Love & Confession Bangladesh-LCB

Love & Confession Bangladesh-LCB Feel Free to sare your Love with successful Confession

'গতকাল রাতে মাতাল কাব্য ভাই আর স্রোত ঘনিষ্ঠ হলো! জ্বরে ভুগতে থাকা স্রোত বুঝতেই পারেনি তার কত বড় সর্বনাশ হয়ে গেছে। এদিকে ...
17/03/2026

'গতকাল রাতে মাতাল কাব্য ভাই আর স্রোত ঘনিষ্ঠ হলো! জ্বরে ভুগতে থাকা স্রোত বুঝতেই পারেনি তার কত বড় সর্বনাশ হয়ে গেছে। এদিকে কাব্য নিজের হোঁশে ছিল না। সকালে যখন চোখের পাতা খুলেই একে অন্যকে খুব কাছাকাছি দেখল, আঁতকে উঠল দুজনেই! কাব্য দাঁতে দাঁত পিষে বলল,
"এই স্টুপিড! তুই এখানে এই অবস্থায় কী করছিস?"

কাব্যের ধমকে কেঁপে ওঠে স্রোত। সে নিজের শরীরের দিকে তাকায়। স্রোতের গায়ে জড়ানো কাব্যের শার্ট, যা ওর গায়ে বেশ ঢিলেঢালা। মেয়েটার পরনে অন্য কোনো কাপড় নেই। বিছানার চাদর দিয়ে নিজেকে ঢেকে নিয়ে সে ধরা গলায় বলে,
"আপনি আমার সাথে কী করেছেন?"

"আমি তোর সাথে কিছুই করিনি। তুই নিজেকে কী ভাবিস, হু? তোর মতো মেয়েকে আমি টাচ করব? কখনোই না!"

রমণীর চোখ দুটো রক্তলাল। মুখমণ্ডল অপমানে রক্তিম হয়ে উঠেছে। সে তীক্ষ্ণ স্বরে বলল,
"আমার মতো মেয়ে মানে? আপনি কী বোঝাতে চাইছেন?"
"আমি বোঝাতে চাইছি তুই একটা খারাপ মেয়েমানুষ! আমার সাথে গেম খেলছিস, তাই না?তুই ইচ্ছে করেই এভাবে কাপড়চোপড় খুলে আমার রুমে এসেছিস।আমাকে ফাঁসাতে চাইছিস,রাইট?"

ভীষণ রাগ হলো স্রোতের। কাব্য এসব কী বলছে ওর সম্পর্কে? নিজের সাথে কী ঘটেছে তা ভাবতেই মেয়েটা কান্নায় ভেঙে পড়ে। স্রোতের কান্নার শব্দে কাব্য বিরক্ত হয়। দরজার দিকে তাকিয়ে দেখে খোলা কিনা।না ফরজা ভেতর থেকে আটকানোই আছে। তবুও তার ভয় হচ্ছে, যদি কেউ স্রোতের কান্না শুনে ফেলে! তাহলে হয়তো সমস্যায় পড়তে হবে। কাব্য তড়িঘড়ি করে নিজের হাত দিয়ে স্রোতের মুখ চেপে ধরে। নিচু স্বরে শাসিয়ে বলে,
"চুপ! চুপ! একদম চুপ! কান্না করবি না।"

স্রোতের কান্না আরও বাড়ল। সে রাগে কাব্যের হাতে সজোরে কামড় বসিয়ে দিল। কাব্য হাত সরিয়ে যন্ত্রণায় কুঁকড়ে উঠে বলল,
"রাক্ষুসী কোথাকার! দেখি হাঁ কর তো, তোর দাঁতে ব্লেড লাগানো আছে কি না দেখতে হবে।"

স্রোত বড় বড় চোখ করে কাব্যের দিকে তাকিয়ে রইল। কিছুক্ষণ স্তব্ধ থেকে আবারও ডুকরে কেঁদে উঠল সে। কাব্য এগিয়ে এলে সে চিৎকার করে বলল,
"আ... আপনি আমার কাছে আসবেন না। আপনি একটা চরিত্রহীন লোক। আমাকে একা পেয়ে কী করেছেন ভাবলেই ঘেন্না হচ্ছে! ছিহ!"

