Untold story

Untold story জীবন কোনো নাট্য মঞ্চ নয়, তবে কেন নাটকের থেকেও নাটকীয়!

03/09/2025

জীবন টা যেমন চেয়েছিলাম তেমন হয়নি।

তারপর চেয়েছিলাম জীবন যেমনই হোক, শুধু মানসিক শান্তিটা থাকলেই চলবে। এখন চলছেনা ঠিক তা না, জীবন কেটে যাচ্ছে তবে মানসিক শান্তিটা কিছুতেই আমার সাথে থাকতে চাচ্ছেনা।

নিজের সাথে লড়াই চলমান; চলবে, এখানে থামার সুযোগ নেই।

আজ একটু রাগের মাথায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েছিলাম।মাথায় ঘুরছিল—এই সংসার, এই ঝগড়া, এই প্রতিদিনের কষ্ট।মন বলছিল, আর নয়!...
04/08/2025

আজ একটু রাগের মাথায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েছিলাম।
মাথায় ঘুরছিল—এই সংসার, এই ঝগড়া, এই প্রতিদিনের কষ্ট।
মন বলছিল, আর নয়! এই "চিরকাল ঝগড়াবাজ" মানুষটার সাথে আর এক মুহূর্ত কথা বলব না।

চুপচাপ হাঁটতে হাঁটতে গিয়ে উঠলাম পাড়ার এক চায়ের দোকানে।
এক কাপ চা অর্ডার দিয়ে বসে আছি—অভিমান, রাগ আর গুমোট ভাব নিয়ে।

হঠাৎ পাশ থেকে কেউ জিজ্ঞেস করল—
"এই ঠান্ডায় বাইরে বসে চা খাচ্ছো?"
চোখ ফিরিয়ে দেখি এক বৃদ্ধ মানুষ বসে আছেন, মুখে একরাশ শান্ত হাসি।

বললাম, "আপনিও তো এসেছেন, এই বয়সে, এত ঠান্ডায়?"
উনি হেসে বললেন, "আমার তো কেউ নেই...
না সংসার, না সঙ্গী। তুমি তো দেখছি বিবাহিত।"

আমি যেন তখন ঝড়ে ভেসে যাচ্ছিলাম।
বললাম, "স্ত্রী তো শান্তিতে থাকতে দেয় না!
সকালে সন্ধ্যায় ঝগড়া।
এইজন্যই তো বাইরে ছুটে এসেছি।"

বৃদ্ধ মানুষটা কিছুক্ষণ চুপ করে থাকলেন।
তারপর বললেন,
"আমার স্ত্রী নেই আজ আট বছর হলো।
যখন ছিল, তখন ওর কদর বুঝিনি।
সেই ঝগড়া, সেই আদর, সেই ছোট ছোট রাগ আজ ভীষণ মিস করি।
এই বাড়ি, এই টাকা, এই শহর… সবই আছে, কিন্তু সে নেই।
সত্যি বলি, তার অনুপস্থিতিতেই বুঝেছি, সে ছিল আমার জীবন, আমার প্রাণ।
যখন বেঁচে ছিল, তখন শুধু অভিযোগ করেছি,
আজ ওর একটুখানি শব্দও শুনতে মন কাঁদে।"

আমি স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলাম।
চা শেষ করে উঠে দাঁড়ালাম।
চোখের কোনে জল, কিন্তু মুখে নিশ্চুপ সিদ্ধান্ত।

বাড়ি ফিরে আসতে আসতেই দেখলাম, সে দরজায় দাঁড়িয়ে আছে।
ভয় আর অভিমান মেশানো চোখে তাকিয়ে আছে আমার দিকে—
"এতক্ষণ কোথায় ছিলে? জ্যাকেটও পরোনি, ঠান্ডা লেগে যাবে!"

