Radiomon.com

Radiomon.com advicebd.com

দুবাই যাওয়ার পথে মুসফিকের সেল্ফি।সবার কাছে দোয়া ছেয়ে ছেন।
04/02/2016

দুবাই যাওয়ার পথে মুসফিকের সেল্ফি।
সবার কাছে দোয়া ছেয়ে ছেন।

বাংলাদেশ বনাম ইংল্যান্ড (অনূর্ধ্ব ১৯)প্রস্তুতি ম্যাচ, চট্টগ্রামইংল্যান্ডঃ ৬৫/৪ওভারঃ ১৭.২টার্গেটঃ ২৪৭পরবর্তী অাপডেট পেতে ...
25/01/2016

বাংলাদেশ বনাম ইংল্যান্ড (অনূর্ধ্ব ১৯)
প্রস্তুতি ম্যাচ, চট্টগ্রাম
ইংল্যান্ডঃ ৬৫/৪
ওভারঃ ১৭.২
টার্গেটঃ ২৪৭
পরবর্তী অাপডেট পেতে লাইক দিয়ে একটিভ থাকুন।

শ্রীলংকার সাথে ৬ টি ওডিয়াই খেলবে বাংলাদেশ।
09/01/2016


শ্রীলংকার সাথে ৬ টি ওডিয়াই খেলবে বাংলাদেশ।

আজ সন্ধা ৬.৩০ এ মুখামুখি হবে সাকিবেররংপুর এবং মাশরাফির কুমিল্লা।আজ কে জিতবে? কমেন্টে জানান।১.কুমিল্লা?২.রংপুর?
08/12/2015

আজ সন্ধা ৬.৩০ এ মুখামুখি হবে সাকিবের
রংপুর এবং মাশরাফির কুমিল্লা।
আজ কে জিতবে? কমেন্টে জানান।
১.কুমিল্লা?
২.রংপুর?

সিলেট সুপারষ্টারসের নতুন অধিনায়ক পাকিস্তানের টি-২০ অধিনায়ক শাহিদ আফ্রিদি।মুশফিক ক্যাপ্টেনসি করতে অস্বস্তিবোধ করছে এবং বি...
06/12/2015

সিলেট সুপারষ্টারসের নতুন অধিনায়ক পাকিস্তানের টি-২০ অধিনায়ক শাহিদ আফ্রিদি।
মুশফিক ক্যাপ্টেনসি করতে অস্বস্তিবোধ করছে এবং বিশ্ব ক্রিকেটের বস শাহিদ আফ্রিদিকে ক্যাপ্টেনসি করার অনুরোধ করেন।
বস আফ্রিদি পরবর্তী ম্যাচগুলো তে সিলেট কে নেতৃত্ব দিবেন।

বোলিং করে ৪ উইকেট ব্যাটিং এ ৩৮ বলে ৫০ রান রবি বোপারার অসাধারন পার্ফমেন্সের কারনে এবারের বিপিএলে সিলেট প্রথম জয়ের স্বাদ প...
30/11/2015

বোলিং করে ৪ উইকেট ব্যাটিং এ ৩৮ বলে ৫০ রান রবি বোপারার অসাধারন পার্ফমেন্সের কারনে এবারের বিপিএলে সিলেট প্রথম জয়ের স্বাদ পেল। Congratulation মুশফিকুর রহিম।

সাকিব আল হাসান আর মোহাম্মদআশরাফুল বাংলাদেশ ক্রিকেটের দুই প্রাণভোমরা।অনেকেই হয়তো অবাক হয়ে যাচ্ছেনশিরোনাম দেখে। এই দুজনের ...
20/10/2015

