Qarār E Dil

Qarār E Dil Islamic Art & Design
Designing with Purpose
Telegram:https://t.me/qarar_e_dil

অনেক সংসার ভেঙে যায় ঝড়ে নয়—নিস্তব্ধতায়। কারণ, সেই সংসারে হেলদি কনফ্লিক্ট থাকে না।সব নীরবতা শান্তির ভাষা নয়; কিছু নী...
22/07/2026

অনেক সংসার ভেঙে যায় ঝড়ে নয়—নিস্তব্ধতায়। কারণ, সেই সংসারে হেলদি কনফ্লিক্ট থাকে না।

সব নীরবতা শান্তির ভাষা নয়; কিছু নীরবতা জমে থাকা অভিমান, অব্যক্ত কষ্ট আর অশ্রুত আর্তনাদের অন্য নাম। যে সম্পর্কে কেউ কাউকে আঘাত করতে চায় না বলে সত্য কথাও আর বলা হয় না, সেখানে ভালোবাসা ধীরে ধীরে নিঃশ্বাস হারাতে থাকে।

সুস্থ সম্পর্ক মানেই প্রতিদিন একমত হওয়া নয়; বরং ভিন্নমতকে সম্মান দিয়ে, কষ্টকে ভাষা দিয়ে, ভুলকে স্বীকার করে এবং একে অপরের দিকে ফিরে আসার পথ খুঁজে নেওয়ার নামই সুস্থ সম্পর্ক।

যে সংসারে মতবিরোধেরও আদব আছে, সেখানে সম্পর্ক টিকে যায়। আর যে সংসারে শান্তির মুখোশ পরে সব অভিযোগ নীরবে দাফন করা হয়, সেখানে একদিন হঠাৎ নয়—ধীরে ধীরে, নিঃশব্দে ভালোবাসার মৃত্যু ঘটে।


16/07/2026

ডিভোর্সকে সহজ করুন
আমাদের সমাজে ডিভোর্স একটি ট্যাবু। অথচ কিছু সংসার ও সম্পর্কে ডিভোর্সের কোন বিকল্প নাই। এমন টক্সিক রিলেশনশীপ ধরে রাখার যে চেষ্টা মানুষ করে সেটার পরিণতি সাধারণত কী হয়? সবিশেষ ঝগড়া ঝামেলা, দেন দরবারে কাটে জীবন, মারধর গালিগালাজের সংসার—এদিকে সন্তানের ভবিষ্যৎ নষ্ট নিজের সুকুন খতম। দিনশেষে হয়তো ডিভোর্সেই যায় অথবা আজীবন এই বোঝা নিয়ে চলে যায়।

আপনার ওয়াইফ টক্সিক। আপনি বদমেজাজি। দু'জন একসাথে থাকার নুন্যতম সুযোগ নাই, এমন সময় করণীয় কী? পরিবার নিয়ে বসে সমাধানের চেষ্টা। দু'জনের একজনকে হলেও অন্তত সামলে নেয়া। যদি এমনটা না পারেন তবে সম্পর্কে বিচ্ছেদের কোন বিকল্প নাই।

কিন্তু বাংলাদেশের চিত্র কী? সন্তান আছে এদের কী হবে? এসব ঝামেলা করতে করতে কয়েকটা বাচ্চা হয়ে গেলে চিন্তা করে বাচ্চাগুলোর মুখের দিকে তাকিয়েই থেকে যাই।

না। এমনটা কোনভাবেই করা উচিত না৷ কিছু সম্পর্ক নিজের জন্য, পার্টনার এবং সন্তানের জন্য হলেও ডিভোর্সে যাওয়া উচিত। খুব সুন্দরভাবে বোঝাপড়ার ভিতর থেকেই এই কাজ করা উচিত। পরামর্শ করে সুন্দর বিদায় হওয়া উচিত।

দীর্ঘদিন সম্পর্ক সংসার ও ডিভোর্স নিয়ে কাজ করে অভিজ্ঞতা বলে, সংসার কখনো জোর করে রাখা যায় না। আগেরদিনের সামাজিক সম্পর্ক এখন আর টিকে না। তাই সংসারের ডিভোর্সের ট্যাবু ভাঙা জরুরি। তালাকপ্রাপ্ত-প্রাপ্তা সবার বিয়ে সহজ করা সময়ের দাবি।