এতক্ষণে কাব্যের পূর্ণ জ্ঞান ফিরল। মাথায় একটু চাপ দিতেই মনে পড়ল, গতরাতে তার বিয়ে হয়েছে। এই যে বিছানায় ওর সামনে বসে থাকা স্রোত—সে হলো কাব্যের বিবাহিত স্ত্রী!স্রোত কাব্যের নামে কবুল বলেছে। ওকে ছোঁয়ার সম্পূর্ণ অধিকার কাব্যের আছে। সে তো ভুল কিছু করেনি। হোঁশে থেকে হোক বা না থেকে, যেভাবেই হোক স্রোতকে স্পর্শ করার সব রকম অধিকার তার আছে। কিন্তু এ মেয়ে যে কী পরিমাণ বজ্জাত! এমন ন্যাকামি করছে যেন কাব্য তার অপরিচিত কেউ। কাব্য ধমক দিয়ে বলল,
"এইই, ন্যাকা কান্না কাঁদবি না। আমি ইচ্ছে করে কিছুই করিনি, আর যদি করেও থাকি তাতে সমস্যা কোথায়? তুই তো আমার বউ। আমরা ইনটিমেট হতেই পারি।"

বিয়ের কথা উঠতেই স্রোতের মনে পড়ে গেল গতরাতের ঘটনা। সে কোনোভাবেই এই বিয়ে করতে চায়নি। কাব্য তাকে জোর করে কবুল বলিয়েছে, ভয় দেখিয়েছে! স্রোত শুধু তার প্রিয় মানুষকে বাঁচাতে এই বিয়েতে রাজি হয়েছিল। তবে কাব্যকে সে কোনোদিন মন থেকে মেনে নেবে না। স্রোত তেজ দেখিয়ে বলল,
"চুপ করুন! আমি এই বিয়ে মানি না।"

"তাতে আমার কিচ্ছু যায় আসে না। আইন আর ধর্মমতে আমরা স্বামী-স্ত্রী। আমি ছাড়া অন্য কারো অধিকার নেই তোকে স্পর্শ করার। আমি যখন ইচ্ছে তোকে ছোঁব, বুঝতে পেরেছিস?"

ঘৃণায় মুখ ফিরিয়ে নেয় স্রোত। কাব্য মনে মনে হাসল। বিছানা ছেড়ে সে ওয়াশরুমের দিকে চলে গেল। শাওয়ারের নিচে দাঁড়াতেই শরীরের তীব্র জ্বালায় চোখ-মুখ কুঁচকে এল তার। পিঠে আর হাতে লালচে জখমের দাগ। রাক্ষুসীটা শরীরের সব শক্তি দিয়ে খামচি দিয়েছে বোধহয়! কাব্য ওয়াশরুমের দরজা সামান্য ফাঁক করে স্রোতকে বলল,
"তোকে আমি দেখে নেব!"
"আপনাকেও আমি দেখে নেব।"

স্রোতের পালটা জবাবে ঠোঁট কামড়ে হাসল কাব্য। সে হুট করে দরজাটা পুরোপুরি খুলে দিয়ে পরনের টাওয়ালটা আলগা করার ভঙ্গি করল। হালকা চোখ টিপে দুষ্টুমিভরা স্বরে বলল,
"দেখ... ভালো করে দেখে নে।"

স্রোত লজ্জায় আর অপমানে দ্রুত চোখ সরিয়ে নিল। দাঁতে দাঁত চেপে বলে উঠল,
"ছিহ!"