সাকিব আল হাসান আর মোহাম্মদ
আশরাফুল বাংলাদেশ ক্রিকেটের দুই প্রাণ
ভোমরা।
অনেকেই হয়তো অবাক হয়ে যাচ্ছেন
শিরোনাম দেখে। এই দুজনের ভক্তদের
সম্পর্ক অনেকটা দা/কুমড়ার মতো। আমি
একজন আশরাফুল ভক্ত হয়ে সাকিবকে
নিয়েও লেখছি! অবাক করার মতো বিষয়
মনে হচ্ছে অনেকের কাছে।
১৯৯৯ সালে পাকিস্তানের সাথে ম্যাচ
জয়ের দিন থেকেই বাংলাদেশ ক্রিকেটের
সাথে আমার পরিচয়। তখনকার সময়
আকরাম-নান্নু এই দুটি নাম প্রতিটি
মানুষের মুখে মুখেই থাকতো।
প্রথমেই আশরাফুলকে দিয়ে শুরু করছি-
২০০০ টেস্ট স্ট্যাটাস এর পর ২০০১ এ
শ্রীলংকার বিরুদ্ধে সবচেয়ে কমবয়সী
ক্রিকেটার হিসাবে সেঞ্চুরী তিনি
সেঞ্চুরী করেছেন। তারপর টেস্টে
পাকিস্তানের সাথে ৭৭, জিম্বাবুয়ের
সাথে ৯৮, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এর সাথে ৮১,
নিউজিল্যান্ড এর সাথে ৬৭, ইন্ডিয়ার
সাথে ৬০* ও ১৫৮* ও ইন্ডিয়ার সাথে মাত্র
২১ বলে টেস্ট সেঞ্চুরী, তারপর শ্রীলংকার
সাথে ১৩৬, ১২৯, ১০১ ও ১৯০ রানের ইনিংস
তিনি খেলেছেন।
এই টেস্টগুলোতে দল না জিতলেও
শ্রীলংকার বোলারদের ত্রাস হয়ে
অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরী ও ক্যারিয়ার
সেরা ১৯০ সহ মোট ৫টি সেঞ্চুরী করা
কিংবা ইন্ডিয়ার সাথে ১৫৮* রান
আশরাফুল তো বটেই বাংলাদেশ দলের
জন্যও ছিল বিশেষ কিছু।
ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের সাথেই ২০০৪
সালে মাত্র ৫১* করে ম্যাচ সেরা হওয়া,
২০০৫ সালে ১০০ রান করে অষ্ট্রোলিয়াকে
হারানো, পরের ম্যাচেই ইংল্যান্ড এর
সাথে ৫৪ বলে ৯৪ রান করা। স্টিভ হার্মিসন
তো বলেই ফেলেছিলেন জীবনেও এমন মার
খাইনি। পরের ম্যাচে আরো অষ্ট্রোলিয়ার
সাথে ৫৮।
২০০৬ এ শ্রীলংকার বিরুদ্ধে হোম সিরিজে
২য় ম্যাচে সর্বোচ্চ ৫১ রান করে ম্যাচ
জেতালেও আফতাব আহমেদ ২১ বলে ৩২ রান
সহ ১ উইকেট পাওয়ার কারনে তিনি ম্যাচ
অব দ্যা ম্যাচ হন। পরের ম্যাচেই আবার ৬৪
রান করেন তিনি।
২০০৭ বিশ্বকাপে বারমুদার সাথে ম্যান অব
দ্যা ম্যাচ হওয়ার পর আফ্রিকার সাথে ৮৭
রান করে ম্যাচ জেতানো, একই সালে টি২০
বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এর সাথে ৬১ রান
করে ম্যাচ জেতানো, ২০০৮ এ প্রথম বারের
মতো নিউজিল্যান্ডকে হারানোর ম্যাচে
জুনায়েদ ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হলেও
আশরাফুল ৬০* অপরাজিত ছিলেন। একই
সালের এশিয়া কাপে আরব আমিরাতের
সাথে সেঞ্চুরী করে ম্যাচ জেতানো সহ
২০০৯ সালে জিম্বাবুয়ের সাথে ১০৩ করে
ম্যাচ জিতিয়েছেন।
২০০৭ এ হাবিবুল বাশার অবসর নিলে
নাফিজ অধিনায়ক হওয়ার কথা থাকলেও
ফর্মহীনতার কারনে অপ্রত্যাশিত ভাবেই
দলের সেরা পারফরমার আশরাফুল
অধিনায়ক হন। ২০০৯ এর টি২০ বিশ্বকাপ
পর্যন্ত অধিনায়ক থাকেন। কিন্তু
আয়ারল্যান্ডর এর সাথে টি২০ ম্যাচ হারার
পর অধিনায়কত্ব হারান।
সারা ক্রিকেট বিশ্বের মধ্যে কম বয়সী
টেস্ট সেঞ্চুরী সহ বাংলাদেশের হয়ে তিন
