দিনআনা হ্যালুসিনেশন

দিনআনা হ্যালুসিনেশন নিত্যরাত এর হ্যালুসিনেশন গুলো এখানে লিখি। আর কিছুই নাহ।।
কারন ভিতরে জমায় রাখার সামর্থ্য আর নেই।।

13/12/2024

এই ভালোবাসা আমাকে কষ্ট আর বেদনা ছাড়া দেয়নি কিছুই।।।

 #ভ্রম  পর্ব : ২২ রাত আগের কথা। আমি রামপুরার রাস্তা তে এক পা দু পা করে হেটে যাচ্ছি। দুম করে কেও যেন আমার হাত ধরে হাটা শু...
29/11/2024

#ভ্রম পর্ব : ২

২ রাত আগের কথা। আমি রামপুরার রাস্তা তে এক পা দু পা করে হেটে যাচ্ছি। দুম করে কেও যেন আমার হাত ধরে হাটা শুরু করেছে। একবার এই দিকে অন্যবার অই দিকে এভাবে ডান বাম করে খেয়াল ছলে সে হাটতেছে। মন টা আমার ভালো ছিল নাহ কিন্তু তার এই দুষ্টামী মন টাকে ভালো করে দিল। তাকে কাছে টেনে তার কোমর ধরে তার নরম ঠোট তাকে নিজের ঠোট নিয়ে বাধতে যাবো এমন সময় দেখি আমি আর সেখানে নেই আমি হটাৎ করে দেখি হাতিরঝিল চলে আসছি। পা ফেলায় বসে পরলাম। রাত ২ টা। কেও নেই। নিরব নিশ্চুপ পরিবেশ, কানের মধ্যে আওয়াজ ভাসতেছে, কেন করলি এমন, কেন আমাকে মিথ্যে বললি কেন দেখালি মিথ্যে বাস্তবতা, বলেছিলি যে সে এসে ঠিক করে দিবে তাইলে কেন আমার দম নিতে কষ্ট হচ্ছে। কই সে।। আমার আওয়াজ। আমি শুনতেছি , নিজেকে নিজে বলতেছি, না মনে মনে না,মুখ ফুটেই বলছি,, এইতো সব ঠিক হয়ে যাবে। এইতো আরেক টু।। ভিতর তা দাও দাও করে জ্বলতেছিল। অনুভব করলাম আমার কেনুই তে তার ছোয়া। আরেহ অনুভব কিভাবে করি রাত ৩ টা বাজতে যায় তো। কিন্তু অত ভাবার সামর্থ্য আমার নেই। হটাৎ করে যেন আমি অন্য এক দিনে চলে গেলাম যে দিনে সে আমার বুকে হেলান দিয়ে ছিল আর আমরা হাতিরঝিল থেকে গুলসান নদীপথ এ যাচ্ছিলাম। কই থেকে এক বিড়ালের আওয়াজ শুনে ফিরে আসলাম নদীর পারে। বুঝলাম সব টা ভ্রম ছিল। আমি জুন ২৫, ২০২৪ এর ৭ টার সময় টা কে পুনরায় অনুভব করতেছিলাম। আহা রে।। কি সুখ।। কিন্তু বুঝতেছিলাম আমার অতি শীগ্রই ডাক্তাত দেখানো প্রয়োজন, কারন দিন দিন পাবনার পাগলা গারদ এর পাগল এর সাথে আমার তফাৎ খুব এক্টা বাকী থাকতেছে না। রাত পার হচ্ছে আমি শেওড়া রেলগেইট এর অখানে দাঁড়ায়। ভোর এ একটা ট্রেন আসে। আমি হটাৎ করে থেমে গেছি রেইল লাইন এ। পা ২ টা বলতেছে এবার বিদাই নেই,, আর যে পারতেছিনা,, আর যে থাকতে পারতেছিনা,, আর যে নিতে পারতেছি না।। মাথাও তার সাথে হা মিলাতে যাবে এম্ন সময় এক মুরুব্বির চিল্লানি,, দেখলাম ট্রেন প্রায় কাছে,, জোরে জোরে বাশি বাজতেছে,, পিছন থেকে অই মুরুব্বি কতো কি গালি দিচ্ছে। আমি সামনে হাটা মারলাম।। খুব না ৪ ৫ সেকেন্ড দেরি করলে আমাকে কবর এ যাওয়া থেকে কেও আটকাতে পারতো না।। হাট তে হাট তে মিরপুর ১২ - সাগুপ্তা হয়ে বৃন্দাবন গেলাম,, অইকানেই বসে হেটে অনেক টাইম গেল,, জীবনের নানা কাহিনী ভাবতেছিলাম আর নিজের অজান্তেই হাসতেছিলাম।। নিজের উপর।।
মন চাচ্ছিল চিল্লাইয়া কান্দি
কিন্তু পুরুষ মানুষ।। সেই ক্ষমতা নেই।