আমি আস্তে করে বললাম,
"তুমিও তো ঠান্ডায় দরজায় দাঁড়িয়ে আছো…"

আর কিছু না বলে শুধু তাকিয়ে রইলাম একে অপরের চোখে।
সেই চাহনিতে ঝগড়া ছিল না, অভিমান ছিল না, ছিল শুধুই ভালোবাসা।

জীবনে এমন অনেক সময় আসে,
যখন রাগ করে চলে যাই,
কিন্তু ফিরতে শেখা উচিত।
একটা জীবন, খুব বেশি বড় নয়।
ক্ষমা চাইতে আর ক্ষমা করতে শিখলে জীবনটা অনেক সহজ হয়ে যায়।

আমরা যেভাবে নিরবে ধ্বংস করছি এই সুন্দর সংসার 📌 স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া: সংসারের নীরব ধ্বংস! 💔🤍 ভালোবাসা দিয়ে শুরু হওয়া একট...
03/08/2025

আমরা যেভাবে নিরবে ধ্বংস করছি এই সুন্দর সংসার

📌 স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া: সংসারের নীরব ধ্বংস! 💔

🤍 ভালোবাসা দিয়ে শুরু হওয়া একটা সংসার ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ে তখনই, যখন সেখানে শ্রদ্ধা, সহনশীলতা আর বোঝাপড়ার অভাব দেখা দেয়। আর এর সবচেয়ে বড় কারণ – ঘন ঘন ঝগড়া।

❗ ঝগড়া কী কী ক্ষতি করে সংসারে?

1️⃣ শান্তির মৃত্যু ঘটে: বারবার ঝগড়ায় ঘরের পরিবেশ অশান্ত হয়ে ওঠে। মানুষ তার 'ঘর'কে আর 'ঘর' মনে করে না, মনে হয় যুদ্ধের ময়দান।

2️⃣ সন্তানদের মানসিক ক্ষতি: বাবা-মায়ের ঝগড়া সন্তানের মনে গভীর দাগ ফেলে। তারা হয় আত্মমুখী, ভয়ভীত সত্ত্বায় পরিণত হয় বা রাগী স্বভাবের হয়ে ওঠে।

3️⃣ ভরসার দেয়াল ভেঙে পড়ে: যখন একজন আরেকজনকে অসম্মান করে, তখন ভালোবাসা আর বিশ্বাস দুটোই মরে যায়।

4️⃣ মানসিক চাপ আর ডিপ্রেশন: প্রতিদিনের ঝগড়া এক সময় স্বামী বা স্ত্রীর মাঝে হতাশা, ঘুমের সমস্যা, একাকীত্ব এবং মানসিক অসুস্থতা তৈরি করে।

5️⃣ পরকীয়া বা বিচ্ছেদের দিকে ধাবিত হওয়া: যখন কেউ ভালোবাসা ও সম্মান না পায়, তখন তারা সেই অভাব পূরণ করতে ভুল পথে চলে যেতে পারে।

🌿 সমাধান কী?

✅ কথা বলুন, চিৎকার নয়
✅ বুঝতে চেষ্টা করুন, জবাব দিতে নয়
✅ ছোট বিষয়কে ক্ষমা করুন
✅ ভালোবাসার মাঝে ধৈর্য গড়ে তুলুন
✅ নিজের অহংকে নয়, সম্পর্ককে জিততে দিন

💌 সংসার মানে কেবল একসাথে থাকা নয়, বরং একে অপরের কষ্ট ও খুশির ভাগীদার হওয়া। ঝগড়া নয়, হোক বোঝাপড়ার সম্পর্ক। কারণ ঝগড়ায় জিতে কেউ সুখী হয় না, হারায় শুধু ভালোবাসা।

24/06/2024
“বাবা তুমি তো বলেছিলে পিতৃ ঋণ কোনদিন শোধ হয় না। তুমি ছাব্বিশ বছরে আমার পেছনে যত টাকা খরচ করেছো তুমি কি জানো আমি আগামী ত...
05/02/2024

