Nazrul islam

Nazrul islam ভবঘুরে বোহেমিয়ান একজন মানুষ .

নাগরিক কোলাহলকে পেছনে ফেলে, আজ আমি হারিয়ে গেছি এক মায়াবী পল্লীর নিভৃত শান্তিতে। এখানে চারপাশ জুড়ে কেবলই এক অলৌকিক নিস্তব...
19/06/2026

নাগরিক কোলাহলকে পেছনে ফেলে, আজ আমি হারিয়ে গেছি এক মায়াবী পল্লীর নিভৃত শান্তিতে। এখানে চারপাশ জুড়ে কেবলই এক অলৌকিক নিস্তব্ধতা; সাথে আলতো করে ছুঁয়ে যাওয়া বৃষ্টি-ভেজা হাওয়া আর সোঁদা মাটির মদির সুবাস। আর মাথার ওপর মেলে আছে এক অনন্ত, অসীম নীল আকাশ।








পশ্চিম আকাশে রক্তিম সূর্যটা যখন বিদায়ের শেষ রাগিণী গায়, গ্রামের সবুজে ঘেরা আঁকাবাঁকা মেঠো পথ তখন সন্ধ্যার মায়াবী আলোয় এক...
19/06/2026

পশ্চিম আকাশে রক্তিম সূর্যটা যখন বিদায়ের শেষ রাগিণী গায়, গ্রামের সবুজে ঘেরা আঁকাবাঁকা মেঠো পথ তখন সন্ধ্যার মায়াবী আলোয় এক অদ্ভুত শান্তিতে বিলীন হয়ে যায়। প্রকৃতি যেন এক নিঝুম কাব্যে রূপ নেয়। ✨

সুখের খোঁজে: একটি নীল খাম ও দুটি জীবনলেখা: নজরুল ইসলাম ▶️ শহরের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা বহুতল অ্যাপার্টমেন্টের দ...
19/06/2026

সুখের খোঁজে: একটি নীল খাম ও দুটি জীবন
লেখা: নজরুল ইসলাম
▶️ শহরের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা বহুতল অ্যাপার্টমেন্টের দশতলায় দাঁড়িয়ে কফির মগে চুমুক দিচ্ছিলেন রিয়াজ সাহেব। প্রাইড গ্রুপের চিফ এক্সিকিউটিভ তিনি। বিলাসী জীবন, ড্রয়িংরুমে দামি ঝাড়বাতি, আর গ্যারেজে ঝকঝকে গাড়ি—কোনো কিছুরই কমতি নেই।
তবুও আজ সকাল থেকেই তার মনটা বিষণ্ণ। কারণ, তার এক ব্যবসায়ী বন্ধু সম্প্রতি শহরের সবচেয়ে অভিজাত এলাকায় বিশাল এক রাজপ্রাসাদের মতো বাংলো বাড়ি কিনেছেন। রিয়াজ সাহেব তার স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন,
> "কী লাভ হলো এত খেটে? এই চার দেয়ালের ফ্ল্যাটেই জীবন পার হয়ে গেল। একটা নিজস্ব বড় বাগানসহ রাজপ্রাসাদের মতো বাড়ি তো বানাতে পারলাম না!"
>
তার স্ত্রীও সুর মিলিয়ে বললেন, "ঠিক বলেছ। আর আমাদের এই তিনবেলা একঘেয়ে খাবার! উফ, জীবনটা বড্ড একঘেয়ে হয়ে গেছে।"

ঠিক একই সময়ে, রিয়াজ সাহেবের বহুতল ভবনের ঠিক নিচে, ফুটপাতের এক কোণে প্লাস্টিকের ছাউনি দেওয়া ছোট্ট একটা জায়গায় ঘুম থেকে জাগল আকাশ। ১৯ বছরের এক তরুণ, যে সারাদিন রিকশা চালায়।
আকাশের রাতের ঘুমটা ভালো হয়নি। গতকাল রাতে প্রচণ্ড বৃষ্টি হয়েছিল, আর প্লাস্টিকের ফুটো দিয়ে পানি পড়ে তার পুরো শরীর ভিজে গেছে। সে তার চটের বিছানাটা গুছিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে হাসল। তার মনে কোনো ক্ষোভ নেই, শুধু একটা তীব্র স্বপ্ন আছে।
আকাশ মনে মনে বলল, *“ইশ! ওই বড় দালানটার মতো যদি আমার একটা ছোট্ট মাথা গোঁজার ঠাঁই থাকত! যেখানে বৃষ্টি হলে ছাদ চুয়ে পানি পড়বে না। কি চমৎকার হতো!”*

