Let Me Explain

Let Me Explain Hello friends,This is my new page. Please like, comment, share and follow my page.

আজকে মেট্রোতে চলার সময় এই গ্রামীণফোনের এডভারটাইজ টা আমার চোখে পড়লো_ * আমার কথা হলো মেট্রো রেল এর মধ্যে সরকারি সকল ধরনে...
16/05/2025

আজকে মেট্রোতে চলার সময় এই গ্রামীণফোনের এডভারটাইজ টা আমার চোখে পড়লো_

* আমার কথা হলো মেট্রো রেল এর মধ্যে সরকারি সকল ধরনের এডভাটাইজিং চলবে, কাস্টমারের সেবা সম্পর্কে লেখা থাকবে তা না করে বেসরকারি কতগুলা প্রতিষ্ঠানের অ্যাডভার্টাইজ করা হচ্ছে।

*তার মানে কি আমরা যেই ভাড়া দেই সেই ভাড়ায় কি মেট্রোরেলের খরচ পোষাচ্ছে না। তা না হলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এডভারটাইস কেন করবে তারা।

*আপনার কি মনে হয় এখানে আমাদের সেবামূলক কিছু বাণী বা কথা লেখা উচিত না বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অ্যাডভার্টাইজ করা উচিত?

* আপনার মূল্যবান মতামত আশা করছি —
#মেট্রোরেল

Hello everyone Good evening
16/05/2025

Hello everyone
Good evening

হাসিটা কেমন দিলাম???কমেন্ট প্লিজ💐
14/05/2025

হাসিটা কেমন দিলাম???
কমেন্ট প্লিজ💐

14/05/2025

Good morning

13/05/2025

আমার-তো #লায়লা মত গার্লফ্রেন্ড নাই যে পেইজ ভাইরাল হবে.....🙇‍♂️
আচ্ছা যাইহোক
GOOD NIGHT

লেখাটা পড়েন উনার আসল রুপটা জানতে পারবেন বাবাকে হত্যা করার কাহেনি,ছুরির নিচে শুয়ে থাকা সেই মানুষ, তার নাম ছিল হারুনুর রশি...
12/05/2025

লেখাটা পড়েন উনার আসল রুপটা জানতে পারবেন বাবাকে হত্যা করার কাহেনি,
ছুরির নিচে শুয়ে থাকা সেই মানুষ, তার নাম ছিল হারুনুর রশিদ। বয়স মাত্র ৫৮। গ্রামের মাটির ঘর থেকে সন্তানকে শহরে মানুষ করতে এসেছিলেন। নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে মেয়ের ভবিষ্যতের জন্য রাতদিন খেটেছেন। ভেবেছিলেন—মেয়ে লিজা একদিন তার মুখ উজ্জ্বল করবে।

কিন্তু হারুনুর রশিদের সব স্বপ্ন, সব বিশ্বাস, সব ভালোবাসা একদিন গলে গেলো মেয়ের ছোঁড়া এক ছুরির আঘাতে।

লিজা ঢাকায় পড়তে আসে, হারুনুর রশিদ ভাড়া নেন ছোট একটা ফ্ল্যাট। কিছুদিন পর মেয়ে জানায়—তার দুই বান্ধবীও সাবলেট থাকতে চায়। বাবা কষ্ট করে রাজি হন, নিজের ঘর ছেড়ে ডাইনিং স্পেসে বিছানা পাতেন।

কারণ একটাই—মেয়ের সম্মান, মেয়ের আরাম।

কিন্তু ধীরে ধীরে তিনি দেখেন মেয়ের জীবনটা পাল্টে যাচ্ছে। রাত-বিরাতে ফিরে আসা, ঘরে মা*দকদ্রব্য, অদ্ভুত আচার-আচরণ—সবকিছু কষ্ট দিত হারুনুর রশিদকে। মেয়েকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। অনুরোধ করেন তার বান্ধবীদের বিদায় দিতে।

