RadioPadma.com

RadioPadma.com Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from RadioPadma.com, Arts and entertainment, Dhaka.

http://tasnimalam.blogspot.com/2017/10/blog-post.html
08/10/2017

http://tasnimalam.blogspot.com/2017/10/blog-post.html

মানারাত ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ অভিযানঃ ফলজ বৃক্ষের চারা রোপনের মধ্য দিয়ে মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে বৃক্ষর...

22/09/2017

বিবর্তন
""""""""""""'""""
আ বু তা হে র বে লাল
***********************
শিশু মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ওবায়েদ স্যারের ছিমছাম অফিস থেকে বের হবার সময় এমনটি ভাবেনি। বিশিষ্ট সমাজ বিজ্ঞানী এম রহমান স্যারের আলোচনাটা মাথায় শুধু ঘুরপাক খাবার দরুন সময়ের চলমানতার কথা প্রায় ভুলেই গিয়েছিলাম। ক্ষুদ্র পরিসরের আয়োজনে এম.রহমান স্যারই ছিলেন আলোচনার মধ্যমণি। নির্দেশক, সঞ্চালক সবই। বেশ উপভোগ্য কটা মুহূর্ত।
নতুন একটি উপলব্ধি, কাল্পনিক কিছু ছবি বুকের দেরাজে ঢুকিয়ে যখন রাস্তায় পা বাড়ালাম, তখন হাতে আর মাত্র পঁচিশ মিনিট বাকি। সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিটে বিমানবন্দর স্টেশন থেকে কিশোরগঞ্জ গামী এগারোসিন্ধুর গোধূলী ট্রেনটা ধরার জন্যে মনে মনে স্থির করি দুপুরের পর থেকে। তার পূর্ব পর্যন্ত ছিলো নরসিংদী ফিরবো মহানগর এক্সপ্রেসেই। মহানগরের টিকিট ৪দিন ধরে মানি ব্যাগে সময় যাপন করছে।
সময়ের কাটা শেষতক খুব দ্রুতই মাঠঘাট পাড়ি দিতে লাগলো। সন্ধ্যার অন্ধকার বেশ প্রগাঢ়ভাবে নেমেছে শহর ও শহরের বাইরে। বসুন্ধরার নিয়ন বাতি সেই অন্ধকারের সাথে পাল্লা দিয়ে টিকে থাকার চেষ্টা করছে।
রাস্তায় নেমেই উপলব্ধি করলাম- জীবনটা ধরাবাঁধা ছকে সব সময় চলে না। মাঝে মাঝে ছন্দপতন ঘটে। আজ বোধহয় আমার তেমনই একটি দিন।বসুন্ধরা বারিধারার পথঘাট আমার মতো ভিটেমাটি ছাড়া মানুষের জন্যে নয়-তাও টের পেলাম। গরীবের শখের পরিবহন রিক্সার দেখা পাওয়াই ভার। আমি রাস্তার অপর পাশে রিক্সার জন্যে অপেক্ষায় থাকলাম। প্রিয়জন শিল্পী টি.হোসেন খান ভাই ক্ষতিগ্রস্ত পা টা টানতে টানতে ওপারে অন্ধকারে মিলে গেলেন।
বসুন্ধরার এফ ব্লকের মাথায় পনের মিনিট কেটে গেলো,কিন্তু কাঙ্ক্ষিত বাহন রিক্সা পেলাম না। ওখানে দাঁড়ানোর অবসরে বারবার আমার আত্মজা সাবিত হাসান বেলালের ফোলা ফোলা চোখদুটো আমার মনের চোখে বারবার বিচিত্রভাবে ভেসে উঠতে থাকে। আমি কদিন ধরে ওকে নিয়ে কিছুটা হতবিহ্বল,চিন্তিত। ওর আচরণের পরিবর্তনটা আমার কাছে অস্বাভাবিক ঠেকছে।
বালিসে মুখ লুকিয়ে বা হাত দিয়ে চোখ ঢেকে নিরব শুয়ে থাকছে। আমি কিছু বললেই বাঁধভাঙা কান্নায় ভেঙে পড়ছে। আমি সাবিতের অভিব্যক্তিটা বুঝতে পারছি। কিন্তু তার প্রশ্নগুলোর সব ঠিকঠাক উত্তর দিতে পারছি না।
সাবিতের বয়স গত পাঁচ সেপ্টেম্বর সাত বছর পূর্ণ হলো। মাত্র ১ম শ্রেণিতে পড়ে সে। কদিন ধরে বারবার আমি অবাকই হচ্ছি- ওর প্রশ্নে। এবছরের স্মরণকালের বন্যা, বানভাসী মানুষের হাহাকার, তার রেশ কাটতে না কাটতেই রোহিঙ্গা নিধনের নিষ্ঠুরতা, রক্তাক্ত ফুটেজ, আগুনের লেলিহান শিখা, পশুর মতো কুঠার দিয়ে কুপিয়ে কুপিয়ে, বেয়োনেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয় মানুষমারার দৃশ্যগুলো ওর মনের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে-তা আমি বুঝতে পারি। ওর প্রশ্ন :
: বাচ্চাটাকে এমনভাবে কেন মারছে? ওর আব্বু আম্মু
কই?
: ওরা মুসলমান বলে বৌদ্ধরা ওদের মারছে।
: আমাদেরও কী মেরে ফেলবে? বৌদ্ধরা কী ঢাকায়ও
আছে? ওরা সাকিব ভাইয়াকে, সামিনকেও মারবে?
: আহা তুমি এতো চিন্তা করছো কেন আব্বু?
ততোক্ষণে চোয়াল বেয়ে ওর শ্রাবণ ধারা নামতে শুরু করেছে। বুকে টেনে নিতেই হাউমাউ করে কেঁদে ওঠে সাবিত। বলে:
: বৌদ্ধরা কী নরসিংদীও আসবে? আমাদেরও জবাই করবে?
: না না। ওরা বাংলাদেশে আসতে পারবে না। তোমার এতো ভয় করতে হবে না।
একসময় তার কান্নাটা থেমে যায়। কিন্তু ফোপাতে থাকে। আবারও প্রশ্ন করে:
: রোহিঙ্গাদের বাচ্চারা আমাদের বাসায় আসবে? ওরা ভালো না আব্বু!
: ওরা ভালো। কিন্তু বলোতো- যদি রোহিঙ্গাদের বাচ্চারা আমাদের বাসায় আসে তখন তুমি কী করবে?
: ওদেরকে নিয়ে খেলবো।রোবট বানাবো সবাই মিলে। একসাথে বসে কার্টুন দেখবো। নাস্তা করবো।গোসল করবো। আমার ড্রেস ওদেরকে দেবো। একসাথে গোসল করবো, স্কুলে নিয়ে যাবো।।
