Classy Xui

Classy Xui Utilization of leisure,

12/08/2026

Onk obstacle par Kore 16 bosor age dhakay ashcilam ma baba r bongse first meye hisebe dhakay porte...Ami barrier er majhe thekei freedom nea cholte Jana Manus...kintu soto lok er soto Loki sojjo korte parina... Example Dea khb Valo kotha bolte sekha Manus Ami..Duita kotha bolle Valo kotha bolbo, k koto dukkhe ase ta dekhe amk shb sojjo Kore mene nea sikhe nte hbe ta Ami parina...

12/08/2026

আমাদের দেশের ৯০% পুরুষকেই ছোটবেলা থেকে এমনভাবে বড় করা হয় যে, বিয়ের পরও তাদের অনেক কাজের দায়িত্বটা স্বাভাবিকভাবেই একজন নারীর ওপর পড়ে যায়।
আর মজার ব্যাপার হলো, আমাদের দেশের বেশিরভাগ মহিলারাও পুরুষদের এভাবে দেখতেই অভ্যস্ত।স্বামীর যত্ন নেওয়া, তার কাজ করে দেওয়া, তাকে সামলানো—এসবকেই ভালো স্ত্রী হওয়ার অংশ মনে করা হয়।

আর ছোটবেলা থেকেই ছেলেদের কে শেখানো হয় যে রান্নাবান্না তোমার কাজ না ।ঘরের কাজ করা, ঘর গুছিয়ে রাখা, ঘর পরিষ্কার করা বেসিক যে কাজগুলো এগুলো মেয়েদের কাজ এগুলো তোমার কাজ না। তোমার কাজ হচ্ছে বাহিরে গিয়ে শুধু ইনকাম করা।

যে খেতে পারবে তাকে বেসিক রান্না অবশ্যই শেখানো উচিত। আর ঘরে তো শুধু মহিলারা একা থাকে না পুরুষরাও থাকে তো ঘর পরিষ্কার করা বিছানা গুছিয়ে রাখা, নিজের জামা কাপড় নিজে পরিষ্কার করা, নিজের জামা ,জুতা ,মোজা কোথায় কি আছে না আছে এসব জিনিস বা এগুলো তো যার যার কাজ এগুলো তো তার ই করা উচিত তাই না?

আমাদের দেশের বেশিরভাগ মহিলারাই ছেলেদেরকে ঘরের বেসিক কাজগুলা করা কেন জানি স্বাভাবিকভাবে নিতে পারেনা।

কয়েকদিন আগে একটা স্ট্যাটাস খুব ভাইরাল হয়েছিল যে যেসব মেয়েরা নিজে উপার্জন করে না তারা নিজেকে খরচ করে দেয় এরকম একটা ব্যাপার আমার আসলে এক্সাক্টলি মনে নাই যে লেখাটা কি ছিল তবে এরকম কিছু একটা ছিল। কিন্তু আমাদের দেশে কি আদৌ সেটা সম্ভব? আমাদের দেশের যেসব মেয়েরা উপার্জন করে তারা তাদের টাকাও খরচ করে নিজেকে ও খরচ করে :) কারণ আমাদের দেশের পরিপ্রেক্ষিতে এরকম জিনিস সম্ভবই না যে সে ঘরের কাজ করতে হবে না বা ঘরের কাছ থেকে রেহাই পাবে 😀
এটা সম্ভব ই না।তবে হ্যাঁ অল্প কিছু ব্যতিক্রম আছে সেটা আলাদা ব্যাপার।

সেদিন আমার মডারেটর ছিল না তো আমি একা একা তানবিন কে সাথে নিয়ে রান্না বান্না করলাম, তারপরে ইনবক্স সামলালাম। আবার একসাথে সবগুলা পার্সেল নিজের হাতে রেডি করলাম ।আর যেহেতু বেবি ফুড নিয়ে কাজ করি প্রোডাক্ট রেডি করে তারপরে পার্সেল প্যাকেজিং করতে হয়েছে সব কিছু আমি একা একা করেছিলাম।

