Colour Cuddle

Contact the establishment

Colour Cuddle আসসালামু আলাইকুম! আমার এই ছোট্ট পেজ "Colour Cuddle"- এ আপনাদের সবাইকে স্বাগতম!

July sky  📷💃🕊️🕊️🕊️
04/07/2026

July sky 📷💃

🕊️🕊️🕊️

প্রতিবেশীর  হক্ব - নাজাত পাওয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ শর্ত...🫵🏻এক বড়লোক ধনীর বাড়ির পাশেই বাস করত এক অভাবী ফকির। একদিন ধনীর ছো...
05/06/2026

প্রতিবেশীর হক্ব - নাজাত পাওয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ শর্ত...🫵🏻

এক বড়লোক ধনীর বাড়ির পাশেই বাস করত এক অভাবী ফকির। একদিন ধনীর ছোট ছেলেটি খেলতে খেলতে হুট করেই সেই ফকিরের ঘরে ঢুকে পড়ল।

সেখানে গিয়ে সে দেখল, ফকির তাঁর স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে বেশ তৃপ্তি সহকারে খাবার খাচ্ছে। খাবার দেখে ধনীর ছেলের খুব লোভ হলো এবং সেও তা খাওয়ার বায়না ধরল।

কিন্তু ফকিরটি ধনীর ছেলেটির প্রতি কোনো মনোযোগই দিল না এবং তাকে এক লোকমা খাবারও খেতে দিল না।

ধনীর ছেলেটি তখন কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরে এলো। তার বাবা তাকে হরেক রকমের দামি ও সুস্বাদু খাবার এনে দিলেন, কিন্তু ছেলে নাছোড়বান্দা!

সে জেদ ধরে বলল, "আমি ওসব কিছুই খাব না; ফকির যে খাবার খাচ্ছে, আমাকে ঠিক সেটাই এনে দিতে হবে।"

ছেলের এমন কান্নাকাটি দেখে ধনী ব্যক্তিটি নিরুপায় হয়ে ফকিরের ঘরে এলেন এবং পুরো ঘটনাটি খুলে বললেন।

তিনি জানতে চাইলেন, কেন তাঁর ছেলেকে একটু খাবার দেওয়া হলো না।

সব শুনে দরবেশ ফকির এক ভয়ঙ্কর সত্য প্রকাশ করলেন। তিনি বললেন:

"হে ধনী ব্যক্তি! আমি আপনার ছেলেকে খাবার না দিতে বাধ্য ছিলাম। কারণ, আমরা যে খাবারটি খাচ্ছিলাম তা আমাদের জন্য সম্পূর্ণ 'হালাল' হলেও আপনার সন্তানের জন্য ছিল সম্পূর্ণ 'হারাম'।

আমরা গত তিন দিন ধরে তীব্র অনাহারে ছিলাম।
তাই ক্ষুধা মেটাতে আমি কিছু ময়লাযুক্ত খাবারের ব্যবস্থা করেছিলাম, যা আপনার প্রাচুর্যে ভরা সন্তানের জন্য কোনোভাবেই উপযুক্ত ছিল না।"

ফকিরের এই কথাটি তীরের মতো এসে ধনীর বুকে বিঁধল। তিনি তীব্র অনুশোচনায় ফেটে পড়লেন।

তিনি বুঝতে পারলেন, নিজের প্রাচুর্যের আড়ালে তিনি কতটা অন্ধ ছিলেন যে পাশের বাড়ির প্রতিবেশী তিন দিন ধরে না খেয়ে আছে, অথচ তিনি তার কোনো খবরই রাখেননি!

ধনী ব্যক্তিটি তৎক্ষণাৎ ঘরে ফিরে গেলেন এবং তাঁর কাছে থাকা নগদ ধন-সম্পদের ঠিক অর্ধেক অংশ এনে সেই ফকিরের হাতে তুলে দিলেন।

তিনি অঝোরে কাঁদতে কাঁদতে বললেন:
"হায়! কিয়ামতের দিন মহান আল্লাহ যদি আমাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞেস করেন, 'তোর প্রতিবেশী যখন অনাহারে মরছিল, তুই কেন তার খবর রাখিসনি?' তবে আমি আল্লাহর দরবারে কী জবাব দেব!"

