Rakib Shikder

Rakib Shikder ❀๑▬▬▬๑﷽๑▬▬▬๑❀ Always Follow Your Dream and Don't let Anyone Take it From You.�

দুইজন বাবার দুই আদরের কন্যা।একজন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পায়,আরেকজন লাশ হয়ে অসহায় বাবাকে যেন প্রশ্ন করে-নিরাপত্তাই ...
21/05/2026

দুইজন বাবার দুই আদরের কন্যা।
একজন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পায়,আরেকজন লাশ হয়ে অসহায় বাবাকে যেন প্রশ্ন করে-নিরাপত্তাই যদি দিতে না পারবা তবে পৃথিবীতে আনছিলা কেন?

রামিসা!
এই দুর্বল বাবার ঘরে জন্ম না নিয়ে তারেক রহমানের পোষা বিড়াল হয়ে জন্ম নিলেও হয়তো জীবনের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পাইতা।

আজকালকার পোলাপানরা হয়তো একে চিনবে না। এর নাম হলো রসু খাঁ। ওর সাথে আমি কারাগারে ছিলাম। ২০০৯ সালে একে এরেস্ট করা হয় ১১ জন ...
21/05/2026

আজকালকার পোলাপানরা হয়তো একে চিনবে না। এর নাম হলো রসু খাঁ। ওর সাথে আমি কারাগারে ছিলাম। ২০০৯ সালে একে এরেস্ট করা হয় ১১ জন নারীকে ধর্ষন+হত্যা করার জন্য। নারীদের যোনীপথে সিগারেটের ছ্যাঁকা দেওয়া, স্তন কেটে ফেলা সহ এমন কিছু জিনিস করতো যা লেখতেও মন চাচ্ছে না। রসু খাঁর স্বপ্ন ছিলো ১০১ টা নারী ধর্ষন করে এরপর তওবা করে ভালো হয়ে যাওয়া, তো ২০০৯ সালে এরে ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়। কিন্ত এখন ২০২৬ সাল চলে, এখনো এর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয় নাই। ১৭ বছর ধরে জেলে বসে রিলাক্সে জনগনের ট্যাক্সের টাকায় ফ্রিতে খাওয়া দাওয়া, চিকিৎসা পাচ্ছে। কাদের টাকা এগুলা? ওই ১১ জন ভিক্টিমের পরিবারের ট্যাক্সের টাকাও তো এখানে ব্যয় হচ্ছে। পশ্চিমা আইনব্যবস্থা এত জঘন্য যে, যেই ব্যাক্তি আপনার মা বোন,মেয়েকে রেপ করবে তাকে আপনি আপনার টাকা দিয়ে পালবেন। সে জেলে বসে খাবে, ঘুমাবে আর পাশের কয়েদিদের রসিয়ে রসিয়ে আপনার মা বোনের উপর হওয়া অত্যাচারের বর্ণনা দিবে আর সেসব কয়েদিরাও কল্পনায় আপনার মা বোনকে আরেকবার ধর্ষন করবে। রাস্ট্র ট্যাক্স নিবে অথচ ন্যায়বিচার দিতে পারবে না। এখানে শরিয়াহ আইন থাকলে ১ সপ্তাহে বিচার হতো, তাও জনসম্মুখে। গতবছরের আছিয়া নামের মেয়েটা যে মারা গেলো, ন্যায়বিচার পাইছে? এইবারের রামিশাও পাবে না।

18/05/2026

বাহ! কী দারুণ এক বিজয়!

পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানেরা এইবার গরু কিনতেছে না কুরবানির জন্য। হিন্দুত্ববাদীদের কী আনন্দ! গো-মাতা রক্ষা পাইলো। গেরুয়া পতাকা উড়তেছে। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে মিষ্টি বিতরণ চলতেছে।

কিন্তু মহারাজ এক সমস্যা।

গরুটা পালতো কে? দরিদ্র হিন্দু খামারি। সারা বছর খাটাখাটনি কইরা, খড়-বিচালি জোগাড় কইরা, ঋণ লইয়া একটা গরু বড় করতো এই বেচারা। আর কিনতো কে? মুসলমান; কুরবানির জন্য।

এখন মুসলমান কিনতেছে না। কারণ? গো-রক্ষকদের ভয়। বাজারে গরু লইয়া যাওয়া মানে লাঠির বাড়ি, পুলিশের হ্যাঁপা, লিঞ্চিং-এর ঝুঁকি। কে যাইবো এই ঝামেলায়?

