20/10/2015
সাকিব আল হাসান আর মোহাম্মদ
আশরাফুল বাংলাদেশ ক্রিকেটের দুই প্রাণ
ভোমরা।
অনেকেই হয়তো অবাক হয়ে যাচ্ছেন
শিরোনাম দেখে। এই দুজনের ভক্তদের
সম্পর্ক অনেকটা দা/কুমড়ার মতো। আমি
একজন আশরাফুল ভক্ত হয়ে সাকিবকে
নিয়েও লেখছি! অবাক করার মতো বিষয়
মনে হচ্ছে অনেকের কাছে।
১৯৯৯ সালে পাকিস্তানের সাথে ম্যাচ
জয়ের দিন থেকেই বাংলাদেশ ক্রিকেটের
সাথে আমার পরিচয়। তখনকার সময়
আকরাম-নান্নু এই দুটি নাম প্রতিটি
মানুষের মুখে মুখেই থাকতো।
প্রথমেই আশরাফুলকে দিয়ে শুরু করছি-
২০০০ টেস্ট স্ট্যাটাস এর পর ২০০১ এ
শ্রীলংকার বিরুদ্ধে সবচেয়ে কমবয়সী
ক্রিকেটার হিসাবে সেঞ্চুরী তিনি
সেঞ্চুরী করেছেন। তারপর টেস্টে
পাকিস্তানের সাথে ৭৭, জিম্বাবুয়ের
সাথে ৯৮, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এর সাথে ৮১,
নিউজিল্যান্ড এর সাথে ৬৭, ইন্ডিয়ার
সাথে ৬০* ও ১৫৮* ও ইন্ডিয়ার সাথে মাত্র
২১ বলে টেস্ট সেঞ্চুরী, তারপর শ্রীলংকার
সাথে ১৩৬, ১২৯, ১০১ ও ১৯০ রানের ইনিংস
তিনি খেলেছেন।
এই টেস্টগুলোতে দল না জিতলেও
শ্রীলংকার বোলারদের ত্রাস হয়ে
অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরী ও ক্যারিয়ার
সেরা ১৯০ সহ মোট ৫টি সেঞ্চুরী করা
কিংবা ইন্ডিয়ার সাথে ১৫৮* রান
আশরাফুল তো বটেই বাংলাদেশ দলের
জন্যও ছিল বিশেষ কিছু।
ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের সাথেই ২০০৪
সালে মাত্র ৫১* করে ম্যাচ সেরা হওয়া,
২০০৫ সালে ১০০ রান করে অষ্ট্রোলিয়াকে
হারানো, পরের ম্যাচেই ইংল্যান্ড এর
সাথে ৫৪ বলে ৯৪ রান করা। স্টিভ হার্মিসন
তো বলেই ফেলেছিলেন জীবনেও এমন মার
খাইনি। পরের ম্যাচে আরো অষ্ট্রোলিয়ার
সাথে ৫৮।
২০০৬ এ শ্রীলংকার বিরুদ্ধে হোম সিরিজে
২য় ম্যাচে সর্বোচ্চ ৫১ রান করে ম্যাচ
জেতালেও আফতাব আহমেদ ২১ বলে ৩২ রান
সহ ১ উইকেট পাওয়ার কারনে তিনি ম্যাচ
অব দ্যা ম্যাচ হন। পরের ম্যাচেই আবার ৬৪
রান করেন তিনি।
২০০৭ বিশ্বকাপে বারমুদার সাথে ম্যান অব
দ্যা ম্যাচ হওয়ার পর আফ্রিকার সাথে ৮৭
রান করে ম্যাচ জেতানো, একই সালে টি২০
বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এর সাথে ৬১ রান
করে ম্যাচ জেতানো, ২০০৮ এ প্রথম বারের
মতো নিউজিল্যান্ডকে হারানোর ম্যাচে
জুনায়েদ ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হলেও
আশরাফুল ৬০* অপরাজিত ছিলেন। একই