: তুমি ঠিক বলছে। তুমি এমনটি করলে আল্লাহ তোমাকে অনেক সওয়াব দেবেন। তুমি জান্নাতে যেতে পারবে।
: জান্নাতে গেলে আমি কী করবো জানো? আল্লাহর কাছে একটা বাসা চাবো। আর বলবো: আল্লাহ তুমি আব্বুকে,আম্মুকে, সাকিব ভাইয়াকে, সামিনকেও জান্নাতে দাও। আমরা এক সাথে জান্নাতে থাকতে পারবো না আব্বু?
: কেন পারবে না? অবশ্যই পারবে। তবে সবাইকে ভালো কাজ করতে হবে। নামাজ পড়তে হবে।
ততোক্ষণে ওর কান্নাটা থেমে যায়। চোখে মুখে তবু কেন জানি অজানা উদ্বেগ ও শঙ্কা ভর করে আছে সাবিতের।
এসব কথাগুলো গল্প নয়। বাস্তব। আমার চোখটাও এখন ঝাপসা হয়ে আসছে। চশমাটাও বারবার মুছতে হচ্ছে।
আরেকটা বিষয় আমাকে ভীষণ ভাবে ভাবিয়ে তুলছে।কদিন ধরে সাবিত ঘুমের মাঝে বেশ শব্দ করে হঠাৎ কান্না করে ওঠে। তার একটা কথাই বারবার শুনছি-
: আব্বু আব্বু আমাকে ধরো, আমাকে বাঁচাও।
ঘুমের মধ্যে প্রবল বেগে কান্না করছে, হাত-পা ছুঁড়ছে। বিছানা ছেড়ে চলে যেতে চাচ্ছে কোথাও। প্রায় দশ মিনিটের মতো কান্না করে আস্তে আস্তে থেমে যায়। শত ডাকাডাকি করলেও সে কোন কথার জবাব দেয় না, চোখ মেলে তাকায়ও না।
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর কান্নার কারণ জিজ্ঞেস করলে কিছু বলতে পারে না সাবিত। গত রাতেও এমন কান্না করেছে সে। সকালে কারণ জিজ্ঞেস করলে বলে: খেলার সময় বড় একটা পাথর দিয়ে কে যেন মারতে
এসেছিলো।
আমার বুঝতে বাকি থাকলো না -রোহিঙ্গা নিধনের ছবিগুলো তার মনের মধ্যে কতোটা রেখাপাত করেছে। এই মুহূর্তে নিজকে খুব অপরাধী মনে হচ্ছে- শিল্পী লেলিনের গাওয়া আমার রোহিঙ্গা বিষয়ক প্রথম গানের চিত্রায়নগুলো ওকে দেখানো মোটেও ঠিক হয় নি। বড়দের কেউ কেউ ঐ ফুটেজ গুলো দেখার শক্তি পাচ্ছেন না। মায়ানমারের সামরিক জান্তাদের এমন অমানবিক পোড়ামাটির নীতির কথা ভাবতেই শিউরে ওঠে পুরো বুকটা। হায়রে মানুষ হায়রে মানবতা। না না আর ভাবতে পারছি না।
ঘড়ির কাটা লাফিয়ে লাফিয়ে চলছে। প্রায় বিশ মিনিট অপেক্ষার পর একটা সি.এন.জিতে চেপে বসলাম। মাত্র দুমিনিটের জন্যে এগারসিন্ধুর গোধূলী ট্রেনটা মিস করলাম। সেই আড়াইঘণ্টা পর মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনটা আসবে। বেশি তাড়াছিলো তাড়াতাড়ি যাবার, সেখানে বিলম্বের আর বিকল্প নেই।
সামনে ৪নং লাইনে দিনাজপুর থেকে ছেড়ে আসা দ্রুতযান এক্সপ্রেসটি এসে দাঁড়ালো। দেরি না করে দ্রুতযানেই উঠে গেলাম। নরসিংদীর দিকে না যেয়ে ট্রেনজার্নিটা দীর্ঘ করার জন্যে উল্টো পথে কমলাপুরের দিকে যাবার নিয়াত করলাম। বিমান বন্দর থেকে ট্রেনে ওঠা এমনিতেই বেশ কষ্টকর। আড়াইঘণ্টা অপেক্ষা করাও অনেক কঠিন। ওর চেয়ে কমলাপুর যাওয়াই আমি ভালো মনে করলাম।
ট্রেন চলেছে কমলাপুরের দিকে। আমার স্মৃতি পেছনে টানছে বারবার। সারাদিন কেটে গেছে ভিন্ন রকম এক ব্যস্ততায়। প্রিয় শিল্পী এ.হাবিব ভায়ের বাসায় অঘোষিত গানের আড্ডা জমে ছিলো। আল্লাহ আমার রব, এই রবই আমার সব-অমর গানের স্রষ্টা শিল্পী টি, হোসেন খান, সুর সম্রাট এম. আর.লিটন, জাত শিল্পী এ. হাবিব ভাই-এর মাঝে আমি নগন্য সঙ্গীত প্রেমী!
আমার রোহিঙ্গা বিষয়ক দুটো গানের সুর ফাইনাল হলো। টি. হোসেন ভায়ের দুটো গানেরও সুর চূড়ান্ত হলো। আল্লাহ তৌফিক দিলে কালই রেকর্ড হবে। দুপুরে এ.হাবিব ভাবীর পাকা হাতের রান্না রোগব্যাধির কথা অনায়াসে ভুলিয়ে দিলো। চারিদিকে এতো অস্থিরতা বিভীষিকার মাঝেও এমন পরিবেশ, এমন অাতিথেয়তার মধ্যে সময় পার করতে পারা একমাত্র তার রহমেই সম্ভব হলো। আবার কোন একদিন নতুন গান নিয়ে বসবো আমরা এমন প্রত্যয় নিয়ে গানের আড্ডা ভেঙে দিয়েছিলাম বিকেল নাগাদ। তারপর শিশু বিশেষজ্ঞ ওবায়েদ স্যারের ডেরায় নতুন আরেকটি পর্ব।
অনাগত শিশুদের জন্যে আমাদের পৃথিবীটা কতোটা বাসযোগ্য করা য়ায়, তাদের জন্যে কী সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল নির্মাণ করা যায়- তারই একটি নকশা নিয়ে কাজ করার দিক নির্দেশনা চূড়ান্ত করার জন্যে বৈকালিক এই আয়োজন।
সঙ্গীতজ্ঞ তাফাজ্জল খান ভাই,নাট্যব্যক্তিত্ব নূর ভাই,মুকুল ভাই, চিত্রশিল্পী ই.মন্ডল ভাই, সাংস্কৃতিক সংগঠক জাকি ভাই সবার চোখেমুখে নতুন প্রত্যাশার ঝিলিক। মাঝেমাঝে রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে মুখটা কারো কারো ভার হয়ে যাচ্ছে। শঙ্কা ও ঘৃণা ফুটে উঠছে। পরক্ষণেই আবারও নতুন প্রতীজ্ঞা ও নতুন উদ্দীপনায় সবাই একাত্ম হচ্ছে। জানি না- আগামী দিনগুলো সত্যি কেমন হবে?
"""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
১৬/৯/২০১৭
মহানগর এক্সপ্রেস
নরসিংদীর পথে।

মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি খুবই অল্প টিউশন ফিতে দিচ্ছে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ। শরিয়তপুরের স্টুডেন্ট দের জন্য রয়েছে ...
10/08/2017

মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি খুবই অল্প টিউশন ফিতে দিচ্ছে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ। শরিয়তপুরের স্টুডেন্ট দের জন্য রয়েছে টিউশন ফি এর উপর বিশেষ ছাড়।
ভর্তি হওয়ার জন্য যোগাযোগঃ০১৭০৬২৪১৬৩৫/০১৭২১১৬০২৪০
Manarat International University offers very little tuition fees, higher education opportunities. Special discount for students of Shariatpur.
Contact: 01706214135/01721160240 for admission

26/07/2017
19/05/2017

গল্পঃ বিবাহবার্ষিকী
লেখকঃ AhNaaF Hayder Ishaan
স্ত্রী'রা হঠাত করে যদি স্বামীদের অতিরিক্ত আহ্লাদ করে তবে বুঝতে হবে কিছু একটা নতুন আবদার করতে যাচ্ছে। সকাল থেকে স্নেহার মধ্যে সেই অতিরিক্ত আহ্লাদ দেখতে পেলাম। তাই কোনো একটা আবদার শুনার অপেক্ষা করতে লাগলাম।
অবশেষে সেই সময়টা এলো। স্নেহা টাই লাগিয়ে দেয়ার সময় জড়সড় হয়ে বলল,
-এই শুনো
-হু বলো কি আবদার
-মানে কি!! আমি কিছু চাইবো তুমি কেমন করে বুঝলে?
-স্বামী'রা স্ত্রীদের সবকিছু বুঝতে পারে।
-উঁহু সব স্বামী'রা পারে না।
-তবে ধরে নাও আমি সবার থেকে আলাদা।
-অবশ্যই আমার জামাইটা সবার চেয়ে আলাদা।
কথাটি বলে স্নেহা আমার নাকে হালকা চিমটি কাটলো।
যদিও ব্যথা লাগেনি। তবু ভাব নিলাম ব্যথা লেগেছে।
-উফ, করছো কি! নাক ছিঁড়ে ফেলবে নাকি?
-হি হি, আমার আবদার না রাখলে ছিঁড়েই ফেলবো।
-এইভাবে হুমকি দিলে কি আর আবদার হল! এটা তো আদেশ হয়ে গেলো।
-স্ত্রী হয়ে স্বামী কে আদেশ করা যায় না, অনুরোধ করতে হয়।
-এবার বলেন মহারাণীর কি চাওয়া..?
-ইয়ে বলছিলাম কি... আগামী পরশু দিন ছুটি চাইতে পারবে? একদিনের জন্য?
-কেন? ঐদিন কি করবো?
-মানে কি!! তুমি কি সত্যিই ভুলে গেছো ঐদিন আমাদের বিশেষ দিবস।
-বিশেষ দিবস.... কি দিবস?
-ইশান... তুমি এতগুলা পচা। নিজের বিবাহবার্ষিকী কেউ ভুলে যায়?
-ওহ হ্যাঁ.... তাইতো..!
-আমি কিন্তু দুইদিন আগে মনে করিয়ে দিয়েছি। যাতে ছুটি নিতে পারো। ঐদিন সারাদিন আমার সাথে কাটাবে। আমাকে ঘুরতে নিয়ে যেতে হবে বলে দিলাম।
-ওরে বাবা! এত আবদার? কিন্তু অফিসে যে এত কাজ.... দেখি বস কে বলে ছুটি পাওয়া যায় কিনা।
-কোনো দেখি টেখি না। ছুটি নিতেই হবে।
>>>>>>>>>>>>>>>>>|||