“বাবা তুমি তো বলেছিলে পিতৃ ঋণ কোনদিন শোধ হয় না। তুমি ছাব্বিশ বছরে আমার পেছনে যত টাকা খরচ করেছো তুমি কি জানো আমি আগামী তিন বছরে সে টাকা তোমায় ফিরিয়ে দিতে পারবো”।বাবা : ( কিছুটা মুচকি হেসে) “একটা গল্প শুনবি?”ছেলেটা কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে গেল। নিচু স্বরে বললো-“বলো বাবা শুনবো……”তোর বয়স যখন চার আমার মাসিক আয় তখন দু হাজার টাকা। ওই টাকায় সংসার চালানোর কষ্ট বাড়ির কাউকে কখোনো বুঝতে দেইনি। আমি আমার সাধ্যের মধ্যে সব সময় চেষ্টা করেছি তোর ‘মা কে ‘সুখী করতে। তোকে যেবার স্কুলে ভর্তি করলাম সেবার ই প্রথম আমরা দুজন- আমি-আর তোর মা পরিকল্পনা করেছি আমরা তোর পড়ার খরচের বিনিময়ে কি কি ত্যাগ করবো।

সে বছর তোর মাকে কিছুই দিতে পারিনি আমি। তুই যখন কলেজে উঠলি আমাদের অবস্থা তখন মোটা মুটি ভাল। কিন্তু খুব কষ্ট হয়েগেছিল যখন তোর মা খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। ঔষধ কেনার জন্য রোজ রোজ ওভারটাইম করে বাসে করে পায়ে হেটে ঘামে ভিজে বাড়ি ফিরতে খুব দুর্বিষহ লাগতো। কিন্তু কখোনো কাউকে বুঝতে দিইনি এমনকি তোর মা কেও না।
একদিন শো রুম থেকে একটা বাইক দেখে আসলাম। সে রাতে আমি স্বপ্নেও দেখেছিলাম আমি বাইকে চড়ে কাজে যাচ্ছি। কিন্তু পরের দিন তুই বায়না ধরলি ল্যাপটপ এর জন্য। তোর কষ্টে আমার কষ্ট হয় বাবা। আমি তোকে ল্যাপটপ টা কিনে দিয়েছিলাম।