নিজের ঘরে হাজারো নেয়ামত থাকা আর পাশের ঘরের মানুষটি অনাহারে দিন কাটানো একজন প্রকৃত মুমিনের বৈশিষ্ট্য হতে পারে না।

প্রতিবেশীর খোঁজখবর রাখা কেবল সামাজিক দায়িত্ব নয়, এটি পরকালের মুক্তির অন্যতম মাধ্যম।

আল্লাহ কাউকে সম্পদ দিলে তার ভেতর দরিদ্র ও বঞ্চিতদের অধিকার মিশে থাকে। নিজের ভুল বুঝতে পেরে সাথে সাথে তা সংশোধন করা এবং সম্পদ অন্যকে দান করাই হলো খাঁটি মানুষের পরিচয়।

© Salman Farsi
--- সবক আমুয ওয়াকিয়াত

01/06/2026
যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের আমল লিস্ট!যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিন অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ। এই দিনগুলোতে করা নেক আমল আল্লাহর কাছে সবচে...
18/05/2026

যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের আমল লিস্ট!
যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিন অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ। এই দিনগুলোতে করা নেক আমল আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয়। তাই আসুন, আমরা আগে থেকেই কিছু আমল ঠিক করে নেই, যেন এই দিনগুলো উদ্দেশ্যহীনভাবে চলে না যায়।

সুন্দরভাবে গুছিয়ে আমল লিস্ট শেয়ার করছি যেন রেডি হয়ে যেতে পারেন--

১. পাঁচ ওয়াক্ত সালাত যথাসময়ে আদায় করা:
সব আমলের ভিত্তি হলো ফরয ইবাদত। চেষ্টা করি সময়মতো, মনোযোগের সাথে সালাত আদায় করতে।

২. বেশি বেশি তাওবা ও ইস্তিগফার করা:
বারবার বলি:
*আস্তাগফিরুল্লাহ*

নিজের গুনাহের জন্য লজ্জিত হই, আল্লাহর কাছে ফিরে যাই।

৩. তাকবীর, তাহমীদ, তাহলীল ও তাসবীহ বেশি পড়া:
এই দিনগুলোতে বেশি বেশি পড়ি:

আল্লাহু আকবার**
আলহামদুলিল্লাহ**
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ**
সুবহান-আল্লাহ**

এভাবেও পড়তে পারি:
--আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ।

৪. কুরআন তিলাওয়াত করা
প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ কুরআন পড়ার লক্ষ্য ঠিক করি। অল্প হলেও নিয়মিত পড়ি। এখন থেকেই পড়া শুরু করুন, যিলহজ্জের ১০ দিনের মধ্যে একটা কুরআন খতিমা কমপ্লিট করতে পারেন।

৫. ফরজ নামাজের যত্ন নেয়ার পরে নফল সালাতের প্রতি যত্নবান হওয়া:
বিশেষ করে:

* তাহাজ্জুদ
* সালাতুদ দুহা

৬. রোযা রাখা
সম্ভব হলে যিলহজ্জের প্রথম ৯ দিন রোযা রাখি।
বিশেষভাবে **আরাফার দিনের রোযা** অনেক ফযীলতপূর্ণ তাদের জন্য যারা হজে নেই। ঐ দিনের রোজার মাধ্যমে আগের এবং পরের ২ বছরের গুনাহ মাফ হয় সুবহানআল্লাহ!

৭. বেশি বেশি দোয়া করা:
নিজের জন্য, পরিবারের জন্য, উম্মাহর জন্য, দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া করি।

৮. যিকিরে জিহ্বা সজীব রাখা:
কাজ করতে করতে, হাঁটতে হাঁটতে, রান্না করতে করতে, ফাঁকে ফাঁকে যিকির করি। ছোট ছোট যিকিরও অনেক ভারী হয়ে যায় মীযানে।

৯. সদকা করা:
সামর্থ্য অনুযায়ী দান করি। অল্প হলেও আন্তরিকতা নিয়ে দিই।

১০. কুরবানির নিয়ত থাকলে চুল-নখ না কাটা:
যিনি কুরবানি দেওয়ার নিয়ত করেছেন, তিনি যিলহজ্জের চাঁদ ওঠার পর থেকে কুরবানি দেওয়া পর্যন্ত চুল ও নখ না কাটার চেষ্টা করবেন।