সালের এশিয়া কাপে আরব আমিরাতের
সাথে সেঞ্চুরী করে ম্যাচ জেতানো সহ
২০০৯ সালে জিম্বাবুয়ের সাথে ১০৩ করে
ম্যাচ জিতিয়েছেন।
২০০৭ এ হাবিবুল বাশার অবসর নিলে
নাফিজ অধিনায়ক হওয়ার কথা থাকলেও
ফর্মহীনতার কারনে অপ্রত্যাশিত ভাবেই
দলের সেরা পারফরমার আশরাফুল
অধিনায়ক হন। ২০০৯ এর টি২০ বিশ্বকাপ
পর্যন্ত অধিনায়ক থাকেন। কিন্তু
আয়ারল্যান্ডর এর সাথে টি২০ ম্যাচ হারার
পর অধিনায়কত্ব হারান।
সারা ক্রিকেট বিশ্বের মধ্যে কম বয়সী
টেস্ট সেঞ্চুরী সহ বাংলাদেশের হয়ে তিন
ফরম্যাটের দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরীর মালিকও
তিনি। দীর্ঘদিন ধরে ক্রিকেট না খেলার
পরও যা এখনো রয়ে গেছে।
ড্রেসিং রুমের মধ্যমনি ছিলেন আশরাফুল।
প্রতিটি জয়ের পরই তাকে ঘিরে গাওয়া
হতো আমরা করবো জয় গানটি।
অন্য দিকে সাকিব আল হাসান-
বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাফল্যের সেরা
বৎসর ২০০৬ সালে এস.এস.সি পাশ করার
কিছুদিন পরেই জিম্বাবুয়ের সাথে
অভিষেক। সিরিজের ৫ম তথা শেষ ম্যাচে
অভিষেকে বল হাতে ১০ ওভারে ৩৯ রানে ১
উইকেট সহ ব্যাট করতে নেমে ৩০ রানে
অপরাজিত থেকে ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়েন।
এ ম্যাচে নাফিজ অপরাজিত ১১৮ করে ম্যান
অব দ্যা ম্যাচ হন।
তারপর ২০০৭ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে
ভারতের সাথে ৫৩ রান করে পুরোপুরি
আলোচনায় আসেন। একই বৎসর টি২০
বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এর বিরুদ্ধে ৪
উইকেট নেন। কানাডার সাথে ১৩৪* করে
ম্যাচ সেরা হন। ২০০৮ পাকিস্তানের
বিরুদ্ধে ১০৮ রান করে ম্যাচ হারলেও তিনি
ম্যাচ সেরা হন।
২০০৮ পুরো বৎসর নিউজিল্যান্ড-আফ্রিকা ও
শ্রীলংকার সাথে ধারাবাহিক
অলরাউন্ডারিং পারফরম্যান্স করেন।
তারমধ্যে শ্রীলংকার সাথে অপরাজিত ৯২
রান করে ম্যাচ জয়ের পাশাপাশি ম্যাচ
সেরা হন। ২০০৯ সালের ২২ ফেব্র“য়ারী
প্রথমবারের মতো ওয়ানডেতে ১ নাম্বার
অলরাউন্ডার হন।
তারপর ধারাবাহিক ভাবে তিন ফরম্যাটে
রান আর উইকেট এর জোয়ার বইয়ে দিয়ে
টেস্টের সাথে সাথে কিছুদিন আগে টি২০
এও ১ নাম্বার অলরাউন্ডার নির্বাচিত হন।
৪২ টেস্টে ১৪৪ বেস্টে ৩টি সেঞ্চুরী ও ১৯টি
ফিফটি করেন তিনি। ১৫৬ ওয়ানডে তে ১৩৪
বেস্টে ৬টি সেঞ্চুরী সহ ৩০টি ফিফটি
করেন তিনি। ৩৮টি টি২০ ম্যাচে ৮৪ বেস্টে