ফলাফল?

খামারি হিন্দুর গরু গোয়ালে বইসা আছে। কেউ কিনতেছে না। খাবার খাইতেছে কিন্তু দাম উঠতেছে না। ঋণের কিস্তি কে দিবে? মহাজন চড়া সুদে ঋণ দিছে খামারিদের।

হিন্দুত্ব রক্ষা হইলো কিনা জানিনা কিন্তু হিন্দু খামারি ফকির হইলো।

এইটাই তো নিয়ম। সাম্প্রদায়িকতা সবসময় প্রথমে মারে নিজের লোকেরে।

17/05/2026

একটি বিশেষায়িত প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে কেমন উপাচার্য প্রয়োজন, তা নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। কিন্তু সেই ন্যায্য দাবিকে যারা হামলার মাধ্যমে দমন করতে চায় তারা আর যাই হোক, কোনো সুস্থ ধারার আদর্শের প্রতীক হতে পারে না।

আজকের এই ঘটনা আমাদের সামনে একটি বড় এবং আশঙ্কাজনক প্রশ্ন ছুড়ে দেয়:
"যারা শিক্ষাঙ্গনে একটি সাধারণ প্রাতিষ্ঠানিক আন্দোলনকে সহ্য করতে পারে না এবং বলপ্রয়োগ করে দমন করতে চায়, ভবিষ্যতে কোনো সরকারবিরোধী বা সরকার পতনের আন্দোলন হলে, তারা কতটা হিংস্র রূপ ধারণ করতে পারে?"

আমরা অতীতেও দেখেছি, ক্ষমতার চেয়ার বদলায়, স্লোগান আর ব্যানারের রঙ পরিবর্তন হয়, কিন্তু ভিন্নমতকে সহিংস কায়দায় পিষে ফেলার এই ফ্যাসিবাদী মনস্তত্ত্বের কোনো পরিবর্তন হয় না।

৫ই আগস্টের পটপরিবর্তনের পর সাধারণ মানুষ ও ছাত্রসমাজ যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিল, ক্ষমতার অন্ধ লড়াই সেই স্বপ্নকে বারবার আঘাত করছে।

দখলের এই নোংরা মানসিকতা বন্ধ হওয়া দরকার। শিক্ষাঙ্গনের অপরাজনীতির বিরুদ্ধে সাধারণ ছাত্রসমাজ এবং দেশবাসীকে এখনই সোচ্চার হতে হবে।

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট)-এ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত অপরাধী যে ব্যানারই ব্যবহার করুক না কেন, তাদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।

— রাশেদ প্রধান

17/05/2026

ডুয়েটের ছাত্ররা তাদের ভিসি পরিবর্তনের জন্য নিয়মমাফিক আন্দোলন চালায়ে যাচ্ছিলো। সেই আন্দোলন যৌক্তিক হতে পারে, আবার না-ও হতে পারে, সে বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে ক্যাম্পাসকে স্বাভাবিক করার সফিস্টিকেটেড ওয়ে বিদ্যমান। ছাত্ররা তাদের শিক্ষার প্রয়োজনে ক্যাম্পাসে নানামুখী আন্দোলন গড়ে তুলবে। কখনো কখনো সরকার সেটা মানবে, কখনো নেগোশিয়েট করবে। এটাই পন্থা।

কিন্তু, হইলো কী? আলোচনার পরিবর্তে আজ সকালে বহিরাগত ছাত্রদল-যুবদলের স'ন্ত্রাসীরা অ'স্ত্রশ'স্ত্রসহ ছাত্রদের উপর হা'মলা চালিয়েছে। ইতোমধ্যে ১০-১২ জন ছাত্র আ'হত হয়েছে। কোনো আন্দোলন যদি যৌক্তিক না হয়, আপনি তাতে হা'মলা করবেন? বল প্রয়োগের আবশ্যিকতা থাকলে পুলিশ করবে। বিএনপির গু'ণ্ডাদের পুলিশের দায়িত্ব কবে দেয়া হয়েছে? ক্যাম্পাসে বহিরাগত স'ন্ত্রাসীরা কী করে? ছাত্রদের আন্দোলন দমন করতে বহিরাগত গু'ণ্ডাদের ভাড়া করেছে ছাত্রদল।