সেদিন দুপুরবেলা রিয়াজ সাহেব তার দামি গাড়ি নিয়ে অফিসের দিকে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ একটা সিগন্যালে গাড়ি থামতেই তিনি জানলা দিয়ে বাইরে তাকালেন। দেখলেন, ফুটপাতে বসে আকাশ আর তার এক সঙ্গী দুপুরের খাবার খাচ্ছে।
খাবার বলতে—একটা অ্যালুমিনিয়ামের পাত্রে সামান্য কিছু বাসি ভাত, সাথে একটু লবণ আর একটা কাঁচা মরিচ। রিয়াজ সাহেব অবাক হয়ে দেখলেন, ওই সামান্য খাবারটুকু মুখে দেওয়ার আগে আকাশ চোখ বন্ধ করে ওপরওয়ালার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাল। তার মুখে কোনো আফসোস নেই, বরং এক টুকরো স্বর্গীয় তৃপ্তির হাসি লেগে আছে।
রিয়াজ সাহেবের বুকটা কেঁপে উঠল। তিনি নিজের দিকে তাকালেন—যিনি সকালে দামি ডাইনিং টেবিলে বসেও খাবারের খুঁত ধরছিলেন। আর এই ছেলেটি একবেলা আধপেটা খেয়েও কতটা সন্তুষ্ট।

ঠিক তখনই আকাশের পকেট থেকে একটা ভাঁজ করা নীল কাগজ পড়ে গেল, যা সে খেয়াল করেনি। গাড়ি টান দেওয়ার মুহূর্তে রিয়াজ সাহেব ড্রাইভারকে বললেন গাড়ি থামাতে। তিনি নিজে নেমে কাগজটি কুড়িয়ে নিলেন। কৌতূহলবশত তিনি কাগজটি খুললেন। সেটা কোনো চিঠি ছিল না, ছিল আকাশের ডায়েরির একটা পাতা। সেখানে কাঁচা হাতের লেখায় লেখা ছিল:
*"আজ সারাদিন মাত্র ১০০ টাকা আয় হয়েছে। একবেলা খেয়েই দিনটা কেটে গেল, তাও তো বেঁচে আছি! রাস্তার ওই পাশে রাতে যে বৃদ্ধ লোকটা শীতে কাঁপছিল, তার তো তাও জোটেনি। ওপরওয়ালা আমাকে অনেক ভালো রেখেছেন। আমার শুধু একটাই স্বপ্ন—কোনো একদিন যদি ওই বড় দালানটার মতো একটা পাকা ঘরে ঘুমাতে পারতাম! তবেই আমার জীবন সার্থক।"*

লেখাটা পড়ে রিয়াজ সাহেবের চোখ ভিজে এলো। যে দালান বাড়িকে তিনি খাঁচা মনে করে আফসোস করছিলেন, তা অন্য কারোর জীবনের পরম স্বপ্ন! যে খাবারকে তিনি অবহেলা করছিলেন, তা পাওয়ার জন্য কেউ কেউ তীব্র লড়াই করছে।

রিয়াজ সাহেব সেদিনই বাড়ি ফিরে এলেন। ড্রয়িংরুমে ঢুকে চারপাশের দেয়ালগুলোর দিকে তাকালেন। আজ আর তার এগুলোকে ছোট মনে হলো না। তিনি তার স্ত্রীকে ডেকে আকাশের ফেলে যাওয়া কাগজটা দেখালেন।
দুজনেরই চোখ খুলে গেল। রিয়াজ সাহেব বুঝতে পারলেন, **সুখ রাজপ্রাসাদে থাকে না, সুখ থাকে সন্তুষ্টিতে।** মানুষের চাওয়ার কোনো শেষ নেই, কিন্তু যা আছে তা নিয়ে যদি কেউ কৃতজ্ঞ হতে শেখে, তবে একটা ছোট্ট দালান বাড়িই তার কাছে রাজপ্রাসাদ হয়ে ওঠে।


#জীবনবোধ #কৃতজ্ঞতা #গল্প #সন্তুষ্টি #বাস্তবতা #অনুপ্রেরণা #সুখ #মানবিকতা #গল্পের_ঝুড়ি #উপলব্ধি #আবেগ #অনুভূতি

বাহিরে হালকা বৃষ্টি সাথে এক কাপ গরম চা আর পাউরুটি, সুন্দর একটা সকাল এভাবেই শুরু 🥰✨
19/06/2026

বাহিরে হালকা বৃষ্টি সাথে এক কাপ গরম চা আর পাউরুটি, সুন্দর একটা সকাল এভাবেই শুরু 🥰✨

18/06/2026

Good Night

আজ যা বর্তমান, আগামীকালই তা অতীত। একসময় যেখানে মানুষের কোলাহল আর বিলাসী জীবনের গল্প ছিল, আজ সেখানে শুধুই নীরবতা। সময়ের ন...
18/06/2026