তো এই যে সারাদিন এত একটা প্রেসার পুরো সবকিছু একা সামলানো আমার লেগেছে সেটা খুবই নরমাল ছিলো । তো যখন তানবিনের বাবা অফিস থেকে এসে আমাকে এক কাপ চা বানিয়ে দিল সেটা দেখে কয়েকজন খুবই অবাক হয়ে গেল জামাই চা বানিয়ে খাওয়াচ্ছে এটা একটা বিশাল ব্যাপার 😳

আলহামদুলিল্লাহ আই এম ব্লেসড ❤️
কিন্তু এই জিনিসটা কেন নরমাল হবে না আমার খুব জানতে ইচ্ছা করে।
কেন ভাই কেন?
যে প্লেটে খাবার খাবে সেই প্লেট ধোয়ার দায়িত্ব তার।
যে জামা পড়বে সেই জামা ধোয়ার দায়িত্ব তার।
যে খাবার খাবে মাঝে মাঝে রান্নাও সে করতে হবে।
এগুলা কেন নরমাল হবে না?

12/08/2026

একজন আমার সাথে গল্প করছিলেন। কথায় কথায় খুব flex করে বলছিলেন, বাচ্চা delivery দেওয়ার আগের দিনও রান্না করেছেন, delivery এর পর বাসায় এসে সেদিনই bathroom clean করা, রান্না করা—সব করেছেন। এমনকি hospital এ কী খাবেন, সেটাও বাসায় রান্না করে রেখে গিয়েছিলেন, ওইটুকুও করার মতো কেউ নাকি ছিল না!
উনার কথা শুনে আমার শুধু মনে হলো, কী অমানবিক, কী দুর্ভাগ্যের, কী নিষ্ঠুর একটা ব্যাপার!

আজকাল মানুষ জীবনে বাচ্চা কয়টা নেয়? ধরেন বেশি হলে ২/৩/৪টা। জীবনের এই precious অথচ physically and mentally toughest সময়টাতে একটা মানুষকে কেউ রান্না করে খাওয়াতেও পারলো না?(সে কিন্তু বাংলদেশেই থাকে পরিবারের সাথে)

মা বা শাশুড়ির কথা বাদই দিলাম।
নিজের husband ও না?

C-section হোক বা normal delivery, childbirth is not a joke. একটা মানুষ একটা প্রাণ পৃথিবীতে আনার পরপরই তার কাছ থেকে রান্না, ঘর পরিষ্কার, নিজের খাবার সবকিছু expect করা কতটা inhumane! তার ওপর থাকে postpartum এর হাজারটা physical আর mental struggle, breastfeeding এর কষ্ট,
কত কিছু!

আর আমরা অনেক সময় এটাকেই আবার এমনভাবে বলি,
আমি কিন্তু delivery এর পরেও সব করেছি!
যেন এটা achievement!

না, আমার কাছে এটা achievement না।এটা তোমার পাশের মানুষগুলোর অমানবিকতার প্রকাশ।সেই সময়টাতে তোমার পাশে মানুষগুলো কোথায় ছিল?
অন্তত যার বাচ্চাকে পৃথিবীতে আনার জন্যে এতো কষ্ট তার কাছে হেল্প আশা করাটাও যেনো অন্যায়!
একটা সদ্যজাত বাচ্চার মা যে অন্তত একটা সপ্তাহ সাংসারিক কাজ থেকে বিরত থাকবে এই basic expectation টাও যেন আমাদের সমাজে অসম্ভব!

2007
11/08/2026

2007

11/08/2026
10/08/2026

সব মানুষের সন্তান নেওয়া জরুরি নয়।

সন্তান নেওয়ার আগে ভাবতে হয়, আমি কি তাকে সময়, ভালোবাসা ও যত্ন দিতে পারব?

