Taza Newz

Taza Newz এক্সক্লুসিভ সব নিউজ পেতে আমাদের সাথে থাকুন

টলিউড অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখার্জি। ঠোঁটকাটা স্বভাব, সমাজের বাঁকা দৃষ্টিকে পাত্তা না দেওয়ায় বছরজুড়েই আলোচনায় থাকেন। ...
29/04/2026

টলিউড অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখার্জি। ঠোঁটকাটা স্বভাব, সমাজের বাঁকা দৃষ্টিকে পাত্তা না দেওয়ায় বছরজুড়েই আলোচনায় থাকেন। সম্প্রতি আরও একবার নিজের মন্তব্যের কারণে সংবাদের শিরোনাম হয়েছেন তিনি।
ব্যক্তিগত জীবনে অনেকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন স্বস্তিকা মুখার্জি। ‘জাতিস্মর’-খ্যাত এই অভিনেত্রী কয়েক মাস আগে এক সাক্ষাৎকারে জানান, জীবনে ছয়বার সম্পর্কে জড়িয়েছেন তিনি। তার এই মন্তব্য ঘিরে নেটিজেনরা নানা চর্চা শুরু করেন।
সমাজের মানুষের ভাবনা-চিন্তাকে ব্যঙ্গ করে স্বস্তিকা মুখার্জি বলেন, ৬টা নয়, আমি ৬০০টা প্রেম করেছি, আগে ভুল বলেছি। ক্যাওড়াতলা যাওয়ার আগে আমি আরও একটা শূন্য এর সঙ্গে জুড়তে চাই। এটাই আমার জীবনের উদ্দেশ্য।
অভিনেত্রী বলেন, আমার জীবন, যদি আমার মনে হয় যে ৬ হাজার মানুষকে ভালোবাসা জ্ঞাপন করব, তাহলে বেশ করব। আমি তো বলছি না যে আমি ৬টা লোককে মারব, খুন করব, তাদের গলা চিরে রক্ত খাব, ধর্ষণ করব, তাদের সঙ্গে জালিয়াতি করব বা কাজ করিয়ে পয়সা দেব না। আমাদের আশেপাশে সমাজে তো এগুলোই হচ্ছে। প্রেম করব তাতেও মানুষের সমস্যা। তাহলে যা হচ্ছে আশেপাশে তাই হোক।
তিনি আরও বলেন, ভালোবাসাটা কেন সমস্যা হবে? অবশ্য এটা মহিলা বলেই হয়। ছেলেরা করলে আমরা তাদের বলি, ‘হ্যাভিং অ্যা ওয়াইল্ড লাইফ।’ ভীষণ দারুণ একটা জীবন। আর মেয়েরা করলে তাদের বেশ্যা বলে। মেয়েরা ৬টা প্রেম করলে বেশ্যা। ছেলেরা ৬টা প্রেম করলে লোকে বলে, ‘ভাই এলেম আছে’। এই সমাজে আমরা বাস করছি।
নায়িকার কথায়, মানুষ যেভাবে তেড়ে এলো। কারণ ৬ টা সম্পর্ক মানে বিশাল একটা ভুল করে ফেলেছি আমি, একটা হওয়া উচিত ছিল। আমরা সবাই সাধু। আমার একটা সম্পর্ক হওয়া উচিত ছিল। জন্মে যার সঙ্গে প্রেম, তার সঙ্গেই বিয়ে হওয়া উচিত ছিল। তার সঙ্গেই বাকি জীবনটা বাঁচা উচিত ছিল। আমি করতে পারিনি, আমার তো একটা বড় ভুল।
তারপর নিজের খানিক প্রশংসা করে স্বস্তিকা বলেন, আমাকে যে রকম দেখতে, আমার যে রকম চেহারা, আমার যে রকম ব্যক্তিত্ব তাতে আমি ক্যাওড়াতলার স্টপেজ কালীঘাট, তার আগের স্টপ পর্যন্ত আমি প্রেম করতে চাই। প্রচুর মানুষকে ভালোবাসতে চাই। অনেক ভালোবাসা দেওয়ার আছে, আমি তা দিতে চাই। লিফলেটের মতো বিলি করতে চাই। খুবই ফুল-ফিলিং হয়ে আমি মরতে চাই।

একই সঙ্গে দুই প্রিয় বান্ধবীর প্রেমে হাবুডুবু! কারও মন না ভেঙে দুই তরুণীকেই বিয়ে করলেন তরুণদু’জনেই প্রিয় বান্ধবী ছিলেন...
25/04/2026