ঠিক সেই মুহূর্তে দরজায় ধাক্কা পড়ল। আওয়াজ পেয়েই স্রোত সচকিত হয়ে সেদিকে তাকাল। কাব্য দ্রুত ওয়াশরুমের দরজা আটকে দেয়। স্রোত তাড়াহুড়ো করে মেঝেতে পড়ে থাকা নিজের কামিজটা পরে নিল। নিজেকে যতটা সম্ভব স্বাভাবিক করে সে ঘরের দরজা খুলে দিল।

দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছে দোয়েল। কাব্যের আদরের বোন সে। মেয়েটা স্রোতকে আপাদমস্তক খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করল। স্রোতের গলায় আর গালে নখের আঁচড়, চুলগুলো বড্ড এলোমেলো। দোয়েলের মনে হলো তার রাগী ভাইটা বোধহয় স্রোতের ওপর খুব অত্যাচার করেছে। সে দরদ মাখা গলায় বলল,
"ভাইয়া তোকে মে'রেছে, তাই না? চল, তোকে আর এখানে থাকতে হবে না।"

স্রোত নিজেকে সামলে নিয়ে আমতা আমতা করে বলল,
"তেমন কিছুই না দোয়েল আপু, আসলে..."

"আসলে-নকলে বুঝি না স্রোত। তুই আমার সাথে আয়।এই রাক্ষসটার সাথে তোকে থাকতে হবে না, ও তোকে মেরেই ফেলবে।"

ওয়াশরুম থেকে বের হতেই দোয়েলের কথাগুলো কাব্যের কানে গেল। তার প্রচণ্ড রাগ হলো। দোয়েল তো আগে এমন ছিল না, সে কাব্যকে যথেষ্ট সম্মান করত। অথচ আজ এসব কী বলছে? সব দোষ এই স্রোতের! এ বাড়িতে এসেই সবার মাথা খাচ্ছে মেয়েটা। কাব্য রক্তচক্ষু নিয়ে দোয়েলের দিকে তাকাতেই সে ভয়ে সেখান থেকে দ্রুত সরে গেল। স্রোত অবাক হয়ে ভাবল, দোয়েল আপু হুট করে এভাবে পালিয়ে গেল কেন!

'কাব্য ভাই...[সূচনা পর্ব]
© আফরোজা আঁখি

ঠোঁটের আলিঙ্গন ঘটুক এই বৃষ্টি ভেজা শহরে ! 🌸❤️
06/08/2025

ঠোঁটের আলিঙ্গন ঘটুক এই বৃষ্টি ভেজা শহরে ! 🌸❤️

তুমি এসেছিলে অজান্তে 🤍🪐 তবে রয়ে যাবে অনন্তে 🫧
31/07/2025

তুমি এসেছিলে অজান্তে 🤍🪐
তবে রয়ে যাবে অনন্তে 🫧

31/07/2025

প্রতিদিন মিনিমাম ৭ ঘন্টা না ঘুমালে আপনার *হরমোন লেভেল কমবে*চেহারা নষ্ট হবে*স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বাড়বে।😢

🌊 "প্রথমবার সাগরের মুখোমুখি...নীল জলরাশি, সোনালি বালু আর মনের ভেতর এক অদ্ভুত শান্তি...Cox’s Bazar – মনে থাকবে চিরকাল!" ☀...
30/07/2025

🌊 "প্রথমবার সাগরের মুখোমুখি...
নীল জলরাশি, সোনালি বালু আর মনের ভেতর এক অদ্ভুত শান্তি...
Cox’s Bazar – মনে থাকবে চিরকাল!" ☀️💙👣

New fear unlocked!📍Location: farmgetFinal Destination type feeling 😑😑
29/07/2025

New fear unlocked!
📍Location: farmget
Final Destination type feeling 😑😑

বেঁচে থাকলে আরো কতকিছু দেখতে হবে😑
29/07/2025

বেঁচে থাকলে আরো কতকিছু দেখতে হবে😑

🙂😌
29/07/2025

🙂😌

Love Story: 1003 (ভালোবাসা_তেতো)লিখেছেন: sarika_Islamআমি চিল্লান দিয়ে মাটিতে বসে পরলাম,,আমার আশে পাশে অনেক মানুষ জমা হয়ে...
29/07/2025

Love Story: 1003 (ভালোবাসা_তেতো)