যদি কেউ মনে করেন তিনি প্রস্তুত নন, তাহলে সন্তান না নেওয়াও ভালো সিদ্ধান্ত।

সন্তান নেওয়ার আগে নিজের দায়িত্ব, সময় ও মানসিক প্রস্তুতি বুঝে নেওয়া দরকার।

কেউ যদি মনে করেন, তিনি এখনো সন্তান পালনের জন্য প্রস্তুত নন, তাহলে সন্তান না নেওয়াও একটি দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত।

10/08/2026

প্রশ্নঃ ৩০ হাজার বেতন পেতাম, ৪২ হাজারে সিলেটে জব পেয়েছি,
বউ বাচ্চাকে রেখে যেতে হবে, জয়েন করবো কি না।

উত্তরঃ বিয়ের পর অবশ্যই জামাই বৌ একসাথে থাকতে হবে।
স্পেস এক্সের জব অফারও যদি আপনাদের আলাদা থাকার কারণ হয়,
তবুও আমার মতে, বিয়ে করে আলাদা থাকা ঠিক হবে না।

বাচ্চা জন্মের পর যদি আপনার টেসলায়ও জব হয়
তবুও বাচ্চার সাথে থাকা হচ্ছে সেরা সিদ্ধান্ত।
কোনভাবেই বাচ্চাকে দূরে রেখে ক্যারিয়ার করার দরকার নাই।

কোন ভাবেই না, ফুলস্টপ ..

08/08/2026

ত্রিশ পেরোনো মেয়েগুলো অসম্ভব রকম সুন্দর। সুন্দর বলতে স্কিন, চুল, গড়নে সুন্দর সেটা না। ওদের বেঁচে থাকা সুন্দর। ওদের জীবন যাপনের ধরণ সুন্দর।

ত্রিশ পেরোলে ওরা বুঝতে পারে, ভালোভাবে বেঁচে থাকার মূলমন্ত্র হলো নিজের যত্ন করা। নিজের শিক্ষা, স্কিল, স্বাস্থ্যের যত্ন নেয়া।

ত্রিশের কোঠায় মেয়েরা বুঝে জীবনে ভালো থাকতে খুব বেশি মানুষ প্রয়োজন হয়না। অল্প কিছু সুন্দর মনের মানুষ হলেই হয়। ত্রিশের পরে বন্ধুত্বের গন্ডি ছোট হয়। এসময় কারো সাথে কারো বন্ধুত্ব আছে মানে বুঝে নিও এই বন্ধুত্বও দামী।

এসময় মেয়েরা স্বাবলম্বী হওয়ার আনন্দ টের পায়। এই সময় রেস্টুরেন্টে বিল দেয়া, কোথাও পরিবার নিয়ে ঘুড়তে গেলে প্ল্যান করা, মাসের বেতনের টাকা বা হাতখরচ পেয়ে শখের লিস্টে রাখা শাড়িটা কিনে ফেলাতে আনন্দ খুঁজে পায়।

ত্রিশের পর অকারণ ইগো, লজ্জা, অকারণ "কে কী ভাববে" থাকে না। এর বদলে সেখানে জায়গা নেয় আত্মসম্মান, কোথাও আঘাত পেলে সেখান থেকে সরে আসার সুন্দর নীরব কৌশল।

এসময় কাজের ফাকে কফিমগ হাতে নিয়ে বই পড়তে ভালো লাগে। এসময় রাস্তায় চলতে আগের চেয়ে সেফ লাগে, এসময় নিজেকে শক্ত রাখতে পারলেই আশেপাশের সব জঞ্জাল এড়ানো যায়। নিজেকে মেয়ে মনে হয়না, নারী মনে হয়। কেউ তাকালে তার দিকেও সোজা তাকানো যায়। অফিস শেষে বাসায় ফেরার পথে রিকশায় খোলাচুলে হালকা বাতাস লাগলে জীবন সুন্দর মনে হয়। এসময় নিজের ইনকামের টাকা থেকে কাউকে হেল্প করতে পারলেও খুশি লাগে।

