Abir Imtiaz - আবির ইমতিয়াজ

Abir Imtiaz - আবির ইমতিয়াজ এক খন্ড নব ভ্রম...

😫🫶
08/06/2026

😫🫶

[📌 গল্প কপি করা সম্পূর্ণ নিষেধ!🚫]

#প্রণয়ের_বউপাখি
লেখক #আবির_ইমতিয়াজ
#পর্ব_৭

"আরেএএ সমুদ্র ভাই এসেছে।আজ দুই ভাই একসাথে এসেছে। সেইজন্যই তো আম্মা তোকে ডেকে পাঠালো।"

সমুদ্রের নাম শুনেই মেয়েটির চোখ যেন চিকচিক করে উঠলো।তারপর অবিশ্বাস্য কণ্ঠে ফের শুধালো—

"সত্যি বলছো আপি? সমুদ্র ভাই এসেছেন?!"
তারপর তার বোন অর্থাৎ সাফা বললো —

"হ্যাঁ রে,ঘরে গিয়েই দেখ না সব বুঝতে পারবি।"
বোনের থেকে আশ্বাস পেয়ে ইরা একছুটে স্থানত্যাগ করলো। ছোটো বোনের এমন পাগলামি দেখে সাফা চিন্তিত হয়ে বললো–

"আরেহ! আস্তে যা,না হয় পড়ে যাবি।"
সাফার এই কথা শেষ হতে দেরি কিন্তু চৌকাঠে ইরার হোঁচট খেয়ে পড়তে দেরি হয় না। ব্যথা পেয়ে সে পা ধরে সেখানেই বসে রইলো। বোনের এই অবস্থা দেখে সাফা এগিয়ে এসে বললো—

"বলেছিলাম এভাবে না দৌঁড়াতে।
তুই তো চোখ মাথার পেছনে রেখে চলিস।শুকনো মাটিতেও একশো বার আছাড় খাবি, আছাড় তো তোর জাতীয় খাবার। নে,এবার হাত ধরে উঠ দেখি।"

ইরা বোনের এমন কথা শুনে বাচ্চাদের মতো শব্দ করে কেঁদেই ফেললো। বোনের এই অবস্থা দেখে সাফা বললো-
"দেখি,উঠ তো। বেশি ব্যথা পেয়েছিস?"

"হ্যাঁ"
কাঁদতে কাঁদতে কোনোরকমে বললো ইরা। তারপর সাফা বললো-
"আচ্ছা থাক কিছু হবে না। আর কাঁদিস না। বরফ লাগিয়ে দিচ্ছি চল।"

বলতে বলতে সাফার হাত ধরে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে ঘরে ঢুকলো ইরা। ওকে এমনভাবে দেখে সীমান্ত বললো–
"কিরে মুড়ি? তুই আবারও শুকনো মাটিতে আছাড় খেয়েছিস!!" বলেই হো হো করে হাসতে লাগলো সীমান্ত।

ওর একথা শুনে ইরা আবারও কেঁদে দিলো।এদিকে সমুদ্র বুঝতে পারলো না সীমান্ত ওকে মুড়ি কেনো বললো। কিছুটা অবাক হয়ে বললো–

"মুড়ি কে?"

"সমুদ্র ভাইয়া, ও ইরা। আমার বোন। সীমান্ত ভাইয়া ওকে মুড়ি বলে ডাকে।"

"এটা ইরা! ওকে তো চেনাই যাচ্ছে না। কত বড় হয়ে গেছে।"

সমুদ্রের এই কথা শুনে ইরা চট করে বললো-
" আপনি এখানে আসলে না আমাকে চিনবেন।
আপনি তো আসেনই না হুহ!"