টু বি কন্টিনিউ

 #ভ্রম পর্ব : ১আমি মানুষ টা খুব একটা ভাল যে তা কিন্তু না। মোটামুটি নেশা পানি ভালই করি,, আসলে  আসক্তি নেই, তা কিভাবে থাকব...
28/11/2024

#ভ্রম পর্ব : ১

আমি মানুষ টা খুব একটা ভাল যে তা কিন্তু না। মোটামুটি নেশা পানি ভালই করি,, আসলে আসক্তি নেই, তা কিভাবে থাকবে,, আসক্তি ছিল এক নারীর প্রতি তার আসক্তি আমায় নেশার জগতে পরিপক্ত করেছে আর করছে প্রতিনিয়ত।

যাইহোক কাহিনী তে ফেরা যাক।। এই গল্প টা বাস্তব । অই সময় আমার কাছে এটা ছিল আমার হ্যালুসিনেশন তাই আলহামদুলিল্লাহ আমি এই অনুভূতি টা অনুভব করেছি যা আজ একটু শেয়ার করবো।

রাতের সমর আবছা ঠান্ডা, মাস টা নভেম্বর এই তো কিছু দিন আগের কথা। সবাই কেবল কাথা কম্বল বের করতেছে, ঢাকা তে বরাবর এর মতো কম ঠান্ডা। রাত বাজে প্রায় ১১ টা। মন টা কেমন জানি করে,, কাওকে যেন কাছে পাওয়ার জন্য মনটা ছটফট করতেছে। চোখ এ বার বার পানি জমতেছে। বেরোয় পরলাম বাসা থেকে। বাবা কে বললাম, " আব্বু অফিসে খানিক টা কাজ বাকি আছে আমি কাল রাত নাগাদ চলে আসবো ” আব্বুর চোখে বিরক্তি,, কিন্তু কিছুদিন আগে জগড়া হওয়ায় না বললো নাহ। যেতে দিল। বেরোলাম,,, হাটতে হাটতে মিরপুর ১০ - ১২ করে উত্তরা চলে গেছি,, রাত বাজে ১ টা মতো। মন শান্ত হওয়ার নাম মাত্র নেই। এক এক করে ১ প্যাকেট সিগারেট শেষ। পরে ম্যাপ দেখে লেট নাইট একটা বার এ গেলাম, মদ্যপান জানি ক্ষতিকর কিন্তু তা আমার কাছে প্যারাসিটামল এর মতোই আপন। এক বোতল নিয়ে একটু একটু করে খাচ্ছি আর আমার প্রিয় মানুষ টার গাওয়া একটা গান শুনতেছি ইয়ারবাডস এ। একটু চরতেই লাগতেছিল আমার পাশে বসে সে গাইতেছে। একটু পর এক বার গার্ল আমার কাধে হাত দেয়, হা খুব স্বাভাবিক কিন্তু আমার কেমন যেন গায়ে আগুন জ্বলে উঠলো। বোতল থেকে সব টুকু মদ ব্যাগ এ থাকা ফ্লাস্কে ধেলে বেরয় গেলাম। ছিলাম রাজলক্ষী, বের হতেই এক বাস সামনে পায়। নাম হয়তো বলাকা নাকি কি ঠিক খেয়াল নাই। মহাখালী তে নামলাম। আরেক বার এর উদ্দেশ্যে কিন্তু সেখানে আমার ঢুকা হলোনাহ কারন গায়ে ছিল পাঞ্জাবি আর পায়ে ছিল স্যান্ডেল হিমুর মতো গেটআপ এ কি সব যায়গায় যাওয়া যায়। ওটা ছিল ভি আই পি। রাগারাগি করে এক রিকশা তে উঠলাম তখন ভাড়া অনেক কম ই পরে মহাখালী থেকে ধানমন্ডি ১০০ টাকা ঠিক করে গেলাম। রবীন্দ্রসরবর এর সামনে নেমে, এক সাইড এ বসলাম ফোন এ এক টা গান বাজায় পা ২ টা পানিতে দিলাম একটু পর পিছ থেকে কেও জানি বকে উঠলো যে এই পানিতে পা দিবিনা, ঠান্ডা লাগবে, আমি আওয়াজ শুনেই বুঝলাম এ তো আমার প্রিয়তমা,, পিছে না তাকায় বলে উঠলাম এই তুই কে রে আমাকে বলার। সে আমার হাত টেনে আমার গাল এ আস্তে করে থাপ্পড় দিয়ে চোখ গরম করে বললো আমি কে মানে? একটা থাপ্পড় দিব। আমার অধিকার আছে বলে বলছি। আমি হুম বললাম। হটাৎ করে অনেক শীত লাগছিল আমাদের ২ জন এর। ব্যাগ এ হাত দিয়ে শাল পেলাম, তার পরনে ছিল সালোয়ার। তাকে