এসময় নিজের ছোটখাটো সব অর্জন সেলিব্রেট করতে ইচ্ছা হয়। নিজেকে আচমকা একটা দুটো আড়ংয়ের আংটি বা ব্রেসলেট গিফট করতে ভালো লাগে। ত্রিশের পর নিজেকে ভালোবাসতে সবচেয়ে বেশি ইজি লাগে অন্যদের পেছনে এনার্জি ব্যায়ের চেয়ে।

ত্রিশের পর বোকা বোকা কারণে কান্না পায়না, অকারণ মন খারাপ হয়না। পঁচিশে কেউ দোলনচাঁপা দেয়নি বলে সব শূন্য লাগা মেয়েটা ত্রিশে এসে পরিপূর্ণ নারী হয়। নিজের জন্য কখনো দোলনচাঁপা বা লিলি সে নিজেই কিনতে শিখে। বিশের ভুলগুলোও শুধরে নেয়া হয়। বিশে যাকে সহজেই কষ্ট দেয়া যেতো তাকে ত্রিশে দেয়া যায়না। এসময়ের মেয়েগুলোকে মূল্য দিয়ে কথা বলতে হয়, কাজের মূল্যায়ন ও করতে হয়। এদের সাথে সিদ্ধ জলপাই কালার জামদানীর কাউন্ট নিয়েও কথা বলা যায়, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে পৃথিবীর অর্থনীতি কেমন হবে এটাও আলোচনা করা যায়।

এ সময়ের এলোচুল সুন্দর , এলোমেলো হাতখোঁপাও সুন্দর। একটা দুইটা পাকা চুলের আভাস ও সুন্দর। চোখের পাশের রিঙ্কেলস সুন্দর। ঠোঁটের পাশে হাসির দাগ সুন্দর। এসময় চিকন পাড়ের সুতি শাড়ি সুন্দর। হালকা খয়েরী লিপস্টিক শেড সুন্দর। শীতের আগেই নিজের পছন্দে কেনা লোশনের স্মেল সুন্দর। রান্নার তেলে পেয়াজ আর এলাচ দারুচিনি ভাজার ঘ্রাণ সুন্দর।

ত্রিশের পরের স্বপ্নগুলো সুন্দর। নিজের ক্যারিয়ার, বাবা মা, স্বামী সন্তানদের নিয়ে ভালো থাকার ইচ্ছেগুলো সুন্দর। গোছানো সংসার হলে সারাদিন ঘরে পড়ে থাকাও সুন্দর। আবার একা থাকা, সোলো ট্রিপে যাওয়াও সুন্দর।

বাসার যে কোনো কিছুতে মতামত দিতে পারার মতো ম্যাচুরিটি আসে এসময়। কাকে কতটুকু মূল্য দিতে হবে এসময় শিখে মেয়েরা। শেখার পর আর পেছন ফিরে তাকায় না। এসময় মানুষ ক্ষমা করতে শিখে। মনে রেখে মন ভারী করাটা ভুল- এটা বুঝে। এসময় যে লাইফ থেকে চলে যায় তাকে এগিয়ে দেয়া শিখে। ত্রিশের পর নতুন সংসার শুরু করা মেয়েরা খুব গুছিয়ে শুরু করে। আবার যারা আগে শুরু করেছে তারাও এসময় আরো গোছানো হয়ে ওঠে। মাসের বাজেট করাও শিখে আবার শখ পূরণও শিখে। মায়ের ওষুধ, বাবার লোনের ইন্সটলমেন্ট সব এদের মাথায় থাকে।

