Nahid Vai 01

Nahid Vai 01 সবাইকে আমার পেইজে স্বাগতম। আশা করি পাশে থাকবেন
(2)

16/03/2026

শুভ রাত্রি বন্ধুরা 🍂🥰

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে একজন মানুষ মৃত্যুর সাথে লড়ছে। নাক-মুখ পচে পোকা ধরেছে, তীব্র যন্ত্রণায় পড়ে আছেন র...
15/03/2026

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে একজন মানুষ মৃত্যুর সাথে লড়ছে। নাক-মুখ পচে পোকা ধরেছে, তীব্র যন্ত্রণায় পড়ে আছেন রাস্তার পাশে।

হাসপাতালের সামনে থেকেও চিকিৎসা পাচ্ছেন না—এটা কি আমাদের সমাজের ব্যর্থতা না?

দয়া করে কেউ মানবিক হয়ে এগিয়ে আসুন।
কোনো স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বা দায়িত্বশীল ব্যক্তি দ্রুত ব্যবস্থা নিন।

মানুষ মানুষের জন্য।

🎈🎈স্থান: চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে
পোস্টটি শেয়ার করে দিন যেনো কোন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বা দায়িত্বশীল কারো চোখে পড়ে। 🥲🥲👏👏

Good afternoon
14/03/2026

Good afternoon

✨✨সে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার আগে শেষবারের মতো তার মেয়েকে দেখতে চেয়েছিল… কিন্তু মেয়েটি তার কানে যা ফিসফিস করে বলেছিল...
13/03/2026