"বাব্বাহ্! পিচ্চির দেখি রাগও আছে।"

"আমি বাচ্চা নই সমুদ্র ভাই। আমি এখন বড় হয়ে গেছি।"

"তাইই!!!
তাহলে এতটুকু ব্যথা পেয়ে কান্না করছো কেনো? আমি তো জানি এসব বাচ্চারা করে।"

ইরা এবার হাত দিয়ে চোখমুখ মুছে বললো –
"কই আমি তো কাঁদছি না, হে হে"
ইরার কথা শুনে এবার জোরে জোরে হেসে ফেললো সমুদ্র। হাসির মাঝেই ফের বললো–
"আচ্ছা তাহলে এবার ওষুধ লাগিয়ে নাও। তারপর কথা হবে কেমন?"

"আপনি আবার লুকিয়ে চলে যাবেন না তো?"
"না, এবার আর লুকিয়ে লুকিয়ে যাবো না।"
"আচ্ছা।"

"ইরা তুই পাশের ঘরে গিয়ে বস, আমি বরফ নিয়ে আসছি।
আর হ্যাঁ,এই অবস্থায় তুই ভুলেও আম্মার সামনে যাবি না। নাহলে একটা মারও কিন্তু মাটিতে পড়বে না।"

"আচ্ছা আপি।"

"আর ভাইয়া আপনারা আম্মাকে ওর ব্যাপারে কিছু বলবেন না প্লিজ।"
উত্তরে সমুদ্র বললো –
"আচ্ছা,বলবো না।"

এভাবে আরও প্রায় ১০ মিনিট কেটে গেলো। হাতের কাজগুলো সেরে ঘরে প্রবেশ করলেন মারুফা বেগম। উনাকে দেখে দুই ভাই সালাম দিলো।তারপর জিজ্ঞাসা করলো কেমন আছেন চাচি? অসুস্থ শরীর নিয়ে কি আর বেশি ভালো থাকা যায়রে বাবা? তবুও উপর ওয়ালা আলহামদুলিল্লাহ ভালোই রেখেছেন।

অল্প-বিস্তর কুশল বিনিময় শেষে সমুদ্র জিজ্ঞেস করলো-
"আচ্ছা চাচি,চাচা কোথায়?
এসে থেকে তো উনাকে দেখতে পাইনি।"

"তোমার চাচা তো ক্ষেতে কাজ করছে বাবা।কথা বলবে?"
"হ্যাঁ,কথা তো বলতাম। একটু দরকার ছিলো।"
"তাহলে ইরাকে দিয়ে ডাকিয়ে আনছি।বসো তোমরা।"
"না না থাক চাচি, ওকে পাঠাতে হবে না। চাচা আসুক তারপর কথা বলবো।"
"আচ্ছা বাবা ঠিক আছে।
তাহলে এখন তোমরা হাত-মুখ ধুয়ে এসো, যাও। আমি তোমাদের নাস্তার ব্যবস্থা করি।"

এবার সীমান্ত বললো –
"ঠিক আছে চাচি। চল ভাইয়া ফ্রেশ হয়ে আসি, অনেক গরম লাগছে।"
"হ্যাঁ চল।"
______
(সাফা,ইরা সমুদ্র আর সীমান্তের চাচাতো বোন। ওদের বাবারা দুই ভাই। সমুদ্র আর সীমান্তের বাবা বড় আর সাফা ও ইরার বাবা ছোটো।)
______

"চলবে.....

08/06/2026
কেমন হলো জানাবেন?
25/05/2026

কেমন হলো জানাবেন?

[ 📌গল্প কপি করা সম্পূর্ণ নিষেধ!🚫]

#প্রণয়ের_বউপাখি
লেখক #আবির_ইমতিয়াজ
#পর্ব_৩

-আর আপনি আমার এই নাম্বার পেলেন কিভাবে?

" নিহানকে আমিই বলতে না করেছিলাম। আর নাম্বার?সেটা অনেক বড় কাহিনী।অন্য কোনো একদিন বলবো। আবারো বলছি আমি তোমাকে ভালোবাসি বউপাখি।এবার আমি আর তোমাকে হারাতে দিবো না" প্রমিস!

