পূরবীর গুঞ্জন

পূরবীর গুঞ্জন একান্ত নিজের কিছু ভাবনা আর নিভৃত কথনের এক টুকরো আখ্যান। ❤️

কিছু মানুষকে দেখলে সত্যিই মনে হয়-চুল না, বুদ্ধিটাই যেন বাতাসে পাক খেয়ে গেছে।জীবনে চলার পথে সবচেয়ে সাধারণ যে শিক্ষাগুল...
05/08/2026

কিছু মানুষকে দেখলে সত্যিই মনে হয়-চুল না, বুদ্ধিটাই যেন বাতাসে পাক খেয়ে গেছে।

জীবনে চলার পথে সবচেয়ে সাধারণ যে শিক্ষাগুলো মানুষ অর্জন করে, তার মধ্যে অন্যতম হলো-সময়, স্থান ও পরিস্থিতি বুঝে আচরণ করা। কোথায় কী বলতে হয়, কোথায় কীভাবে আচরণ করতে হয়, আর কোন পরিস্থিতিতে কোন অনুভূতি প্রকাশ করা উচিত-এগুলো কোনো বইয়ের কঠিন অধ্যায় নয়, বরং সামাজিক জীবনের খুবই স্বাভাবিক শিক্ষা।

ভাবুন তো, শোকের বাড়িতে গিয়ে যদি কেউ উচ্চস্বরে হাসি-ঠাট্টা শুরু করে, তাহলে সেটা যেমন অমানবিক ও বেমানান লাগে, ঠিক তেমনি বিয়ের আনন্দঘন অনুষ্ঠানে গিয়ে যদি কেউ কান্নাকাটি শুরু করে, সেটাও সবার কাছে অস্বস্তিকর ও অপ্রাসঙ্গিক মনে হয়। কারণ প্রতিটি পরিবেশের আলাদা আবহ, আলাদা অনুভূতি এবং আলাদা শালীনতা রয়েছে। সেই পরিবেশকে সম্মান করে নিজের আচরণকে মানিয়ে নেওয়াই একজন সচেতন ও পরিণত মানুষের পরিচয়।

কিন্তু দুঃখের বিষয়, কিছু মানুষ আছেন যারা জীবনের অনেকটা পথ পার করে ফেললেও এই সাধারণ বিষয়গুলো বুঝে উঠতে পারেন না। কখন কথা বলা উচিত, কখন চুপ থাকা উচিত, কোথায় হাসতে হয়, কোথায় সমবেদনা জানাতে হয়-এসব যেন তাদের কাছে আজীবন অজানা থেকে যায়। তারা এমনভাবে আচরণ করেন যে আশপাশের মানুষ বিব্রত হয়ে পড়ে, অথচ নিজেরা বুঝতেই পারেন না যে তারা পরিস্থিতির সঙ্গে একেবারেই বেমানান আচরণ করছেন।

মানুষের জ্ঞান শুধু বই পড়ে বাড়ে না,আচরণ, বিবেচনা, সহানুভূতি এবং পরিস্থিতি বোঝার ক্ষমতাও একজন মানুষকে প্রকৃত অর্থে পরিপক্ব করে তোলে। এই সাধারণ বোধটুকু যার নেই, সে যত বড়ই হোক, তার আচরণ মানুষকে অবাক করবেই।

তাই এমন মানুষদের জন্য মজার ছলে একটা গানই যেন সবচেয়ে মানানসই-
"চুল আমার পাইক্কা গেছে বাতাসে..." 🙂

মাঝে মাঝে কোনো কারণ ছাড়াই মন খারাপ করে থাকতে বেশ ভালো লাগে। হয়তো বড় কোনো কষ্ট বা কাউকে হারানোর বেদনা নেই-তবুও এই হালকা ব...
25/07/2026

মাঝে মাঝে কোনো কারণ ছাড়াই মন খারাপ করে থাকতে বেশ ভালো লাগে। হয়তো বড় কোনো কষ্ট বা কাউকে হারানোর বেদনা নেই-তবুও এই হালকা বিষণ্ণতা আর একাকীত্বে ডুবে থাকতে বেশ আরাম পায় মন। তবে একটু ভেবে দেখলে মনে হয়, এই অকারণে দুঃখ বিলাস না করে তো কত আনন্দেই থাকা যেত, কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হলো, এই ভাবনা আসার পরও মন বারবার সেই চেনা বিষণ্ণতাটুকুই জড়িয়ে ধরতে চায়, কারণ এই অনুভূতির গভীরে নিজের অজান্তেই এক অদ্ভুত ভালোলাগা লুকিয়ে থাকে।😄