ফরম্যাটের দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরীর মালিকও
তিনি। দীর্ঘদিন ধরে ক্রিকেট না খেলার
পরও যা এখনো রয়ে গেছে।
ড্রেসিং রুমের মধ্যমনি ছিলেন আশরাফুল।
প্রতিটি জয়ের পরই তাকে ঘিরে গাওয়া
হতো আমরা করবো জয় গানটি।
অন্য দিকে সাকিব আল হাসান-
বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাফল্যের সেরা
বৎসর ২০০৬ সালে এস.এস.সি পাশ করার
কিছুদিন পরেই জিম্বাবুয়ের সাথে
অভিষেক। সিরিজের ৫ম তথা শেষ ম্যাচে
অভিষেকে বল হাতে ১০ ওভারে ৩৯ রানে ১
উইকেট সহ ব্যাট করতে নেমে ৩০ রানে
অপরাজিত থেকে ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়েন।
এ ম্যাচে নাফিজ অপরাজিত ১১৮ করে ম্যান
অব দ্যা ম্যাচ হন।
তারপর ২০০৭ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে
ভারতের সাথে ৫৩ রান করে পুরোপুরি
আলোচনায় আসেন। একই বৎসর টি২০
বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এর বিরুদ্ধে ৪
উইকেট নেন। কানাডার সাথে ১৩৪* করে
ম্যাচ সেরা হন। ২০০৮ পাকিস্তানের
বিরুদ্ধে ১০৮ রান করে ম্যাচ হারলেও তিনি
ম্যাচ সেরা হন।
২০০৮ পুরো বৎসর নিউজিল্যান্ড-আফ্রিকা ও
শ্রীলংকার সাথে ধারাবাহিক
অলরাউন্ডারিং পারফরম্যান্স করেন।
তারমধ্যে শ্রীলংকার সাথে অপরাজিত ৯২
রান করে ম্যাচ জয়ের পাশাপাশি ম্যাচ
সেরা হন। ২০০৯ সালের ২২ ফেব্র“য়ারী
প্রথমবারের মতো ওয়ানডেতে ১ নাম্বার
অলরাউন্ডার হন।
তারপর ধারাবাহিক ভাবে তিন ফরম্যাটে
রান আর উইকেট এর জোয়ার বইয়ে দিয়ে
টেস্টের সাথে সাথে কিছুদিন আগে টি২০
এও ১ নাম্বার অলরাউন্ডার নির্বাচিত হন।
৪২ টেস্টে ১৪৪ বেস্টে ৩টি সেঞ্চুরী ও ১৯টি
ফিফটি করেন তিনি। ১৫৬ ওয়ানডে তে ১৩৪
বেস্টে ৬টি সেঞ্চুরী সহ ৩০টি ফিফটি
করেন তিনি। ৩৮টি টি২০ ম্যাচে ৮৪ বেস্টে
৫টি ফিফটি করেন তিনি।
৪২ টেস্টে ইনিংস এ ৭ ও ম্যাচে ১০ বেস্টে
১৪৭ উইকেট লাভ করেন তিনি। ১৫৬ ওয়ানডে ৪
বেস্টে ২০১ উইকেট লাভ করেন তিনি। ৩৮
টি২০ ম্যাচে ৪ বেস্টে ৪৫ উইকেট লাভ করেন
তিনি। তম্মধ্যে টেস্টে ১৪ বার ৫ বা তার
অধিক উইকেট লাভ করেন।
২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে
মাশরাফিকে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব
দিলেও তার ইনজুরীর কারনে অপ্রত্যাশিত
ভাবেই দলের সেরা খেলোয়ার হিসেবে
সাকিবের কাধেই উঠে নেতৃত্বের বাটন।
তারপর ২০১১ এর মাঝামাঝি পর্যন্ত
অধিনায়কত্ব করেন। জিম্বাবুয়ের সাথে
ম্যাচ জেতা সহ নিজে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ
হওয়ার পরই তিনি বোর্ড কর্তৃক অধিনায়কত্ব
হারান।
ক্রিকেটের দেশগুলোর ইতিহাস সূত্র
হিসেবে ধরলে সাকিব অধিনায়কত্ব
হারাতে পারতেন ২০১১ বিশ্বকাপ
চলাকালীন কিংবা তার পরপরই। কেননা
দেশের মাটিতে আয়ারল্যান্ড এর সাথে
ম্যাচটা যদি হেরে যেতো তাহলে পূর্বের
ইতিহাসের সূত্র ধরে তখনই বিসিবি তাকে
সরিয়ে দিতেন।
এই আয়ারল্যান্ড এর সাথেই সামান্য টি২০
ম্যাচের জন্য অধিনায়কত্ব হারান
আশরাফুল।