১১. ভালো কাজের পরিকল্পনা করে রাখা:
যেমন:

* একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে সাহায্য করা
* আত্মীয়তার সম্পর্ক ঠিক করা
* কাউকে ক্ষমা করে দেওয়া
* ইসলামি কিছু শেখা বা শেখানো

১২. অন্তরকে পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা কর

হিংসা, অহংকার, রাগ, শত্রুতা ইত্যাদি এসব থেকে হৃদয়কে পরিষ্কার করার চেষ্টা করি। শুধু বাহ্যিক আমল নয়, অন্তরের আমলও জরুরি।

কুরবানীর এই মহান দিনগুলোতে কেবল পশু কুরবানীতে সীমাবদ্ধ না থাকি। বরং নিজেদের গুনাহ, নফসের খেয়াল, অহংকার, রাগ, খারাপ ভাষা —এসবকেও কুরবানী করার চেষ্টা করি।

এ সময় self-purification বা আত্মশুদ্ধির আমলও খুব জরুরি। যেমন:

* নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করা
* মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করা
* অন্যের হক সম্পর্কে সচেতন হওয়া
* কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে সংশোধন করা
* অন্তরকে নরম করা
এই ১০ দিন যেন আমাদের ভেতরের মানুষটাকেও বদলে দেয়।

১৩. পরিবারের মাঝেও নিজ ঘরে ইবাদতের পরিবেশ তৈরি করা:
আমাদের মা-বাবা, সন্তান, ভাইবোনদের, স্বামী/স্ত্রীরা সবাই সবাইকে উৎসাহ দিই—যেন ঘরেও যিলহজ্জের সৌন্দর্য অনুভব করা যায়।

১৪. হজ্জের মৌসুমকে অন্তরে জীবন্ত রাখা:
যারা হজ্জ করতে যাচ্ছেন, তারা তো আল্লাহর ঘরের মেহমান হয়ে হজ্জ করবেন।
আর যারা হজ্জে যাচ্ছেন না, তারাও যেন এই দিনগুলোতে এমন মানসিকতা রাখি—আমরাও আল্লাহর জন্যই সাড়া দিচ্ছি, আমরাও ইবাদাতে, যিকিরে, তাওবায়, দোয়ায় নিজেদের হাজির করছি।

এই কথার সাথে মিলে আমরাও বলি:
**লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক**

অর্থাৎ, হে আল্লাহ, আমি উপস্থিত, আমি সাড়া দিচ্ছি।
হয়তো শারীরিকভাবে হজ্জে যাওয়া হয়নি, কিন্তু অন্তর যেন আল্লাহর দরবারে হাজির হয়।

১৫. আরাফার দিনটিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া:
এই দিনে বেশি বেশি দোয়া, যিকির, তাওবা, কুরআন তিলাওয়াত ও রোযার প্রতি গুরুত্ব দিই।

১৬. ঈদের দিন আল্লাহর শোকর আদায় করা:
ঈদের আনন্দের মাঝেও যেন আল্লাহকে ভুলে না যাই। কুরবানি, সালাত, যিকির— সবকিছুই ইবাদত।

এক নজরে আমল চেকলিস্ট:
☐ পাঁচ ওয়াক্ত সালাত
☐ কুরআন তিলাওয়াত
☐ ১০ দিনের বিশেষ যিকির
☐ ইস্তিগফার
☐ আরাফার দিনের জন্য বিশেষ দুয়া লিস্ট রেডি করা, দোয়া করা
☐ আরাফার দিনে রোজা রাখা
☐ সম্ভব হলে প্রথম ৯ দিন রোজা রাখা
☐ সদকা দেয়া
☐ নফল সালাত
☐ আত্মশুদ্ধির চেষ্টা করা, নিজের বদঅভ্যাস কুরবানী করা
☐ রাগ নিয়ন্ত্রণ করা
☐ ভালো ব্যবহার করা
☐ অন্যের হকের ব্যাপারে সচেতন হওয়া
☐ কুরবানী করা, কুরবানীর গোশত শেয়ার করা হকদারদের সাথে

নিজের জন্য এই নিয়তটি ঠিক করে ফেলুন আজকেই --
*“আমি এই ১০ দিনে আল্লাহর আরও প্রিয় বান্দা হওয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ, আমার আমলে, আমার অন্তরে, আমার চেষ্টা দিয়ে!"