নিজের অজ্ঞতা ঢেকে রেখে অন্যের ওপর পাণ্ডিত্য জাহির করার এই মানসিকতা বেশ পুরোনো। সাইকোলজিতে একে ‘ডানিং-ক্রুগার ইফেক্ট’ বলা...
22/07/2026

নিজের অজ্ঞতা ঢেকে রেখে অন্যের ওপর পাণ্ডিত্য জাহির করার এই মানসিকতা বেশ পুরোনো। সাইকোলজিতে একে ‘ডানিং-ক্রুগার ইফেক্ট’ বলা হয়-যেখানে কোনো বিষয়ে কোনো গভীর দক্ষতা না থাকা সত্ত্বেও মানুষ নিজেকে মহাপণ্ডিত ভেবে অন্যকে ফালতু উপদেশ দিতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।

বাস্তবে যার ঝুলিতে প্রকৃত দক্ষতার অভাব যত বেশি, অন্যকে শেখানোর আর গলাবাজি করার প্রবণতা তার মধ্যেই সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। নিজের খামতিগুলো শুধরে নেওয়ার বিন্দুমাত্র চেষ্টা না করে অন্যের শিক্ষক সাজাটা শুধু বিরক্তিই বাড়ায় না, বরং মানুষকে হাস্যকর করে তোলে।

সবার গন্তব্য এক নয় বলেই পৃথিবীটা এত সুন্দর আর বৈচিত্র্যময়। কেউ হয়তো বুয়েটে পড়ার সুযোগ পেয়েও বিজ্ঞানের নেশায় ঢাকা বিশ্ববি...
21/07/2026

সবার গন্তব্য এক নয় বলেই পৃথিবীটা এত সুন্দর আর বৈচিত্র্যময়। কেউ হয়তো বুয়েটে পড়ার সুযোগ পেয়েও বিজ্ঞানের নেশায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ চত্বরকে বেছে নেয়, আবার কেউ বিসিএসের নিশ্চিত ক্যারিয়ার ছেড়ে জনসেবার ব্রতে রাজনীতিকে আপন করে নেয়।জীবনের সার্থকতা অন্যের বাতলে দেওয়া সফলতার সংজ্ঞায় নেই, বরং নিজের প্যাশন আর মনের প্রশান্তিতেই তা খুঁজে পাওয়া যায়। আমার মতে,সব দৌড়ে অংশ নিতে হবে এমন কোনো কথা নেই।বরং নিজের সত্তাকে চিনে পছন্দের পথে হাঁটাটাই হলো আসল সাহসিকতা। দিনশেষে নিজের ভালো লাগাকে গুরুত্ব দিয়ে বাঁচার মধ্যেই প্রকৃত আনন্দ লুকিয়ে থাকে।

✍️ পূরবী বৈদ্য
‌ ১৪/০২/২০২৬ইং

একটা কর্নার শুধু আমার জন্য✍️ পূরবী বৈদ্যসবাই যখন বলে, “ঘর তো থাকেই, আর কেমন ঘর?”, তখন আমি চুপ করে থাকি। তারা বোঝে না-আমি...
20/07/2026

একটা কর্নার শুধু আমার জন্য
✍️ পূরবী বৈদ্য

সবাই যখন বলে, “ঘর তো থাকেই, আর কেমন ঘর?”, তখন আমি চুপ করে থাকি। তারা বোঝে না-আমি একটা ‘বাড়ি’ চাই না, চাই "নিজের জন্য একটুকু জায়গা" যেখানে আমি নিঃশব্দে নিজের সাথে থাকতে পারি।

একটা ছোট্ট কর্নার, যেখানে আমার প্রিয় বইগুলো থাকবে সাজিয়ে। জানালার পাশে রাখা থাকবে একটা চেয়ার, দুপুরবেলা যেখানে বসে রোদ মেখে পড়া যাবে প্রিয় কবিতার বই। একপাশে থাকবে আমার গান-হারমোনিয়াম, গিটার কিংবা হেডফোন, যা দিয়ে আমি হারিয়ে যেতে পারি সুরের ভেতর। আর কোনো বাঁধা থাকবে না।