আমার তখনকার এক টাকা তোর এখন এক পয়সা! কিন্তু মনে করে দেখ এই এক টাকা দিয়ে তুই বন্ধুদের নিয়ে পার্টি করেছিস। ব্র্যান্ড নিউ মোবাইলে হেড ফোন কানে লাগিয়ে সারা রাত গান শুনেছিস। পিকনিক করেছিস, ট্যুর করেছিস, কন্সার্ট দেখেছিস। তোর প্রতিটা দিন ছিল স্বপ্নের মতো।
আর তোর একশ টাকা নিয়ে আমি এখন সুগার মাপাই । জানিস আমার মাছ খাওয়া নিষেধ, মাংস খাওয়া নিষেধ, কি করে এত টাকা খরচ করি বল! তোর টাকা নিয়ে তাই আমি কল্পনার হাট বসাই। সে হাটে আমি বাইক চালিয়ে সারা শহর ঘুরে বেড়াই। বন্ধুদের নিয়ে সিনেমা দেখতে যাই। তোর মায়ের হাত ধরে তাঁত মেলায় ঘুরে বেড়াই।
বাবারা নাকি “খাড়ুশ টাইপের” হয় । আমিও আমার বাবাকে তাই ভাবতাম । পুরুষ থেকে পিতা হতে আমার কোনো কষ্ট হয়নি, সব কষ্ট তোর মা সহ্য করেছে। কিন্তু বিশ্বাস কর পিতা থেকে দ্বায়িত্বশীল পিতা হবার কষ্ট একজন পিতাই বোঝে। যুগে যুগে সর্বস্থানে মাতৃবন্দনাহলেও পিতৃবন্দনা কোথাও দেখেছিস ?
পিতৃবন্দনা আমি আশাও করি না। সন্তানের প্রতি ভালোবাসা কোনো পিতা হয়তো প্রকাশ করতে পারে না,তবে কোনো পিতা কখনোই সন্তানের প্রতি দ্বায়িত্ব পালনে বিচ্যুত হয় না। আমি তোর পেছনে আমার যে কষ্টার্জিত অর্থ ব্যায় করেছি তা হয়তো তুই তিন বছরে শোধ দিতে পারবি…কিন্তু যৌবনে দেখা আমার স্বপ্ন গুলো ?
যে স্বপ্নের কাঠামোতে দাঁড়িয়ে তুই আজ তোর ঋণশোধের কথা বলছিস.সেই স্বপ্ন গুলো কি আর কোনোদিন বাস্তব রুপ পাবে ?আর যদি বলিস বাবা আমি তোমার টাকা না তোমার ভালোবাসা তোমায় ফিরিয়ে দেব, তাহলে বলবো বাবাদের ভালোবাসা কখনো ফিরিয়ে দেয়া যায় না।
তোকে একটা প্রশ্ন করি, ধর তুই আমি আর তোর খোকা তিন জন এক নৌকায় বসে আছি। হঠাৎ নৌকা টা ডুবতে শুরু করলো….যে কোন একজনকে বাঁচাতে পারবি তুই।
কাকে বাঁচাবি ?( ছেলেটা হাজার চেষ্টা করেও এক চুল ঠোঁট নড়াতে পারছেনা! )উত্তর দিতে হবে না। ছেলেরা বাবা হয়, বাবা কখনো ছেলে হতে পারে না।পৃথিবীতে সব চেয়ে ভারী জিনিস কি জানিস?
পিতার কাঁধে পুত্রের লাশ!আমি শুধু আল্লাহর কাছে একটা জিনিস চাই।আমার শেষ যাত্রায় যেন আমি আমার ছেলের কাঁধে চড়ে যাই। তাহলেই তুই একটা ঋণ শোধ করতে পারবি –তোকে কোলে নেবার ঋণ ।

অনু-গল্প:- #বাবার_ঋন

সংগৃহীত
বাবা❤️❤️

 #প্রতারক  💔সিংহ শিয়ালকে বলে - যা আমার জন্য খাবার নিয়ে আয়।শিয়াল ঘোড়ার কাছে গিয়ে বলে -ভাইজান কেমন আছেন?ঘোড়া চিন্তা করে - ...
05/01/2024