12/05/2017

লুঙ্গি পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে
★★★★★★★★★★★
খাবারের দোকানে কাজ করা তরুণ, সিগারেট বিক্রেতারাও আজকাল লুঙ্গি পরেন না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। সবাই প্যান্ট পরেন। কিন্তু এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে লুঙ্গি পরে ঘুরে বেড়ান। ক্লাসও করেন লুঙ্গি পরে।
ব্যতিক্রম এই শিক্ষার্থীর নাম শাহরিয়ার হোসেন ওরফে অনিক। তিনি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পড়ছেন। মেহেরপুরের মুজিবনগরে তাঁর বাড়ি।
লুঙ্গির প্রসঙ্গ তুলতেই শাহরিয়ার বললেন, ‘গ্রামে সবাই পরে। শহরে বাসাবাড়িতে পরে। এই ঢাকা শহরে রাস্তাঘাটে বহু মানুষ লুঙ্গি পরে চলাচল করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী প​রলে সমস্যা কী? শুনেছি, গুলশানে রিকশাচালকদেরও লুঙ্গি পরে ঢোকা নিষেধ। পোশাক দিয়ে কেন উঁচু-নিচু ভেদাভেদ করা হচ্ছে?’
লুঙ্গি পরে ক্লাসে যাওয়াকে শিক্ষক-সহপাঠীরা কীভাবে দেখেন? ‘প্রথম দিকে শিক্ষকেরা বিরক্ত হয়েছিলেন। সহপাঠীরা পাগলও ডাকতেন। এখন আর সমস্যা হচ্ছে না’—বললেন শাহরিয়ার।
ক্যাম্পাসে শাহরিয়ারের বন্ধুর সংখ্যা একেবারে কম নয়। তবে তিনি আড্ডা দেন কম। বেশির ভাগ সময় বই পড়ে সময় কাটান। অবশ্য পাঠ্যবইয়ে আগ্রহ কম। শুধু নম্বর পাওয়ার জন্য পড়তে ভালো লাগে না তাঁর।
এসব ‘পাগলামো’ বাড়িতে জানে? শাহরিয়ার লাজুক হাসেন। বলেন, লুঙ্গি পরে ক্লাস করার কথা জানে না। জানলে বাবা বকবেন না? ‘আপনি লিখলে বাবা পড়বেন, আর হেসে হেসে বকা দেবেন।’
বাবা শাহার আলী স্বাস্থ্য বিভাগের পরিদর্শক। মা আয়েশা সিদ্দিকা গৃহিণী। তিন ভাই, এক বোনের মধ্যে শাহরিয়ার বড়। জানালেন, বাবা তাঁর আসল বন্ধু। ছোটবেলা থেকে তিনিই সাহিত্যের বই কিনে দিতেন। প্রতিটি বইমেলার সময় কিছু টাকা আলাদা করে দিতেন বই কেনার জন্য।
এবারের মেলার সময় বাবা কম টাকা দিয়েছেন জানিয়ে শাহরিয়ার বলেন, ‘মন খারাপ হয়েছিল। বাবাকে না জানিয়ে ১৫ হাজার টাকা ধার করে বই কিনে ফেলেছি। সেই টাকা এখনো শোধ করতে পারিনি। বাবা মাসখরচের যে টাকা দেন, তা থেকেও বই কিনে ফেলি। মাসের শেষের কটা দিন কষ্ট করে চলি।’
সাম্প্রতিক নানা বিষয় নিয়েও কথা বলেন শাহরিয়ার। তাঁর আক্ষেপ, উত্ত্যক্তের শিকার ছোট্ট মেয়েকে নিয়ে একজন বাবা আত্মহত্যা করলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা কত কিছু নিয়ে আন্দোলন করেন, এটা নিয়ে কিছু করলেন না।
পড়াশোনা শেষ করে চাকরি করবেন না শাহরিয়ার। দেশি মাছ ও মুরগির খামার করার ইচ্ছা। বাবাও বলেছেন, ‘চাকরি করতেই হবে, তা তো না।’ তারপর উদাস কণ্ঠ শাহরিয়ারের, ‘কত ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে। দেশি ধানের জাতগুলো হারিয়ে যাচ্ছে।’
শাহরিয়ারের বন্ধু তৌফিক আনজাম, আশিক, মাহমুদুল হাসান সিদ্দিকসহ অন্যরা তাঁকে মেধাবী বলেই মানলেন। তাঁর লুঙ্গি পরাকে পাগলামো নয়, বুদ্ধিবৃত্তিক সীমাবদ্ধতা থেকে বেরিয়ে আসার উদাহরণ হিসেবেই দেখতে চান তাঁরা।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. তানজীম উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার মনে হয়েছে, স্রোতের বিপরীতে দাঁড়ানোর জন্য যে মানসিক শক্তি দরকার, তা এই ছেলের আছে। এ কথাও ঠিক, ব্রিটিশ শাসকেরা যদি লুঙ্গি পরতেন, আমরাও লুঙ্গি পরতাম। এ ধরনের ব্যতিক্রমী চিন্তার মানুষ এখন কম। আমরাও এ ধরনের চিন্তার মানুষকে দূরে ঠেলে দিই। থাকুক না কিছু ব্যতিক্রম।’
সূত্র: প্রথম আলো।