তাতে আরও বিপরীত প্রতিক্রিয়া হয়। মেয়ের চোখে তখন বাবাই যেন সবচেয়ে বড় শত্রু।

একদিন তিনি এমন একটা দৃশ্য দেখে ফেলেন যা কোনো পিতা যেন কল্পনাও করতে না পারে—হারুনুর রশিদ এসব দৃশ্য আর মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেছিলেন প্রমাণের জন্য, মেয়ে ও তার বান্ধবীরা এমন এক সম্পর্কে জড়িত যা সামাজিকভাবে গোপনীয়, কিন্তু নৈতিকভাবে ভেঙে দেওয়ার মতো। তিনি আর কিছু না বলে শুধু বলেন, “তোমাদের জীবন তোমাদের, কিন্তু আমার ঘরটা আমাকে দাও ফিরে।”

এই কথাতেই যেন আগুন লেগে যায় মেয়ের মনে।

একথা হয়তো আত্মীয়-স্বজনদের শেয়ারও করেছিলেন হারুন রশিদ।
কিছু কেউ এত গভীরভাবে মাথাই নেয়নি।

পিতা বুঝেছিলেন, মেয়ের পথ হারিয়ে গেছে। তাই থানায় সাধারণ ডায়েরিও করেছিলেন, যেন অন্তত ভবিষ্যতে কেউ মেয়েকে বোঝাতে পারে। কিন্তু ততদিনে দেরি হয়ে গেছে।

মেয়ে লিজা বুঝে যায়—বাবা এখন তার ‘লাইফস্টাইল’-এর জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি।

তাই পরিকল্পনা করে—সবচেয়ে নিরাপদ পথ, ‘অপবাদ আর আবেগের নাটক’।
তাকে কেউ যেন দোষী না ভাবে—সে ব্যবস্থা নিয়ে নেয় আগেই।

এক রাতে, ভোররাতে ছু*রি হাতে বাবার দিকে এগিয়ে যায় নিজের জন্মদাত্রী সন্তান। বারবার আঘাত করে। মৃ*ত্যুর আগে বাবা শুধু বলেছিলেন,

“লিজা, আমি তোর ভালো চাইছিলাম…”

এরপর মেয়ে একটা নাটক সাজায়—সে নাকি বাবার শিকার। সমাজকে আবেগে ডুবিয়ে সে বলে, “আমার জন্য বিচার চাই!”

এর আগেও একবার বাবার নামে এমন মিথ্যা মামলা করেছিল, আদালতে প্রমাণ না মেলায় বাবা ছাড়া পেয়েছিলেন। এবার সে নিশ্চিত ছিল—এইবার কাজ হবে!

কিন্তু আজ তার বাবার লা*শ পড়ে আছে শহরের ম*র্গে। একটা লাল রঙা কম্বলে ঢাকা, ভেতরে আর নেই কোনো ভালোবাসা, কোনো কান্না, কোনো অভিমান।

হারুনুর রশিদ শুধু একজন বাবা ছিলেন। একজন সাহসী, নির্দোষ, একা মানুষ। যার একমাত্র দোষ—সে তার মেয়েকে ভালোবাসতো।

এই সমাজ কি কোনোদিন বুঝবে—দ্বীনি শিক্ষা ও আদর্শের অভাবে সব সন্তান নয়, মায়ের কোলে জন্ম নেওয়া দেবতা হয় না? কখনো কখনো ওরা নিজেরাই হয়ে ওঠে সবচেয়ে নি*র্মম শত্রু।

তবে এই মেয়ের একটি সিন্ডিকেট রয়েছে, বাবাকে খুন করার পর সে বলেছিল তোমরা জামিন করিও।
তাতেই বুঝা যায় সংঘবদ্ধ একটি চক্র আমার দেশের তরুণীদের নষ্ট করার জন্য বিশাল একটি নীল নকশা একেঁছে।
এই মেয়েটিকে বুঝা যায় যে ছেলে না মেয়ে তার পোশাক, চুলের ধরন, লাইফ স্টাইল বাবারা ছেলে মেয়েদের কাছে ডিজিটাল অসহায়।

একটা শেয়ার, একটা চোখের জল, হয়তো হারুনের মতো আরেক বাবাকে বাঁচাতে পারে।

14/04/2025

Good night

03/04/2025
Good Morning
19/03/2025

Good Morning

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Let Me Explain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share