"সবকিছু সময়ই বলে দিবে মি.আধিরূপ প্রণয় তালুকদার। দেখা যাক কে কাকে পায় আর কে কাকে হারায়,কি বলেন?

আপনার জন্য শুভ কামনা রইলো।ভালো থাকবেন।আর হ্যাঁ,আমাকে এরপর আর কল দিয়ে বিরক্ত করবেন না।

"এই নাহলে আমার বউপাখি।এই জন্যই তো তোমাকে আমার এত ভালো লাগে।তুমি যে সবার থেকে আলাদা এটাই তার প্রমাণ। বাই দ্যা ওয়ে,আমার হওয়ার জন্য তৈরি থাকো।

বেস্ট অফ লাক মাই ডিয়ার বউপাখি।

"-এই বলে প্রণয় সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলো। তারপর সে মনে মনে বলতে লাগলো –"নাহ প্রেয়সী তো আমার বেশি পেকে গেছে। উহুম এটা তো হতে দেওয়া যাবে না।
Just wait and watch my sweetheart. Right now, you're my obsession. I want you at any cost."

এসব ভাবতে ভাবতে প্রণয় ঠিক করলো আজ চৌধুরী বাড়ি অর্থাৎ অনুপ্রভাদের বাড়িতে যাবে।তাই সে গোসল করতে চলে গেলো।

"এবং আধা ঘণ্টার মধ্যেই সে গোসল সেরে বেরিয়ে এলো। তারপর একটা ট্রাউজার আর একটা টি-শার্ট পরে কোনরকমে বেরিয়ে গেল তার বউপাখিকে দেখার উদ্দেশ্যে।

অনুপ্রভা আগে তার পরিবারসহ সিলেট থাকত পড়াশোনার জন্য। কিন্তু অনুপ্রভাদের গ্রামের বাড়ি কুষ্টয়াতে , কিন্তু তারা গ্রামে থাকেন নাহ, ইমতিয়াজ চৌধুরী গ্রাম ততটা পছন্দ করেন না"

যার কারণে তারা সহ-পরিবারে ঢাকাতেই থাকেন। অনুপ্রভা অনার্স শেষ করার পর তারা সবাই ঢাকায়ই চলে আসে। বর্তমানে তারা থাকে মতিঝিলে।

" অনুপ্রভাদের পরিবারের সদস্য সংখ্যা চারজন। অনুপ্রভার বড় ভাই ফারশাদ নিহান চৌধুরী, তার বাবা ইমতিয়াজ চৌধুরী আর তার মা শেহনাজ পারভীন।

নিহান অনুপ্রভার চেয়ে পাঁচ বছরের বড়। কিন্তু তাদের ভাই-বোনের দুষ্টু মিষ্টি সম্পর্কে মনেই হয় না যে তাদের মধ্যে বয়সের একটা তফাৎ আছে। অনুপ্রভা সবসময় নিহানের পিছনে লেগে থাকে। কিন্তু নিহান তাতে একটুও বিরক্ত না হয়ে উল্টো তাকে প্রশ্রয় দেয়।

কারণ সে তার ছোটো বোনটাকে খুব বেশি ভালোবাসে। তাই তো সে তার বোনের সকল দুষ্টুমি,আবদার বিনা বাক্যে মেনে নেয়। অনুপ্রভা বর্তমানে মাস্টার্স এর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর নিহান তাদের নিজস্ব কোম্পানিতে বাবার সাথে কাজ করে পাশাপাশি তার নিজেরও ছোটোখাটো একটা বিজনেস আছে।

আর প্রণয় থাকে ঢাকার উত্তরাতে । কিন্তু ওর গ্রামের বাড়ি রাজশাহীর একটা মফস্বল এলাকায়। বড় ফ্যামিলির সবাই একসাথে থাকে রাজশাহীতে"

শুধু প্রণয় একা তার কাজের সূত্রে ঢাকায় থাকে। পরিবারের সমস্থ সদস্যরা একত্রিত হয়েও প্রণয়কে বাড়িতে নিতে পারেনি, সে কারো অনুরোধেই এখান থেকে যাবে না। তার আসল পেশাগত পরিচয় তার পরিবারের কেউ জানে না। সবাই জানে সে ঢাকার একটা প্রাইভেট কলেজের লেকচারার।কিন্তু আসলে
প্রণয় একজন পুলিশ ইন্সপেক্টর।

চলবে.....