✨✨সে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার আগে শেষবারের মতো তার মেয়েকে দেখতে চেয়েছিল… কিন্তু মেয়েটি তার কানে যা ফিসফিস করে বলেছিল, তা তার ভাগ্য চিরতরে বদলে দিয়েছিল।
সে কাকুতি-মিনতি করছিল—মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আগে যেন একবার তার ছোট্ট মেয়েটিকে দেখতে দেওয়া হয়। কিন্তু মেয়েটি তার কানে যা ফিসফিস করে বলেছিল, তা তার পুরো ভাগ্যকে উল্টে দিয়েছিল।
দেয়ালে ঝোলানো ঘড়িতে ঠিক সকাল ৬টা বাজছিল, যখন সেল ব্লক-ডি এর ভারী লোহার দরজাটি কঁকিয়ে খুলে গেল।
পাঁচটা দীর্ঘ বছর।
পাঁচ বছর ধরে সে নির্দোষ বলে চিৎকার করেছে—নির্জীব কংক্রিটের দেয়ালের সামনে।
এখন, শেষ পথচলার আগে হাতে আছে মাত্র কয়েক ঘণ্টা।
মাতেও ভার্গাসের শেষ একটি অনুরোধ ছিল।
“আমি আমার মেয়েকে দেখতে চাই,” সে বলল, কণ্ঠ ভাঙা এবং ক্লান্ত।
“এটাই আমার একমাত্র ইচ্ছে।
সবকিছু শেষ হওয়ার আগে আমাকে আমার ছোট্ট এলেনাকে একবার দেখতে দিন।”
সবচেয়ে কমবয়সী অফিসারটি অস্বস্তিতে মুখ ঘুরিয়ে নিল।
সিনিয়র অফিসারটি হেসে মেঝেতে থুতু ফেলল।
“দোষীরা কোনো দাবি করতে পারে না।”
মাতেও ধীরে বলল,
“ওর বয়স মাত্র আট বছর।
তিন বছর ধরে আমি তাকে কোলে নিইনি।
আমি শুধু এটুকুই চাই।”
এই অনুরোধটি ধাপে ধাপে উপরে পৌঁছাল, যতক্ষণ না তা পৌঁছাল ওয়ার্ডেন কর্নেল ভার্গাসের কাছে—যার সাথে কোনো আত্মীয়তার সম্পর্ক নেই।
৬২ বছর বয়সী এই কঠোর মানুষটি বহু বন্দিকে তাদের শেষ যাত্রায় যেতে দেখেছেন।
কিন্তু মাতেওর ফাইল নিয়ে তার মনে সবসময় একটা অদ্ভুত সন্দেহ কাজ করত।
মামলাটা যেন একেবারে পরিষ্কার ছিল—
খুনের অস্ত্রে তার আঙুলের ছাপ, রক্তে ভেজা কাপড়, আর এক প্রতিবেশী যিনি শপথ করে বলেছিলেন যে সেই রাতে তিনি মাতেওকে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে দেখেছেন।
তবুও…
সেই চোখগুলো।
ওগুলো কোনো খুনির চোখ নয়।
তিন দশকের অভিজ্ঞতায় কর্নেল ভার্গাস চোখ দেখে মানুষ পড়তে শিখেছিলেন।
তিনি শান্তভাবে বললেন,
“মেয়েটিকে নিয়ে আসো।”
তিন ঘণ্টা পরে একটি সাদা ভ্যান কারাগারের গেটের সামনে এসে থামল।
একজন কেসওয়ার্কার নামলেন, আর তার হাত ধরে ছিল একটি ছোট মেয়ে—হালকা বাদামি চুল, আর চোখ দুটো যেন তার আট বছরের বয়সের চেয়েও অনেক বেশি প্রাপ্তবয়স্ক।
এলেনা ভার্গাস দীর্ঘ করিডোর দিয়ে হেঁটে গেল।
তার চোখে এক ফোঁটা জলও নেই, শরীরেও কোনো কাঁপুনি নেই।
সে পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় সেলের ভেতরের সব বন্দিরা নিঃশব্দ হয়ে গেল।
মেয়েটির মধ্যে যেন এক অদ্ভুত ভারী উপস্থিতি ছিল—যার নাম কেউ দিতে পারছিল না।
ভিজিটিং রুমে ঢুকে তিন বছর পর প্রথমবার সে তার বাবাকে দেখল।
মাতেও লোহার টেবিলের সাথে শিকল দিয়ে বাঁধা।
তার কমলা রঙের কারাগারের পোশাক ফ্যাকাশে হয়ে গেছে, দাড়ি এলোমেলো।
মেয়েকে দেখামাত্র তার চোখ দিয়ে অঝোরে জল পড়তে লাগল।
“আমার ছোট্ট মেয়ে…” সে ফিসফিস করে বলল।
“আমার এলেনা…”
এরপর যা ঘটল, তা সবকিছু বদলে দিতে চলেছিল।
এলেনা কেসওয়ার্কারের হাত ছেড়ে দিয়ে সরাসরি তার বাবার দিকে হাঁটতে লাগল।
কোনো দৌড় নয়।
কোনো কান্না নয়।
প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল ধীর, দৃঢ়—যেন সে হাজারবার মনে মনে এই মুহূর্তটা অনুশীলন করেছে।
মাতেও তার শিকল বাঁধা হাত দুটো বাড়িয়ে দিল।
এলেনা তার বুকে এসে জড়িয়ে ধরল।
পুরো এক মিনিট—নীরবতা।
কোণায় দাঁড়িয়ে থাকা গার্ডরা তাকিয়ে আছে।
কেসওয়ার্কার ফোন স্ক্রল করছে, যেন কিছুই ঘটছে না।
তারপর…
এলেনা তার বাবার কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে কিছু বলল।
কেউ সেই কথাগুলো শুনতে পায়নি।
কিন্তু সবাই দেখেছিল এরপর কি হলো।

মাতেওর মুখের রঙ এক মুহূর্তে ফ্যাকাশে হয়ে গেল।

তার চোখ বড় হয়ে উঠল, যেন হঠাৎ এমন কিছু শুনেছে যা তার ভেতরের সবকিছু নাড়িয়ে দিয়েছে। কয়েক সেকেন্ড সে স্থির হয়ে বসে রইল। তারপর ধীরে ধীরে তার চোখ ভিজে উঠল, কিন্তু সেই কান্না আগের মতো অসহায় ছিল না—তার মধ্যে ছিল বিস্ময় আর এক ধরনের আশা।

ওয়ার্ডেন কর্নেল ভার্গাস দূর থেকে সবকিছু লক্ষ্য করছিলেন। তিনি এগিয়ে এলেন।

“কি বলল তোমার মেয়ে?” তিনি জিজ্ঞেস করলেন।

মাতেও কিছুক্ষণ চুপ করে রইল। তারপর কাঁপা গলায় বলল,
“সে বলেছে… সে জানে আসল খুনি কে।”

ঘরের ভেতর যেন হঠাৎ বাতাস থেমে গেল।

কেসওয়ার্কার অবিশ্বাসের চোখে এলেনার দিকে তাকাল।
“তুমি কি বলছ, এলেনা?”