মারুফ তাকী

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আপু। 🌸আজ মনে হচ্ছে, ডাকবাক্সে শুধু একটি বই আসেনি—এক টুকরো মমতা এসে আমার বুকের ভেতর ন...
08/07/2026

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আপু। 🌸

আজ মনে হচ্ছে, ডাকবাক্সে শুধু একটি বই আসেনি—এক টুকরো মমতা এসে আমার বুকের ভেতর নীরবে বসে গেছে। বইটির প্রতিটি পৃষ্ঠা যেন আপনার স্নেহের স্পর্শে মোড়ানো, আর হাতে লেখা সেই ছোট্ট চিরকুটটি... আল্লাহর কসম, সেটাই পুরো উপহারের সবচেয়ে উজ্জ্বল অংশ হয়ে আমার হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে।

মানুষ হয়তো বই কেনে, কিন্তু এমন করে হৃদয় পাঠাতে পারে খুব কম মানুষই। খাম খুলতেই মনে হলো, শব্দগুলো কাগজে লেখা নয়—সরাসরি হৃদয়ের দরজায় এসে কড়া নাড়ছে। চোখের কোণে যে শিশির জমেছিল, তার ভাষা মুখে আনা সম্ভব নয়।

আপনার এই ছোট্ট আয়োজন আমার কাছে পাহাড়সম মূল্য নিয়ে এসেছে। এই বইটি যত্ন করে রাখব, আর চিরকুটটি হবে এমন এক স্মৃতি, যেটা বারবার খুলে পড়লেও কখনো পুরোনো হবে না।

আল্লাহ আপনার জীবনকে নূরে ভরে রাখুন, আপনার প্রতিটি পদক্ষেপে বরকত দান করুন, এবং আপনার এই সুন্দর স্বভাবের প্রতিদান দুনিয়া ও আখিরাতে অফুরন্ত কল্যাণের মাধ্যমে ফিরিয়ে দিন।
দোয়ায় রাখবেন, আপু। 🌿

আমি নুজাইরাহ। আজ আমার বিয়ে। বিয়ে পুরোপুরি ঠিক করার পর আব্বু আমার মতামত শুনতে চেয়েছিলো একবার। বড্ড হাসি পাচ্ছিলো!আমার ...
08/07/2026

আমি নুজাইরাহ। আজ আমার বিয়ে। বিয়ে পুরোপুরি ঠিক করার পর আব্বু আমার মতামত শুনতে চেয়েছিলো একবার। বড্ড হাসি পাচ্ছিলো!

আমার "হ্যাঁ, না" জবাব উনি তখনই শুনতে চেয়েছে যখন 'না' বলার দরজা বন্ধ প্রায়। বাবার কথার কোন উত্তর দেই নি। নীরবতাকে সম্মতির বহিঃপ্রকাশ মনে করে বাবা চলে গেছে। কাঁদো কাঁদো কন্ঠে মাকে বলেছিলাম,

মা, লোকটার যে দাড়ি ছিলো না, টাখনুর উপর প্যান্টও নেই! দ্বীন সম্পর্কে কি পরিপূর্ণ ধারণা আছে তার?

আমাকে কি পরিপূর্ণ পর্দা করতে দিবে?

মায়ের জবাবটা এমন ছিলো -

"ছেলেটা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে। দশ গ্রামে ছেলেটার ভালো নাম। এতো ভালো চাকরী করে। তোর পর্দা, তোর কাছে। ও তোকে বাধা করবে কেনো!"

আমি বরাবরের মতো আজও বাবা মায়ের একটু বেশিই বাধ্য সন্তান! তাই বিয়ের আয়োজন নির্বিঘ্নে এগিয়ে চললো...