( আপনাদের জন্যই কিন্তু পর্ব ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র করে দিচ্ছি আমি! আপনারা পর্ব বড় দিলে স্টোক করেন, এজন্যই এমন ছোট আকারের ব্যাবস্থা করলাম! তবুও আপনারা একটু পড়িয়েন, এবং একটু অনুপ্রেরনা ও দিয়েন😫🥹📌)

25/05/2026

🤍🕊️

- সবাইকে পড়ার অনুরোধ রইলো 🤍🥺
25/05/2026

- সবাইকে পড়ার অনুরোধ রইলো 🤍🥺

[📌গল্প কপি করা সর্ম্পূণ নিষেধ।🚫]

#প্রণয়ের_বউপাখি
লেখক #আবির_ইমতিয়াজ
#পর্ব_১

"কেমন আছো অনুপ্রভা?"
কলেজ থেকে ফেরার পথে পরিচিত এক কন্ঠ শুনে থমকে দাঁড়ালো অনুপ্রভা। তারপর পেছন ফিরে জিজ্ঞেস করলো-"কে?"
সামনে দাঁড়িয়ে থাকা বহুদিনের পরিচিত মানুষটি জিজ্ঞেস করলো,"আমাকে চিনতে পারছো না?আমি অধিরূপ প্রণয় তালুকদার।"

পরমুহুর্তেই অনুপ্রভা তাকে চিনতে পেরে মুখ গোল করে বললো,"ওহ আচ্ছা!হঠাৎ এতদিন পরে আবার আপনার আগমন?

আবারো আমাকে চুরমার করতে ফিরে এলেন বুঝি?"

"না বউপাখি,তুমি ভুল বুঝছো আমাকে।এবার আমি এসেছি সবটা ঠিক করে নিতে।"–কিছুটা অনুতপ্ত হয়েই কথাটা বললো প্রণয়।

"বাহ!তাই নাকি মি.আধিরূপ প্রণয় তালুকদার?আজকাল প্রতারকদের চোখেও অনুশোচনা দেখতে পাচ্ছি,বিষয়টা কিন্তু মন্দ লাগছে না।"

"আমি প্রতারক নই বউপাখি।একবার বিশ্বাস করো প্লীজ,আমাকে একবার সুযোগ দাও আমি প্রমাণ করে দেবো আমি প্রতারক নই।আমি প্রতারণা করিনি।"

"এক্সকিউজ মি, মি.প্রণয়, দয়া করে আমাকে ওই নামে ডাকবেন না।ওই নামে ডাকার অধিকার আপনি গত দুই বছর আগেই হারিয়েছেন।

আর রইলো সুযোগ তাই না?

আপনাকে আমি সুযোগ দেয়ার কে?আমার কাছে আপনার নিজেকে প্রমাণই বা করতে হবে কেনো?

আর যাই হোক আপনি এভাবে আমাকে প্ররোচিত করেত পারবেন না।তাই বলছি দয়া করে এর পর থেকে আপনি কখনো আমার সামনে আসবেন না।আপনাকে আমি আমার সামনে দেখতে চাই না।"

"বেশ ডাকব না,আর কখনো তোমার সামনেও আসব না।তবে তুমি যে আমায় এতটা ঘৃণা করো সেটা আমি সত্যিই কখনো জানতাম না,জানলে কখনোই তোমার সামনে আসতাম না।"