#প্রতারক 💔
সিংহ শিয়ালকে বলে - যা আমার জন্য খাবার নিয়ে আয়।শিয়াল ঘোড়ার কাছে গিয়ে বলে -ভাইজান কেমন আছেন?ঘোড়া চিন্তা করে - যে শিয়াল খ্যাক খ্যাক করা ছাড়া কোনো কথা বলে না- সে আজ এতো স্বরে ডাকছে কেন?
নিশ্চয় কোনো বদ মতলব আছে।
ঘোড়া শিয়ালের ডাকে কোনো সাড়া দেয় না।
সিয়াল এবার ময়ূরীর কাছে গিয়ে বলে - আপুমনি কেমন আছ। দেখতে খুবই মিষ্টি লাগছে।
ময়ূরীও বুঝতে পারে - শিয়ালের মুখে মিষ্টি বচন।নিশ্চয়ই লক্ষ্মণ ভালো না।
সে-ও সাড়া দেয় না।
শিয়াল এবার গাধার কাছে গিয়ে বলে - বাহ্!তোমাকে খুবই হ্যান্ডসাম মনে হচ্ছে।
এই রকম হ্যান্ডসাম একটা প্রাণী খেটে- খেটে জীবনটা নষ্ট করে দিলো।
তোমাকে আর কষ্ট করতে হবে না। রাজার বয়স হয়ে গেছে। তিনি অবসরে যাবেন। আর তোমাকে রাজা বানাবেন।
চলো আমার সাথে সিংহাসনে চলো।
গাধা খুব খুশি হয়।শিয়ালের সাথে সিংহাসনে আসে।
সিংহের কাছে আসা মাত্রই সিংহের এক থাবায় গাধা তার দুই কান হারায়।
কিন্তু কোন রকমে পালিয়ে বাঁচে।
শিয়াল গাধার কাছে এসে বলে - এতো বোকা হলে রাজা হবে কিভাবে।
রাজা তোমার মাথায় মুকুট পরাবে।কিন্তু দুই পাশে দুটো কান থাকলে কী রাজমুকুট ঠিকমত মাথায় বসবে।
তাই তো তোমার কান দুটো তুলে নেওয়া হয়েছে।
কিছু বুঝনা অবুঝ প্রাণী-এটাকে গ্রুমিং বলে।
চলো চলো আমার সাথে চলো।দেরি হলে আবার অন্য কেউ রাজা হয়ে যাবে।
গাধা আবার সিংহের কাছে আসে।এবার সিংহের আরেক থাবায় গাধার লেজ খসে পড়ে।
কিন্তু এবার ও পালিয়ে বাঁচে।
শিয়াল যথারীতি গাধার কাছে এসে বলে-আবার ও ভুল করলে।লেজ থাকলে রাজ সিংহাসনে বসবে কিভাবে।
তাই তোমার লেজটা খসানো হয়েছে।
অবুঝ প্রাণী দুরর্দূশী চিন্তা করতেই পারোনা।
এটা হলো - আল্ট্রা গ্রুমিং।মানে একেবারে ফাইনাল টাচ।
চলো চলো তাড়াতাড়ি সিংহাসনে চলো।
গাধা আবারও সিংহাসনে আসে।
এবার আর সে বাঁচতে পারে না।
সিংহের থাবায় তার ক্ষতবিক্ষত দেহ খানা মাটিতে পড়ে আছে।
সিংহের দাঁতে মুখে রক্তের দাগ।
শিয়াল সিংহকে বলে- মহারাজ এত কষ্ট করে আপনি খাবেন।
মাথাটা আমাকে দেন। সুন্দর করে প্লেটে সাজিয়ে দেই।
শিয়াল গাধার ব্রেণটুকু খেয়ে মাথার অবশিষ্ট অংশ হিংহকে দেন।
সিংহ বলে ব্রেন কোথায়?
শিয়াল বলে মহারাজ - যে বারবার ধোঁকা খেয়েও আপনার কাছে এসেছে - আপনি কি মনে করেন তার ব্রেণ বলে কিছু আছে।
গাছের ডালের উপর থেকে ময়ূর বলে -
তার ব্রেণ ঠিকই আছে। কিন্তু অতি সহজ সরল হওয়ায় প্রতারকদের বুঝতে পারে নি।
প্যাচাঁ তার সন্তানের বলে - এই ঘটনা থেকে তোমরা কি শিখলে।
শিখলামঃ
হঠাৎ করে কেউ যদি বড় আপন হয়ে ওঠে, বুঝতে হবে তার দূরভিসন্ধি আছে।
এটাও শিখলাম যায় যে কাজ তাকে সেটাই করতে হয়।অন্যের কুমন্ত্রণা শুনতে হয়না।
লোভের ফল কখনো মিষ্টি হয় না।
সাদাসিধা হওয়া ভালো, কিন্তু বোকা হওয়া ভালো না।
সবচেয়ে বড় জিনিসটা শিখলাম তা হলো- প্রতারকদের একবার বিশ্বাস করা যায়। কিন্তু বারবার বিশ্বাস করা যায় না।
অতি বিশ্বাস করে সে ঠকেছে।আর নিজের জীবন দিয়ে তার বিশ্বাসের মর্মান্তিক পরিসমাপ্তি ঘটেছে।
বিশ্বাস ভরসা নষ্ট করে কেউ কনো দিন ভালো থাকেনি হয়তো ক্ষণিকের জন্য ভালো থাকে
(তুর্কীয় গল্প অবলম্বনে)