লিখেছেন: sarika_Islam

আমি চিল্লান দিয়ে মাটিতে বসে পরলাম,,আমার আশে পাশে অনেক মানুষ জমা হয়ে গেছে এতক্ষনে আমার চিৎকারে,,
_ইয়াদদদদ
বলেই আবার চিতকার করে উঠে দারালাম,,
_ইয়াদ কই আপনি ইয়াদদ,,
বলে চিৎকার করছি আর সামনে এগুচ্ছি,,আমার কোন খেয়াল নেই সামনে এগুলেই যে আমি পরে যাবো,,আমি ঝাপ দিতে নিলে আশে পাশের মানুষ গুলো আমাকে ধরে ফেলে,,
_ছারুন আমাকে আমি,,,আমি আমার ইয়াদের কাছে যাবো,,
বলেই তাদের থেকে ছাড়া পেতে চেষ্টা করছি আর ইচ্ছে মতো কাদছি,,কাদতে কাদতে এক পর্যায় আমি অজ্ঞান হয়ে গেলাম আর কিছু মনে নেই,,,
পিট পিট করে চোখ খুলে নিজেকে একটা রুমে আবিষ্কার করলাম,,ঠিক মতো চোখ বুলালাম পুরো ঘরে জায়গা টা চিনার জন্য,, সেকি আমি হসপিটালের বেডে কি করছি?আমার ইয়াদ কই?আমার ইয়াদের কথা মনে হতেই তরিঘরি করে উঠতে গেলে হাতে কিছু একটার টান অনুভব করি,,সেদিকে লক্ষ করে দেখি হাতে ক্যানেল লাগানো,,টান দিয়ে ওইটা ছিরে ফেলি,, আমার এখন এইসব কিচ্ছু লাগছে না আমার ইয়াদকে লাগবে,,
তখন একটা নার্স ভিতরে ঢুকলো,, আমাকে এভাবে উঠতে দেখে সে আমার কাছে এসে আমাকে ধরতে লাগলো,,আমিও ঝারা মেরে বাহিরে যেতে নিলে ডাক্তার চলে আসে,,ডাক্তার আমাকে বলল,,
_আপনি এখন দুর্বল কিছুটা বিশ্রাম করুন,,
_আমার বিশ্রাম লাগবে না আমার,,,আমার ইয়াদ কই?
বলেই বাহিরে যেতে নিলে কিছু মানুষ কেবিনের ভিতরে ঢুকে,,,সম্ভবত তারাই আমাকে এইখানে এনেছে,,,একটি মহিলা আমার পাশে এসে আমার মাথায় হাত দিয়ে বলল,,
_মা তোর স্বামীকে অনেক খুজেছি আমরা পাইনি,,
আমি স্তব্দ হয়ে গেলাম,,পাইনি?মানি কি এইসব?আমার ইয়াদকে পাইনি কেন?নাহ তা হবে না আমি খুজবো আমার ইয়াদকে কেউকে লাগবে না আমার,,
_আমি খুজবো আমার ইয়াদকে,,
বলেই আমি বাহিরে যেতে নিলে বাকি মানুষ গুলোও বলল,,
_আসলেই আমরা অনেক খুজেছি কেউ পাইনি,,
এইসব শুনে আমি পুরো ভেংগে গেলাম,,পাইনি আমার ইয়াদকে?আমি তাহলে কি নিয়ে বাচবো?কাকে নিয়ে বাচবো?আমার কি হবে?এইসব ভাবতে ভাবতেই মাটিতে লুটিয়ে পরলাম কাদতে কাদতে,,আমার পাশে মহিলারা এসে শান্তনা দিচ্ছে,,,একজন বলল,,
_মা তোমার বাসার ঠিকানা বলো আমরা দিয়ে আসি,,
আমি হেচকি তুলতে তুলতে বাসার ঠিকানা বললাম,,,কিছু লোক আমাকে বাসায় পৌছে দিল,,,
আমি এখন বাসার গেটের সামনে দাঁড়িয়ে আছি,,কলিং বেল টাও চাপতে মন চাইছে না,,কান্না করেই চলছি করেই চলছি,,অবশেষে কলিং বেল চাপলাম,,বেশ কিছুক্ষন পর মা এসে দরজা খুলল,,আমাকে দেখে খুশিই হলো,,পরক্ষনে আমার কান্না দেখে হাসি মুখের সাথে মিলিয়ে গেল,,চিন্তিত ভাবে বলল,,