ছেড়ে আমি শাল গা তে দেই তা কি হয়? আমি তাকে দিলাম শাল,, সেও তো আমার ভালোবাসা,, আমাকে টেনে শাল বড় করে আমাকেও নিল তার কাছে আমার বুকে মাথা দিয়ে আমার দিকে তাকায় হিহি বললো আর খেলার ছলে বললো পিউ পিউ। আমি অনেক বিরক্ত হয়তেছিলাম কিন্তু বুকে আহ কি শান্তি।। আমি তার মাথায় আসতে আসতে হাত বুলায় কি এক মিষ্টি সুবাস তার গায়ে আহা। একটু পরে দেখলাম পাশে কিছু শুকনো ডাল আর পাতা আমি ওটা দেখে কাছে এনে লাইটার দিয়ে আগুন জ্বালালাম,, ভালো মতো আগুন জ্বালার পর তার পাশে ফিরে গেলাম। সে আমার বুকে হেলান দিয়ে পাশের লেক দেখতেছে। আমি একটু করে মদের বোতলে চুমুক দিচ্ছি। পুরো জায়গায় আমি আর ও ছাড়া কেও নাই। সে রাগ করতেছে আমার মদ আর সিগারেট খাওয়াতে কিন্তু মুখে কিছু বলতেছে নাহ। সে সামনে শাপলা ফুল দেখে তা এনে দেওয়ার বায়না করে। আমার দিকে ঠোট উল্টায় বাচ্চা বিড়াল এর মতো তাকায় উ উ করে।। তার কি চোখ আহা। তার চাহুনি এতটা মায়াবী না করতে পারিনাই। পা থেকে প্যান্ট গুটায় নামলাম পানিতে তাকে শাপলা এনে দিলাম। সে কি খুশি। লাফায় লাফায় আমাকে জড়িয়ে ধরে।। আধঘন্টা মতো আমার পাশে আমাকে জরিয়ে ধরে বসে থাকে। এরপর দেখি আমার বানানো বোন ফায়ার নিভার পথে আবারো কিছু ডাল পালা কুড়িয়ে দিলাম অখানে। সে আমাকে মজা করে বললো কাল এখানে যে বসবে তার পিছন পুরো লাল হয়ে যাবে। শুনে আমিও তার সাথে হাসাহাসি করলাম। সে সারাদিন কি বালছাল করছে আমাকে সব বলতেছে। যদিও জানি কিন্তু শুনতে মজা লাগে,, আগ্রহ নিয়ে শুনতেছি, যাতে তার খারাপ না লাগে।। একপর্যায় আমার মাথা অনেক ঘুরতেছিল আমি তাকাতে পারতেছিলাম না।। মদ এর বোতল অ খালি।। আমি তার কোল এ শুইলাম,, সে আমার লম্বা চুল এ হাত দিয়ে বুলাচ্ছে একটু পর পর কানের কাছে চুমু দিচ্ছে আমি তার কোমর জড়িয়ে ধরে আছি তার চিকন পেটে নাক মুখ গুজে।। হয়তো অনেকের কাছে বাজে লাগে কিন্তু তার ঘাম আমার কাছে আতর এর মতোন। আমি তাকে রীতিমতো শুকতেছিলাম,,অসম্ভব ভালো লাগে বলে কথা। সে আমাকে আবার আসতে থাপ্পড় দিয়ে বল্লো ঘুমা,, আমিও ঘুমের ঘোড়ে ডান বাম বলতে বলতে ঘুমায় গেলাম।। ফজরের আযান শুনে আমার ঘুম ভাঙলো। চোখ মিলে দেখলাম সে নেই আমি ব্যাগ এ মাথা দিয়ে ছিলাম ব্যাগ এর উপর শাল রাখা,, আমার মুখের উপর তার এ একটা ওড়না ভাজ করা,, যা আমি সবসময় সাথে রাখতাম। পাশে আগুন নিভে গেছে,পায়ে এক সের মশার কামড়। একটু পাশে সেই শাপলা যা আমি একটু আগেই আনলাম। কিন্তু সে কোথাও নায়। কিছু সময় চিল্লায় কান্না করলাম। কেও শুনার নেই। ব্যাগ থেকে পানির বোতল বের করে পানি মুখে দিলাম,, অ্যাংজাইটি এর একটা ওষুধ খেলাম। হাত অনেক কাপতেছিল।। এরপর সিগারেট টানতে টানতে রাস্তায় নামলাম।অনেকেই নামাজের জন্য বেরোয় ছিল তখন। আমি চলে গেলাম নতুন গন্তব্য তে সেই ভ্রম টুকু ফিরে পেতে। জানি সব টাই ছিল হ্যালুসিনেশন কিন্তু শান্তি পাইছিলাম,পাইছিলাম সুখ।।