11/04/2017

*** # হৃদয়স্পর্শী_গল্প 'অনাথ' #***
রাস্তাড় মোড়ে একটা চায়ের দোকানে বসে
সিগারেট টানছি,,!
হঠাৎ একটা মেয়ে এসে সামনে দাড়াল।
বয়স পাঁচ থেকে সাত এর মধ্যে হবে,,
মেয়েটার গায়ের জামাটা ছেড়া,,
দেখেই বোঝা যায় কোন এক গরিব ঘরের সন্তান।
মেয়েটা বললো...
__ভাইয়া একটা রুটি কিনে দিবেন?
__একটা রুটি দিয়ে কি করবা?
__মাকে খাওয়াব,,
দুই দিন ধইরা মায়ের অনেক জ্বর,, ঘরে কিছুই নাই
খাওয়ার,,
দেন না ভাইয়া।
__তুমি খাবে না?
__না,,, মা খাইলেই, আমার খাওয়া হইবে।
''বুকের ভিতর একটা ব্যাথা অনুভব করলাম,,এই টুকু একটা
মেয়ের তার মায়ের প্রতি কত ভালবাসা,,,
নিজে খাওয়ার আগে মা এর কথা ভাবে ,,! মায়ের
জন্য অন্যের কাছে হাত পাতে।
আমি টাকার অভাবটা কখনই বুঝিনি,,, কিন্তু ভালবাসার অভাবটা
খুব ভালভাবেই বুঝতে পেরেছি,,!
ওদের টাকার অভাব থাকতে পারে ,,কিন্তু ভালবাসার
কোন অভাব নেই।
__নাম কি তোমার?
__রুপা,,,
__বাড়িতে কে,কে, আছে তোমার?
__মা ছাড়া আর কেউ নাই!
__থাক কোথায়?
__(একটা বস্তি দেখিয়ে) ঐই খানে!
__তোমার আম্মু কি করে?
__বাড়িতে বাড়িতে কাজ করে,, জ্বর এর জন্য দুই দিন
কাজে যাইতে পারেনা!
দেন না ভাইয়া!
'যেই মেয়েটার এখন বই হাতে স্কুলে যাবার কথা,,
খেলাধুলা করে বেড়ানোর কথা,,
আর সে কিনা?
পেটের দায় রাস্তায়, রাস্তায়, ভিক্ষা করছে।
__হ্যাঁ দিব,,যদি তুমি আমাকে তোমাদের বাসায় নিয়ে
যাও?
__(অবাক হয়ে)সত্যি বলছেন? আপনি আমাদের বাড়ি
যাবেন?
__হ্যাঁ,,
রুপা ছুটে চলল বস্তিটার দিকে ,,
আমিও ওর পিছন পিছন এগিয়ে গেলাম ,,!
দেখলাম ছোট্ট একটা ঘরের ভিতর ঢুকল,,
আমিও ঢুকলাম । ঘরে তেমন কিছুই চোখে পাড়ল
না,, !
ঘড়ের মেঝেতে একজন মহিলা শুয়ে আছে,,,!
রুপা বলছে...
_মা মা,,দেখ কে আইছে আমাদের বাড়িতে ,,!
জ্বর এর কারনে ঠিক মত কথাও বলতে পারছেনা ওর
মা ,,অনেক কষ্ট করে উঠে আমার দিকে তাকাল!
__কে বাবা আপনি?
__জ্বি আমি অয়ন,,,,আপনার এত জ্বর,,ডাক্তার
ডাকেন নি?
__কপালে এক বেলা ঠিক মত খাওন জোডেনা,, আর
ডাক্তার
__আমি ঔষধ নিয়ে আসছি।
আমি রুপাকে নিয়ে বেরিয়ে, কিছু ঔষধ,,আর কিছু
ফল কিনে নিয়ে এলাম,,
ঔষধ খাওয়ানোর ঘন্টা খানেকের মধ্যে জ্বর
কমে গেল,,!
ঘরে রান্না করার কিছুই নেই,, তাই বাজারে গিয়ে ,চাল
আরো টুকিটাকি জিনিস পত্র নিয়ে আসলাম।
আমি বল্লাম...
__আজ দুপুরে কিন্তু আমি এইখানেই খাব,
__(একটা হাসি দিয়ে)ঠিক আছে বাজান,
আমি রুপার সাথে গল্প করতেছি, কোনো তাড়া নেই
আমার,, কারন আমার জন্য চিন্তা করার মত এই
পৃথিবীতে কেউ বেচে নেই ,,!
সেই ছোট বেলাই বাবা মাকে হারিয়েছি,, মা বাবার
ভালবাসা কেমন হয়? কখন বুঝিনি,,!
যদি কখনও না খেয়ে থাকতাম,, কেউ বলতনা বাবা
খাইছত,, মাথায় হাত বুলিয়ে দিত না,, বলত না, বাবা মুখটা
শুকনা লাগছে কেন? মন খারাপ??
সবাই আমায় অনাথ বলত,,! বলত দেখ ওই ছেলেটা না
অনাথ,, বাবা মা কেউ নেই।
তখন খুব কাঁদতাম,, আমার বাবা মা কেন আমায় ফেলে
চলে গেল????
তাই একটু ভালবাসা পাবার লোভে এই বস্তিতে বসে
আছি
এর মধ্যে রান্না হয়ে গেল,
রুপার মা রুপাকে খাইয়ে দিচ্ছে,,!
আমার লোভ হচ্ছে,, আমাকেও যদি কেউ এইভাবে
খাইয়ে দিত,,!
আমি ভাত নিয়ে বসে আছি,, আর ভাবছি,, মা এর ভালবাসা
বুঝি এমনই হয়?
আমার মা বেঁচে থাকলে হয়ত আমায় এই ভাবে
খাইয়ে দিত,,!
চোখে পানি চলে এল ওদের ভালবাসা দেখে!
__বাজান তোমার চোখে পানি?
__(চোখটা মুছে)ও কিছুনা!
__তোমার মত সন্তান যেই মা পেটে ধরছে,, তার
মত সৌভাগ্যবান এই পৃথীবিতে কেউ নাই বাজান।
__(লোভটা আর সামলাতে পারলাম না, বলেই
ফেল্লাম) আমাকে একটু খাইয়ে দিবেন?
__(হেসে দিয়ে) ঠিক আছে বাজান.
তিনি আমায় ভাত তুলে খাইয়ে দিচ্ছেন,,. আর আমার
চোখ দিয়ে পানি ঝরছে,,
__যানেন এই ভাবে কেউ কোন দিন আমায় খাইয়ে
দেয়নি.
__তোমার কে,কে,আছে বাড়িতে?
__আমার কেউ নেই ।(অসহায়ের মত তার মুখের
দিকে তাকিয়ে আছি)
আমি আপনাকে মা বলে ডাকব?? (চোখের পানিতে
গায়ের গেন্জি অনেকটা ভিজে গেছে)
__ডাকো বাজান,,আজ থেকে তুমিও আমার,, আর
এক সন্তান!
আমি মা, মা ,বলে আরো জোরে কেঁদে আমি তার
পা জরিয়ে ধরলাম,,
তিনিও আমায় জরিয়ে ধরে,, কেঁদে দিলেন,,
এই মা ডাকটা যে, কত মধুর, কত শান্তির,, তা আগে জানা
ছিলনা!
(তাকিয়ে দেখি রুপা মিটি মিটি হাসছে)
এখন আমার চিৎকার করে সারা পৃথিবীকে বলতে
ইচ্ছে করছে,, এই যে তোমরা সুনছো???
আমি আর অনাথ, নই ,,,আমি অনাথ নই,,, আমি অনাথ
নই,,, আমার ও, মা আছে,, ছোট্টো একটা বোন
আছে,, আমি অনাথ নই...
আমি সারাটা বিকেল মা এর কোলে মাথা দিয়ে শুয়ে
ছিলাম,,,
এখন মনে হচ্ছে এই পৃথিবীতে আমিই সবচেয়ে
সুখি মানুষ!
ভাবছি, এখন আমার অনেক দায়িত্ব,, মা এর জন্য একটা
বাড়ি ঠিক করতে হবে,, মা এর দেখা শুনা করতে
হবে,,বোনটা কে স্কুলে ভর্তি করতে হবে,,
আরো অনেক কাজ বাকি...
মা এর মত আপন এই দুনিয়াতে কেউ নেই,,! যার মা
নেই সেই বোঝে,,মা কি জিনিস ।....