বিকালের দিকে আমার স্ত্রী শ্রাবণীর সাথে তুমুল ঝ/গ/ড়া শুরু হয়ে গেলো। ঝ/গ/ড়ার এক পর্যায়ে আমি পাশের রুম থেকে একটা কোলবালিশ এ...
09/10/2023

বিকালের দিকে আমার স্ত্রী শ্রাবণীর সাথে তুমুল ঝ/গ/ড়া শুরু হয়ে গেলো।
ঝ/গ/ড়ার এক পর্যায়ে আমি পাশের রুম থেকে একটা কোলবালিশ এনে মাথায় তুলে আ/ছা/ড় মারলাম।

শ্রাবণী অবাক হয়ে বললো,

- আরে, এমন করছো কেন?

আমি রে/গে গিয়ে বললাম,
--কি আর করবো, তোমায় তো মা/র/তে পারি না কারণ প্রথমত তুমি মেয়ে মানুষ আর দ্বিতীয়ত তোমার বাবা পু/লি/শ৷ তোমার গা/য়ে হা/ত তুললে তোমার বাবা আমাকে চৌ/দ্দশি/কের ভাত খাওয়াবে। তাই কোলবালিশকে মে/রে মনের জ্বা/লা মিটাচ্ছি

আমার কথা শুনে শ্রাবণী বললো,
- আজ জ্বা/লা মিটানোর জন্য কোলবালিশ আ/ছা/ড় মারলে কাল তো আমায় মাথায় তুলে আ/ছা/ড় মারবে।

আমি মুচকি হেসে বললাম,
-- আরে না, তোমার মত মুটকিকে কখনোই মাথার উপর তুলা সম্ভব না।

শ্রাবণী আমার কথা শুনে প্রচন্ড রে/গে গেলো। ঝ/গ/ড়া আরও তীব্র হলো। ব্যাগ গুছিয়ে ফেলেছে বাপের বাড়ি চলে যাবে। আমার সাথে আর সংসার করবে না। কয়েকদিন পর আমাকে নাকি ডি/ভো/র্স লেটার পাঠাবে। রুম থেকে বের হবার সময় আমায় বললো,
- আমি তো এখন পুরাতন হয়ে গেছি তাই আমাকে মু/ট/কি লাগে। কিন্তু ভার্সিটি লাইফে এই মুটকির পেছন পেছন নি/র্ল/জ্জ বেহায়ার মত ঘুরতে
-- তুমি আমাকে নি/র্ল/জ্জ বেহায়া বললে?
- তুমি তারচেয়েও নি/চু স্তরের...
|
|
শ্রাবণী এক রিকশা দিয়ে যাচ্ছে আর আমি পিছন পিছন অন্য একটা রিকশা দিয়ে ওকে ফলো করছি। শ্ব/শু/রবাড়ি সামনে আসলে আমি রিকশা থেকে নেমে ওর কাছে গিয়ে বললাম,
-- তোমার পিছন পিছন এসেছি বলে এটা ভেবো না আমি তোমাকে নিতে এসেছি। সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছিলো রাস্তায় তোমার কোন সমস্যা হলে তোমার বাপ আমাকে জে/লে ঢুকাতো। তাই তোমার সাথে সাথে এসেছি

শ্রাবণী রে/গে গিয়ে বললো,
- তোমার কি ধারণা তোমার মতো নি/চু চরিত্রের মানুষ আমাকে নিতে চাইলেই আমি যাবো? যে পুরুষ স্ত্রী/কে সম্মান না দিয়ে মুটকি বলে সেই পুরুষের সাথে সংসার করার কোন মানেই হয় না
---
-----

