আম জনতা Mango people

আম জনতা Mango people “জনগণ কথা বলুক, আমজনতার কণ্ঠে।”

28/05/2025
জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যানুযায়ী, চীনে নারীর তুলনায় পুরুষের সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি বেশি।এ দিকে আমদের দেশে উলটো। 😀বিস্...
27/05/2025

জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যানুযায়ী, চীনে নারীর তুলনায় পুরুষের সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি বেশি।
এ দিকে আমদের দেশে উলটো। 😀

বিস্তারিত: https://www.somoynews.tv/news/2025-05-27/R61KNBAY

নাগরিকদের ‘বিদেশি বউ কেনা’ বিষয়ক অনলাইন ম্যাচমেকিং স্ক্যাম থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে ঢাকার চীনা দূতাবাস...

গল্প: “চিঠির শেষ লাইন”নীলা আর অর্ণব—বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় প্রথম দেখা। দুজনেই সাহিত্যপ্রেমী, কবিতার প্রতি একটা দুর্ব...
14/05/2025

গল্প: “চিঠির শেষ লাইন”

নীলা আর অর্ণব—বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় প্রথম দেখা। দুজনেই সাহিত্যপ্রেমী, কবিতার প্রতি একটা দুর্বলতা ছিল দুজনেরই। সময়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা, আর ভালোবাসা থেকে হাজারটা স্বপ্ন গড়ে উঠেছিল।

কিন্তু জীবনের বাস্তবতা সহজ ছিল না। অর্ণব পড়াশোনা শেষ করেই দেশের বাইরে চাকরির অফার পায়, আর নীলা থেকে যায় ঢাকাতেই। তারা দূরত্ব মেনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, কিন্তু প্রতিশ্রুতি দেয়—ভালোবাসা অটুট থাকবে।

বছরের পর বছর কেটে যায়। হঠাৎ একদিন অর্ণবের একটি চিঠি আসে নীলার ঠিকানায়। চিঠিতে লেখা:

> “নীলা,
প্রতিদিন তোমাকে মনে পড়ে। তোমার হাসি, তোমার সেই নীল শাড়ি, আর সেই শেষ বিকেলের হাঁটাটা…
আমি জানি, সময় সব বদলে দেয়, কিন্তু একটা জিনিস আমি কখনো বদলাতে দিইনি—তোমার জন্য আমার ভালোবাসা।

ফিরে আসছি। যদি এখনও অপেক্ষা করো… তাহলে পুরনো সেই কাঠের বেঞ্চটায় দেখা হবে, যেখানে আমরা প্রথম কবিতা পড়েছিলাম।

অর্ণব”

নীলা চিঠিটা পড়ে অনেকক্ষণ চুপ করে বসে থাকে। চোখে জল, কিন্তু মুখে একটুখানি হাসি।

দুদিন পর সেই কাঠের বেঞ্চের কাছে এক জোড়া চেনা পা থামে… এবং দুই জোড়া চোখ আবার গল্প শুরু করে

14/05/2025

Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars - they help me earn money to keep making content you love.

Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars!

প্রকৃতি
21/02/2025

প্রকৃতি

“এক মুঠো ভাত”গ্রামের পাশে ছোট্ট একটি নদীর ধারে বাস করতো রাহুল আর মীরা। রাহুল ছিল একজন কৃষক, আর মীরা ছিল তার স্ত্রী। তাদে...
25/12/2024

“এক মুঠো ভাত”

গ্রামের পাশে ছোট্ট একটি নদীর ধারে বাস করতো রাহুল আর মীরা। রাহুল ছিল একজন কৃষক, আর মীরা ছিল তার স্ত্রী। তাদের জীবনে বিলাসিতা ছিল না, কিন্তু তাদের সংসার আলো করেছিল ভালোবাসা আর বিশ্বাস। প্রতিদিন রাহুল ভোরে উঠে মাঠে যেত, আর মীরা বাড়িতে রান্না-বান্না, সেলাই করে সংসার চালানোর কাজে সাহায্য করত।

একদিন সন্ধ্যাবেলা, রাহুল খুব ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফিরলো। পুরো দিন কাজ করার পর সে ভেবেছিল যে, বাড়ি এসে মীরার রান্না করা গরম ভাত আর ডাল খেয়ে প্রশান্তি পাবে। কিন্তু বাড়িতে এসে দেখে, মীরা কিছুই রান্না করেনি। তার মুখে হতাশার ছাপ।

রাহুল চিন্তিত হয়ে বললো,
“মীরা, কী হয়েছে? তুমি এত চুপচাপ কেন?”