সেই কর্নারে রাত জেগে লেখালেখি করলেও কেউ বিরক্ত করবে না। সেই ঘরে কোনো ব্যস্ততা থাকবে না, থাকবে শুধু শান্তি। থাকবে আমার ইচ্ছেমত সাজানো দেয়াল, হয়তো কিছু ছবির ফ্রেম, কিছু পুরনো চিঠি।

এটা কোনো বিলাসিতা না—এটা এক ধরনের আত্মিক প্রয়োজন। নিজের সাথে দেখা করার জন্য, জীবনের কোলাহল থেকে সামান্য দূরে সরে গিয়ে, একটু নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য।

একটা ঘর তো সবার থাকে। কিন্তু একটা "নিজের মতো করে সাজানো ঘর" যেখানে মন অবাধে হাঁটতে পারে—সেই ঘরটাই তো সবচেয়ে আপন।

"আমি সম্ভবত খুব ছোট্ট কিছুর জন্য মারা যাবোছোট ঘাসফুলের জন্যেএকটি টলোমলো শিশিরবিন্দুর জন্যেআমি হয়তো মারা যাবো চৈত্রের বাত...
20/07/2026

"আমি সম্ভবত খুব ছোট্ট কিছুর জন্য মারা যাবো
ছোট ঘাসফুলের জন্যে
একটি টলোমলো শিশিরবিন্দুর জন্যে
আমি হয়তো মারা যাবো চৈত্রের বাতাসে
উড়ে যাওয়া একটি পাঁপড়ির জন্যে
একফোঁটা বৃষ্টির জন্যে।"...🌼

আমরা কি অজান্তেই আমাদের ঘরের দরজা দিয়ে প্রিয়জন কিংবা অতিথিদের প্রতিনিয়ত চরম অসম্মান করে চলেছি?                      ----...
20/07/2026

আমরা কি অজান্তেই আমাদের ঘরের দরজা দিয়ে প্রিয়জন কিংবা অতিথিদের প্রতিনিয়ত চরম অসম্মান করে চলেছি?
-------------------------
আমি যখন মেসে থাকতাম, তখন আমার এক রুমমেটের একটা বাজে অভ্যাস আমার খুব চোখে পড়ত-মেয়েটা যখনই রুমে ঢুকত বা কেউ রুম থেকে বের হতো, সে খুব জোরে 'ঠাস' করে শব্দ করে দরজা লাগাত। তবে একটু গভীরভাবে জীবনকে পর্যবেক্ষণ করলে বোঝা যায়, এই সমস্যাটা কিন্তু শুধু কোনো নির্দিষ্ট মেস বা একজন সাধারণ ব্যক্তির নয়, বরং এটি আমাদের সমাজের একটি বড় অংশের সামগ্রিক অসচেতনতা ও শিষ্টাচারের অভাবের বহিঃপ্রকাশ।

অনেকেই আছেন যারা নিজেদের অজান্তেই, অসাবধানতায় কিংবা কোনো কারণে মেজাজ খারাপ থাকলে ঘরের অথবা ওয়াশরুমের দরজা এভাবে ধুম করে টেনে দেন,অথচ এটি যে কতটা চরম একটি অভদ্রতা, সেই সাধারণ সামাজিক বোধটুকুও আমাদের অনেকের মধ্যে কাজ করে না। যখন অনেকে একসাথে বসবাস করে, তখন হুট করে হওয়া এমন বিকট শব্দ আশেপাশের মানুষের মানসিক শান্তি, ঘুম কিংবা একাগ্র মনোযোগের ওপর মারাত্মক আঘাত হানে।

বিশেষ করে যখন আমাদের বাড়িতে কোনো অতিথি বা আত্মীয়-স্বজন আসেন এবং তারা বিদায় নিয়ে চলে যাওয়ার ঠিক পরপরই যদি তাদের পেছনে মুখের ওপর ঠাস করে দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়, তবে তা তাদের প্রতি এক ধরণের চরম অসম্মান, অবহেলা ও অভদ্রতা প্রকাশ করে। এতে বিদায়ী অতিথির মনে এমন একটি নেতিবাচক ধারণার সৃষ্টি হতে পারে যে, আমরা হয়তো তাদের চলে যাওয়াতেই হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম কিংবা তাদের তাড়াহুড়ো করে ঘর থেকে বিদায় করে দিলাম। মানুষের পোশাক-আশাক, শিক্ষাগত যোগ্যতা বা বাহ্যিক রূপ যতই আধুনিক আর মার্জিত হোক না কেন, দরজা খোলা বা বন্ধ করার মতো এই ছোট্ট সাধারণ দৈনন্দিন আচরণটিই কিন্তু সবার অলক্ষ্যে তার ভেতরের শ্রদ্ধাবোধ আর সৌজন্যতাকে ফুটিয়ে তোলে।

তাই আমাদের সবারই উচিত এই সূক্ষ্ম আচরণগুলোর প্রতি সচেতন হওয়া এবং নিজের অজান্তেও যেন আমরা এমন রুক্ষ আচরণ করে কাউকে ছোট, অপ্রস্তুত বা অসম্মানিত না করি, সেদিকে সদা সতর্ক দৃষ্টি রাখা।

✍️ পূরবী বৈদ্য

জীবনের তাগিদে, একটু ভালো থাকার আশায় আমাদের কত মানুষকেই না চেনা গ্রাম ছেড়ে শহরে এসে থিতু হতে হয়। আমরা যারা ভাড়া বাসায় থাক...
19/07/2026

জীবনের তাগিদে, একটু ভালো থাকার আশায় আমাদের কত মানুষকেই না চেনা গ্রাম ছেড়ে শহরে এসে থিতু হতে হয়। আমরা যারা ভাড়া বাসায় থাকি, তাদের জীবনের গল্পগুলো কম-বেশি একই রকম। সত্যি বলতে, আমি যেখানে থাকি, এখানকার পরিবেশটা ভীষণ সুন্দর। আসেপাশের মানুষজন সবাই বেশ শিক্ষিত, ভালো ভালো জায়গায় চাকরি করেন। সবচেয়ে বড় কথা,মানুষ হিসেবেও তারা দারুণ। যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে বা দাওয়াতে তারা আমাদের যেভাবে আপন করে নেন, মনেই হয় না আমরা এ পাড়ার স্রেফ ভাড়াটিয়া। মনে হয় যেন আমরা চিরকাল এই পাড়াতেই বড় হয়েছি।

কিন্তু এত ভালো লাগা, এত সুন্দর ব্যবহারের পরেও মনের ভেতর কোথায় যেন একটা খামতি থেকে যায়। কেন জানি গ্রামের সেই চেনা মানুষগুলোর ছোঁয়া, সেই পুরোনো দিনের যত্ন আর খাতিরটা বড্ড বেশি মিস করি। নিজের গ্রামের অনেক খারাপ দিক বা খামতি নিয়ে তো প্রায়ই কথা বলি। কিন্তু আজ মনে হলো, চেনা পরিধির বাইরের সেই মানুষগুলোর ভেতরের সুন্দর দিকটা একটু বলা দরকার।

গ্রামে যখন কোনো বিয়ে বা অনুষ্ঠান হতো, নিমন্ত্রণ দেওয়া থেকে শুরু করে খাওয়ানো পর্যন্ত যে একটা অকপট আন্তরিকতা আর যত্ন থাকত, এই শহরের নিখুঁত নিয়মে বাঁধা আয়োজনে আমি ঠিক সেটা খুঁজে পাই না। শহরে সবকিছু অনেক গোছানো, কিন্তু গ্রামের সেই ধুলোমাখা আন্তরিকতার স্বাদটাই আলাদা।
সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে সেই দিনগুলোর কথা-যখন গ্রামে কারো বাড়িতে বিয়ে হতো, আমরা কত আনন্দ নিয়ে জানালায় গিয়ে দাঁড়াতাম, কৌতূহল ভরা চোখে গেটের সামনে গিয়ে জটলা পাকাতাম বর-কনে দেখার জন্য বা কনে কেমন সেজেছে তা একনজর দেখার জন্য। সেই দেখার মাঝে কোনো লোকদেখানো ভদ্রতা ছিল না, ছিল এক অদ্ভুত কৌতূহল আর অনাবিল আনন্দ। সেখানে কোনো সংকোচ ছিল না, কেউ কিছু মনেও করত না।

আর আজ? শহরের এই ভাড়া বাসায় থাকার পর থেকে সেই চেনা আনন্দগুলো কেমন যেন হারিয়ে গেছে। এখন চাইলেই পাশের বাড়ির বা সামনের ফ্ল্যাটের বিয়ের আলো দেখতে জানালায় গিয়ে দাঁড়ানো যায় না। কেমন যেন একটা দ্বিধা কাজ করে-লোকে কী ভাববে, দেখতে কেমন দেখাবে। একটা মেকি ভদ্রতার দেয়াল আমাদের আটকে রাখে।

শহরের মানুষগুলো সত্যিই খুব ভালো, তাদের মনে কোনো খুঁত নেই। কিন্তু নিজের পাড়ার, নিজের গ্রামের মানুষের মাঝে যে একটা গভীর আত্মীয়তা আর অধিকারের টান ছিল, তা এই বহুতল ভবনের ভিড়ে বড্ড বেশি মিস করি। দিনশেষে মনে হয়, শহর আমাদের অনেক কিছু দিলেও, মনের ভেতরের সেই সহজ-সরল আনন্দগুলো বোধহয় গ্রামেই ফেলে আসতে হয়েছে।☺️

✍️ পূরবী বৈদ্য

এখন বৃষ্টি হচ্ছে। বেলকনিতে দাঁড়িয়ে হাত বাড়িয়ে বৃষ্টির ছোঁয়া নিচ্ছি ঠিকই, কিন্তু মনটা পড়ে আছে সেই পুরনো দিনগুলোর মায়া মাখ...
19/07/2026

এখন বৃষ্টি হচ্ছে। বেলকনিতে দাঁড়িয়ে হাত বাড়িয়ে বৃষ্টির ছোঁয়া নিচ্ছি ঠিকই, কিন্তু মনটা পড়ে আছে সেই পুরনো দিনগুলোর মায়া মাখানো টিনের চালের নিচে। অদ্ভুত এক হাহাকার কাজ করছে ভেতরে-মাঝে মাঝে এই বিষণ্ণ আকাশটা দেখলে মনটা অকারণে ভারী হয়ে ওঠে, আবার কখনো এক অদ্ভুত প্রশান্তিতে ভেতরটা ভিজে যায়। জানালার কপাট খুলে দিয়ে মোবাইলে কোনো একটা প্রিয় গান ছেড়ে নিঝুম হয়ে বসে থাকা, সেই যে টিনের চালে বৃষ্টির রিমঝিম -সেটাই তো ছিল আমার আসল শহর। এখনকার এই বড় বড় দালানকোঠার ইটের দেয়ালে বৃষ্টির শব্দটা কেমন যেন মরে যায়, প্রাণ খুঁজে পাই না। জীবনের প্রয়োজনে আজ এখানে দাঁড়িয়ে ঠিকই, কিন্তু বৃষ্টির প্রতিটি ফোঁটা যখন এই গ্রিলের গায়ে আছড়ে পড়ছে, আমার কানে বাজছে কেবল সেই ফেলে আসা টিনের চালের সুর। সেই সুরটা, সেই দিনগুলো আমি সত্যিই বড্ড বেশি মিস করি।
✍️পূরবী বৈদ্য
১৪/০৩/২০২৬ইং

মাঝেমধ্যে অন্ধকার আমার কাছে এক অদ্ভুত প্রশান্তি হয়ে আসে। হুট করে যখন ইলেকট্রিসিটি চলে যায় আর চারপাশটা নিস্তব্ধ হয়ে পড়ে, ...
18/07/2026

মাঝেমধ্যে অন্ধকার আমার কাছে এক অদ্ভুত প্রশান্তি হয়ে আসে। হুট করে যখন ইলেকট্রিসিটি চলে যায় আর চারপাশটা নিস্তব্ধ হয়ে পড়ে, তখন এক ধরণের গভীর ভালোলাগা কাজ করে। সেই অন্ধকারে বিছানায় শুয়ে থাকা কিংবা বারান্দায় একাকী বসে থাকাটা আমার ভীষণ প্রিয়। বাড়িতে উঠানে বসে যখন চারপাশের এই নীরবতাকে উপভোগ করতাম, তখন মনে হতো যেন নিজের সাথে নিজের কথা বলার সুযোগ হচ্ছে।এই অল্প সময়ের অন্ধকার আর নিস্তব্ধতা আমার নিজের সাথে নিজের এক অন্যরকম ভালোলাগার মুহূর্ত তৈরি করে দেয়।❤️

✍️পূরবী বৈদ্য
২২/০৩/২০২৬ইং

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পূরবীর গুঞ্জন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category