বেলকনিতে দাঁড়িয়ে থাকা আফজাল সাহেব উনার স্ত্রী রিনাকে বললো,
~ওদের ভবিষ্যৎ কি হবে বলো তো? ওরা দুইজন দুইজনকে ছাড়া থাকতেও পারে না আর দুইজন একসাথেও থাকতে পারে না
আফজাল সাহেবের স্ত্রী রিনা মুচকি হেসে বললো,
~ওরা আর পাল্টাবে না।ওরা এমনি থাকবে
আফজাল সাহেব তখন বললো,
~যাও দরজা খুলো গিয়ে। দেখো গিয়ে আজ আবার নতুন কি নাটক নিয়ে এসেছে । আমি গেলে তো আমাকে দেখে জামাই দৌ/ড়ে পা/লা/য়। আমি বুঝি না এই ছেলে আমাকে দেখে এত ভ/য় পায় কেন?

কলিংবেলের আওয়াজ শুনে শ্বাশুড়ি দরজা খুললো। শ্বাশুড়িকে দেখেই শ্রাবণী বললো,
-আমি কিন্তু আর ওর সাথে যাচ্ছি না। ও আজ আমায় মুটকি বলছে
আমি তখন শ্বাশুড়িকে বললাম,
-- মা, আপনার মেয়ে আমার চরিত্র নিয়ে কথা বলছে। আপনাদের মেয়ে আপনাদের কাছে দিয়ে গেলাম এখন আমি যাই
শ্বাশুড়ি তখন বললো,
~এসেছো যখন রাতের খাবারটা খেয়ে যাও

মা, আমি কিন্তু খেতে আসি নি। তারপরও আপনি যেহেতু বলছেন শুধু আপনার কথা রাখার জন্য হলেও আমি রাতে খেয়ে যাবো

পাশ থেকে শ্রাবণী মুখ বাঁকিয়ে বললো,
- নি/র্ল/জ্জ বে/হা/য়া কি আর এমনি এমনি বলেছি? কার্যকলাপে বলেছি। এতকিছুর পরেও উনি রাতে খেয়ে যাবেন

এই অপমান আর সহ্য করা যায় না। আমি রাগে শ্বশুরবাড়ি থেকে বের হয়ে গেলাম। মনে মনে প্রতিজ্ঞা করলাম আর যায় হোক শ্রাবণীকে আর বাসায় আনবো না। ওর কথা মনে করারও চেষ্টা করবো না।আজ থেকে আমি ওকে ছাড়াই একা শান্তিতে থাকবো

নিজের বাসায় এসে পরলাম। কিন্তু বাসায় ঢুকার সাথে সাথেই রাগ কমতে লাগলো আর শ্রাবণীকে প্রচন্ড মিস করতে শুরু করলাম। ফ্রিজ থেকে যখন ঠান্ডা পানির বোতলটা বের করলাম তখন মনে পরলো, এই ফ্রিজ কিনার সময় আমাদের কত ঝগড়া হলো। আমি বলেছি কালো রঙের ফ্রিজ নিবো আর ও বলে লাল রঙের নিবে। কিছু ভালো লাগছিলো না দেখে টিভিটা যখন অন করি তখনও শ্রাবণীর কথা মনে পরলো। চাকরির বেতন পেয়ে আমি ৪২ ইঞ্চি এই টিভিটা কিনেছিলাম বলে শ্রাবণী খুব রাগ করেছিলো। ও বলেছিলো, "আমার ২১ ইঞ্চি হলেই চলতো শুধু শুধু এত টাকা কেন নষ্ট করলে।"
নিজের রুমে এসে ড্রেসিং টেবিলের আয়নায় সামনে দাঁড়াতেই শ্রাবণীর কথা মনে হলো। প্রতিবার সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখতাম শ্রাবণী এই আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুল ঠিক করছে

খুব ক্লান্ত লাগছিলো দেখে বিছানায় শুয়ে পরি কিন্তু পাশের বালিশটা দেখে শ্রাবণীর কথা মনে পরে গেলো। ও সব সময় এই বালিশে মাথা রেখে ঘুমাতো