একই সঙ্গে দুই প্রিয় বান্ধবীর প্রেমে হাবুডুবু! কারও মন না ভেঙে দুই তরুণীকেই বিয়ে করলেন তরুণ
দু’জনেই প্রিয় বান্ধবী ছিলেন ওয়াসিমের। বন্ধুত্বের পাশাপাশি দুই প্রিয় বান্ধবীর জন্য মনে অফুরান ভালবাসাও জেগেছিল ওয়াসিমের। শিফা এবং জন্নতও তাঁদের প্রিয় বন্ধু ওয়াসিমকে ভালবেসে ফেলেছিলেন।
বহু বছর ধরে বন্ধুত্ব রয়েছে তিন জনের। দুই প্রিয় বান্ধবীকে ভালওবাসতেন তরুণ। সেই ভালবাসা যদিও একতরফা ছিল না। তরুণকে মনে মনে জীবনসঙ্গী হিসাবে কল্পনা করেছিলেন ওই দুই বান্ধবীও। তিন জনেই পরস্পরের অনুভূতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিলেন। সম্পর্ককে বিয়ের পরিণতি দিতে চেয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু জীবনসঙ্গিনী হিসাবে যে কোনও এক জনকে নির্বাচন করা কঠিন হয়ে পড়ছিল তরুণের। তাই একই মণ্ডপে দুই প্রিয় বান্ধবীর সঙ্গে বিয়ে সেরে ফেললেন তরুণ।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার এই ঘটনাটি কর্নাটকের চিত্রদুর্গ জেলার হোরাপেট এলাকায় ঘটেছে। ২৫ বছর বয়সি তরুণের নাম ওয়াসিম শেখ। তাঁর দুই বান্ধবী ওরফে জীবনসঙ্গিনীর নাম যথাক্রমে শিফা শেখ এবং জন্নত মখন্দর। শিফা এবং জন্নতের সঙ্গে ওয়াসিমের বন্ধুত্ব বহু বছরের। দু’জনেই প্রিয় বান্ধবী ছিলেন ওয়াসিমের।
বন্ধুত্বের পাশাপাশি দুই প্রিয় বান্ধবীর জন্য মনে অফুরান ভালবাসাও জেগেছিল ওয়াসিমের। শিফা এবং জন্নতও তাঁদের প্রিয় বন্ধু ওয়াসিমকে ভালবেসে ফেলেছিলেন। তিন বন্ধুই তাঁদের অনুভূতি সম্পর্কে জানতেন। কিন্তু কখনও তাঁদের মধ্যে কোনও রকম অশান্তি হয়নি। বহাল তবিয়তে চলেছিল তাঁদের ত্রিমাত্রিক প্রেম। সেই প্রেমকেই বিয়ের পরিণতি দিলেন তাঁরা। বৃহস্পতিবার দুই প্রিয় বান্ধবীকে বিয়ে করলেন ওয়াসিম। বন্ধুত্ব-ভালবাসায়-বোঝাপড়ায় তাঁরা তিন জন সংসার করবেন বলে প্রতিশ্রুতি নিয়েছেন।

কবে কমবে লোডশেডিং, জানা গেল
25/04/2026

কবে কমবে লোডশেডিং, জানা গেল

ডিভোর্সের আগে মনে হতো শ্বশুরবাড়িটা যেন এক জেলখানা। আজ, ডিভোর্সের তিন বছর পর, নিজের বাড়িটাই আমার কাছে নরকের মতো লাগে।আম...
24/04/2026