২০১১ বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ড যখন ম্যাচটি
নিজেদের করে নিচ্ছিলেন, কোন বোলারই
যখন উইকেট পাচ্ছিলেন না, ঠিক তখনই
আশরাফুল গুরুত্বপূর্ণ ২টি উইকেট নিয়ে
ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন।
২০০৩ এর বিশ্বকাপে যখন দূর্বল কানাডা/
কেনিয়ার সাথেও হারতে হয়েছে
বাংলাদেশকে ঠিক তার পরের বৎসরই
আশরাফুলের পারফরম্যান্স এর জিম্বাবুয়ের
সাথে ম্যাচ জেতা, পুরোপুরি খর্ব শক্তির
দল হয়েও অপরাজেয় অষ্ট্রোলিয়ার সাথে
১০০ করে ম্যাচ জেতা, আফ্রিকার সাথে ৮৭
করে ম্যাচ জেতা, টি২০ এ ওয়েস্ট ইন্ডিজ এর
সাথে ম্যাচ সেরা হওয়া, শ্রীলংকার
সাথে প্রথম জয়ের ম্যাচে সর্বোচ্চ রান
তথা ৬৪ করা, নিউজিল্যান্ড এর সাথে প্রথম
জয়ের ম্যাচে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬১* করা,
আরব আমিরাত এর সাথে ১০৯ রান করে ম্যাচ
জেতানো সহ অনেকগুলো প্রথমের সাথেই
তিনি জড়িত।
মানুষের বিপদে একটি মানুষ এগিয়ে আসলে
সে কখনোই তাকে ভুলতে পারে না। ভুলে
যাওয়াটা নিষ্ঠুরতা, স্বার্থপরতা। আর এই
আশরাফুল ক্রিকেটের মাধ্যমে সমগ্র
বাংলাদেশের মানুষের মুখে হাসি
ফুটিয়েছেন। সারা দেশের জন্য একটি মানুষ
অনেক কিছু করেছেন, কি করে দেশবাসী
তাকে ভুলে যাবে? আমার পুরোপুর মনে
আছে অষ্ট্রোলিয়ার আর আফ্রিকার বিরুদ্ধে
জয়ের পর দল মত নির্বিশেষে সবাই একত্রে
বিজয় মিছিল নিয়ে বের হয়েছিল, যা
বাংলাদেশে বিরল ঘটনা।
প্রথম প্রেম আর প্রথম ভালোলাগার স্মৃতি
কখনো ভুলা যায় না, মুছা যায় না। তার
এভারেজের কথা বলে যারা তার
সমালোচনা করে তারা নিষ্ঠুর, শাক দিয়ে
মাছ ঢাকার চেষ্টাকারী, এভারেজ ভালো
হওয়ার কারনে কোন খেলোয়ার কোন
ভক্তের মনে ঢুকতে পারে না। মানুষের মনে
ঢুকার জন্য ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলতে
হয়। বিপদের সময় পুরোপুরি এগিয়ে আসতে
হয়। আর মোহাম্মদ আশরাফুল ছিলেন
সত্যিকারের ম্যাচ উইনার।
ধারাবাহিকতার অভাব আর এভারেজ এর
ধোয়া তুলে তার কৃতিত্বকে ছোট করার কোন
উপায় নেই। ২০০১ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত একচ্ছত্র
আধিপত্য বিস্তার করেছেন মোহাম্মদ
আশরাফুল। তাকে সার্বিক ভাবে সহায়তা
করেছেন মাশরাফি, আফতাব ও অন্যান্যরা।
খেলেছেন প্রথম আইপিএল ২০০৮ সৃজনে।
প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে খেলেছেন
কাউন্টির সেকেন্ড ডিভিশনে।
দেশ সেরার পাশাপাশি হয়ে উঠেছিলেন
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মধ্যমনি। ২০০৬ এর
শুরুর দিকে অষ্ট্রোলিয়ার সাবেক এক
খেলোয়ার ভবিষ্যত বিশ্ব কাপাবে এমন ১০
ক্রিকেটার এর নামে রেখেছিলেন
মোহাম্মদ আশরাফুলকে। আবিস্কার
করেছিলেন নিজস্ব শর্ট যা বিভিন্ন জনের
হাত ধরে আজ ক্রিকেটীয় সেরা শর্ট
হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
অপরদিকে ধারাবাহিকতা ও ১ নাম্বার
অলরাউন্ডার হিসেবে দেশ সেরা তো বটেই
সারা বিশ্বের মধ্যেই সেরা হিসেবে