01/02/2017

(বকুল গাছতলা)
তোর মনে আছে কি সেই দিন গুলোর
কথা
লেখকঃRiaaN IslaM EraD
আজ ৫ বছর-পর দেশের মাটিতে পা
রাখলাম । সত্যি প্রবাসে থেকে
দেশের কাটানো সৃতি-গুলোর কথা
কত্তো যে মনে পড়েছে তা বলে
বুজাতে পারবো না । দেশের
মাটিতে ৫ বছর-পর "পা" দিতে পেরে
কেমন জানিঃ আন ইজি - আন ইজি
ফিল হচ্ছে । কিন্তু এখন ঠিক লাগছে
কিছুটা।
গাড়ি করে এলাকায় আসতে না
আসতেই অনেক কিছুর পরিবর্তন চোখে
পড়ে গেলো । আরে ফারহাদ এখানে
খলিল ভাইয়ের চা এর দোকান ছিলো
না ? কত্তো আড্ডা মারতাম এখানে ।
কিন্তু এখন নেই কেন ? আরেকটু সামনে
যেতেই কিরে এখানে লিটন ভাইয়ের
ফুচকার মুড়ির দোকান ছিলো না ?
আড্ডায় কত্তো সময় কাটিয়েছি
এখানে । অনেক দোকান ই নেই কেন ?
অনেক কিছু দেখেই ফারহাদকে প্রশ্ন
করছি ছোট বাচ্চাদের মতো । যেনঃ
চেনা শহরের ভিতরে অচেনা এক আমি
ডুকে পরেছি । প্রশ্ন জিগ্গাসা করতে-
করতে বাড়ির সামনে চলে আসলাম ।
গাড়ি থেকে নামতে না নামতেই
""মা"" গাড়ির সামনে এসে হাজির ।
আসলো চিন্তা করছি মা জানলো কি
করে যে আমরা চলে এসেছি । আসলেই
মায়ের সাথে পৃথিবীতে কারো
তুলনা হয় না ।
তখন মাকে জড়িয়ে ধরে ছোট
বাচ্চাদের মতো কান্না করে দিলাম
। কান্না-কাটি শেষ করে ঘরে চলে
আসলাম ।
৫ মিনিট পর ঘর থেকে বের হয়ে
সোজা বকুল-গাছ তলা চলে গেলাম ।
বকুল-গাছ তলা এসে কিছুটা অভাক
হয়ে রইলাম ।
এই সেই বকুল-তলা যেখানে আমার
লাইফের অনেক গুলো সৃতি জড়িয়ে
আছে । যেগুলো হয়তো কখনো ভুলতে
পারবো না।
ছোট-বেলার সৃতির কথা মনে পড়লেই
পাগলিটার কথা ভীষন মনে পড়ে
যায়।
জানি না পাগলির ওই সব সৃতির কথা
মনে আছে কি না ? কিন্তু আমার সব
মনে আছে ।
ছোট-বেলায় যখন বকুল-ফুল কুড়াতাম ।
তখন প্রায় ফুল কুড়াতে - কুড়াতে
পাগলিটা মাথার সাথে যে আমার
মাথাটা এসে কিভাবে বাড়ি খেতো
কিছুই বুঝতাম না ? মনে হতো
আমাদের দুজনের মাথায় মেগনেট
ফিট করা আছে । যা উত্তর-মেরু আর
দক্ষিন-মেরু হলেই এক সাথে আর্কষন
হতো ।
পাগলিটা ও খুব চালাক ছিলো তখনঃ
সুযোগের শত ব্যাবহার করে শুধু-শুধু
কান্না করে দিতো । কান্না
থামানোর জন্য আমার কুড়ানো সব
বকুল ফুল-গুলো ওকে দিয়ে দিতে হতো
। আর তখন ই পাগলিটার কান্নাটা
থেমে যেত । আমি জানি না এখনো
তোর মনে পড়ে কি না ? সেই
হারিয়ে যাওয়া সোনালি দিন গুলোর
কথা । কিন্তু আমার খুব মনে পড়ে রে !
তোর মনে আছে তুই একবার দোলনার
বায়না করেছিলি । তখন চাচা তোর
জন্য ছোট্ট একটা দোলনা বানিয়ে
দিয়ে ছিল।
তা আমি দোল খেয়ে ছিড়ে
ফেলেছিলাম বলে তুই সারাদিন
কান্না-কাটি করছিলে আর আমার
সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছিলি

তারপর আব্বু সুন্দর করে একটা পাকা-
পোক্ত করে দোলনা বানিয়ে দিয়ে
ছিল। যাতে দুই-জন ব্যক্তি খুব সহজে
দোল খেতে পারে । তোর মনে আছে
কি ? এই দোলনার কথাটা ।
আজ দোলনাটা ঠিক ই আছে । কিন্তু
দোলনাতে দোল খাওয়ার জন্য সেই
মানুষটা আর পাশে নেই । আজ সত্যি
বলছি এই দোলনার চেয়ে আমার মনের
দোলনাটা তোকে নিয়ে দোল
খাওয়ার জন্য অনেক বেশী বেকুল হয়ে
আছে রে পাগলি ।
মনে আছে কি ? তোর এই বকুল-গাছের
দোলনাটার কথা । মনে আছে কি ? এই
পাগলাটার কথা ? মনে আছে কি ?
তোর মনে আছে কি ? আমি তোকে
অনেক সাহস করে এই বকুল গাছের
নিচে পরন্ত বিকালে । আমি তোকে
আমার মনে কথাটা বলেছিলাম ! আর
তুই লজ্জায় একটা দৌড় দিয়ে সোজা
তোদের ঘড়ে চলে গিয়েছিলি । মনে
আছে কি ? সেই দিনটার কথা ? পরের-
দিন বকুল-গাছ তলায় তুই ও একটা নীল-
চিরকুট দিয়ে তোর মনে কথা গুলা
প্রাকাশ করেছিলি । মনে আছে কি ?
সেই দিন গুলোর কথা ? মনে আছে
কি ?
তোর মনে আছে তোর আর আমার ধুম-
ঝগড়ার পর । দুজন-দুজনকে জড়িয়ে ধরে
প্রচুর কান্না করে দুজন ই দুজনের মাফ
চেয়ে ছিলাম । তোর মনে আছে কি ?
সেই দিনটার কথা ।
আসোলেই তোর আমার সম্পর্কটা তেল
আর জলের মতো যে দুটো জিনিস
হয়তো কখনো মিশতে চাইলে ও
মিশতে আর মিলতে পারবে না এটাই
বাস্তব সত্যি । কিন্তু দুটো জিনিস ই
কিন্তু তরল পদার্থ এটাই তাদের মধ্যে
মিল । তোর আর আমার মধ্যে হয়তো
আজ এরকম কিছু ই । আজ ও দুজন -
দুজনকে খুব ভালোবাসি কিন্তু আমরা
দুজন- চাইলে ও আজ মিলতে পারবো
না তেল আর জলের মতো । এটাই
বাস্তব সত্যি যাঃ আজ মেনে নিতে
পারছি না ।
আজ সত্যি এই বকুল-গাছ
তালার নিরবতা সেই সৃতি গুলোর
কথা বার-বার আমার কানে গুন-গুনিয়ে
বলে দিয়ে যাচ্ছে ।
সত্যি তোর কি মনে আছে সেই দিন
গুলোর কথা?
আসোলে পৃথিবীর সব ভালোবাসা
পূর্নতা পায় না। কিছু-কিছু
ভালোবাসা অপূর্নতায় ই পূর্নতা পায়

আর রয়ে যায় হাজার ও সৃতি যেগুলো
ভুলার মতো না । আর তখন সেই সৃতি
গুলোর কথা মনে পরলে কষ্টের বাধ
ভেঙ্গে চোখ দিয়ে অস্রু হয়ে বয়ে যায়
নিরবে ।
বিঃ দ্রঃ ভুল-ত্রুটি ক্ষমার নজরে
দেখবেন ।

28/11/2016

টাইটানিক জাহাজে যাত্রী সংখ্যা ছিলো ২২৩০ জন ৷
জীবিত উদ্ধার হয়েছিল ৭০৬ জন ৷ ডুবে প্রাণ হারায়
মোট ১৫২৪ জন যাত্রী ৷ টাইটানিক মুভিতে দেখা
যায়, অধিকাংশ যাত্রী পানিতে ডুবে মারা যায় ৷ কিন্তু
মুভির হিরো "জ্যাক" বরফ শীতল পানিতে শূন্য
ডিগ্রি তাপমাত্রার কারণে মারা যায় ৷ একজন দর্শক
যখন মুভিটি দেখে তখন
তিনি জ্যাকের মৃত্যুতে যতটা শোকাহত।হন,
জাহাজের অন্যান্য যাত্রীদের জন্য তার ততটা
শোক হয় না ৷ তখন দর্শকের অবস্থা হয় এমন
যে, সব মরে যাক তবুও নায়ক জ্যাক বেঁচে থাক ৷
'
কখনো কি নিজেকে প্রশ্ন করেছেন,
কেনো এমন হলো? মানুষ হিসেবে সকল
যাত্রীর মৃত্যুতে সমান দুঃখ পাবার কথা ছিলো ৷
অথচ নায়ক জ্যাকের প্রতি দর্শকের এতো দরদ
হয় কেনো? জ্যাক একজন জুয়ারী, মদ্যপ,
ধুমপায়ী, অশ্লীল ছবি অঙ্কনকারী, সর্বপরি
জ্যাক।একজন ব্যভিচারী ৷ এতকিছুর পরও দর্শকের
কাছে জ্যাকের জীবন অন্যদের চেয়ে বেশি
মূল্য রাখে কেনো?
উত্তর খুবই সহজ__প্রযোজক ক্যামেরাটি শুধু
"জ্যাক ও রোজ" এর দিকে ফিরিয়ে রাখে ৷
ফলে দর্শকের মনেহয়, জাহাজে যাত্রী শুধু।
ওরা দুজনই ৷ কিন্তু একই সময় ক্যামেরার
অপর প্রান্তে হাজার হাজার নারী ও শিশুর চিৎকার ও
আর্তনাদ দর্শকের কানে পৌঁছে না ৷ ফলে দর্শক
তা অনুধাবনের চেষ্টাও করে না ৷
আমাদের প্রাত্যহিক জীবনও এমন ৷ আমেরিকা,
ব্রিটেন, ফ্রান্সে সামান্য ককটেল ফুটলেই মিডিয়া
তা কয়েক সপ্তাহ হাইলাইট করতে থাকে ৷ কিন্তু
একই সময় এই মিডিয়ার অপর প্রান্তে আফগানিস্তান,
ওয়াজিরিস্তান, ইরাক, সিরিয়া, লিবিয়া, ইয়েমেনে প্রতি
দিন শত শত বোমা ফেলা হচ্ছে ৷ হাজার
হাজার মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করা হচ্ছে ৷ তাদের
মর্মভেদী আর্তনাদ আকাশ বিদীর্ণ করে
আরশে পৌঁছে যায় ৷ শুধু পৌঁছে না আমাদের কর্ণ
কুহরে ৷ পৃথিবীর সকল পাপের উৎস এই পশ্চিমারা ৷
ওরাই মানুষকে শিখিয়েছে। সমকামিতা, পশুকামিতা,
লিভটুগেদার আরো কত কী ৷ ওরা হিরশিমা ও
নাগাসাকিতে তিন লক্ষ মানুষ হত্যা করেছে ৷
ইরাকে দশ লক্ষ মানুষ হত্যা করেছে ৷
আফগানিস্তানে ওদের হত্যাযজ্ঞ এখনো
চলছে ৷ এতকিছুর পরও পশ্চিমারা আমাদের
চোখে হিরো ৷ টাইটানিক ডুবে যাক,।হাজার হাজার
যাত্রী মরে যাক ৷ নায়ক জ্যাক ও নায়িকা রোজ
বেঁচে থাক ৷