এই পরিসরে আমি আমার সম্পর্কে একটু বলে নেই, খুব ইসলামিক নয় সামাজিক একটা পরিবারে আমার জন্ম। এখানে কেউ দ্বীন মেনে চললে, সবাই খুশি হয়, কিন্তু না মানলেও খুব একটা রাগ করে না। সেই সুবাদে আমার পর্দা করতে কোন সমস্যা হয় নি এখানে। গত দু'বছর আগে, পর্দা সম্বন্ধে, ইসলাম সম্বন্ধে তেমন কিছুই জানতাম না! কিন্তু আমার এক দ্বীনদার বান্ধবীর কাছে এসব সম্বন্ধে অনেকটাই জেনেছি। খুব ভালো লেগেছে আল্লাহর দেওয়া প্রতিটা বিধি নিষেধকে। তাই নিজেরই জীবনে সেগুলো বাস্তবায়নে আপ্রাণ চেষ্টা করেছি দুইটা বছর। অনাবিল এক শান্তি আছে, আল্লাহকে হুকুমদাতা মেনে নিতে পারায়। এটা খুব বুঝেছি এই দুই বছরে।

আমি এখন শশুড়বাড়িতে। সবাই বেশ ভালোই। এ বাসাটা একেবারে গ্রামে। বিশাল আঙিনা।

চাকরির সুবাদে শহরের যাওয়ার কথা উঠলেও বৃদ্ধ শশুড়-শাশুড়িকে রেখে যাওয়াটা ভালো লাগছিলো না। তাই এখানেই থাকা। বাসার সদর দরজাটা সব সময় খোলাই থাকে কে কখন বাসায় ঢুকে বলাই যায় না। পরিবেশটা খুব অস্বস্তিকর লাগে আমার কাছে। আমার দেবর-ভাসুরের সামনে গেলে উড়নার একপাশটায় মুখটা ঢেকে দেই। কিন্তু বিষয়টা কারও কাছেই ভালো লাগে না তেমন!

সেদিন আমার উনি তো বলেই দিলো, এটা কি বেশি বেশি নয়। ওরা তো বাড়িরই লোক। আর মুখ খোলা রাখাটা কি জায়েজ নয়। তারপরও একতরফা সংগ্রামটা করেই গেলাম কিছুদিন। কিন্তু লাভ হলো না।

রান্না করতে, কাপড় মেলতে অথবা বাবার চা টা দিতে গিয়ে একবার না একবার গায়রে মাহরামদের সামনে পড়তেই হচ্ছে!

আজ দুপুরে গোসল সেরে ফ্যানের নীচে চুল শুকাচ্ছিলাম। অবশ্য এসময়ে ঘরের দরজাটা লাগিয়েই দিতাম। কিন্তু কাল মা বলল, দিনের বেলায়ও দরজা লাগানোর কি প্রয়োজন?

তাই আজ খোলাই ছিলো দরজাটা। আজ হঠাৎ আমার ছোট দেবর ঘরে ঢুকে পড়ল। আমাকে দেখে একগাল হেসে বলল,

ভাবী আজ তো তোমার চুলও দেখে ফেললাম! তারপরে আরও একতরফা হাসতে হাসতে বলল, ভাইয়ার নেইলকাটার টা নিতে এলাম, দাও তো।

অগত্যা নেইল কাটার টা এগিয়ে দিয়ে ধপ করো বসে পড়লাম বিছানায়। কান্না এলো, খুব করে কান্না এলো। কিন্তু কাঁদারও বেশি সময় নেই যে। মা ডাকছে বাবাকে ভাত বেড়ে দিতে হবে। এভাবেই চলছে দিনগুলো...

হঠাৎ একদিন আমার দেবরের এক বন্ধু বাসায় এলো। আঙিনায় কাজ করছিলাম। বুঝতেই পারি নি পেছন থেকে কখন এসে পড়েছে। হঠাৎ আমার সামনে এসে দাঁড়ালো! ওড়না দিয়ে মুখটা ঢেকে ফেললাম। তবে দেরী হয়ে গেলো! ছেলেটা আমার চেহারা ভালো করেই দেখেছে। কমেন্ট করতেও ভোলে নি!

"বাহ! ভাবীর চেহারাটা তো বেশ মিষ্টি!"

আমি তখন পুরো বোবা বনে গেছি!