_কিরে ফারাহ কি হিয়েছে তোর?এভাবে পাগলের মতো লাগছে কেন তোকে?কি হয়েছে মা?
এইসব বলেই আমাকে নিয়ে ভিতরে ঢুকছে,,আমি কান্না করেই চলছি,,,ইয়াজও নিচে নেমে আসলো, আমাকে এভাবে দেখে আমার কাছে এসে উত্তেজিত কন্ঠে বলল,,
_পিচ্চি এই পিচ্চি কি হয়েছে তোমার?
_এউ ফারাহ ইয়াদ কই?
ইয়াদের কথা বলায় আমার কান্না রোল যেন আরোও বেরে গেল,,আমি কান্না করতে করতে মাকে ধরে বসে পরলাম মাটিতে,,মাও আমার সাথে বসে পরলো,,আমার মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে উত্তেজিত কন্ঠে বলল,,
_ফারাহ বল মা কি হয়েছে?আমার ইয়াদ কই?
_মা,,,,,,মা,, ইয়াদদদদ,,
আমার মুখ দিয়ে কথাই বের হচ্ছে না কান্নার ফলে,,ইয়াজও আমার পাশে বসে আমাকে বলল,,
_কি হয়েছে ইয়াদের?পিচ্চি বলো,,
_মা মা,,,,,ইয়াদ,,পরে গেছে,,,,,
_কোথায় পরে গেছে?(মা)
আমি মাকে সব খুলে বললাম,,মা স্তব্দ হয়ে গেল,,,আমি তো কান্না করেই চলছি,,ইয়াজ আমার কথায় যেন থমকে গেল,,হঠাৎ মা একটা জোরে চিৎকার করলো,,
_ইয়াদদদদদদদ,,,
বলেই কান্না করতে লাগলো,,,মার কান্না দেখে আমি আরো জোরে জোরে কাদছি,,ইয়াজ মার এরুপ কান্না দেখে তাকে বুকে জরিয়ে শান্তনা দিচ্ছে,,
_ইয়াজ,,ইয়াজ আমার ইয়াদ,,,
বলে কান্না করছে,,,,ইয়াজ তারাতারি তার বাবাকে ফোন করলো,,বাবা যেন এমন একটা নিউস শুনে ফটাফট চলে আসলো,,এসে মাকে এভাবে কান্না করতে দেখে বাবা শান্তনা দিচ্ছে,,,,ইয়াজ আমার কাছে এসে আমাকে শান্তনা দিচ্ছে,,
_পিচ্চি এই পিচ্চি চুপ,,
আমি তো কান্না করেই যাচ্ছি,,কান্না করতে করতে এক পর্যায় ইয়াজের বুকে ঢলে পরলাম,,,
চোখ খুলে দেখি আমি আমাদের রুমের বেডে শুয়ে আছি,,আমার পাশে আম্মু আব্বু মা বাবা ইয়াজ সবাই,,মা তো কান্না করেই যাচ্ছে,,আমি চোখ খুলে আস্তে আস্তে উঠার চেষ্টা করছি,,উঠে বসলাম,,আম্মুকে দেখে আমি কান্না করে দিলাম,,,আম্মু আমার পাশে এসে বসে আমাকে বুকে জরিয়ে মাথায় হাত বুলাচ্ছে,,
_আম্মু,,,আম্মু ইয়াদ,,
হেচকি উঠে গেছে কান্না করতে করতে,,আমরা সবাই ডাইনিংএ গেলাম,,ইয়াদের অনেক রিলেটিভস রা এসেছে,,মা বাবাকে ধরে কান্না করছে আর বলছে,,
_আমি কি আমার ইয়াদের লাশ টাও শেষ বারের মতো দেখতে পারবো না?
বলেই বাবার বুকে মুখ রেখে কান্না করছে,,বাবাও মার এমন কান্না দেখে চোখে পানি চলে আসলো,,আমি আম্মুকে ধরে রেখে শুধু দেখছি মার কান্না,,আমার চোখ দিয়ে এখন আর পানি পরছে না,,একদম পুতুলের মতো দারিয়ে দারিয়ে সব দেখছি,,,
বিকেল হয়ে গেল,,পরিবেশ হাল্কা ঠান্ডা,,কান্নার বেগ সবারি কমেছে,,আমি তাদের সবাইকে নিচে রেখে উপরে চলে গেলাম নিজের রুমে,,আমি রুমে ঢুকতেই মনে হলো ইয়াদ হাসি মুখে সোফায় বসে আছে,,এইতো আমার সামনে এসে আমার গাল দুটো টেনে দিল আর পিচ্চি বলল,,,এইতো আবার মুখ ফুলিয়ে রাখলো,,এইতো ইয়াদ,, ওইযে ইয়াদ,,হ্যা এখানেই ইয়াদ,,,
