠেন।

​***শিল্পের বিবর্তন
​আধুনিক যুগে ‘পারফরম্যান্স আর্ট’ হিসেবে আবৃত্তির গুরুত্ব বেড়েছে। এখন শুধু অন্ত্যমিল থাকা ছন্দোবদ্ধ কবিতাই আবৃত্তি হয় না, বরং আধুনিক বিমূর্ত কবিতাও আবৃত্তিকারের নিজস্ব শৈলীতে জীবন্ত হয়ে উঠছে। তাই উক্তিটি যথার্থ—কবিতা নিজে আবৃত্তিযোগ্য হয়ে জন্মায় না, আবৃত্তিকারের মেধা ও শ্রম তাকে সেই উপযুক্ততা দান করে।

কবিতা মূলত ভাষার একটি সম্ভাবনামাত্র। সেখানে শব্দ আছে, কিন্তু ধ্বনি নেই। ছন্দ আছে, কিন্তু গতি নেই। অনুভব আছে, কিন্তু স্পর্শ নেই। আবৃত্তিকার সেই সম্ভাবনাকে কণ্ঠ, শ্বাস, বিরতি, নীরবতা এবং অনুভবের মাধ্যমে দৃশ্যমান করে তোলেন। ফলে কবিতা আবৃত্তিযোগ্য হবে কি না, সেটি নির্ভর করে কবিতার কাঠামোর ওপর নয়, আবৃত্তিকারের সক্ষমতার ওপর।

উদাহরণ দেওয়া যাক। এমন অনেক গদ্যকবিতা বা গদ্যাংশ রয়েছে যা প্রথম পাঠে আবৃত্তির অনুপযুক্ত বলে মনে হতে পারে। ছন্দ স্পষ্ট নয়, পঙ্‌ক্তির দৈর্ঘ্য অসমান, কোথাও কোথাও ভাষা ভারী। কিন্তু দক্ষ আবৃত্তিকারের কণ্ঠে সেই লেখাই হয়ে ওঠে শ্রুতিমধুর ও গভীর অর্থবাহী। কারণ তিনি শব্দ নয়, ভাবকে কণ্ঠ দেন। তিনি জানেন কোথায় থামতে হবে, কোথায় শব্দকে হালকা করতে হবে, কোথায় নীরবতাই সবচেয়ে বড় উচ্চারণ।

অন্যদিকে, আমরা প্রায়ই দেখি অত্যন্ত ছন্দোবদ্ধ, অন্ত্যমিলপূর্ণ কবিতাও দুর্বল আবৃত্তিতে প্রাণ হারিয়ে ফেলে। সেখানে শব্দ ঠিক থাকে, কিন্তু অনুভব থাকে না। ছন্দ ঠিক থাকে, কিন্তু শ্বাস থাকে না। ফলে তথাকথিত “আবৃত্তিযোগ্য” কবিতাও শ্রোতার কাছে নিষ্প্রাণ হয়ে ওঠে। এখানেই প্রশ্ন জাগে—তাহলে আসল সমস্যা কোথায়? কবিতায়, না আবৃত্তিতে?

আরও একটি উদাহরণ ধরা যাক আধুনিক কবিতার ক্ষেত্রে। অনেকেই বলেন, আধুনিক কবিতা আবৃত্তির জন্য নয়। কারণ সেখানে ছন্দ ভাঙা, ভাষা দুর্বোধ্য, ভাব বিমূর্ত। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, যে আবৃত্তিকার আধুনিক কবিতার মনস্তত্ত্ব বোঝেন, তিনি সেই ভাঙা ছন্দের মধ্যেই নতুন ছন্দ তৈরি করেন। শব্দের ফাঁকে ফাঁকে যে নীরবতা আছে, তাকেই তিনি শ্রোতার কানে পৌঁছে দেন। ফলে কবিতা নয়, বরং আবৃত্তিকারই হয়ে ওঠেন কবিতার সেতুবন্ধন।

আবৃত্তি আসলে পাঠ নয়, ব্যাখ্যা। একজন আবৃত্তিকার কবিতাকে কেবল উচ্চারণ করেন না, তিনি কবিতার একটি পাঠ প্রস্তাব করেন। সেই পাঠ যত গভীর, যত সংবেদনশীল, কবিতাও তত বেশি আবৃত্তিযোগ্য হয়ে ওঠে।

তাই আবৃত্তিকার যদি নিজের শিল্পচর্চা, ভাষাজ্ঞান, সাহিত্যবোধ এবং অনুভবকে সমৃদ্ধ না করেন, তবে সেরা কবিতাও তার কণ্ঠে ব্যর্থ হতে পারে।

এই কারণেই বলা যায়, কবিতাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে “এটা আবৃত্তিযোগ্য, ওটা নয়” বলার আগে আমাদের আবৃত্তিকার হিসেবে নিজেদের প্রস্তুতির দিকে তাকানো দরকার। কারণ কোনো কবিতাই জন্মগতভাবে আবৃত্তিযোগ্য নয়। আবৃত্তিযোগ্যতা জন্ম নেয় আবৃত্তিকারের কণ্ঠে, চর্চায় এবং শিল্পবোধে।

শেষ পর্যন্ত আবৃত্তি হলো কবিতার পুনর্জন্ম। আর সেই পুনর্জন্ম সফল হবে কি না, তার দায় কবিতার নয়।

27/12/2025

Address

Road No. 6, House No 8
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বোলচাল - কথন শিল্প এবং আবৃত্তি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share