আল্লাহ আমাদের যিলহজ্জের এই বরকতময় দিনগুলোকে সর্বোত্তমভাবে কাজে লাগানোর তাওফীক দিন।

আমিন।

লেখা : শারিন সফি অদ্রিতা
©

❤️‍🩹
17/05/2026

❤️‍🩹

আরবের এক লোক বলেন, "একবার আমি আমার দাদার বাড়িতে গেলাম। গিয়ে দেখি দাদী চাল ও দুধ দিয়ে পায়েস রান্না করছেন। আমি লক্ষ্য করলাম, তিনি এক হাতে নাড়ছেন আর অন্য হাতে তাসবিহ পাঠ করছেন।

সারা রান্নাঘরে মিশকের মতো এক স্বর্গীয় সুঘ্রাণ ছড়িয়ে আছে। সেটি কোনো কৃত্রিম পারফিউম ছিল না, বরং দাদীর পবিত্র নিঃশ্বাস আর জিকিরের বরকতে তৈরি হওয়া এক অদ্ভুত সুবাস।

আমি দাদীকে জিজ্ঞেস করলাম,'দাদী, এই রান্না শেষ হতে আর কতক্ষণ লাগবে?'
তিনি এক চিলতে হাসি দিয়ে বললেন, 'আর মাত্র এক হাজার বার "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" অথবা দুই হাজার বার "আলহামদুলিল্লাহ" পড়তে যতটুকু সময় লাগে, ততটুকু সময় লাগবে।'"

কী চমৎকার এক জীবনবোধ! যে খাবার তৈরি হতে হাজার বার আল্লাহর জিকির করা হয়েছে, সেই খাবারের স্বাদ আর প্রভাব কতটা রুহানি ও বরকতময় হবে, তা একবার ভাবুন!

আজ আমাদের জীবন থেকে বরকত উঠে যাওয়ার কারণ হয়তো এটাই, আমরা সময়কে ঘড়ি বা মিনিটের হিসেবে মাপি, কিন্তু আমাদের পূর্বপুরুষরা সময়কে মাপতেন আল্লাহর স্মরণে।

আরেকজন লোকের কথা বলি, যিনি দূর থেকে অফিস করতেন। তাকে যখন জিজ্ঞেস করা হলো, 'অফিসে পৌঁছাতে আপনার কতক্ষণ লাগে?'

তিনি উত্তর দিলেন, '৫০০ বার দরুদ শরীফ আর ৫০০ বার সুবহানাল্লাহ-আলহামদুলিল্লাহ পড়তে যতটুকু সময় লাগে।'

মা-বোনেরা যখন রান্না করবেন, তখন যদি মুখে জিকির থাকে, তবে সেই খাবার শুধু পেটের ক্ষুধা মেটাবে না, বরং পরিবারের সদস্যদের মনে প্রশান্তি আর তাকওয়া বাড়িয়ে দেবে।

যাতায়াতের পথে, সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় বা গাড়িতে বসে থাকার সময়গুলোকে আমরা জিকিরের মাধ্যমে ইবাদতে পরিণত করতে পারি।

আমাদের দাদী-নানীরা চলে গেছেন সত্য, কিন্তু তাঁদের সেই আমলগুলো তো আমরা ধরে রাখতে পারি।

আসুন আমরা আমাদের সময়কে মিনিট বা সেকেন্ডে নয়, বরং 'সুবহানাল্লাহ' আর 'আলহামদুলিল্লাহ'-র হিসেবে গুণতে শুরু করি।

রান্না থেকে শুরু করে যাতায়াত সবকিছুতে আল্লাহর স্মরণ যোগ করি। দেখবেন, হারানো বরকত আবারও আমাদের ঘরে ফিরে আসবে। ইনশাআল্লাহ ❤️❤️❤️
© Salman Farsi

26/04/2026

Celebrating my 2nd year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

ফটোগ্ৰাফি‌ 📸
25/04/2026

ফটোগ্ৰাফি‌ 📸

Watercolour frame ❤️
24/04/2026

Watercolour frame ❤️


🖌️🖌️🖌️
21/04/2026

🖌️🖌️🖌️

Address

Savar
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Colour Cuddle posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Colour Cuddle:

Shortcuts

Share

Category