৫টি ফিফটি করেন তিনি।
৪২ টেস্টে ইনিংস এ ৭ ও ম্যাচে ১০ বেস্টে
১৪৭ উইকেট লাভ করেন তিনি। ১৫৬ ওয়ানডে ৪
বেস্টে ২০১ উইকেট লাভ করেন তিনি। ৩৮
টি২০ ম্যাচে ৪ বেস্টে ৪৫ উইকেট লাভ করেন
তিনি। তম্মধ্যে টেস্টে ১৪ বার ৫ বা তার
অধিক উইকেট লাভ করেন।
২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে
মাশরাফিকে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব
দিলেও তার ইনজুরীর কারনে অপ্রত্যাশিত
ভাবেই দলের সেরা খেলোয়ার হিসেবে
সাকিবের কাধেই উঠে নেতৃত্বের বাটন।
তারপর ২০১১ এর মাঝামাঝি পর্যন্ত
অধিনায়কত্ব করেন। জিম্বাবুয়ের সাথে
ম্যাচ জেতা সহ নিজে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ
হওয়ার পরই তিনি বোর্ড কর্তৃক অধিনায়কত্ব
হারান।
ক্রিকেটের দেশগুলোর ইতিহাস সূত্র
হিসেবে ধরলে সাকিব অধিনায়কত্ব
হারাতে পারতেন ২০১১ বিশ্বকাপ
চলাকালীন কিংবা তার পরপরই। কেননা
দেশের মাটিতে আয়ারল্যান্ড এর সাথে
ম্যাচটা যদি হেরে যেতো তাহলে পূর্বের
ইতিহাসের সূত্র ধরে তখনই বিসিবি তাকে
সরিয়ে দিতেন।
এই আয়ারল্যান্ড এর সাথেই সামান্য টি২০
ম্যাচের জন্য অধিনায়কত্ব হারান
আশরাফুল।
২০১১ বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ড যখন ম্যাচটি
নিজেদের করে নিচ্ছিলেন, কোন বোলারই
যখন উইকেট পাচ্ছিলেন না, ঠিক তখনই
আশরাফুল গুরুত্বপূর্ণ ২টি উইকেট নিয়ে
ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন।
২০০৩ এর বিশ্বকাপে যখন দূর্বল কানাডা/
কেনিয়ার সাথেও হারতে হয়েছে
বাংলাদেশকে ঠিক তার পরের বৎসরই
আশরাফুলের পারফরম্যান্স এর জিম্বাবুয়ের
সাথে ম্যাচ জেতা, পুরোপুরি খর্ব শক্তির
দল হয়েও অপরাজেয় অষ্ট্রোলিয়ার সাথে
১০০ করে ম্যাচ জেতা, আফ্রিকার সাথে ৮৭
করে ম্যাচ জেতা, টি২০ এ ওয়েস্ট ইন্ডিজ এর
সাথে ম্যাচ সেরা হওয়া, শ্রীলংকার
সাথে প্রথম জয়ের ম্যাচে সর্বোচ্চ রান
তথা ৬৪ করা, নিউজিল্যান্ড এর সাথে প্রথম
জয়ের ম্যাচে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬১* করা,
আরব আমিরাত এর সাথে ১০৯ রান করে ম্যাচ
জেতানো সহ অনেকগুলো প্রথমের সাথেই
তিনি জড়িত।
মানুষের বিপদে একটি মানুষ এগিয়ে আসলে
সে কখনোই তাকে ভুলতে পারে না। ভুলে
যাওয়াটা নিষ্ঠুরতা, স্বার্থপরতা। আর এই
আশরাফুল ক্রিকেটের মাধ্যমে সমগ্র
বাংলাদেশের মানুষের মুখে হাসি