ছোট মেয়েটি শান্ত গলায় বলল,
“আমি সেই রাতটা দেখেছিলাম।”

সবাই হতবাক।

এলেনা তখন মাত্র পাঁচ বছরের ছিল। সবাই ধরে নিয়েছিল সে কিছুই বুঝতে পারেনি। কিন্তু সে ধীরে ধীরে বলল—

“সেদিন রাতে আমি ঘুমাচ্ছিলাম না। আমি জানালা দিয়ে দেখেছিলাম একজন লোক আমাদের বাড়ির পেছন দিয়ে দৌড়ে পালাচ্ছিল। সে বাবার মতো ছিল না… তার হাতেও রক্ত ছিল।”

ওয়ার্ডেনের চোখ সরু হয়ে এল।

“তুমি আগে কাউকে বলোনি কেন?”

এলেনা মাথা নিচু করে বলল,
“আমি বলেছিলাম… কিন্তু কেউ বিশ্বাস করেনি। সবাই বলেছিল আমি ছোট, আমি ভুল দেখেছি।”

মাতেওর চোখে আবার জল এল।
“আর তুমি এখন আমাকে এটা বলতে এলে কেন?”

এলেনা এবার বাবার দিকে তাকিয়ে খুব আস্তে বলল—

“কারণ আমি জানি কে ছিল সেই মানুষটা।”

ঘরে দাঁড়িয়ে থাকা গার্ডদের একজন হঠাৎ অস্বস্তিতে নড়ে উঠল।

এলেনা ধীরে ধীরে তার ছোট্ট আঙুল তুলে দরজার কাছে দাঁড়ানো সেই গার্ডটির দিকে ইশারা করল।

ঘরটা নিস্তব্ধ হয়ে গেল।

ওয়ার্ডেন কর্নেল ভার্গাস এক পা এগিয়ে এলেন।
“তুমি নিশ্চিত?”

এলেনা মাথা নাড়ল।

“আমি তার মুখ দেখেছিলাম। সে আমাদের প্রতিবেশীর বাড়ি থেকে বের হয়ে পালাচ্ছিল… আর পরে সেই লোকই আদালতে সাক্ষী দিয়েছিল যে বাবা খুনি।”

সবাই তখন বুঝতে শুরু করল—
মামলাটা যতটা পরিষ্কার মনে হয়েছিল, আসলে ততটা ছিল না।

ওয়ার্ডেন ভার্গাস সঙ্গে সঙ্গে আদেশ দিলেন,
“এই মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করা হচ্ছে। মামলাটা আবার খুলে তদন্ত করা হবে।”

সেই দিনের পর সবকিছু বদলে যায়।

নতুন তদন্তে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসে লুকানো সত্য। মিথ্যা সাক্ষ্য, জোর করে তৈরি করা প্রমাণ, আর সেই প্রতিবেশীর সঙ্গে জড়িত এক দুর্নীতিগ্রস্ত নিরাপত্তাকর্মী।

ছয় মাস পরে আদালত ঘোষণা করে—

মাতেও ভার্গাস নির্দোষ।

পাঁচ বছর পরে প্রথমবারের মতো সে মুক্ত আকাশের নিচে দাঁড়ায়। তার পাশে ছিল তার ছোট্ট মেয়ে এলেনা—যে শেষ মুহূর্তে তার বাবার জীবন বাঁচিয়েছিল।

মাতেও তখন শুধু একটাই কথা বলেছিল—

“সত্য কখনও কখনও দেরি করে… কিন্তু যদি কেউ সাহস করে তা বলে, তাহলে তা একদিন না একদিন আলোয় আসবেই।”,✨✨✨✨

💥💥প্রেমের টানে টাঙ্গাইল ঘাটাইলএসে নিজেকে চীনের নাগরিক দাবি করা ব্যক্তির বাড়ি বান্দরবান! যুবক পরিচয় দিলেও তার বয়স ৪২ ব...
13/03/2026