এবয়সে নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা চাওয়া যায়। এতে ছোট হতে হয়না। বরং আরো শক্ত ব্যাক্তিত্ব ফোটানো যায়। মেয়েরা পছন্দের মানুষের ছোট ছোট দায়িত্ব নিতে শিখে এবয়সে। প্রিয় মানুষকে একটা পাঞ্জাবী বা মানিব্যাগ কিনে দিতে ভালো লাগে। এসময় স্বাবলম্বী হওয়ার প্রবল ঝোক থাকে। কারো ঘাড়ে চেপে বসাটা যে চিরস্থায়ী বস্তু না এসময়ই উপলব্ধি হয়।

ত্রিশের পর অকারণ আদিখ্যেতা থাকে না। অস্থানে দুটো বাক্য বেশি ব্যায়ের ইচ্ছা থাকে না। কিন্তু ভালো বন্ধুর সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা গল্প করা যায়। ত্রিশের পর মেয়েরা জানে জীবনে কি রাখতে হবে কি সরাতে হবে। জানে কিছুতে দু:খ পেয়ে কতক্ষণ কাঁদলে মানায়, তারপর উঠে দাঁড়িয়ে কি করতে হয়। শৈশব কৈশোরে আঘাত পাওয়া মেয়েরা এবয়সে সামলে যায়। আঘাত যে তাকে কষ্ট দিলেও থামাতে পারেনি এটা সে প্রমাণ করতে শিখে।

ত্রিশ পেরোনো মেয়েরা সুন্দর। সদ্য ফোটা অর্কিডের শক্ত ডাটার মত সুন্দর। ফুটন্ত ফুল, দীর্ঘস্থায়ীত্ব আর মজবুত সুন্দর। নকশিকাঁথার সেলাইয়ের ফোড়ের মত সুন্দর। মায়ের আঁচলের মত যত্নবান এরা আবার বাবার চশমার মত দায়িত্বশীল।

নতুন গজানো চারাগাছের মত কোমল এরা।
চকচকে হীরের মত কঠিনও এরা।

ত্রিশ পেরোনো মেয়েরা বৃষ্টি ভেজা পৃথিবীর মত সুন্দর। পাতায় পাতায় আগের জমা ধূলা ধুয়ে গিয়ে নতুন পাতা গজানো জারুল গাছের মত সুন্দর।

শোনো, ত্রিশ পেরোনো মেয়েরা, আনন্দ নিয়ে বাঁচো। যে জীবনে আসতে চায়, থাকতে চায় তাকে থাকতে দাও, চলে গেলেও যেতে দাও। সব জঞ্জাল এড়ানো শিখে নিজের বেঁচে থাকাকে সেলিব্রেট করো।

03/08/2026

মনে হয় কেউ যদি সকালে নাস্তাটা রেডি করে দিতো, ডাইনিং টেবিলে দুপুরের খাবারটা সাজিয়ে দিতো । রাতে হালকা খাবার এগিয়ে দিয়ে হাসি মুখে বলতো রাত জাগতে নেই বেশী ক্ষণ মোবাইল দেখবেন না কিন্তু ঘুমিয়ে পড়বেন । কিন্তু এই ভাবনা গুলি কখনও বাস্তবায়ন হবে না ।
খাবারের পর ঔষদ খেতে হবে , না খেয়ে থাকলে পেটে গ্যাস হবে , শরীর দূর্বল হবে তাই ইচ্ছে হোক বা না হোক কিছু খেতেই তো হবে আর তাই রান্না ঘরেও যেতে হবে কারণ আমি ছাড়া এই কাজ গুলি করার আর কেউ নেই । শুধু প্রার্থনা স্রষ্টার কাছে প্রভু জীবনের শেষ মুহূর্তটি পর্য্যন্ত সুস্থ রাখুন , কর্মক্ষম রাখুন এবং অন্যের উপর নির্ভরতা থেকে আমাকে মুক্ত রাখুন ।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Classy Xui posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category