"বেশ,তাহলে ভালো থাকবেন। আমি আসি।"–এই কথা বলে অনুপ্রভা আর এক মুহুর্তও বিলম্ব না করে বাড়ির পথে হাঁটা ধরলো। অথচ সে জানতেও পারলো না পিছনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটি চোখে ঠিক কতটা যন্ত্রণা নিয়ে তার চলে যাওয়ার পানে একদৃষ্টিত চেয়ে রইলো।

প্রনয় আর অনুপ্রভা পরিচয়টা কাকতালীয় ভাবেই হয়েছিল।তারা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করত।দুজনেই ছিল ইংলিশ ডিপার্টমেন্টের স্টুডেন্ট। অনুপ্রভা ছিল প্রথম বর্ষের ছাত্রী আর প্রণয় ছিল তৃতীয় বর্ষের ছাত্র।

*ফ্ল্যাশব্যাক*
ভার্সিটির প্রথম দিন অনুপ্রভা নির্দিষ্ট সময়ের কিছুটা আগেই চলে আসে ভার্সিটিতে। কলেজ গেটে পা রাখতেই সে মুগ্ধ হয়ে যায়।কলেজটা একদম সবুজে ঘেরা। দেখলেই মন ভালো হয়ে যাওয়ার মতো।প্রশস্ত রাস্তার দুই পাশেই গাছপালায় ঘেরা।তারপর সে খুশি মনে সামনে আগাতে থাকে।

কলেজের মেইন গেট থেকে একাডেমিক ভবনগুলোতে যেতে বেশ কিছুটা রাস্তা হাঁটতে হয়। তাই যাওয়ার জন্য গেটের ভিতরে স্টুডেন্টদের জন্য অটোরিকশার ব্যবস্থা করা হয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ থেকে।জন প্রতি পাঁচ টাকা ভাড়া।তাই অনুপ্রভা একটা গাড়িতে উঠে চলে যেতে থাকে তার কাঙ্ক্ষিত ডিপার্টমেন্টের উদ্দেশ্যে।মিনিট পাঁচেকের মধ্যে সে পৌঁছেও যায়।"

পৌঁছে সে দেখতে পায় এখনও কেউই আসেনি।তাই সে বিল্ডিং এর সামনে থাকা বসার ফাঁকা জায়গায় বসে অপেক্ষা করতে থাকে ক্লাস শুরু হওয়ার।

এভাবে বেশ কিছুক্ষণ কেটে যাওয়ার পর অনুপ্রভা একজন অপরিচিত লোকের কথা শুনে সামনে তাকায়।টাইম পাস করার জন্য সে বসে বসে গেম খেলছিল।

ঠিক তখনই অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে প্রণয়ের আগমন ঘটে।অনুপ্রভাকে একা বসে থাকতে দেখে প্রণয় জিজ্ঞেস করে–"তুমি কি ইংলিশ ডিপার্টমেন্টের?"
প্রণয়ের এই প্রশ্ন শুনে অনুপ্রভা উত্তর দেয়–"হ্যাঁ,আমি প্রথম বর্ষের।"

তারপর প্রণয় বলে–"ওহ আচ্ছা,তাহলে তুমি এতো আগে এসেছো কেনো? তোমাদের ক্লাস শুরু হতে তো এখনও অনেক দেরি।"

প্রণয়ের এই কথা শুনে অনুপ্রভা খানিকটা ভড়কে যায় ঠিকই তবে সহসাই নিজেকে সামলে নিয়ে প্রশ্ন করে–"খুব বেশি দেরি হবে কি ক্লাস শুরু হতে?আনুমানিক আর কতক্ষণ লাগবে বলতে পারবেন?"