আবির্ভূত হয়েছেন। টি২০ এর ফেরিওয়ালা
হয়ে খেলে ফেলেছেন প্রায় সবগুলো
দেশেরই সেরা লিগ গুলোতেই।
মোহাম্মদ আশরাফুল এর অধিনায়কত্বের
সময়ই হয়েছেন সেরা অলরাউন্ডার।
আশরাফুলের সাফল্যে কিংবা সাকিবের
সাফল্যে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে বেশি
উদযাপন করেছেন। সাকিব-আশরাফুল এর
উদযাপনের দৃশ্য এ দেশের ক্রিকেটে
সবচেয়ে বেশি।
২০০১ থেকে ২০০৭/৮ পর্যন্ত প্রত্যেকটি
বাংলাদেশী নতুন ক্রিকেটার এর আইডল
আশরাফুল। ঠিক তেমনি তৎপরবর্তী থেকে
অদ্যবধি প্রতিটি নতুন ক্রিকেটার এর আইডল
সাকিব। এখনকার সৌম্য-বিজয় সহ অনেকেই
আশরাফুল এর খেলা দেখে ক্রিকেটের প্রতি
আগ্রহী হয়েছেন।
অপরদিকে সাকিবকে আইডল মানেন দেশ সহ
সারা ক্রিকেট পৃথিবীর অনেক নতুন
ক্রিকেটার।
সাকিব অনন্য, অসাধারণ, ক্রিকেটার
সাকিব এর তুলনা আর কারোর সাথেই
দেওয়া চলে না, দেওয়া যাবেও না। তার
তুলনা শুধুই সে।
কোচ সিডন্স আমলে সাকিবের পুরোপুরি
উত্থান কিংবা একই আমলে অধিনায়ক হয়েও
আশরাফুল এর কিছুটা পতনের কারণ হিসেবে
অনেকেই সাকিবকে দোষারূপ করেন যা
সম্পূর্ণ অবান্তর আর উর্বর মস্তিস্কের
বর্হিঃপ্রকাশ বলেই আমি মনে করি।
সাকিব-অ্যাশ এর মধ্যে কখনোই দ্বন্ধ হয়নি,
তাদের আচরনেও তেমনটা কখনো বুঝা
যায়নি। ভারতের খেলোয়ার রা একজনের
সাথে আরেকজনের সমস্যা হলে, তার মুখ
দেখাদেখিও বন্ধ করে দেয়, যা
বাংলাদেশে কখনোই হয়নি।
সাকিব দলে আসার ম্যাচ থেকেই পাশে
পেয়েছেন নাফিজ-আশরাফুল-মাশরাফি-
আফতাব-রফিক-রাজ্জাক সহ অনেক তারকা
ক্রিকেটারদের। যার কারনে কোন চাপ
ছাড়াই তিনি তার সেরা খেলাটা ঢেলে
দিতে পেরেছেন দলের হয়ে।
ব্যক্তি সাকিবের আচরনে কিছু সময় কিছু
ত্র“টি থাকলেও বয়স বাড়ার সাথে সাথে
তা তিনি পুরোপুরি ভাবে কাটিয়ে
উঠেছেন। সাকিবেরও কোন হেটার নেই।
তবে অনেকেই তার আচরনের কারনে তাকে
কিছুটা সময়ের জন্য হলেও হেট করেছিলেন
যা তিনি ইতিমধ্যেই কাটিয়ে উঠেছেন।
অপরদিকে আশরাফুল এর সময় মাঝে মধ্যে
আফতাব-মাশরাফি বা অন্য কেউ ছাড়া
কোন গতান্তরই ছিল না।
দুটো সময়ের অবস্থা পুরোপুরি ভিন্ন।
আশরাফুল বাংলাদেশের প্রতিটি
ক্রীড়াপ্রেমীর মনেই থাকবেন প্রথম প্রেম,
প্রথম ভালোলাগার স্মৃতি হিসেবে, যা
কখনো ভুলা যাবে না, যা কখনো মুছা যাবে
না।
আর সাকিব প্রতিটি বাংলাদেশীর মনেই
থাকবেন, দলকে শক্ত অবস্থানে পৌঁছে
দেওয়ার কারিগর হিসেবে। ছোট্ট
বাংলাদেশের খেলোয়ার হয়েও কিভাবে
বিশ্বসেরা হতে হয়, তা শেখাবার কারিগর
হিসেবে।
সাকিব অলরাউন্ডার। প্রতিটি
বাংলাদেশীর মনেই সে অলরাউন্ডার হয়ে
থাকবে আজীবন।
এই দুইটাই ভিন্ন ভিন্ন জিনিস। একটার
সাথে আরেকটার তুলনা করা বোকামী
ছাড়া কিছুই নয়।
ক্রিকেট ভক্তদের মধ্যে সাকিব-আশরাফুল
তর্ক বন্ধ হউক, এই কামনা করছি।
বিঃ দ্রঃ-লেখা বেড়ে যাওয়ার কারনে
দুজন সম্পর্কেই অনেক তথ্য লেখা সম্ভব
হয়নি। কেউ কিছু জানতে চাইলে কমেন্টে
বলবেন। উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো।