_নাহহহহহহহহহহহ
চিৎকার করে কান ধরে নিচে বসে পরলাম,,তারাতারি করে কাবার্ড থেকে ব্যাগ বের করে কাপর গুছিয়ে নিলাম,,ব্যাগ নিয়ে নিচে নামছি,,আমাকে এভাবে দেখে সবাই আমার দিকে আশ্চর্য ভাবে তাকালো,,,আমি আম্মুকে বললাম,,,
_আম্মু চলো বাসায় যাবো,,
আম্মু আমার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে,,,মা আমার কাছ এসে হাত ধরে বলল,,
_ফারাহ মা কোথায় যাচ্ছিস?
_বাড়ি,,(সোজা ভাবে বললাম,)
_বাড়ি যাবি কেন?
_এই পিচ্চি কি বলছো?(ইয়াজ)
_নাহ আমি এখানে থাকবো না,,ওই রুম আমাকে বারবার ইয়াদের কথা মনে করিয়ে দেয়,,বারবার আমাকে অনুভব করায় আমার ইয়াদ আমার কাছেই আছে আমার পাশেই আছে,,আমি এভাবে থাকতে পারবো না,,আমি ইয়াদকে চাই নাহয় তার কাছে যেতে চাই,,
এইসব বলে কাদতে কাদতে বসে পরলাম,,মা আর আম্মু আমাকে ধরলো,,বাবা বলল,,
_আচ্ছা মা যাও তুমি,,
মা মাঝ দিয়ে বলল,,
_সেকি ও যাবে,,,,,,
ইয়াজ মাকে থামিয়ে বলল,,
_পিচ্চি এখানে থাকলে ভাইয়ের স্মৃতি তাকে বারে বারে তারা করে বেরাবে,,
আমি সোজা বেরিয়ে পরলাম,,আমার আর ভালো লাগছে না এইসব,,,আম্মু আব্বুও তাদের থেকে বিদায় নিয়ে আমার সাথে বেরিয়ে পরলো,,
আমরা বাড়ি এসে পরলাম,,আমি সোজা আমার রুমে চলে গেলাম,,আম্মু আমাকে আটকাতে চাইলে আব্বু ধরে ফেল,,
_মেয়েটাকে একা থাকতে দাও,,এত বড় একটা শোক সামলাতে তো কিছুদিন লাগবেই,,,
আমি রুমে গিয়ে ওয়াশ্রুমে চলে গেলাম,,শাওয়ারের নিচে বসে চিৎকার করে কান্না করতে লাগলাম,,
_কেন ইয়াদ কেন?আমাকে একা রেখে কেন চলে গেলেন?আমাকেও সাথে নিয়ে যেতেন,,আমি এই দুনিয়ায় আপনাকে ছাড়া একা বাচতে চাইনা,,বাচতে হলে একসাথেই বাচবো,,আপনি,, আপনি না বলেছিলেন ওই বুকে সারাজীবন আমাকে আগলিয়ে রাখবেন?আপনি মিথ্যে বলেছেন,,আপনি আমাকে মিথ্যে কথা বলেছেন ইয়াদ,,মিথ্যে,, আপনি আপনার কথা রাখেন নি রাখেন নি,,,
বলেই আরো চিৎকার করে কাদতে লাগলাম,,
ফারাহ চিৎকার শুনে বাহিরে তার আম্মু ভেংগে গেল,,মেয়ের এমন কান্না দেখে,,
_মেয়েটার বিয়েও হলো অপ্রত্তাশিত ভাবে এখন আবার আমার মেয়েটার স্বামীও ছিনিয়ে নিল আল্লাহ,,কেন করলো এমন কেন?আমার মেয়েটাকে আর কত কষ্ট দিবে আল্লাহ,,
বলেই কান্না করতে করতে তার আব্বুর বুকে ঢলে পরলো,,
_তুমি এভাবে ভেংগে পরলে মেয়েকে সামলাবে কিভাবে?যা হয়েছে আল্লাহর মরজিতেই হয়েছে,,তুমি ভেংগে পরো না,,
_মেয়েটা যেভাবে কান্না করছে আমি কিভাবে ঠিক থাকবো?
_তাও নিজেকে সামলাও,,