টু বি কন্টিনিউ

 #মুখোশগল্পটা হচ্ছে এমন মানুষ এর  যাকে নিয়েই আমার হাজারো হ্যালুসিনেশনখাটো  করে একটা শ্যামলা বর্ণ এর এক টা মেয়ে। বয়স ১৯,,...
27/11/2024

#মুখোশ

গল্পটা হচ্ছে এমন মানুষ এর যাকে নিয়েই আমার হাজারো হ্যালুসিনেশন

খাটো করে একটা শ্যামলা বর্ণ এর এক টা মেয়ে। বয়স ১৯,,চেহারা দেখে লাগে এ বুঝি কেবল ১৬-১৭ হবে। উচ্চতা হবে এই ৫ ফিট ২-৩ মতো। খুব ই চিকন
প্রথম তাকে শাড়ি তে দেখে তার প্রেমে পরে গেছিলাম। কি সুন্দর তার চোখ,, হাসলে যেন কেমন একটা মায়া তার মুখে ভেসে উঠে,, শুধু যে তাই? নাহ তার থেকে এক অন্যরকম সুবাশ, মন টা আসলেই মুগ্ধ করে।
তার বাবা এই দুনিয়াতে নেই। ছোট বয়সে বাবাকে হারায় সে। পরিবার বলতে আছেই এই মা আর বোন। ছোট বেলা থেকে এক অনিহা আর ভালোবাসার অভাবে মেয়েটা বড় হয়। ছেলেদের সাথে খুব যে একটা ভাব তাও কিন্তু না। হাতে গুনা কিছু মেয়ে বান্ধবী আর মা বোন মিলেই ছিল তার সব কিছু। বড় হওয়ার সাথে সাথে এক ছেলের প্রতি তার ভালোলাগার সৃষ্টি হয়। হয়ে যায় তাদের মধ্যে প্রেম, কিন্তু জানা যায় এক সময় ছেলেটা তার সাথে বেইমানি করেছে। তার জীবনে এক কাল নেমে আসে। মা বোন এর ছায়ায় কোনো মতে সে বেচে উঠে। এভাবে কিছু বছর পার হতেই এক জন তাকে আদর যত্ন করা শুর‍ করে। পুনরায় সে তার মায়া তে পড়ে। ভাবে এবার হয়তো কাওকে পাইছে। কিন্তু ভাগ্য তাকেও পেতে দায়না সময় এর সাথে সাথে ছেলেটা তার সাথে বাজে ব্যবহার শুরু করে। তখন ক্লাবিং আর অনান্য সুত্রে আরেক জনের সাথে তার পরিচয় হয়,, সে বড়। বয়স হবে বেশ ২৪-২৫ তার সাথে বন্ধুত্ব হয় সেই মেয়ের। এভাবে একদিন তারা একসাথে এক বিয়ের দাওয়াত এ যায় সাথে আমাকে রীতিমতো জোর করেই তাদের সাথে নেওয়া হয়,, তখন কোনো সম্পর্ক ছিলনা আমাদের। আমি চলে আসি বিয়ে থেকে সন্ধ্যা বেলা,, মনে কেমন যেন করতেছিল।। যেন জীবনে কোনো এক কাল নামবে। সে রাত্রে অই ছেলেটা নাকি তাকে বাজেভাবে ব্রেনওয়াস করে। তার ডিপ্রেশন এর ফাইদা নিয়ে তাকে হোটেল এ নিয়ে যায়। তারা ঘনিষ্ঠ হয়,, কিন্তু ভাগ্যক্রমে সে তার স্বতিত্ব বাচাতে পারে। পরদিন ই সে নিজের ভুল বুঝতে পারে,, পরিতপ্ত হয় নিজের কাজে, খারাপ লাগে তার অনেক, বিধায় আমার কাছে এসে সব শেয়ার করে।। আমাদের বন্ধুত্ব ভালোই ছিল। ধীরে ধীরে সে আমাকে ভালোবেসে ফেলে।