তারেক রহমান একদিকে সুশীল সেজে বলবেন, দলীয় ভিসি নিয়োগ দিবো না। অন্যদিকে তার দলের সকল গু'ণ্ডাদের ভিসি বানায়ে রাখবে, যারা নিজেদের গদি টেকানোর জন্য ছাত্রদের র'ক্ত ঝড়াইতেও দ্বিধা করবে না। লোকাল সব গু'ণ্ডাদের কন্ট্রোল করতে পারবে, এমন বড় গু'ণ্ডাটিই হবে ঐখানকার ভিসি - এই নীতিতে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। কুয়েটের ঘটনাটি সবচেয়ে বড় উদাহরণ এই ক্ষেত্রে, আজ এ তালিকায় যুক্ত হলো ডুয়েট।

17/05/2026

বিএনপি নেতাদের ১৪-১৫ বছরের কচি মেয়ে দরকার! নারীদের পতিতা মনে করার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং সারা বাংলাদেশের নারীরা কি তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিলে নামবে?

এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ইরান আমেরিকা-ইসরায়েল ও তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের বিরুদ্ধে স্থলযুদ্ধের আশঙ্কা করছে।
17/05/2026

এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ইরান আমেরিকা-ইসরায়েল ও তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের বিরুদ্ধে স্থলযুদ্ধের আশঙ্কা করছে।

ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় বাঙালি অধ্যুষিত রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার আসতেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে কার্যকর করা হয়েছে কঠোর নিয়ম এবং ...
17/05/2026

ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় বাঙালি অধ্যুষিত রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার আসতেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে কার্যকর করা হয়েছে কঠোর নিয়ম এবং আইন।

এই আবহে রাস্তায় নামাজ আদায় থেকে শুরু করে আজানের মাইকিং এবং গো-হ ত্যা নিয়েও বিভিন্ন নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে।

এই বিষয়গুলি নিয়ে এবার মুখ খুললেন নাখোদা মসজিদের ইমাম মওলানা মহম্মদ শফিক কাসমি। তাঁর কথায়, সবার জন্য আইন সমান হওয়া উচিত।

তিনি পূর্বতন সরকারদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বলেন, মুসলিমদের এর আগে কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূল শুধু ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করেছে।

মাওলানা মুহাম্মদ শফিক কাসমি বলেন, 'আমি রাজ্যের সব মুসলিমদের কাছে আবেদন করব, আপনারা গরু খাবেন না, গরু জ বা ই করবেন না। এতে লোকসান হিন্দু ভাইদের।

কারণ গরু তো বিক্রি করে হিন্দুরা। ঘোষ-যাদবরা ২৫ হাজারের গরু ইদের সময় লাখ টাকায় বিক্রি করে।

আমি তো মুসলিমদের বলব, গরু খাবেন না। বরং ছাগল কিনুন। মুসলিমরা ছাগল পালন করে। তাহলে ছাগল কিনলে মুসলিমদের লাভ হবে।

সরকারের সাথে টক্কর নেওয়ার কোনো দরকার নেই। সরকার (গরুর গোশত খাওয়া) নিষিদ্ধ করে দিক, আমরা তো বরং সে দাবিই করছি।'

এদিকে রাস্তায় নামাজ পড়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে নাখোদা মসজিদের ইমাম বলেন, 'আমি সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করি।

তবে সেই ক্ষেত্রে রাস্তায় যে মণ্ডপ হয়, শ্রাবণ মাসে যে কাওঁয়ার যাত্রা হয়, সেগুলি তো রাস্তাতেই হয়। আমি এটা বলছি না, যে সেগুলি বন্ধ করা হোক।'

©হিন্দুস্তান টাইমস

৫ আগস্ট_প্রফেসর ইউনুস__সুযোগ বুঝে নতুন ন্যারাটিভ _সরকার ও বিরোধী দলের করনীয় ————————————————————————————১। ৫ আগস্ট। অনি...
17/05/2026

৫ আগস্ট_প্রফেসর ইউনুস__সুযোগ বুঝে নতুন ন্যারাটিভ _সরকার ও বিরোধী দলের করনীয়
————————————————————————————
১। ৫ আগস্ট। অনিশ্চয়তা। আবার নিশ্চয়তা। বোকামি। নির্বুদ্ধিতা। চালাকি। আবার বুদ্ধিমান। অবশেষে জনজোয়ার। বিপ্লব। উচ্ছ্বাস। খুশির কান্না। নারী-পুরুষ। ধনী-দরিদ্র। আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা মিলেমিশে একাকার।

