24/05/2025
ড. ইউনূস কোথায় হাত দিয়েছে জানেন ⁉️
কুমিরের মুখ থেকে বাংলাদেশকে উদ্ধার করেছেন উনি!!
ভারত একতরফাভাবে ১০ টি প্রকল্প হাসিনাকে চাপিয়ে দিয়ে নিজের স্বার্থ হাছিল করতে চাইছিল। যা ছিলো বাংলাদেশের মানুষের মরণ ফাঁদ, আর রেন্ডিয়ার কৌশলগত ও অর্থনৈতিক স্বার্থ।
*ত্রিপুরা-চট্টগ্রাম রেল সংযোগ প্রকল্পে হয়েছিল যেখানে ভারত পেত বিনামূল্যে ট্রানজিট সুবিধা, অথচ বাংলাদেশ এই সংযোগের কৌশলগত হুমকির মুখে পড়ত।
* চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহারের চুক্তি এতোটাই ভয়ংকর ছিলো যেখানে কৌশলে বঙ্গোপসাগর দখলে নিয়ে যেতো। যা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারত।
*সিলেট-শিবচর সংযোগ সড়ক নির্মাণ প্রকল্প।
যা ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে সরাসরি প্রবেশের সুযোগ করে দিত। এখানে তাদের ফায়দা হলো সেভেন সিস্টার্সকে নিজেদের কবজায় রাখা।
*পেট্রোলিয়াম পাইপলাইন সম্প্রসারণ প্রকল্পও স্থগিত করা হয়েছে, যেখানে ভারত ত্রিপুরা থেকে বাংলাদেশের জ্বালানি বাজারে প্রবেশের চেষ্টা করছিল।
মানে আপনাকে কিনতে বাধ্য করা হতো। ৫ টাকার জিনিস বাধ্য হয়ে ৫০ টাকা দিয়ে কিনতে হতো। আপনি চাইলেই চীন থেকে ১০ টাকা দিয়ে কিনতে পারতেন না।
*অভয়পুর-আখাউড়া রেলপথ প্রকল্পে ভারতের সামরিক ও বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহনের সুবিধা থাকলেও বাংলাদেশ কোনো কৌশলগত লাভ পেত না।
*আশুগঞ্জ-আগরতলা করিডর, এইডা ছিলো আরেক মরণ ফাদ। বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে যেখানে দিল্লি থেকে সরাসরি কম খরচ ও সময়ে সেভেন সিস্টার্সে যেতো।
*ফেনী নদী জল ব্যবস্থাপনা।এতো দিন ইচ্ছেমতো পানি ব্যবহার করেছে। তাদের লাভে নদী থেকে পানি তুলে নিতো এখানে আমরা পর্যাপ্ত পানি পেতাম না।
*ফারাক্কাবাদ সংস্কারসহ মোট ১০টি প্রকল্প সরাসরি ভারতের স্বার্থে পরিচালিত হচ্ছিল। উত্তরবঙ্গের মানুষ কি পরিমাণ সাফারার একমাত্র তারাই বলতে পারবে।
বন্য ,খরা দুটাই রীতিমতো উপভোগ করে। চীন চেয়েছিলো কাজটা করে দিবে কিন্তু ভারত সাপও মারে আবার সাপের লেজও জীবিত রাখে।
কথা হইলো সবকিছু বাস্তবায়ন হলে প্রতিরক্ষা বাহিনীরের দায়িত্ব বেড়ে যেতো অর্থাৎ সারাদিন ভারতকে ট্যাকেল দিতে দিতে হুশ থাকতো না। ঐ সুযোগে মাদক চোরাচালান, চোর বাটপার, বিশেষ করে র এর এজেন্টরা ইজিলি প্রবেশ করতো। সবচেয়ে বড় কথা হলো যদি কখনো যুদ্ধ হতো তাহলে আমার দেশের ভূমি ব্যবহার করেই আমাদের মাইর দিতো।
এই সাহসী সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশ নতুন করে তার কৌশলগত স্বাধীন।
#কালেক্টেড