24/06/2026
বউ কে? যাকে তিনবার কবুল বলার পরপরই তার শারীরিক চাহিদা, অর্থনৈতিক চাহিদা, শখ আবদার, আবেগিক চাহিদা, সামাজিক চাহিদা এমনকী বিলাসিতার চাহিদার দায়িত্ব স্বামীর উপর বর্তায়। এবং ব্যপারটা খুবই স্বাভাবিক। অর্থাৎ সে সবচেয়ে বেশি ইম্পর্ট্যন্ট। সে আপনার আত্মা ও দেহের একটা অংশ। রিলিজিয়াস পার্টটা বলার কারণ হল বিয়ে সবাইকে যার যার ধর্ম অনুসারেই করতে হয়। এইটা কোন ডোমেস্টিক পার্টনারশিপ না। এইটা বিয়ে। বিয়ে পরিবার সৃষ্টি করে। পরিবার সমাজের একটা প্রতিষ্ঠান। পুরুষতন্ত্র এবং ধর্ম দুইটাই পুরুষের এইসব দায়িত্ব অর্পণ করে।
এবং সুস্থ স্বাভাবিক পুরুষের মনও এইরকমই। একটা অভিজ্ঞতা বলি, অফিসের পিয়ন তার বউয়ের জন্য চারসেট কাপড় কিনে বৃহস্পতিবারে বাড়ি যাইতেসিল, বলতেসিলো, বাড়িতে আমি থাকি না তো আপু কহিনুরের অনেক মুড চুইং হয়। হি নোজ এবাউট মুড সুইং। এইটারে বলে ইমোশনাল কেয়ার। আরও একটা ছেলে কলিগ বসে বসে জর্দাভাত বানানো দেখতেসিল ইউটিউবে তার সন্তানসম্ভাবা বউ খেতে চেয়েছে বলে। এইটা ইমোশনাল কেয়ার। প্রায়রিটি। এইটা কোন ধন সম্পত্তি না। সে কারণে এইটা আপনি অনেক রিকশাঅলার মধ্যেও দেখবেন। এত দুঃখ এত দারিদ্র্য নিয়ে ওরা হাসে কীভাবে? আনন্দ পায় কোথেকে? ভালবাসা আছে বলে।
ধরেন একটা মেয়ে টের পাইল এই জিনিসটা তার লাইফে মিসিং। এমন একটা জিনিস মিসিং যেইটা আসলে সবার আছে। গরিবেরও আছে। কিন্তু ওই স্পেসিফিক মানুষটার নাই। ত মেয়েটা কী করবে? প্রথমদিকে মেয়েটা মনটন জাতীয় জিনিসপত্র জয় করতে চায়। যতবার যায় তারে আউটসাইডার ফিল করানো হয়। ঝগড়াঝাটি, মিটিং ইত্যাদি ঘটে। একঘর মানুষ জড়ো হয়ে বলে এই একটিমাত্র বউ তাদের আটদশজন মানুষকে নির্যাতন করতেসে।
মিসিং জিনিসটা ত আসলে মিসিং না। অইটা অন্য একটা জায়গায় থাকে। ওই গল্প যা স্ত্রীর সাথে করার কথা সেইটা অন্যজনের সাথে করে, যা তার আর তার স্ত্রীর ব্যাপার সেইটা সে অন্য যে, তার সাথে শেয়ার করে। যে গুরুত্ব স্ত্রীর পাওয়ার কথা সেইটা অন্য কেউ নেয়। যাকে এগুলি দেয়া হয় ওই ব্যক্তিকে ওই নারীর ইমোশনাল হাজবেন্ড বলা হয়।
সেই নারীটি কখনও মা কখনও বোন কখনও পরিবারের অন্য সদস্য হয়। যেমন ভাবি, মেয়ে কাজিন, অনেক সময় স্ত্রীর বোন। যে কোন একজন। এক্ষেত্রে স্ত্রীকে বারবার মনে করিয়ে দেয়া হবে ওই নারী স্ত্রীর থেকে গুরুত্বপূর্ণ। ওই নারীটিও স্ত্রীটিকে তা বুঝিয়ে দিতে চায়। দ্বিতীয়গুলোতে ঘনিষ্টতা আরও নোংরা পর্যায়ে যায়।
©️