আমার রুমে আম্মু এসে ওয়াশ্রুমে ঢুকে গেল,,আমার এভাবে শাওয়ারের নিচে কান্না করতে দেখে তারাতারি শাওয়ার অফ করে দিল,,আমাকে উঠিয়ে দারা করালো,,আমাকে তারাতারি বাহিরে এনে বলল,,
_কিরে এভাবে ভিজছিস কেন?ঠান্ডা লেগে যাবে তো?
আমি কোন কথা বলছি না,, মুর্তির ন্যায় দারিয়ে আছি,,আম্মু আমাকে ধাক্কা মারে তাও যেন নরচর নেই আমার,,আম্মুর ও আমার এই অবস্থা দেখে চোখ ভরে আসলো,,আমাকে কাপর চেন্স করালো,,আমাকে বাহিরে নিয়ে গেল,,,মুখের সামনে খাবার ধরে বলল,,
_খা মা খেয়ে নে,,
আমার এইসব এখন অনেক বিরক্ত লাগছে,,,কিসব খাওয়া দাওয়া?যেখানে মনে শান্তিই নেই সেখানে কিভাবে খাবো?গলা দিয়ে কি নামবে?আমি আম্মুর হাত থেকে খাবার সরিয়ে উঠে নিজের রুমে চলে গেলাম,,গিয়ে ঠাস করে রুমের দরজা টা বন্ধ করে দিলাম,,বিছানার চাদর টান দিয়ে নিচে ফালিয়ে দেই,,
_আাাাাাাাাাাাাাাাাাাাাা,,,,,আমার সাথেই কেন এমন হয় আল্লাহ?আমার সাথেই কেন?আমি কি দোষ করেছি বলতে পারবে?
কান্না করছি অঝরে,,,একদম ভালোলাগছে না,,,,মন চাইছে মরে যাই হ্যা মরে যাবো আমিও আমার ইয়াদের কাছে চলে যাবো,,যেখানে ইয়াদ নেই সেখানে আমিও নেই,,,
এইসব ভেবেই রুমের দরজা খুলে তারাহুরো করে রান্না ঘরের দিকে ছুটলাম,,আমার এমন ভাবে যাওয়া দেখে আম্মুও আমার পিছু পিছু আসে,,আমি রান্না ঘরে গিয়ে ছুরি খুজতে থাকি,,আমি আর বাচবো না,,বাচতে চাইনা,,ছুরি টা পেয়েও গেলাম,,যেই হাতে ধরে কাটতে যাবো,,ওমনিই আম্মু ছুরিটা নিয়ে ফালিয়ে দেয়,,আর আমাকে ঠাস করে একটা থাপ্পর মারে,,
_মারো মারো আমাকে আরও মারো,,আমি বাচতে চাইনা আম্মু বাচতে চাই না,,
বলেই আম্মুকে ধরে কান্না করতে লাগলাম,,,আম্মু আমাকে উঠিয়ে তার রুমে নিয়ে গেল,,আম্মু আমাকে তার কোলে মাথা রেখে ঘুম পারালো,,
_আম্মু আমি বাচতে চাইনা আম্মু,,আল্লাহ কেন আমার থেকে তাকে কেরে নিয়েছে?বলতে পারো?তাহলে আমাকেও কেন নিল না সাথে?
এইসব বলছি আর কান্না করে বালিশ ভিজাচ্ছি,,আম্মুও কান্না করছে,,আব্বু দরজার সামনে দারিয়ে দারিয়ে আমার এরুপ কান্ড দেখছে,,আব্বু হাতে ওষুধ আর পানি নিয়ে আসলো,,
_ফারাহ,,মা এটা খেয়েনে,,
_খাবো না আব্বু,,
_দেখ মা নিজের জন্য না হলেও আমাদের জন্য খা,,
আব্বু আম্মু আমাকে জোর করে ওষুধ টা খাইয়ে দিল,,কাদতে কাদতে কিছুক্ষনের মধ্যে ঘুমিয়ে গেলাম,,
_ওকে ঘুমের টেবলেট দিয়েছি এখন মেয়েটা একটু ঘুমাক,,অনেক কান্না করেছে আজ,,
_আমার মেয়েটা আবার আগের মতো হবে না?
বলেই আম্মু কান্না করতে লাগলো,,আব্বু আম্মুকে শান্তনা দিয়ে বলল,,
_আল্লাহ ভরসা,,
চলবে,,,
(ভুল ত্রুটিগুলো হ্মমার দৃষ্টিতে দেখবেন🖤)