মীরা মাথা নিচু করে বললো,
“আজ চাল ফুরিয়ে গেছে। আমি চাইলের দানা পর্যন্ত খুঁজে পাইনি। তোমার জন্য কিছু রান্না করতে পারিনি।”

রাহুল মীরার পাশে এসে বসল। তার মন ভারী হয়ে গেল, কিন্তু সে মীরাকে দোষ দিল না। বরং মীরার চোখের পানি মুছিয়ে বললো,
“তুমি কষ্ট পেয়ো না। আমরা তো একে অপরের সাথে আছি, এটাই সবচেয়ে বড় বিষয়।”

পরের দিন রাহুল ভোরে উঠে বাজারে গেল। তার কাছে যা সামান্য টাকা ছিল, তা দিয়ে কিছু চাল কিনলো। কিন্তু সে মীরাকে একটি বিশেষ চমক দেওয়ার পরিকল্পনা করলো।

রাহুল শুধু চাল নয়, কিছু মিষ্টি আর ফলও কিনে আনলো। সন্ধ্যাবেলা সে ঘরে এসে মীরাকে বললো,
“আজ তুমি চুপচাপ বসে থাকো। আজ রান্না আমিই করবো।”

মীরা অবাক হয়ে দেখলো, রাহুল কী সুন্দরভাবে রান্না করছে। গরম ভাত, ডাল আর তরকারি রান্না করলো সে। যখন সব কিছু প্রস্তুত হলো, তখন সে মীরাকে বললো,
“এবার চল, একসাথে খাই।”

সেই রাতে তারা একসাথে খেতে বসলো। মীরা হাসলো, আর বললো,
“তুমি শুধু আমার স্বামী নও, তুমি আমার জীবনের সবচেয়ে বড় বন্ধু। তোমার মতো মানুষ পাশে থাকলে দারিদ্র্য আর কষ্ট কোনো ব্যাপারই না।”

রাহুল মীরার হাত ধরে বললো,
“আমাদের ভালবাসা আমাদের জীবনের সব অভাব পূরণ করতে পারবে। তোমার হাসি আর আমার পরিশ্রম—এটাই আমাদের সুখের চাবিকাঠি।”

সেই দিন থেকে তারা আরও শক্ত বন্ধনে বাঁধা পড়লো। কষ্ট তাদের কাছে হার মানলো, কারণ তাদের কাছে ছিল একে অপরের প্রতি অগাধ বিশ্বাস আর ভালোবাসা।

---

শেষ কথা:

এই গল্প শুধু রাহুল আর মীরার নয়; এটি প্রতিটি দম্পতির, যারা একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে কষ্টকে জয় করে। ভালোবাসা কোনো শর্তে টিকে থাকে না, বরং এটি বিশ্বাস আর ত্যাগের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে।

কেমন লাগলো গল্পটি?

Please follow this pagehttps://www.facebook.com/profile.php?id=61567455433346&mibextid=LQQJ4d
15/11/2024

Please follow this page

https://www.facebook.com/profile.php?id=61567455433346&mibextid=LQQJ4d

আমাদের মাধ্যমে আপনি আপনার প্রিয় বন্ধু বা শিক্ষক সম্পর্কে আপনার অনুভূতি লিখে প্রকাশ করতে পারেন দেশের যে কোনো জায়গা থেকে । এটি একটি ডায়েরির মতো স্মৃতি হয়ে থাকবে। পোস্ট করতে চাইলে আমাদের ইনবক্স করুন।

Address

Rajshahi
1207

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আম জনতা Mango people posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share