24/11/2016

এইমাত্র সুইসাইড করলাম। বিষের
বোতলটা
মেঝেতে পড়ে আছে। কন্ঠনালী হতে
নাভী পর্যন্ত
জ্বলে ছাড়খার হয়ে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে
ভুল করে
সাল্ফিউরিক এসিড পান করেছি...।
পার্শ্ববর্তী রুম থেকে মা দৌড়ে এসে
বুকে জাপটে
ধরলো। বাপ তুই এটা কেন করলি...?....... তোকে দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধারণ
করেছি।
তুই ভুমিষ্ট হওয়ার তিন দিন আগ থেকেই
প্রসব
বেদনায় কাতরিয়েছি। ভুমিষ্ট হওয়ার
পর ছয়মাস
পর্যন্ত তোকে নিয়ে মেডিকেলে
কাটিয়েছি। এই
ছয়মাস একরাত ও ঘুমাতে পারিনি।
তোকে প্রেম,
ভালবাসা দিয়ে এতবড় করেছি।
নিজে না খেয়ে
তোকে খাইয়েছি, কিন্ত আমাদেরকে
কিছু না বলে
এটা কেন করলি...? কিসের কমতি ছিল
তোর?....... কিছুক্ষণ পর আব্বু ও ছোট বাচ্চার
মতো
হাউমাউ করে কান্না আরম্ভ করলো।
শুনে অবাক
হলাম। পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন মানুষটা
কি কান্না
করতে পারে..? বাবার অসহায় চাহনী
দেখে মনে
হচ্ছিল পৃথিবির সবচেয়ে পাপী আমি।
আমাকে ফাঁসি
দিলেও এ অপরাধের ক্ষমা হবেনা।.........আব্বু আম্মুর কান্না, প্রেম ও
ভালবাসা দেখে
বাচঁতে ভীষণ ইচ্ছে করছে। কিন্তু হাত
পা ধীরে
ধীরে অবস হয়ে আসছে। নাড়া চড়ার
শক্তি ও
পাচ্ছি না। নিশ্বাস ও ধীরে ধীরে
ছোট হয়ে
আসছে। শ্বাস প্রশ্বাস নিতে ও খুব কষ্ট
হচ্ছে।
শিরা উপশিরা গুলো শিতল হয়ে
আসছে। নাহ.... আর
বোধহয় বাঁচতে পারলাম না। বিষের
প্রভাব শুরু
হয়ে মৃত্যু পথে অনেক টাই এগিয়ে
গিয়েছি।
হয়তো বা কিছুক্ষণ পর পুরো শরীর
নিস্তেজ হয়ে
যাবে....।.......... নিজেকে খুব অপরাধী মনে হচ্ছে।
সবোর্চচ
মায়া মমতার বিপরীতে এমন অন্যায়
কখনো মানায়
না। না না না কখনোই না.....
এত বড় অকৃতজ্ঞতা.........মাথাটা ঘুরে
উঠল, নিষ্ফল
অনুতপ্ত হতে হতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ
করলাম......
শেষ... সবই শেষ...! একজন বেঈমান, জীবন
যুদ্ধে
পরাজিত সৈনিক চিরনিদ্রায়
শায়িত........... না সুইসাইড করিনি। বিষের
বোতলটা এখনো
হাতে। সুসাইড করার পরের মূহুর্ত গুলো
কি হবে
চোখ বন্ধ করেই অনুভব করলাম।
না... কখনই না। একটা অকৃতজ্ঞ মানুষের
জন্য
সইুসাইড করবো, তা কখনো মানায়
না। যার জন্য সুইসাইড করবো সেতো
ব্যাথা
পাবে না...। হয়ত মনে ও করবে না
একদিন.......... ব্যাথা পাবে আব্বু আম্মু। সারা
জীবন প্রসব
বেদনায় কাতরাবে পুত্র হারানোর
ব্যাথায় আমার
জম্মদাত্রী মা...।
" যে তোমার ভালবাসার মুল্য দেয়নি,
সে তোমার
ভালবাসা পাওয়ার যোগ্য নয়। অন্যের
জন্য নিজেকে
শেষ করে দিয়ে কি লাভ?
আপনি পৃথিবীতে একজন
মানুষকেই শুখে রাখতে
পারবেন।আর সেটি হলো
নিজেকে।নিজের
জন্য বাঁচতে
শেখুন। আপনাকে যারা বাঁচিয়েছে
তাদের জন্য
বাঁচুন,নিজেকে ভালোবাসুন...
Courtesy:
|| Arefin Rony ||
Civil Engineering
Department at DUET -2/2

Address

Dhaka
1100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RadioPadma.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share