এবার যদি অলিম্পিকে যায়ক্রিকেট!মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাবের (এমসিসি)বিশ্ব ক্রিকেট কমিটি প্রস্তাবটা দিয়েরেখেছে অনেক আগেই। এবা...
20/10/2015

এবার যদি অলিম্পিকে যায়
ক্রিকেট!
মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাবের (এমসিসি)
বিশ্ব ক্রিকেট কমিটি প্রস্তাবটা দিয়ে
রেখেছে অনেক আগেই। এবার সেই প্রস্তাব
বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে ক্রিকেট
নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসিও। অলিম্পিকে
ক্রিকেট অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনা নিয়ে
আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির সঙ্গে
বৈঠক করবে আইসিসি। নভেম্বরের
মাঝামাঝি হতে যাওয়া এ বৈঠকটির
নির্দিষ্ট তারিখ এখনো ঠিক হয়নি। তবে
আইসিসির প্রধান নির্বাহী ডেভ
রিচার্ডসন বলেছেন, ‘আমাদের কাছে
বৈঠকের আমন্ত্রণ এসেছে। কমনওয়েলথ ও
অলিম্পিকের মতো ফেডারেশনগুলো
ক্রিকেটকে অন্তর্ভুক্ত করার ব্যাপারে
আগ্রহ দেখিয়েছে।’ কমনওয়েলথ গেমসের
পক্ষ থেকে অবশ্য ডাবলিনে ২০২২ সালের
আসরে ক্রিকেট রাখার প্রস্তাব সরাসরিই
দেওয়া হয়েছে। তবে অলিম্পিকের আগ্রহ
নিয়ে রিচার্ডসন বলেছেন, ‘অলিম্পিকের
সঙ্গে আমাদের আলোচনা এতটা এগোয়নি।
তবে কমনওয়েলথ এ ব্যাপারে অনেক উন্মুক্ত।
শুধু টি-টোয়েন্টি কিংবা অন্য কোনো
আন্তর্জাতিক ফরম্যাটই নয়, তারা অন্যান্য
বিষয়েও আলোচনা করতে চায়।’ সবকিছু
বৈঠকে আলোচনার পরেই ঠিক হবে বলেও
জানিয়েছেন রিচার্ডসন। সূত্র: এএফপি।