ফুটিয়েছেন। সারা দেশের জন্য একটি মানুষ
অনেক কিছু করেছেন, কি করে দেশবাসী
তাকে ভুলে যাবে? আমার পুরোপুর মনে
আছে অষ্ট্রোলিয়ার আর আফ্রিকার বিরুদ্ধে
জয়ের পর দল মত নির্বিশেষে সবাই একত্রে
বিজয় মিছিল নিয়ে বের হয়েছিল, যা
বাংলাদেশে বিরল ঘটনা।
প্রথম প্রেম আর প্রথম ভালোলাগার স্মৃতি
কখনো ভুলা যায় না, মুছা যায় না। তার
এভারেজের কথা বলে যারা তার
সমালোচনা করে তারা নিষ্ঠুর, শাক দিয়ে
মাছ ঢাকার চেষ্টাকারী, এভারেজ ভালো
হওয়ার কারনে কোন খেলোয়ার কোন
ভক্তের মনে ঢুকতে পারে না। মানুষের মনে
ঢুকার জন্য ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলতে
হয়। বিপদের সময় পুরোপুরি এগিয়ে আসতে
হয়। আর মোহাম্মদ আশরাফুল ছিলেন
সত্যিকারের ম্যাচ উইনার।
ধারাবাহিকতার অভাব আর এভারেজ এর
ধোয়া তুলে তার কৃতিত্বকে ছোট করার কোন
উপায় নেই। ২০০১ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত একচ্ছত্র
আধিপত্য বিস্তার করেছেন মোহাম্মদ
আশরাফুল। তাকে সার্বিক ভাবে সহায়তা
করেছেন মাশরাফি, আফতাব ও অন্যান্যরা।
খেলেছেন প্রথম আইপিএল ২০০৮ সৃজনে।
প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে খেলেছেন
কাউন্টির সেকেন্ড ডিভিশনে।
দেশ সেরার পাশাপাশি হয়ে উঠেছিলেন
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মধ্যমনি। ২০০৬ এর
শুরুর দিকে অষ্ট্রোলিয়ার সাবেক এক
খেলোয়ার ভবিষ্যত বিশ্ব কাপাবে এমন ১০
ক্রিকেটার এর নামে রেখেছিলেন
মোহাম্মদ আশরাফুলকে। আবিস্কার
করেছিলেন নিজস্ব শর্ট যা বিভিন্ন জনের
হাত ধরে আজ ক্রিকেটীয় সেরা শর্ট
হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
অপরদিকে ধারাবাহিকতা ও ১ নাম্বার
অলরাউন্ডার হিসেবে দেশ সেরা তো বটেই
সারা বিশ্বের মধ্যেই সেরা হিসেবে
আবির্ভূত হয়েছেন। টি২০ এর ফেরিওয়ালা
হয়ে খেলে ফেলেছেন প্রায় সবগুলো
দেশেরই সেরা লিগ গুলোতেই।
মোহাম্মদ আশরাফুল এর অধিনায়কত্বের
সময়ই হয়েছেন সেরা অলরাউন্ডার।
আশরাফুলের সাফল্যে কিংবা সাকিবের
সাফল্যে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে বেশি
উদযাপন করেছেন। সাকিব-আশরাফুল এর
উদযাপনের দৃশ্য এ দেশের ক্রিকেটে
সবচেয়ে বেশি।
২০০১ থেকে ২০০৭/৮ পর্যন্ত প্রত্যেকটি
বাংলাদেশী নতুন ক্রিকেটার এর আইডল
আশরাফুল। ঠিক তেমনি তৎপরবর্তী থেকে
অদ্যবধি প্রতিটি নতুন ক্রিকেটার এর আইডল