২। পলায়ন। সেনাপ্রধানের damage control theory. সেনা নিবাসে আশ্রয়। মসনদ ভেঙ্গে খান খান। নতুন নেতৃত্বের খুঁজে। সর্বদলীয় বৈঠক। গণভবন। সার্চিং। প্রফেসর ইউনুস না কি অন্য কেউ? সেনাবাহিনীর পছন্দ? নাকি অভ্যুত্থানকারীদের? নানা গুঞ্জন। প্রফেসর সাহেবকে ফোন কিন্তু রাজি না। তিনি অন্যদের কথা বলেন। সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন কিন্তু দায়িত্ব নিতে নারাজ। ছাত্ররা নাছোড়বান্দা। তিনি দেশের বাহিরে। অসুস্থ। ছোট অপারেশন দরকার।

৩। এদিকে দেশে কোন সরকার নাই। ছাত্ররাই আছে। দম বন্ধ করার অবস্থা। অবশেষে দেশে আসলেন। শপথ নিলেন। সবকিছু বিধ্বস্ত। পুলিশ ভঙ্গুর। অর্থনীতি ভঙ্গুর। বিদেশ নীতি ভঙ্গুর। রাজনীতি ভঙ্গুর। প্রশাসন ভঙ্গুর। ব্যবসা বানিজ্য ভঙ্গুর। ঋণে জর্জরিত। চারদিকে অরাজকতা। অনেকটা মগের মুল্লুক। তবুও ধৈর্য্য আর ধৈর্য্য। এই বয়সে দিনরাত পরিশ্রম। জাতিকে টেনে তুলার নেশা। বিচার-সংস্কার-নির্বাচন। প্রতিদিনই নানান আন্দোলন। নামে-বেনামে চলমান।

৪। বিচার চলমান। নির্বাচন সম্পন্ন। সংস্কার ঝুলন্ত। বিএনপি কিছুটা ক্ষিপ্ত। নানান চাপ। প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ। সরকারি দল-বিরোধী দল। সংসদের ভিতরে বাহিরে পাল্টা-পাল্টি বক্তব্য। অনেকের জন্য সুযোগ।

৫। এখন চলছে ন্যারাটিভ তৈরির কাজ। সেটা প্রফেসর ইউনূসের বিরুদ্ধে। তিনি এটা করেছেন। সেটা করেছেন ইত্যাদি। তারপর বলবে অবৈধ ক্ষমতা দখলদার। তারপর বিচার চাই। তারপর অবাঞ্ছিত ঘোষণা। তারপর মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে-বিপক্ষে। তারপর নির্বাচন সঠিক হয়নি। অবৈধ
নির্বাচন। সংসদ অবৈধ। বিচার অবৈধ। সংস্কার তো অযথা। বর্তমান সরকার অবৈধ। ইত্যাদি একের পর এক আসতে থাকবে। এটা কিন্তু পরিকল্পিত ন্যারাটিভ। ধীরে ধীরে আগাচ্ছে।

৬। আমরা জানি এরা কারা? এরা কি চায়? এদের উদ্দেশ্য কি? এরা ইস্যু খুঁজে। গর্ত থেকে বের হতে চায় আবার পিছনে হটে। টেস্ট করে। এরা চিহ্নিত। এরা পুরনো বন্দোবস্তের লোক। কিন্তু মিষ্টি মিষ্টি আলাপ করে। আবার গোপনে বৈঠক করে। কখনও সামাজিক আবার কখনও রাজনৈতিক ইস্যু খুঁজে। এটা তাদের কৌশল। মাঝে মাঝে পানি পরীক্ষা করে। নানান অজুহাতে জেগে উঠে। আবার ডুব দেয়।

৭। তুমুল বিতর্ক করুন।আলোচনা করুন। ৭১-২৪ কে মুখোমুখি দাঁড় করাবেন না। পরস্পর ভালো কাজে সহযোগিতা করুন। আলোচনার পরিবেশ সব সময় উন্মুক্ত রাখুন। বিচার-সংস্কার ঠিক রাখুন। সঠিক বিচার করুন। নতুন দিগন্ত উন্মোচন করুন। সৃষ্টিশীলতা দেখান। বিদেশনীতি সঠিক রাখুন। কর্ম সংস্থান সৃষ্টি করুন। সব কিছু অনলাইন করে দিন। দুর্নীতি মুক্ত করুন। নাগরিক সেবা বৃদ্ধি করুন। বিনয়ী হউন। ভুল করলে স্বীকার করুন। শুদ্ধ করলে নমনীয় থাকুন। নতুন প্রজন্মকে সাথে নিন।