বিপিএল এর কিছু নিউজ১.অনুষ্ঠানের জন্য বাজেট হয়েছে তিনকোটি টাকা। উদ্বোদনী অনুষ্ঠানের জন্যটিকিটের মূল ৩০০-১০০০০ টাকা ধরা হ...
18/10/2015

বিপিএল এর কিছু নিউজ
১.অনুষ্ঠানের জন্য বাজেট হয়েছে তিন
কোটি টাকা। উদ্বোদনী অনুষ্ঠানের জন্য
টিকিটের মূল ৩০০-১০০০০ টাকা ধরা হয়েছে।
মূল খেলার টিকিটের দাম ২০০-১০০০০ টাকা
পর্যন্ত।
২. বিপিএলের এবারের অাসরে।খেলতে
পারবে না অনুর্ধ-১৯ দলের কোন প্লেয়ার।
কিছুদিনের মধ্যে খেলা ও সামনে
বিশ্বকাপের জন্য তাদের বিপিএলের
বাইরে রেখেছে বিসিবি।
৩. প্রতিটি দলে ১৩ জন দেশী ও ১২ জন
বিদেশী সহ মোট ২৫ জনকে রেজিঃ করতে
পারবে। এবং ম্যাচে ৪ জন বিদেশী
প্লেয়ার রাখতে পারবে।
৪. সিলেট সুপার স্টারের কোচ হিসেবে
দেখা যাবে বাংলাদেশের অন্যতম সফল
কোচ সরোয়ার ইমরানকে। সিলেটের হয়ে
এবার দেখা যাবে ইংল্যান্ডের রবি
বোপারাকে। এবং তারা অাফ্রিদি কে
পাবে ১ লা ডিসেম্বর থেকে।
৫. বরিশালের কোচ হিসেবে যোগ দিতে
যাচ্ছেন লংকান সাবেক কোচ গ্রাহাম
ফোর্ড। দুপক্ষের অালোচনা চুড়ান্ত।
গেইলকে বুলসরা পাবে ৫
ম্যাচের জন্য। গেইলকে প্রতি ম্যাচের জন্য
দিতে হবে ৩০ হাজার ডলার। গেইলের
সাথে সাথে কেভিন কুপার ও ব্রেন্ডন
টেইলরকে দলে ভিড়িয়েছে বরিশাল বুলস।
কথা চলছে কায়রন পোলারড আর কেভিন
পিটারসনের সাথে।
৬. ঢাকা ডিনামাইটের কোচ হিসেবে
দেখা যাওয়া সম্ভাবনা অাছে
নিউজিল্যান্ডের সাবেক অলরাউন্ডার
জ্যাকব ওরামকে। সাঙ্গা, ইরফানের পর
রায়ান টেন ডেসকাটকেও নিশ্চিত করেছে
ঢাকা ডিনামাইট।
৭. আইকন প্লেয়ারদের দল নির্বাচিত
হবে লটারির মাধ্যমে।
৮. তিলকরত্নে দিলসানের পর জিম্বাবুয়ের
তারকা এল্টন চিগুম্বুরাকে দলে ভিরিয়েছে
চিটাগাং ভিকিংস।
৯. মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের সাবেক কোচ রবিন
সিংকে কোচ হিসেবে নিশ্চিত করেছে
রংপুর রাইডার্স।