টঙ্গীতে একজন মহিলা ম্যা-ন-হো-লে পড়ে গিয়েছিল৷ ৩৬ ঘন্টা পার হওয়ার পর উনার লা** উদ্ধার করা হলো। অনেকদিন যাবতই নাকি ম্যানহোল...
29/07/2025

টঙ্গীতে একজন মহিলা ম্যা-ন-হো-লে পড়ে গিয়েছিল৷ ৩৬ ঘন্টা পার হওয়ার পর উনার লা** উদ্ধার করা হলো। অনেকদিন যাবতই নাকি ম্যানহোলের ওই ঢাকনাটা সরানো ছিল। সিটি কর্পোরেশনের লোকেরা গাফিলতি করে ঠিক করেনি।
হাঁটু সমান বৃষ্টির পানিতে ঢাকনা আছে কি নাই সেটা দেখারও কোন উপায় ছিল না। মহিলাটাও প্রতিদিনকার মতই যাতায়াত করছিলো।
শুনা গেলো এজন্য ফায়ার সার্ভিস দো-ষা-রো-প করছিল সিটি কর্পোরেশনকে আর সিটি কর্পোরেশন দো-ষা-রো-প করছিল ফায়ার সার্ভিসকে।
কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের একটা জ-ল-জ্যা-ন্ত মানুষ এভাবে চলে যাবে! অথচ মহিলার ৮ বছরের ছোট্ট ২টা জমজ বা-চ্চা রয়েছে।
এর দায় রাষ্ট্র কখনো এড়াতে পারে না। এর জবাব রাষ্ট্র কখনো দিতে পারবে না। বাংলাদেশই একমাত্র দেশ যে দেশে সবচেয়ে স-স্তা হলো মানুষের জা-ন 🙂

28/07/2025

রাতে দেরিতে ঘুমানোর জন্য" যেদিন থেকে চাঁদা দিতে হবে..সেদিন থেকে আমার শিক্ষা হবে।
গুড নাইট🙂

28/07/2025

Address

Dhaka
1207

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Love & Confession Bangladesh-LCB posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category