পর্দা করার পর থেকে কেউ আমাকে সুন্দর, কিউট, মিষ্টি বলার সুযোগটা ও পায় নি কোনদিন!

ইশ! আমি বুঝি অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছি! কই বুক ফেঁটে কান্নাটা তো আসছে না আর!

তবে আজ সারাদিন ছেলেটার "মিষ্টি" কথাটা বুকের মধ্যে হাতুড়ির আঘাত করছে অবিরাম। কোন কাজেই শান্তি পাচ্ছি না।

আমার বিয়ের দু'বছর হলো। আমি নার্সিং হোমে আজ। কাল সিজার করে আমার এক ছেলে হয়েছে। আমি এখন পুরোই শয্যাশায়ী! নড়তে পারছি না। আমার স্বামীই আমার দেখাশোনা করছে। আজ আমার ননদ আর ননদের স্বামী এসেছে আমাকে দেখতে! আমার গায়ে একটা চাদর জড়িয়ে দেওয়া আছে! নড়তে না পারলেও বুঝতে পারছি, আমার পা দু'টো টাখনু পর্যন্ত বাইরে বেরিয়ে আছে। আমার ননদের স্বামী আমার পায়ের দিকের সোফায় গিয়ে বসল! আমি যখন তার দিকে তাকালাম তখন দেখি তার চোখ দু'টো আমার পায়ের দিকেই নিবন্ধ! এখন তো আমার শক্তি নেই আমার পা দু'টোকে ঢেকে দেওয়ার!!

আর ওকে (স্বামী) বলার মতো কোন ইচ্ছেই নেই এখন!

এটা তার কাছে নিছকই ছেলে মানুষই মনে হবে!

অতীত স্মৃতি গুলো কেনো জানি খুব মনে পড়ছে আজকে। যখন থেকে শুনেছি, এই পা দু'টো ঢাকাও ফরয। তখন থেকে কতনা বিড়ম্বনার মধ্যে ও পা দু'টোকে ঢেকে রেখেছি। মোজা না পড়ে কখনই বাড়ি থেকে বের হয় নি। আজ যে পারলাম না!

আজ আমার সিজারের পাঁচদিন হলো। এখনো একা একা হাঁটতে পারি না। আমার হাজবেন্ড আমার বাহুটা ধরে, বাথরুমে নিয়ে যায়। আজও তাই হচ্ছিলো। কিন্তু হঠাৎই তার মোবাইল বেজে উঠল। তাই জরুরী ফোন কিনা!

তাই উনি আমার দেবরকে আমাকে ধরতে ইশারা করে, দ্রুতই বেলকনিতে চলে গেলো! এবার আমার দেবর, আলতো করে ধরলো আমার বাহুটা!

ইশ! আজ যদি সুস্থ থাকতাম দৌড়ে পালিয়ে নিজেকে বাঁচাতাম। কিন্তু সে শক্তি যে নেই আমার শরীরে! হঠাৎই মনে হলো,

আল্লাহ! নন মাহরামের হাতের স্পর্শ পাওয়ার আগেই, যদি ঐ অপারেশন টেবিলেই চলে যেতাম তোমার কাছে! ভালো হতো না কি!

না, হতো না হয়তোবা!

তাই বেঁচে আছি। আলহামদুলিল্লাহ!

আমি এখন বৃদ্ধাপ্রায়। ২৫ বছর কেটে গেলো বিয়ের। আমার ছেলের বয়স ২৩ বছর। আমার আরও একটা মেয়েও হয়েছে। ওর বয়স ২০। আজ খাবার টেবিলে ছেলের দিকে তাকিয়ে বললাম, বাবা, দাড়িটা আর কাটিস না, রেখে দে। একটা হাসি দিয়ে ছেলে আমাকে বলল,

বাবার আগেই আমি দাঁড়ি রাখবো! তার এই কথাটার যুতসই কয়েকটা জবাব জানা ছিলো। কিন্তু না, বলা যাবে না! আমার উনিও তো এখনো দাড়ি রাখেনি! ছেলেকে বলতে গিয়ে, যদি ছেলের বাপ কষ্ট পেয়ে যায়!