আজ যা বর্তমান, আগামীকালই তা অতীত। একসময় যেখানে মানুষের কোলাহল আর বিলাসী জীবনের গল্প ছিল, আজ সেখানে শুধুই নীরবতা। সময়ের নিষ্ঠুর খেলায় সবকিছুই একদিন বিলুপ্ত হয়ে যায়।
আজ আমরা যে 'বর্তমান' নিয়ে এত অহংকার করছি, সময়ের স্রোতে একদিন তাও হারিয়ে যাবে। ভবিষ্যতের মানুষের কাছে আমরাও হয়তো শুধুই একটা ধুলো জমা ইতিহাস হয়ে থাকবো। সময়ের চেয়ে বড় সত্য আর কিছুই নেই! ⏳✨

Good evening ✨🌆          #কক্সবাজার
18/06/2026

Good evening ✨🌆
#কক্সবাজার

18/06/2026

সমুদ্র বিলাস

"সে আমার হয়েও আমার হলো না"লেখা- নজরুল ইসলাম জানালার ওপাশে তখন শ্রাবণের আকাশ ভেঙে নেমেছে ঝুম বৃষ্টি। কাঁচের ওপারে জলবিন্...
18/06/2026

"সে আমার হয়েও আমার হলো না"
লেখা- নজরুল ইসলাম

জানালার ওপাশে তখন শ্রাবণের আকাশ ভেঙে নেমেছে ঝুম বৃষ্টি। কাঁচের ওপারে জলবিন্দুর আলপনা, আর এপারে গ্রিলটা শক্ত করে ধরে দাঁড়িয়ে আছি। হাতের তালুতে বৃষ্টির হিমশীতল ছোঁয়া লাগতেই বুকের ভেতরটা কেমন যেন খচখচ করে উঠল। প্রতিটা বৃষ্টির ফোঁটা যেন একটা পুরনো স্মৃতির কড়া নাড়ছে।
মনে পড়ে গেল সেই পুরোনো দিনটার কথা। এক বিকেলে চা খেতে খেতে দুজনে মিলে কত সহজ আর সুন্দর একটা স্বপ্ন বুনেছিলাম—"একদিন এমন একটা তুমুল বৃষ্টি নামবে, যেদিন সব নিয়মকানুন, ছাতা-বর্ষাতি দূরে ছুড়ে ফেলে দুজনে একসাথে ভিজব। রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে বৃষ্টি বিলাস করব।"
আজ বৃষ্টি এসেছে, ঠিক যেভাবে আসার কথা ছিল। কিন্তু সেই স্বপ্নটা স্বপ্নই রয়ে গেছে। অপূর্ণ ইচ্ছের তালিকায় জমা হওয়া ধুলোবালিগুলো আজ বৃষ্টির জলে আরও বেশি ভারী হয়ে উঠছে।
আসলে,কাউকে ভালোবাসতে হলে তার প্রতি শতভাগ আসক্ত হতে হয়, তার গুরুত্বটা মনে-প্রাণে বুঝতে হয়। কিন্তু অপর প্রান্তের মানুষটার কাছে হিসাবটা ছিল বড্ড জটিল। আমি একটা কথাই বিশ্বাস করি—একজনকে ভালোবেসে অন্য কারো সাথে সময় অপচয় করতে পারিনা। অথচ যাকে জীবনের ধ্রুবতারা ভেবেছিলাম, সে মেতে আছে সাময়িক মোহের খেলায়।
জানালার গ্রিলে কপাল ঠেকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলা ছাড়া আর কোন কাজ নেই। মনের গভীরে জমে থাকা অভিমানটা আজ বৃষ্টির শব্দের চেয়েও তীব্র। আমি তো বেশি কিছু চায়নি। শুধু চেয়েছিলাম মানুষটা যেন তার জীবনের আসল লক্ষ্যটা ঠিক রাখে। ক্ষণিকের ভালো লাগা আর নতুনত্বের ভিড়ে ওই চিরচেনা, খাঁটি মানুষটাকে যেন হারিয়ে না ফেলে।
অস্থায়ীর খোঁজে মানুষ কীভাবে এত সহজে স্থায়ী একটা আশ্রয়কে ভুলে যেতে পারে—এই প্রশ্নের উত্তর ও আজও মেলাতে পারি না।
বাইরে বৃষ্টির বেগ আরও বাড়ছে। চারপাশটা ঝাপসা হয়ে আসছে। যে বৃষ্টিতে একসাথে ভিজে আনন্দ করার কথা ছিল, সেই বৃষ্টি আজ কেবলই এক বুক অভিমান আর অপূর্ণতার সাক্ষী হয়ে রইল। কিছু মানুষ হয়তো এভাবেই থেকে যায়—খুব কাছে এসেও কখনও আর 'আপন' হওয়া হয় না।








17/06/2026

Good Night 💤

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nazrul islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Nazrul islam:

Share