"হ্যাঁ,আরও ঘন্টাখানেক সময় লাগবে ক্লাস শুরু হতে।তুমি ক্লাসের টাইম দেখে আসোনি?"–বললো প্রণয়।

"তাহলে তো এখনও অনেক দেরি।আসলে আমি না খেয়াল করিনি,নাহলে আরেকটু পরেই আসতাম। কি আর করার!এখন এখানে একাই বসে থাকতে হবে।"–কথাটা একটু মন খারাপ করেই বললো অনুপ্রভা।"

অনুপ্রভার এই অবস্থা দেখে প্রণয়ের একটু মায়া লাগল বোধ হয়। তাই সে অনুপ্রভাকে আশ্বস্ত করতে কিছুক্ষন পরে বলে উঠলো–"চিন্তা নেই,আমিও আছি এখানে।আমিও ক্লাস করবো।"

তার কথা শুনে অনুপ্রভা বললো–"মানে? আপনিও কি এই ডিপার্টমেন্টের?"

"হ্যাঁ,তবে আমি তৃতীয় বর্ষের।মানে তোমার সিনিয়র।"–কথাটা বলে একটু মুচকি হাসি দিলো প্রণয়। তারপর আবার বলল,"তাহলে আমি কি বসতে পারি এখানে?"

অনুপ্রভা বললো–"জ্বি,নিশ্চয়ই।বসুন এখানে,আমার অসুবিধা নেই।"
অনুপ্রভার এমন কথায় প্রনয় হেসে ফেললো। তারপর বসতে বসতে জিজ্ঞেস করলো–"এতো কথা বলে ফেললাম,তোমার পরিচয়ই তো জানা হলো না?"

প্রনয়ের কথা শুনে অনুপ্রভা বললো–"আমি প্রভা , মানে অনুপ্রভা চৌধুরী । আপনার পরিচয়?"

"আমি আধিরূপ প্রণয় তালুকদার।"..…..............................…………………………………………………

"কিরে অনু? দরজা খোল।সেই কখন থেকে দরজা দিয়ে বসে আছিস বলতো,কি হয়েছে মা?বল আমাকে?"

–মায়ের কথায় বাস্তবে ফিরে আসে অনুপ্রভা" কলেজ থেকে ফিরে এসবই ভাবছিল মেয়েটি। তারপর সে তার মাকে বলে যে,"আসছি আম্মু,তুমি খাবার রেডি করো।আমি ফ্রেশ হয়ে খেতে আসছি।"এই বলেই সে ফ্রেশ হতে চলে যায়।

কিছুক্ষন পরে খেতে আসে অনু! রুটি আর মুরগির মাংস বেশ প্রিয় অনুর। তাই শেহনাজ পারভীন তাই রান্না করেছেন মেয়ের জন্য, অনু খেতে খেতে মাকে বলে–"জানো আম্মু আজ কলেজ থেকে ফেরার পথে রাস্তায় কাকে দেখেছি?"

অনুপ্রভার মা শেহনাজ পারভীন জিজ্ঞেস করলেন–"কাকে দেখেছিস অনু?"

অনুপ্রভা ভাবলেশহীনভাবে উত্তর দিলো–"প্রণয়।মি.আধিরূপ প্রণয় তালুকদারকে।"...............................................................................

চলবে......

[কিছুকথা : অনেক ভয়ে ভয়ে কিছু না ভেবেই সূচনা পর্ব ( পর্ব ১) দিয়েই দিলাম, জানিনা আপনাদের কেমন লাগলো" তবুও যেহেতু এটা আমার লেখা প্রথম গল্প সেহেতু আশা করি সবাই আমার ভুলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।সবাই কিছু গঠনমূলক মন্তব্য দেওয়ার চেষ্টা করবেন,এতে আমি অনুপ্রেরণা পাই। আপনাদের অনুপ্রেরণাই আমার এগিয়ে যাওয়ার চাবিকাঠি।😊 আর আপনাদের কেমন লাগলো অনুপ্রভা আর অধিরূপ প্রনয় কে? দয়া করে আপনাদের মতামত জানাবেন!🤍]

Address

Gopalgonj
Dhaka
9380

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abir Imtiaz - আবির ইমতিয়াজ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category