💥💥প্রেমের টানে টাঙ্গাইল ঘাটাইলএসে নিজেকে চীনের নাগরিক দাবি করা ব্যক্তির বাড়ি বান্দরবান! যুবক পরিচয় দিলেও তার বয়স ৪২ বছর এবং বান্দরবানের গ্রামের বাড়িতে আছে তার স্ত্রী সহ দুই সন্তান। 🤣🤣
বেশি পাকনামি করা ভালো না মেয়েটা এখন বোঝবে
🥲
সবাই শেয়ার করবেন যাতে সবাই শিক্ষা পায় 👏👏

💥💥“বিয়ের মাত্র ৩ দিন পরই স্বামী প্রবাসে, আর ঘরেই ওত পেতে ছিল লম্পট শ্বশুর! গৃহবধূ সাথীর মৃ’ত্যুর পেছনে কি লুকিয়ে আছে কোন...
13/03/2026

💥💥“বিয়ের মাত্র ৩ দিন পরই স্বামী প্রবাসে, আর ঘরেই ওত পেতে ছিল লম্পট শ্বশুর! গৃহবধূ সাথীর মৃ’ত্যুর পেছনে কি লুকিয়ে আছে কোনো কালো সত্য?”—মাদারীপুর সদরের উত্তর মহিষেরচর গ্রামে ঘটে গেল এক পৈশাচিক ঘটনা। মৃ’ত্যুর আগে সাথী আক্তার আ’র্তনাদ করে বলে গিয়েছিল— "শ্বশুর আমাকে খা’রাপ নজরে দেখে, একা পেলেই ধরতে চায়!" সেই প্রতিবা’দই কি আজ তাঁর জীবনের কাল হলো?
​💥💥 ঘটনার আদ্যোপান্ত: বিয়ের ৩ দিন পর স্বামী কায়েম ব্যাপারী প্রবাসে চলে যাওয়ার সুযোগ নেয় লম্পট শ্বশুর গোলাম ব্যাপারী। শুরু হয় অ’নৈতিক প্রস্তাব ও মানসিক নি’র্যাতন। স্বজনদের অভিযোগ, শ্বশুরের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সাথীকে শ্বাস’রোধ করে হ’ত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। অথচ পরিবারের ভাসুর ও ননদ সব জেনেও লম্পট বাবার পক্ষ নিয়েছিলেন—যা মা’নবিকতার চরম অবক্ষয়!
​ 💥💥"নিজের মেয়ের মতো বউকে কীভাবে কেউ এমন নোংরা নজরে দেখে?"— সাথীর পরিবারের এই কান্নায় আজ মাদারীপুরের আকাশ-বাতাস ভারী। অভিযুক্তরা এখন পলাতক থাকলেও এলাকাবাসীর একটাই প্রশ্ন—সাথী কি আদৌ বি’চার পাবে? নাকি অর্থ আর ক্ষমতার দাপটে ঢাকা পড়ে যাবে এই জঘন্য অ’পরাধ?
​💥💥 আমাদের সমাজ থেকে এমন হায়েনাদের নির্মূল করতে আপনাদের সোচ্চার হওয়া প্রয়োজন। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শা’স্তি তথা ফাঁ’সির দাবিতে ভিডিওটি শেয়ার করুন 👏👏👏

Good night everyone
12/03/2026

Good night everyone

সাবাস ইরান 👑👑
10/03/2026

সাবাস ইরান 👑👑

10/03/2026

জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হবে না।

প্রধানমন্ত্রী

এই বাবা গত চারদিন আগে ছেলের খোঁজে ঢাকার, ডেমরা এসে হারিয়ে গেছে।🥲উনার ছেলের নাম রাসেল। রাসেল রংয়ের বা পেইন্টিং এর কাজ ক...
10/03/2026

এই বাবা গত চারদিন আগে
ছেলের খোঁজে ঢাকার, ডেমরা এসে হারিয়ে গেছে।🥲

উনার ছেলের নাম রাসেল। রাসেল রংয়ের বা পেইন্টিং এর কাজ করে।

বয়স্ক চাচা চারদিন ধরে না খেয়ে দুর্বল হয়ে গেছে। খুঁজে ফিরে ক্লান্ত হয়ে পরে গিয়ে মাথা ফে**টে গেছে।🥲

সে এখন ঢাকার ডেমরা থানার সারুলিয়া শুকুরসি টালিপাড়ায় আছে।

প্লিজ সবাই শেয়ার করবেন 👏👏👏👏👏

Address

Street Adress
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nahid Vai 01 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category