৮। এটাই সমাধান।


জুলাই বিপ্লব কখনোই একটি নির্দিষ্ট লক্ষ‍্য নয়, একটি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা। আমার দেখা শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ স্বৈরশাসক শেখ হাসিন...
17/05/2026

জুলাই বিপ্লব কখনোই একটি নির্দিষ্ট লক্ষ‍্য নয়, একটি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা। আমার দেখা শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার পতন কখনোই এত সহজ ছিলনা। অনুশোচনাহীন ফ‍্যাসিস্টদের বিতাড়িত করতে দেশের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহনই ছিল মূখ‍্য। বাংলাদেশের জেন- জি ( Generation- Zoomer's ) প্রজন্মের ছাত্র-ছাত্রীদের নেতৃত্বে বহু ত‍্যাগের বিনিময়ে সফল হয়েছে জুলাই বিপ্লব। স‍্যালুট শহীদ এবং আহত জুলাই যোদ্ধাগণ।

জুলাই বিপ্লবকে পূর্ণতা দেয়া যায়নি নানামুখী দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্রের কারনে। তার মানে এই না জুলাই স্পিরিট মরে গেছে। বিভেদ বিভাজনের দেশে জুলাই সাময়িক পথ হারালেও তারুণ‍্যের মস্তিষ্কে শক্ত অবস্থান নিয়েছে দেশের প্রয়োজনে নিজেদের বিলিয়ে দেয়ার মানসিকতা। মান্ধাতা আমলের বস্তাপঁচা রাজনীতি ক্রমাগত হোঁচট খেতে থাকবে প্রজন্মের স্মার্টনেসের কাছে। দরজায় নক করছে হাইপারসনিক জেনারেশন আলফা ( Gen-Alpha ),তাদের মূলা দেখিয়ে ক্ষমতার রাজনীতি আর হবেনা। দলকানা হাইব্রীড চাটুকার অশিক্ষিত টোকাইদের নিয়ে দল ভারী করে মাস্তানতন্ত্রের মাধ‍্যমে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার দিন শেষ।

রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রায় আট কোটি তরুন কিশোর শিশুদের মেন্টাল পালস্ বুঝতে হবে। এর ব‍্যত‍্যয় ঘটলেই পিছিয়ে পড়তে হবে জ‍্যামিতিক হারে। ভয় দেখিয়ে শাসন করার দিন শেষ, কোন বিদেশী জুজু'র পদানত করে প্রজন্মকে আর ফাঁকি দেয়া সম্ভব না। তরুনরা রাজনীতিতে ঢুকে গেছে, তারা আরো আসবে দলে দলে। হালদায় যেভাবে ডিম ছাড়তে আসে মা মাছ, ঠিক সেভাবে তারা জন্ম নিবে পরিবর্তনের অমোঘ আকর্ষনে। তাদের মিছিল মিটিংয়ে প্রতিদিনই সমাগম বাড়বে, তারা স্বেচ্ছায় আসবে। বস্তি থেকে ভাড়া করা লোক এনে, চাপাবাজ নেতার চীৎকার চেঁচামেচি দিয়ে আতঙ্ক তৈরী করে, হেলমেট বাহিনী, চাপাতি বাহিনী দিয়ে শুধু কেলেঙ্কারীর রেকর্ড হবে, রাজনীতিতে টিকে থাকা যাবেনা। রাজনৈতিক দলগুলোর হোমওয়ার্ক বদলানোর শেষ সময় চলছে, সামনে অগ্নি পরীক্ষা, দেশের রাজনীতির আবহাওয়া আর আগের মত নাই।©

আফ্রিকার দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোয় প্রাণঘাতী ইবোলা ভাইরাসের সংক্রমণ আশঙ্কাজনক রূপ নেওয়ায় বিশ্বজুড়ে জরুরি অবস্থা...
17/05/2026

আফ্রিকার দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোয় প্রাণঘাতী ইবোলা ভাইরাসের সংক্রমণ আশঙ্কাজনক রূপ নেওয়ায় বিশ্বজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। অত্যন্ত ছোঁয়াচে ও মারাত্মক এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশটিতে ইতোমধ্যেই ৮০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

Address

Bangladesh
Bagerhat Town
1206

Telephone

+8801710860182

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rakib Shikder posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Rakib Shikder:

Share