26/09/2015

৪ বন্ধু
মিলে ১টা পেট্রোল
পাম্প দিল

!
! কিন্তু
তারা একটা কাস্টমারও
পেলনা !!!!
কিন্তু কেন ???
!
! !
----কারন, পেট্রোল
পাম্পটা ছিল এক
তলার উপরে !!!
আবার
চেষ্টা করা যাক............ .......
এবার তারা ঐ
জায়গায়
একটা রেস্টুরেন্ট
খুলল
। !
!
কিন্তু এবারও
তারা কোন
কাস্টমার
পেলনা !!! কিন্তু কেন ????
!
!
!
----কারন,
তারা পেট্রোল পাম্প এর
সাইনবোর্ড টাই
খুলে নাই !!!!
এবার
অন্য
চেষ্টা করা যাক............ ......
এবার তারা ৪ জন
!
!
!
মিলে একটা ট্যাক্সি কিনলো ।
কিন্তু এবার ও
তারা কোন
যাত্রী পেলনা !!
কিন্তু কেন ???
! !
!
----কারন, ২ বন্ধু
সামনে আর
২ বন্ধু
পিছনে বসে যাত্রী খুজতে ছিল !!!
(যাত্রী বসবে কই ??)
!!
চলুন
শেষ
চেষ্টা করা যাক............ ..
কিছুদিন পর
তাদের
ট্যাক্সি নষ্ট
হয়ে গেল !!!
! !
!
তারা ৪ জন
ট্যাক্সি ধাক্কা দিতে লাগল,
কিন্তু
ট্যাক্সি তার জায়গা থেকে একটুও
নড়ল না !!!
কিন্তু কেন ???
!
!
! কারন ২ জন পিছন
দিয়ে ঠেলতে ছিল
আর
২ জন
সামনে দিয়ে !!
এইবার বলেন, ঐ
!
!
আবুল গুলা কেউ মাইরালা প্লিচ

11/09/2015

"সাথে না থাকলেও সম্পর্কের
বাঁধন ছিড়ে যায় না....
সময় এগিয়ে যায়
তবুও স্মৃতিগুলো রয়ে যায়....
কথায় বলে স্বপ্ন ভেঙ্গে যায়,
আসলে ভাঙ্গে তো ঘুম ,
স্বপ্ন হয় পূরণ অথবা কালের
আধারে হারিয়ে যায় প্রিয়জন...."

26/07/2015

আর্জেন্টিনার জন্য মেসি নয় এটা যারা
বলে তাদের যানা উচিত মেসি
আর্জেন্টিনার জন্য কি?
আসুন আজ সামান্ন কিছু তথ্য তুলে ধরবো
মেসি আর্জেন্টিনা ফুটবল ইতিহাসের সব
চেয়ে বেশি এসিস্ট দাতা-তার উপরে আর
কেউ নেই।
মেসি আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বোচ্ছ দ্বিতীয়
গোল দাতা ।
মেসি আর্জেন্টিনার কেপ্টেন হয়ে পর পর
দুইবার তার দেশ কে বড় টুর্নামেন্টের
ফাইনালে নিয়েছে।বিশ্ব কাপ ও কোপা
আমেরিকা।
মেসি তার টিমকে ফিফার এক নাম্বার দল
হিসেবে সম্মান এনে দিয়েছে।
মেসি এক মাএ প্লেয়ার যে বিশ্ব কাপের ও
কোপা আমেরিকার দুটার ই সেরা প্লেয়ার
হয়েছে।
তার পর ও যখন কিছু হ্যাটাররা বলে মেসি
আর্জেন্টিনার হয়ে কিছু করেনি তাদের তল
পেটে কেউ শুধু লাল মরিচ লাগিয়ে দিতো।
বিশ্ব কাপের ফাইনালে হিগুয়েনকে এক দম
ফ্রি একটা বল বানিয়ে দিয়েছে হিগুয়েন
ইজি গোলটা করতে পারেনি সেই জন্য
বিশ্ব কাপ হারিয়েছে মেসি।সেটাকি ওর
দুশ?
মেসি কোপা আমেরিকার ফাইনালে
শেষের দিকে একটা বল বানিয়ে দিয়েছে
সেই বল কর্স করে পাস দিয়েছে হিগুইনকে
সেটা ও সে গোল করতে পারেনি।
যদি করতো কোপা আমেরিকা মেসি
জিততো।
তার পর পেলান্টিতে মেসি গোল করেছে
কিন্তু হিগুইন চাদের দেশে বল পাঠিয়ে
দিয়েছে,ভেনেগা গোল কিপারের হাতে
বল দিয়ে এসেছে এখানে মেসির দুশ কি?
হায়রে মানুষ।তদের বিবেগ এখন কোথায়?

Address

Dhaka
654321

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Radiomon.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share