বেলকনিতে দাঁড়িয়ে, ঐ বিশাল আকাশটা দেখছি। আজ ২৫ বছর পর! তোমার কথাগুলো খুব মনে পড়ছে মা। তুমি না বলেছিলে সব ঠিক হয়ে যাবে! কই মা, কিছুই তো ঠিক হলো না! উল্টো তোমার মেয়েটাই এখন জীবন্ত লাশ!

যৌবন বয়সটাও ঠিকঠাক পর্দা করা হলো না তোমার মেয়ের!

তবে জানো মা! একটা জিনিস ঠিকই ছিলো! তোমার মেয়েকে কোনদিন অভাবের ছিটে ফোঁটাও দেখতে হয় নি! তোমার জামাই তো আজও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে! কিন্তু তারপরে ও বুকের ভিতরে একটা বিশাল শূণ্যতা! আমি তো শুধু কোন নামাজীকে বিয়ে করতে চাই নি! আমি একজন সাহাবাকে বিয়ে করতে চেয়েছি! যে নিজের জীবনের চেয়েও ভালোবাসবে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল(সাঃ)-কে।

জানো মা, আজও আমার মনে হয়, যদি চলে যেতে পারতাম, ২৫ বছর আগের দিনগুলোতে! ছোট্ট নুজাইরার, বোরকা নিকাবগুলো যদি আবার ফিরে পেতাম! সেগুলোতে একটা শান্তির পরশ আছে মা! আল্লাহকে ভালোবাসার এবং তাঁর ভালোবাসা পাবার এক অনাবিল শান্তি...!
আল্লাহ তা'আলা সবাইকে দ্বীনের বুঝ দান করুক.. আমীন🖤

‘জীবন্ত লাশ’

(সংগৃহীত)

30/06/2026

বিয়ে ঠিক রিযিকের মতোই,
আর রিযিক আসে আল্লাহর ইচ্ছায়, আপনার ইচ্ছায় নয়। তা আসে আল্লাহর পরিকল্পনা অনুযায়ী, আপনার চাওয়া অনুযায়ী নয়। ঠিক যেমন আপনি যেখানেই থাকুন না কেন রিযিক আপনার কাছে পৌঁছায়, তেমনি আপনার তাকদির মিলে গেলে সঠিক জীবনসঙ্গীও আপনার কাছে চলে আসবে। আল্লাহর নির্ধারিত সময়ের ওপর আস্থা রাখুন।

বেলা ফুরাবার আগে।

27/06/2026

অশ্রু ঝরিয়ে কেঁদেছি। ফুপিয়ে কাঁদতে গিয়ে মুখ লুকিয়েছি। হৃদয়ে যখম নিয়ে নিজেকে কষ্ট দিয়েছি। পথ খতরনাক ছিল, তবুও তোমার জন্য হেঁটেছি। অন্যকে আর তিরস্কার করব কী? নিজেই তো সৌন্দর্যের মোহে অন্ধ হয়ে গিয়েছি।

~ উর্দূ থেকে।

হিজরী নববর্ষের প্রথম জুম'আহ। মুসলিমবঙ্গ থেকে জুম'আ মোবারক।
18/06/2026

হিজরী নববর্ষের প্রথম জুম'আহ।
মুসলিমবঙ্গ থেকে জুম'আ মোবারক।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:"তোমাদের দিনগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম দিন হলো জুমার দিন। সুতরাং এ দিনে তোমরা আমার ওপর বেশি বেশি দরূদ পা...
11/06/2026

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
"তোমাদের দিনগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম দিন হলো জুমার দিন। সুতরাং এ দিনে তোমরা আমার ওপর বেশি বেশি দরূদ পাঠ করো। কেননা তোমাদের দরূদ আমার কাছে পেশ করা হয়।"
—সুনানে আবী দাউদ।

Pizza খাবেন?Design: Qarār E Dil
11/06/2026

Pizza খাবেন?
Design: Qarār E Dil

Perfume design with canva
11/06/2026

Perfume design with canva

Address

Savar
Dhaka
১৩৪০

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Qarār E Dil posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category