যেদিন আমাকে প্রোপোজ করে, আমি বলেছিলাম যে আমি পারবো নাহ এসব মেনে আগলাতে।। কিন্তু সে আমাকে বুঝায় আমিও তো জীবনে এক জন কে হারায় ভুল পথে গেছি, নেশার কাতারে নিজেকে ঠেলে দিছি। তেমনি সেও একটা ভুল করে ফেলছে,, বয়স, সময়, সব কিছুই এই ভুলের সাথে তাকে জরায় দিছে,, সে অনুতপ্ত , নিজের দিকে লজ্জায় তাকাতে পারেনা। সে আমাকে কথা দায় যে * বাবাই ( সে আদর করে আমায় বাবাই বলতো ) আমি তোর সব কষ্ট মুছে দিব। তোকে এই কষ্ট ভুলাই দিব। তোকে আমি শান্তি দিব। দেখবি সব ঠিক হয়ে যাবে।। আমি ছিলাম তুমুল কন্ট্রোলিং আর পসেসিভ সে মানায় নিতে চায় সব কিছুর সাথে। নতুনত্ব এর ছোয়া তার পোশাক এ পরেছিল ঠিক ই কিন্তু সে নাকি পারবে নিজেকে পর্দার আচলে রাখতে। আমিও ছিলাম লোভী। শান্তি জিনিস টা,, সুখ জিনিস টা জীবনে তেমন একটা অনুভব করতে পারিনাই,, তাই লোভ এ পরে যায়। বিশ্বাস করি তার কথায়।।

তার এই কথা তে আমিও গলে যায়।।
কিন্তু দীর্ঘ সময় সাথে কাটানোর পর আমাদের আর সাথে থাকা হয়না। শত স্বপ্ন বাজে ভাবে ভেঙে যায়।

এমন ই এক নারীকে নিয়ে আমার প্রাত্যহিক জীবনের হ্যালুনিয়েশন

মুখোশ বলার পিছে এক কারন আছে,, তা হলো ধীরে ধীরে আমি জানতে পারি সবটুকুই মিথ্যা ছিল। এই মুখোশ এ সত্যি এর ছিটে ফোটাও ছিল না। আমাকে খালি বাজে ভাবে ঠকানো হচ্ছিল। কিন্তু সেই মুখোশ টার প্রেমে পড়ে বার বার ফিরে গেছি আর বাজেভাবে ঠকেছি। না চাইতেও এই অন্তর হয়তো অনেক অভিশাপ দিছে তাকে।। রয়ে গেছে অনেক অভিযোগ। মানুষ টা সাথে নাই কিন্তু আমার ভ্রমের দুনিয়াই চির সাথি হয়ে রয়ে গেছে তা থেকেই এই পেইজ এর শুরু। অনেক হ্যালুসিনেশন ফেস করছি এখন তার থেকে কিছু টা শেয়ার করবো। যদি এতে কিছুটা হালকা লাগে

- টু বি কন্টিনিউ

Address

মায়ার শহর
Dhaka
1216

Opening Hours

Monday 00:00 - 05:00
Tuesday 00:00 - 05:00
Wednesday 00:00 - 05:00
Thursday 00:00 - 05:00
Friday 00:00 - 05:00
Saturday 00:00 - 05:00
Sunday 00:00 - 05:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দিনআনা হ্যালুসিনেশন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category