সাকিব। এখনকার সৌম্য-বিজয় সহ অনেকেই
আশরাফুল এর খেলা দেখে ক্রিকেটের প্রতি
আগ্রহী হয়েছেন।
অপরদিকে সাকিবকে আইডল মানেন দেশ সহ
সারা ক্রিকেট পৃথিবীর অনেক নতুন
ক্রিকেটার।
সাকিব অনন্য, অসাধারণ, ক্রিকেটার
সাকিব এর তুলনা আর কারোর সাথেই
দেওয়া চলে না, দেওয়া যাবেও না। তার
তুলনা শুধুই সে।
কোচ সিডন্স আমলে সাকিবের পুরোপুরি
উত্থান কিংবা একই আমলে অধিনায়ক হয়েও
আশরাফুল এর কিছুটা পতনের কারণ হিসেবে
অনেকেই সাকিবকে দোষারূপ করেন যা
সম্পূর্ণ অবান্তর আর উর্বর মস্তিস্কের
বর্হিঃপ্রকাশ বলেই আমি মনে করি।
সাকিব-অ্যাশ এর মধ্যে কখনোই দ্বন্ধ হয়নি,
তাদের আচরনেও তেমনটা কখনো বুঝা
যায়নি। ভারতের খেলোয়ার রা একজনের
সাথে আরেকজনের সমস্যা হলে, তার মুখ
দেখাদেখিও বন্ধ করে দেয়, যা
বাংলাদেশে কখনোই হয়নি।
সাকিব দলে আসার ম্যাচ থেকেই পাশে
পেয়েছেন নাফিজ-আশরাফুল-মাশরাফি-
আফতাব-রফিক-রাজ্জাক সহ অনেক তারকা
ক্রিকেটারদের। যার কারনে কোন চাপ
ছাড়াই তিনি তার সেরা খেলাটা ঢেলে
দিতে পেরেছেন দলের হয়ে।
ব্যক্তি সাকিবের আচরনে কিছু সময় কিছু
ত্র“টি থাকলেও বয়স বাড়ার সাথে সাথে
তা তিনি পুরোপুরি ভাবে কাটিয়ে
উঠেছেন। সাকিবেরও কোন হেটার নেই।
তবে অনেকেই তার আচরনের কারনে তাকে
কিছুটা সময়ের জন্য হলেও হেট করেছিলেন
যা তিনি ইতিমধ্যেই কাটিয়ে উঠেছেন।
অপরদিকে আশরাফুল এর সময় মাঝে মধ্যে
আফতাব-মাশরাফি বা অন্য কেউ ছাড়া
কোন গতান্তরই ছিল না।
দুটো সময়ের অবস্থা পুরোপুরি ভিন্ন।
আশরাফুল বাংলাদেশের প্রতিটি
ক্রীড়াপ্রেমীর মনেই থাকবেন প্রথম প্রেম,
প্রথম ভালোলাগার স্মৃতি হিসেবে, যা
কখনো ভুলা যাবে না, যা কখনো মুছা যাবে
না।
আর সাকিব প্রতিটি বাংলাদেশীর মনেই
থাকবেন, দলকে শক্ত অবস্থানে পৌঁছে
দেওয়ার কারিগর হিসেবে। ছোট্ট
বাংলাদেশের খেলোয়ার হয়েও কিভাবে
বিশ্বসেরা হতে হয়, তা শেখাবার কারিগর
হিসেবে।
সাকিব অলরাউন্ডার। প্রতিটি
বাংলাদেশীর মনেই সে অলরাউন্ডার হয়ে
থাকবে আজীবন।
এই দুইটাই ভিন্ন ভিন্ন জিনিস। একটার
সাথে আরেকটার তুলনা করা বোকামী
ছাড়া কিছুই নয়।
ক্রিকেট ভক্তদের মধ্যে সাকিব-আশরাফুল
তর্ক বন্ধ হউক, এই কামনা করছি।
বিঃ দ্রঃ-লেখা বেড়ে যাওয়ার কারনে
দুজন সম্পর্কেই অনেক তথ্য লেখা সম্ভব
হয়নি। কেউ কিছু জানতে চাইলে কমেন্টে
বলবেন। উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো।