Economics Cultural Club, University of Dhaka

  • Home
  • Economics Cultural Club, University of Dhaka

Economics Cultural Club, University of Dhaka Exploring,embracing and fostering diversity.Join this vibrant journey to Step into the Spotlight!

Economics Cultural Club, University of Dhaka (ECC) intends to expand student knowledge and participation of the Department of Economics within the cultural atmosphere at the local, national and international level.The club represents the department in different sectors and levels and serves as a community in which students can discuss and share cultural views freely. The club also functions as a p

latform for the current and former students of the department to share their experiences in both personal and professional aspects.

"রেল লাইনের ওই বস্তিতে" থেকে শুরু করে "জীবনে কিছু পাবো না রে"- তাঁর গানগুলো শুধু সুরের মূর্ছনা ছিল না,ছিল সাধারণ মানুষের...
05/06/2026

"রেল লাইনের ওই বস্তিতে" থেকে শুরু করে "জীবনে কিছু পাবো না রে"- তাঁর গানগুলো শুধু সুরের মূর্ছনা ছিল না,ছিল সাধারণ মানুষের জীবন, স্বপ্ন, সংগ্রাম আর না-বলা অনুভূতির জীবন্ত আখ্যান।

বলছিলাম বাংলাদেশের পপ সংগীতের কিংবদন্তি, "পপ সম্রাট" আজম খানের কথা। আজ তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর বজ্রকণ্ঠ আজও কোটি হৃদয়ে প্রতিধ্বনিত হয়।তাঁর গান শুনলেই মনে হয়, তিনি যেন এখনও এই শহরের কোনো অলিগলিতে হেঁটে বেড়াচ্ছেন, মানুষের কথা বলছেন, মানুষের গান গাইছেন।

এক হাতে গিটার আর অন্য হাতে রাইফেল,তিনি শুধু পপ সঙ্গীতের জনকই ছিলেন না, ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। যুদ্ধের ময়দানে যেমন গর্জে উঠেছিল তাঁর রাইফেল,স্বাধীনতার পর তেমনই গিটার আর কণ্ঠ দিয়ে তিনি শুরু করেছিলেন এক সাংস্কৃতিক বিপ্লব।

তিনি প্রমাণ করে গেছেন যে সংগীত শুধু বিনোদন নয়, সংগীত হতে পারে মানুষের কণ্ঠস্বর, প্রতিবাদের ভাষা, জীবনের প্রতিচ্ছবি।পশ্চিমা পপ ঘরানার সাথে দেশীয় মাটির সুর মিশিয়ে তিনি বাংলা গানে যে নতুন ধারা এনেছিলেন, তা আজও অতুলনীয়।

সময় চলে যায়, মানুষ হারিয়ে যায় কিন্তু কিছু মানুষ চলে গিয়েও হারিয়ে যান না,তাঁরা থেকে যান স্মৃতিতে, ভালোবাসায় আর তাঁদের গানের প্রতিটি লাইনে।তিনি তেমনই এক কিংবদন্তি,যাঁর গান প্রজন্মের পর প্রজন্মকে পথ দেখাবে,ছুঁয়ে যাবে অসংখ্য হৃদয়।

আজ তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে ইকোনমিক্‌স কালচারাল ক্লাব - এর পক্ষ থেকে গভীর শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা আর ভালোবাসার সঙ্গে স্মরণ করছি সেই মানুষটিকে,যিনি বাংলা সংগীতকে দিয়েছিলেন এক নতুন পরিচয়।

✍️ লেখা: সাইমা কবির অর্থী (ব্যাচ ১০৩)
🎨 অলংকরণ: আহনাফ আল নাসিফ (ব্যাচ ১০২)

ঋতু'র চলে যাওয়ার দিন আজ। ১৩টা বছর আগে তার চলে যাওয়া। ঋতু চলে গেলেও ঋতু'র কাজগুলো থেকে যায় - কখনো সিনেমায় কখনো "ঘোষ এন্ড ...
30/05/2026

ঋতু'র চলে যাওয়ার দিন আজ। ১৩টা বছর আগে তার চলে যাওয়া। ঋতু চলে গেলেও ঋতু'র কাজগুলো থেকে যায় - কখনো সিনেমায় কখনো "ঘোষ এন্ড কোম্পানি" র এপিসোডে।
আবার কখনো আর্টফিল্ম দেখতে বসা দর্শকের কল্পনায় - "আচ্ছা এই সিনটা ঋতুপর্ণ কিভাবে ভাবতেন?"

গুনে গুনে ১৩টা বসন্ত 'ঋতু'হীন তবু ঋতু থেকে গেছেন, থেকে যাবেন তার না থাকা জুড়ে।

আজ ঋতুপর্ণ ঘোষের মৃত্যুবার্ষিকীতে ইকোনমিক্‌স কালচারাল ক্লাব - এর পক্ষ থেকে তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যে জানাই অতল শ্রদ্ধা।

🎨 অলঙ্করণ: নওশীন জাহান তাকিয়া (ব্যাচ ১০২)
✍️ লেখা: অরিত্র রোদ্দুর ধর (ব্যাচ ১০২)

বাংলা চলচ্চিত্রের অভিনয়শিল্পে নিজেদের নাম যাঁরা সময়ের গণ্ডি পেরিয়ে ইতিহাসের পাতায় লিখে গেছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম কিং...
29/05/2026

বাংলা চলচ্চিত্রের অভিনয়শিল্পে নিজেদের নাম যাঁরা সময়ের গণ্ডি পেরিয়ে ইতিহাসের পাতায় লিখে গেছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম কিংবদন্তি হুমায়ূন ফরীদি।অভিনয়ের প্রতি অসাধারণ নিষ্ঠা, সংলাপ উপস্থাপনের স্বতন্ত্র ভঙ্গি এবং চরিত্রের গভীরে পৌঁছে যাওয়ার অনন্য ক্ষমতা তাঁকে করে তুলেছিল বাংলা নাটক ও চলচ্চিত্রের এক অবিস্মরণীয় নাম। মঞ্চ, টেলিভিশন কিংবা রূপালি পর্দা প্রতিটি মাধ্যমে তিনি রেখে গেছেন অসামান্য অবদান ও এক অনন্য শিল্পসত্তার স্বাক্ষর।

নেতিবাচক চরিত্রই হোক কিংবা গভীর আবেগময় কোনো ভূমিকা, হুমায়ূন ফরীদি প্রতিটি চরিত্রকে নিজের অভিনয়গুণে জীবন্ত করে তুলতেন। তাঁর কণ্ঠ, ব্যক্তিত্ব, সংলাপ বলার ভঙ্গি ও অভিনয়ের গভীরতা আজও বাংলা সংস্কৃতিপ্রেমীদের হৃদয়ে সমানভাবে অনুরণিত হয়।

শহীদুল্লাহ কায়সারের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত বাংলাদেশ টেলিভিশন এর ধারাবাহিক ‘সংশপ্তক’ এর ‘কানকাটা রমজান' চরিত্রটির মাধ্যমে তিনি যেমন অসাধারণ অভিনয় এবং বাচনভঙ্গির কারণে দর্শকদের কাছে হয়ে উঠেছিলেন ভয়ানক এক খলনায়ক, ঠিক তেমনই আবার হূমায়ুন আহমেদ এর ‘কোথাও কেউ নেই’ নেই উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ধারাবাহিকে তিনি যখন বাকের ভাইকে প্রশ্ন করে বসেছিলেন “মেয়েটি আপনার কে হয়? আপনি কি মেয়েটিকে ভালোবাসেন?” কিংবা শেষ পর্বের এক পর্যায়ে তিনি যখন বাকেরের সঙ্গী বদীর মিথ্যা সাক্ষীর পর তাকে বলছিলেন “ইচ্ছে করলে এই মামলা আমি ধুলোয় উড়িয়ে দিতে পারতাম বদী,শুধু তোমার জন্য পারলাম না” এমন দৃশ্যে তাঁর অভিনয় এবং সংলাপগুলো যেন তাঁকে দর্শকদের আরো কাছে নিয়ে এসেছিলো প্রিয় অভিনেতা হিসেবে, এমন বিভিন্ন বিচিত্র ধর্মী অভিনয়ের কারণে তাঁর দর্শকপ্রিয়তা বেড়েই চলছিলো দিনদিন। এছাড়াও- ব্যাচেলর, শ্যামল ছায়া, চন্দ্রকথা সহ অসংখ্য নাটক ও চলচ্চিত্রে তাঁর অনবদ্য অভিনয় বাংলা সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। অভিনয়ে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি অর্জন করেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, একুশে পদকসহ বহু সম্মাননা।

আজ ২৯শে মে,বাংলা অভিনয় জগতের এই অবিসংবাদিত জাদুকর, মঞ্চ থেকে রূপালি পর্দা কাঁপানো মহানায়ক হুমায়ূন ফরীদির জন্মদিনে ইকোনমিক্‌স কালচারাল ক্লাব (ইসিসি)’র পক্ষ থেকে জানাই গভীর শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা।আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা স্মরণ করছি এমন একজন মানুষকে, যিনি অর্থনীতি বিভাগের ছাত্রাবস্থা থেকেই নাটকের আঙিনায় নিজের যাত্রা শুরু করেছিলেন এবং পরবর্তীতে পুরো বাঙালির আবেগকে এক সুতোয় বেঁধেছিলেন।

শুভ জন্মদিন, কিংবদন্তি হুমায়ূন ফরীদি।
আপনি বেঁচে থাকবেন আপনার শিল্পে, আমাদের ভালোবাসায়।

🎨 অলঙ্করণ:পুস্পিতা রায়(ব্যাচ ১০৪)

✍️ লেখা: আব্দুল্লাহ আল মাসুম(ব্যাচ ১০৪)

👥 তত্ত্বাবধানে: নাফিসা নাওয়াল অহনা,ফাইরুজ সুবাত কুইন (ব্যাচ ১০৩)

ত্যাগের মহিমা, সহমর্মিতার বন্ধনআর আনন্দের নির্মল আবেশে উদ্ভাসিত হোক পবিত্র ঈদ-উল-আজহা।🐄✨️কোরবানির শিক্ষা আমাদের মনে করিয়...
27/05/2026

ত্যাগের মহিমা, সহমর্মিতার বন্ধন
আর আনন্দের নির্মল আবেশে উদ্ভাসিত হোক পবিত্র ঈদ-উল-আজহা।🐄✨️

কোরবানির শিক্ষা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে
প্রকৃত প্রাপ্তি কেবল নিজের জন্য নয়,
বরং সবার সঙ্গে সুখ ও ভালোবাসা ভাগ করে নেওয়ার মধ্যেই নিহিত।

অর্থনীতির সব জটিল হিসাব ভুলে, ঈদের এই দিনে আমাদের একমাত্র সমীকরণ হোক আনন্দ ভাগাভাগি করা আর মানুষের কল্যাণে বিনিয়োগ করা।

ইকোনমিক্‌স কালচারাল ক্লাবের পক্ষ থেকে
সবাইকে জানাই পবিত্র ঈদুল আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা।

🌙 ঈদ মোবারক।

🎨 অলঙ্করণ: আমাতুননূর বুশরা সন্‌চারী, সাবরিনা হক (ব্যাচ ১০৪)

✍️ লেখা: মোছা: মেফতাহুল জান্নাত স্নেহা (ব্যাচ ১০৪)

👥 তত্ত্বাবধানে: ইফতেখার রব আল ফারাবী, হুমায়রা ফয়েজ প্রিয়ন্তী (ব্যাচ ১০৩)

"মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী, আর হাতে রণ-তূর্য!"একই অবয়বে এত বিপরীতমুখী সত্তার এমন অনবদ্য সহাবস্থান পৃথিবীর ইতিহাসে ব...
24/05/2026

"মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী, আর হাতে রণ-তূর্য!"

একই অবয়বে এত বিপরীতমুখী সত্তার এমন অনবদ্য সহাবস্থান পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। তিনি চির-বিদ্রোহী ধূমকেতু, কখনো বিরহী প্রেমিক, আবার কখনো সাম্যের মশাল হাতে এক মুক্তমানব। কবি নিজেই এক অখণ্ড সৃষ্টিশীলতার মহাবিশ্ব।

তিনি কাজী নজরুল ইসলাম- যাঁর সৃষ্টির কোনো একক ফ্রেম বা সংজ্ঞা হয় না। আজ আমাদের জাতীয় কবির জন্মজয়ন্তীতে তাঁকে নতুন করে আবিষ্কারের এক ভিন্ন প্রয়াস।

কবির সৃষ্টির সেই সুবিশাল ক্যানভাসকে রূপকের ফ্রেমে বাঁধতেই আমাদের বিশেষ আয়োজন- 'নজরুলের ৫টি সত্তা’।

আমাদের চেতনা, মনন আর স্পর্ধার চিরন্তন বাতিঘর- কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকীতে ইকোনমিক্‌স কালচারাল ক্লাব (ECC)-এর পক্ষ থেকে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।

🖌️ডিজিটাল আর্ট: মীর শাহরিয়ার ইসলাম (ব্যাচ ১০৩)

🎨 অলঙ্করণ: জুয়াইরিয়া রশিদ (ব্যাচ ১০৪)

✍️ লেখা: মাইশা মাহজাবিন অর্ণি, আবরার মাহীর (ব্যাচ ১০৪)
নাফিসা নাওয়াল অহনা (ব্যাচ ১০৩)

👥 তত্ত্বাবধানে: নাফিসা নাওয়াল অহনা, মীর শাহরিয়ার ইসলাম, ফাইরুজ সুবাত কুইন, নাজিফা তাজনুর, মাবশুরাতুল জান্নাত তুবা (ব্যাচ ১০৩)

ইকোনমিক্‌স কালচারাল ক্লাব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, আট বছর বয়সী শিশু রামিসার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গভীরভাবে শোকাহত এবং ক্ষ...
23/05/2026

ইকোনমিক্‌স কালচারাল ক্লাব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, আট বছর বয়সী শিশু রামিসার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গভীরভাবে শোকাহত এবং ক্ষুব্ধ। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সাংস্কৃতিক ক্লাবের সদস্য হিসেবে আমরা এই জঘন্য ও অমানবিক সহিংস ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। এটি কেবল একটি নিষ্পাপ শিশুর অকাল প্রয়াণ নয়, বরং আমাদের সমাজের নিরাপত্তা ও মর্যাদার ওপর এক চরম আঘাত।

একটি জাতিকে অনেকাংশে বিচার করা হয় তারা তাদের শিশুদের কতটা সুরক্ষা দেয় তার ওপর ভিত্তি করে। শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়াকে একটি জাতিকে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে অন্যতম বড় নেতিবাচক দিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। রামিসার মৃত্যু আমাদের জাতীয় কলঙ্ক এবং আমাদের সম্মিলিত ব্যর্থতার এক জ্বলন্ত প্রমাণ। বিশেষ করে, শিকার হওয়ার পরও বিচার পেতে যে দীর্ঘসূত্রতা ও হয়রানির শিকার হতে হয়, তা আমাদের বিচারব্যবস্থার প্রতি গভীর প্রশ্ন তৈরি করেছে। শুধু রামিসা নয়, এমন অসংখ্য ঘটনা অহরহ ঘটছে যা অধিকাংশ সময় লোকচক্ষুর আড়ালে থেকে যাচ্ছে অথবা বিচারহীনতার অন্ধকারে হারিয়ে যাচ্ছে। গত কয়েক দিনেই এমন অনেকগুলো নৃশংসতার ঘটনা আমাদের সামনে এসেছে, যার মধ্যে চট্টগ্রামের চার বছর বয়সী শিশুটির ওপর পাশবিক নির্যাতনের ঘটনাটি আমাদের সমাজকে নতুন করে স্তব্ধ করে দিয়েছে। একের পর এক এমন ঘটনা সমাজের চরম অস্থিরতারই বহিঃপ্রকাশ।

আমরা আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা এবং বিচার বিভাগের কাছে দাবি জানাই, এই মামলাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অত্যন্ত জরুরি ভিত্তিতে পরিচালনা করতে হবে। আমরা দ্রুত বিচার, বিচারিক কার্যক্রমে কোনো ধরনের গড়িমসি না করা এবং অপরাধীর জন্য আইনের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। শিশু নির্যাতনের ঘটনায় বিচারহীনতার সংস্কৃতি অবিলম্বে শেষ হতে হবে। কোনো ধরনের প্রশাসনিক গাফিলতির কারণে এই মামলা যেন হারিয়ে না যায়, তা নিশ্চিত করার দায়ভার রাষ্ট্রকেই নিতে হবে। এছাড়া, আমাদের পাড়া-মহল্লা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি, কারণ শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি মৌলিক অধিকার।

ইকোনমিক্‌স কালচারাল ক্লাব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী এবং দেশবাসীকে এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠার আহ্বান জানাচ্ছে। আমরা কোনো ফাঁপা আশ্বাসে শান্ত হব না। আমাদের কণ্ঠস্বর সোচ্চার থাকবে এবং রামিসার প্রকৃত বিচার না পাওয়া পর্যন্ত আমাদের এই প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।

আমরা রামিসার জন্য বিচার চাই।

Economics Cultural Club, University of Dhaka, stands in absolute shock and fury following the brutal murder of eight-year-old Ramisa. As members of this cultural club, we vehemently condemn this heinous act of violence. This was not just the loss of an innocent child; it was a violent assault on the safety and dignity of our society.

A nation is highly judged by the protection it affords its children. It is considered as one of the biggest negative points on evaluating a nation. Ramisa’s death is a national disgrace and a stinging indictment of our collective failure. We are deeply concerned by the systemic delays and harassment victims face after such traumatic incidents, which continue to undermine faith in our judicial system. Ramisa’s case is not an isolated tragedy; it is part of a haunting pattern where countless similar crimes are either overlooked or lost in the shadows of impunity.

The recent surge in violence, including the horrific attack on a four-year-old child in Chattogram just days ago, serves as a grim reminder of the deteriorating state of safety for our children.

We demand that law enforcement agencies and the judiciary prioritize this case with absolute urgency. We insist on a swift trial, zero tolerance for systemic delays, and the imposition of the maximum penalty provided by law for the perpetrator. The era of impunity for crimes against children must end immediately. The state must take full responsibility to ensure this case does not vanish into bureaucratic apathy. Furthermore, we demand the implementation of concrete, immediate action to secure our neighborhoods and schools, as safety for our children is a fundamental right that must be enforced.

Economics Cultural Club calls upon the entire student body of the University of Dhaka and the people of this nation to rise up against this cycle of violence. We will not be pacified by empty promises. Our voices will remain loud, and our protest will remain relentless until justice is not only sought but delivered in full.

WE DEMAND JUSTICE FOR RAMISA.

Secretary of the Quarter ALERT! 🏆A huge round of applause to our dedicated Organizing Secretary, Aritro Roddur Dhar, for...
22/05/2026

Secretary of the Quarter ALERT! 🏆

A huge round of applause to our dedicated Organizing Secretary, Aritro Roddur Dhar, for being recognized as the 'Secretary of the Quarter' in the 3rd quarter of the panel 2025-26🎖️

With his tireless efforts, consistency, and exceptional coordination skills, Roddur has been an integral part of making ECC’s initiatives and events successful. He consistently gave his time, energy, and effort to ensure every task is carried out with excellence. His enthusiasm, responsibility, and ability to work seamlessly with the team truly make him stand out.✨

ECC is grateful for his valuable contributions and unwavering commitment throughout the quarter and deeply appreciates his continuous effort and leadership spirit. Congratulations, Roddur, on this well-deserved recognition! 🌟

Secretary of the Quarter ALERT! 🏆Heartiest congratulations to our incredible Organizing Secretary, Sabat Mostafa Prothon...
21/05/2026

Secretary of the Quarter ALERT! 🏆

Heartiest congratulations to our incredible Organizing Secretary, Sabat Mostafa Prothon, for earning the title of 'Secretary of the Quarter' in the 2nd Quarter of Panel 2025-26.🎖️

Behind every successful ex*****on, every coordinated effort, and every smoothly managed initiative, Prothon’s relentless dedication and hard work have stood strong. His sincerity, responsibility, and unwavering commitment toward ECC go far beyond assigned duties.
From handling pressure with composure to standing dependable in every situation, he has become a driving force within the team.

ECC proudly celebrates this well-deserved recognition and expresses heartfelt gratitude for all the dedication and effort he has poured into the club. 🌟

গত ক'দিন ধরে আমরা শুধু ইসিসি নব হর্ষে নববর্ষে ১৪৩৩  নিয়েই কথা বলে যাচ্ছি। এই আয়োজনটুকু নিয়ে আমাদের মাতামাতি শেষই হচ্ছে ন...
17/05/2026

গত ক'দিন ধরে আমরা শুধু ইসিসি নব হর্ষে নববর্ষে ১৪৩৩ নিয়েই কথা বলে যাচ্ছি। এই আয়োজনটুকু নিয়ে আমাদের মাতামাতি শেষই হচ্ছে না! কিন্তু আমরাই বা কী করি, বলুন তো? যত স্মৃতি রোমন্থন করি, ততই ভালোলাগা বাড়ে, আর ইচ্ছে হয় টাইম মেশিন চড়ে শোঁ করে আবার ইভেন্টের দিনটায় ফিরে যেতে।

মিডটার্মের পরে মাত্র চারদিনের ব্রেক। এই ব্রেকের মধ্যেই রিহার্সাল। চারদিনের ভেতরেই গান-আবৃত্তি-নাচ ঠিক হলো, নাটক তোলা হলো, নাটকের প্রপস বানানো হলো। আবার এই চারদিনের একদিন সকাল থেকে ঝুম বৃষ্টি, সেই ঝড়বৃষ্টির মাঝেও রিহার্সালের নির্ধারিত জায়গায় জবুথবু হয়ে এক দলকে বসে থাকতে দেখা গেল সকাল সকাল! সকাল থেকে সন্ধ্যা গোটাদিন চলত রিহার্সাল, আর ডেকোরেশন টিমের খুটখাট। দিনরাত খেটেখুটে ডেকোর টিম টিএসসি সুইমিংপুল প্রাঙ্গণকে সাজিয়ে ফেলল দেশি মোটিফে।

উৎসবের এত চমৎকার সব পরিবেশনা, প্রতি পরিবেশনার পেছনে এত এত শ্রম-ঘাম, যাঁরা স্টল দিয়েছিলেন, তাঁদের এত পরিশ্রম আর খাটাখাটুনি- সব মিলিয়ে আমাদের জন্যে এই আয়োজনটা যত্ন করে মনের কোণে সবসময় রেখে দেওয়ার মতো একটা আয়োজন।

আজ আলাদা করে একটা ধন্যবাদ দিতে চাই আমাদের দর্শকদের।

আয়োজনের মাঝখানে কোনো পূর্বসংকেত ছাড়াই ঝমঝম বৃষ্টি নামল, চারদিক ভিজে একাকার। আমরা বৃষ্টির জন্যে পূর্বপ্রস্তুতি নিয়ে রাখলেও বিপুলসংখ্যক দর্শকের জন্যে তা যথেষ্ট হয়ে ওঠেনি। তারপরেও আপনারা কেউ আমাদের ছেড়ে যাননি, শেষ অবধি ছিলেন সকলেই। আপনারা পাশে ছিলেন বলেই আমাদের আয়োজনটা সত্যি সত্যিই সার্থক হয়ে উঠতে পেরেছে। আপনাদের ধন্যবাদ।

অনুষ্ঠান যখন দ্বিতীয় ধাপে পুরোপুরি রমরমা হয়ে উঠলো, আমাদের সঙ্গে যুক্ত হলেন জনতা ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: মজিবর রহমান, জেনারেল ম্যানেজার (আইটি) মো: আনিস ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ব্যবস্থাপক মো: আব্দুল হাই। দর্শকসারিতে তাদের হাসিমুখ দেখে, তাদের এই অংশগ্রহণে আমরা আনন্দিত হয়েছি।

সাথে একটা বিশেষ ধন্যবাদ দিতে চাই আমাদের বিভাগের নতুন সংযোজন, ১০৫ ব্যাচকেও। ‘নব হর্ষে নববর্ষে ১৪৩৩’ নিয়ে তোমাদের উচ্ছ্বসিত আগ্রহ আমাদেরকে মুগ্ধ করেছে। আশা করি সামনে ইসিসি’র আয়োজনগুলোয় তোমাদের পারফরম্যান্সও আমাদেরকে মুগ্ধ করবে!

সবশেষে একটা ভালোবাসা-মাখা ধন্যবাদ জানাতে চাই আমাদের প্রিয় অ্যালামনাইদের। আমাদের উইকডে'তে করা আয়োজনেও দিনের সমস্ত ব্যস্ততা সামলে আপনারা সাড়া দিয়েছেন, উৎসবে এসে আয়োজনটাকে আরও ঝলমলে করে তুলেছেন- আপনাদেরকে ধন্যবাদ দিলেও বোধহয় কম হয়ে যায়।

যারা আসতে পারেননি, তাঁদেরকে খুব মিস করেছি। সামনের আয়োজনগুলোয় আপনাদের অপেক্ষায় থাকব।

দেখা হবে অন্য কোনো আয়োজনে, গোধূলিরঙা কোনো বিকেলে। ততদিন পর্যন্ত ভালো থাকুন, ভালো রাখুন আশেপাশের সবাইকে।

আমাদের উৎসব ফুরোলো, নটে গাছটি মুড়োলো।

সারাদিনের সেই ঘূর্ণিঝড় সমান ব্যস্ততা, মেঘলা আকাশের খামখেয়ালিপনা আর হুটহাট সব ওলটপালট হয়ে যাওয়া- সবকিছু মিলিয়ে ইসিসি নব হ...
15/05/2026

সারাদিনের সেই ঘূর্ণিঝড় সমান ব্যস্ততা, মেঘলা আকাশের খামখেয়ালিপনা আর হুটহাট সব ওলটপালট হয়ে যাওয়া- সবকিছু মিলিয়ে ইসিসি নব হর্ষে নববর্ষে ১৪৩৩ এর দিনটা ছিল এক চরম অনিশ্চয়তার নাম। কিন্তু সেই অনিশ্চয়তার মেঘ ফুঁড়ে যখন একে একে গানের মেলা, নাচের ছন্দ আর কবিতার আবেগ মঞ্চে ডানা মেলতে থাকে, আমরা সব ক্লান্তি ভুলে সেই আনন্দে একাকার হয়ে যাই। মহুয়ার পালার সেই চিরন্তন আকুলতা আর বর্ণিল র‍্যাম্পের জৌলুস তো ছিলই, কিন্তু দিনের আসল চমকটুকু তোলা ছিল রাতের জন্য।

রাত তখন আটটা ছুঁইছুঁই। টিএসসি সুইমিং পুলের সেই খোলা আকাশের নিচে যখন মঞ্চে এলো Anesthesia - The Band , পুরো পরিবেশটা মুহূর্তেই এক তীব্র উন্মাদনায় ফেটে পড়লো। ইলেকট্রিক গিটারের তারে প্রথম টান পড়ার সাথে সাথেই যেন বিগত কয়েকটা দিনের এক্সাম এর সেই পাহাড় সমান মানসিক চাপ আর সারাদিনের সব ধকল ওই গিটারের ঝংকারে নিমেষেই কর্পূরের মতো উড়ে গেল।

হাবিব এর 'কৃষ্ণ' থেকে শুরু করে মাইলস এর 'নীলা', কিংবা গুরু জেমস এর 'পাগলা হাওয়া'র সেই চেনা সুরগুলো যখন রাতের বাতাসে গর্জে উঠলো, আমাদের ভেতরকার সবটুকু আনন্দের তখন বাঁধ ভেঙেছে। 'অবস্থান' আর 'ফ্যাকাশে'র মতো গানগুলো যখন বাজছিল, প্রতিটি শব্দ আমাদের জমানো সব আবেগের প্রতিধ্বনি হয়ে ফিরছিল। এই সুরগুলো তো শুধু গান নয়,যেন আমাদের অস্তিত্বের এক একটা টুকরো। 'ফিরিয়ে দাও' বা 'কদম' গাইতে গাইতে আমরা যেন ফিরে পেলাম আমাদের সেই হারিয়ে যাওয়া অদম্য প্রাণশক্তি।

সব অবসাদ ঝেড়ে ফেলে সেই রাতে আমরা সবাই নতুন করে জেগে উঠেছিলাম। সবকিছুর শেষে অ্যানেস্থেশিয়া যেভাবে পুরো দিনটাকে এক সুতোয় গেঁথে এক সার্থক সমাপ্তি টানলো, তা আমাদের হৃদয়ে অমলীন হয়ে থাকবে।

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Economics Cultural Club, University of Dhaka posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Economics Cultural Club, University of Dhaka:

  • Want your establishment to be the top-listed Arts & Entertainment?

Share