বিছানা থেকে উঠে বসলাম আর মনে মনে ভাবতে লাগলাম, এই সব আমি কি ভাবছি। শ্রাবণীর কথা আর ভাববো না। ও একটা বদরাগী মেয়ে। নিজের স্বামীকে কুকুর বলেছে। চোখ মুখে পানি দেওয়ার জন্য ওয়াশরুমে যখন ঢুকলাম তখন মনে পরলো, গোসলের সময় শ্রাবণী যতবার আমাকে তোয়ালেটা দিতে এসেছে ততবারি আমি শ্রাবণীকে টেনে ওয়াশরুমের ভিতর নিয়ে এসেছি। তারপর ওর গোলাপি ঠোঁ**...
এমন সময় দেয়াল ঘড়ির ঢং ঢং আওয়াজ হতে লাগলো। রাত ১২টা বাজে। এই দেয়াল ঘড়িটাও শ্রাবণী কিনে এনেছে

না আর সহ্য করতে পারছি না। শ্রাবণীকে ছাড়া এক মুহুর্ত থাকা সম্ভব না। এই বাসার প্রতিটা কোণায় প্রতিটা আসবাবপত্রে শ্রাবণীর অস্তিত্ব লুকিয়ে আছে...
---
----

তরকারির ঘ্রাণ পেয়ে আফজাল সাহেব আর উনার স্ত্রী রিনা রান্নাঘরে গেলেন। গিয়ে দেখেন উনাদের মেয়ে রান্না করছে। আফজাল সাহেব অবাক হয়ে মেয়েকে বললো,
~এত রাতে মা কার জন্য রান্না করিস?
মেয়ে মুচকি হেসে বললো,
-তোমাদের জামাইয়ের জন্য। রাতে না খেয়ে থাকলে ও আবার অসুস্থ হয়ে যায়
আফজাল সাহেব বললো,
~জামাই তো রাগ করে চলে গেছে
মেয়ে মুচকি হেসে বললো,
- গিয়ে দেখো হয়তো গেইটের বাইরে ঘুরঘুর করছে। তুমি ডেকে বাসায় নিয়ে আসো আমি টেবিলে খাবার দিচ্ছি

বেলকনিতে এসে আফজাল সাহেব দেখে পিয়াস বাসার গেইটের সামনে দাঁড়িয়ে আছে । আফজাল সাহেব উনার স্ত্রীকে বললেন,
~জামাইকে ডেকে বলো উপরে আসতে। আমি ডাকলে ভয়ে আবার আসবে না
---
-----

বাসায় ঢুকে দেখি ডাইনিং টেবিলে আমার পছন্দের সব খাবার। নিশ্চয়ই শ্রাবণী রান্না করেছে। এই মেয়েটা আমায় অসম্ভব রকম ভালোবাসে। শুধু একটুতেই ঝগড়া লাগিয়ে ফেলে এটাই, বেশি প্রেমের বিয়ে হইতো এমনি হয়।

আমি তখন শ্বাশুড়িকে বললাম,
-- মা, আমি কিন্তু আপনার মেয়েকে নিতে আসি নি। খাবার রেখে রাগ করে চলে গিয়েছিলাম বলে আবার এসেছি

আমার কথা শুনে শ্বাশুড়ি হাসতে লাগলো আর আড়চোখে শ্রাবণীর দিকে তাকিয়ে দেখি শ্রাবণীও মিটিমিটি হাসছে। এই সেই হাসি, যে হাসি দেখে আমি প্রথম শ্রাবণীর প্রেমে পরেছিলাম
# untold story
আবুল বাশার পিয়াস

নতুন গল্পের পেজ টা ফলো করুন তার গল্প গুলা আপনাদের কে মুগ্ধ করবে 👉 Broken heart

To day great picture....
05/05/2023

To day great picture....

Address

Satkhira
Dhaka
9460

Telephone

+8801721583661

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Untold story posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Untold story:

Share

Category