ডিভোর্সের আগে মনে হতো শ্বশুরবাড়িটা যেন এক জেলখানা। আজ, ডিভোর্সের তিন বছর পর, নিজের বাড়িটাই আমার কাছে নরকের মতো লাগে।
আমি জানি না কেন লিখছি—হয়তো এই আশায়, যেন আর কোনো মেয়ে আমার মতো ভুল না করে। যেন রাগের মাথায়, জেদের চোটে কারো সংসার না ভাঙে।
আমার নামটা গোপনই থাকুক। বয়স এখন বাইশ। বিয়ের সময় ছিল মাত্র ঊনিশ। নিজের পছন্দেই বিয়ে করেছিলাম—আমার স্বামী, শান্ত-স্বভাব, কাজের মানুষ। ছোটখাটো জেদ ছিল, কিন্তু খারাপ ছিল না মোটেই।
সংসার চলল প্রায় আড়াই বছর। আমাদের একরত্তি ছেলে তখন এক বছরের।
বিয়ের পর প্রথম দিকে খুব সুন্দরই চলছিল সব। কিন্তু আমি ছিলাম বেশ আবেগপ্রবণ, একটু রাগীও বটে। সামান্য কথাতেই মন খারাপ হয়ে যেত, আর একটু ঝগড়া হলেই ব্যাগ গুছিয়ে বাপের বাড়ি চলে আসতাম।
সেই সময় আমার দিদি, মামা, ভাইরা সবাই আমার পাশে দাঁড়াত—ওদের কাছে নিজের কষ্টগুলো খুলে বলতাম, কিন্তু নিজের ভুলের কথা বলতাম না কখনো। সবাই স্বামীকে দোষারোপ করত, আর আমিও ভাবতাম—আমি তো কিছুই ভুল করিনি!
একদিন তুচ্ছ একটা বিষয় নিয়ে আমাদের প্রচণ্ড ঝগড়া বাঁধে। কথার পর কথায় আমি এমন সব কথা বলেছিলাম, যেগুলো কোনো স্ত্রীকেই স্বামীর প্রতি বলা উচিত নয়। রাগে উত্তেজনায় ওর সহ্যশক্তি ভেঙে যায়, আর ও এক চড় মেরে বসে।
ওই একটা চড়ই আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
রাগে কাঁপতে কাঁপতে আমি বাপের বাড়ি ফিরে আসি। নিজের দোষের দিকটা লুকিয়ে সবার কাছে কেঁদেকেটে শুধু ওর দোষটাই বললাম। পরিবার বলল—“ওর সঙ্গে আর থাকা উচিত না, মামলা কর।”
আমি ওর নামে নারী নির্যাতনের মামলা করলাম। পুলিশ ওকে ধরে নিয়ে গেল। ওর বাবা-মা বারবার এসে অনুরোধ করলেন, যেন আমি মামলা তুলে নিই।
রাতে বিছানায় শুয়ে ভাবতাম, সত্যিই কি ও এত খারাপ? ও তো সঙ্গে সঙ্গে হাত জোড় করে ক্ষমাও চেয়েছিল। আমি যদি তখন একটু ধৈর্য ধরতাম!
শেষমেশ মামলা তুলে নিলাম, কিন্তু ওর কাছে ফেরত গেলাম না। কিছুদিন পর দুই পরিবারের মধ্যে মিটমাটের চেষ্টা হল, সবাই বলল নতুন করে শুরু করতে। আমিও রাজি হলাম।
প্রথম কিছু মাস সব ঠিকই চলছিল। কিন্তু হঠাৎ একদিন আবার ঝগড়া—আর আমি ফের বাপের বাড়ি। ও অসুস্থ, শুনেও যাইনি। বাড়ির সবাই বলল, ওর অসুস্থতা নাকি নাটক। ওর আত্মীয়রা আসুক, ওরা ক্ষমা চাইবে—তবেই আমি যাব!
কিন্তু কেউ এল না। তার বদলে এলো একটা চিঠি—ডিভোর্স লেটার।
চিঠিটা হাতে পেয়েই আমার ভেতরটা জ্বলে গেল। ভাবলাম, এ কী সাহস! আমি নিজে কত কষ্ট পেয়েছি, আর ও আমাকে ত্যাগ করছে!
তখন আমি ঠিক করলাম, এবার আমিই শেষ কথা বলব। আদালতে গিয়ে মাসিক খরচ, ভরণপোষণ—সবকিছুর জন্য বিশাল অঙ্ক দাবি করলাম। ভাবলাম, ওর যেন নিশ্বাস নিতে কষ্ট হয়।
কিন্তু ও একটাও কথা না বলে সব মেনে নিল।
আমার হাতে এল সন্তান, আর্থিক নিরাপত্তা—আর ওর হাতে এল স্বাধীনতা।
আজ সাড়ে তিন বছর কেটে গেছে। শুনেছি, ও আবার বিয়ে করেছে, বেশ ভালোও আছে। আর আমি?
আমার জীবন যেন থমকে গেছে। রাতে ছেলের ঘুমন্ত মুখের দিকে তাকিয়ে ভাবি—একটা ভুল, একটুখানি জেদ, এক মুহূর্তের রাগ কীভাবে একটা পুরো সংসার শেষ করে দিল!
ও আমাকে একবার মেরেছিল, কিন্তু আমি ওকে কথায়, অহংকারে, অভিমানে অজস্রবার আঘাত করেছি।
আজ বুঝি, সংসার মানে ক্ষমা করা, মানিয়ে নেওয়া, ভালোবাসার মধ্যে ছোট হয়ে যাওয়া।
বড় হয়ে গেলে সংসার টেকে না, টেকে না মনের টান।
যারা ভাবছেন, ডিভোর্স মানে মুক্তি—না, মুক্তি নয়, সেটা এক ধরণের নিঃসঙ্গ কারাবাস।
যখন চারপাশে সবার সংসার, হাসিখুশি জীবন, তখন নিজের একলা ঘরটা সত্যি দম বন্ধ করা নরকের মতো লাগে।
আমার শুধু এতটাই বলার আছে—বোনেরা, স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া হতেই পারে, কিন্তু রাগের মাথায় “ডিভোর্স দাও” কথাটা মুখে আনবেন না।
একটু নরম হোন, একটুখানি ছাড় দিন, হয়তো তাতেই আপনার পুরো জীবন বদলে যাবে।

অবশেষে আমি ডিভোর্স পেয়েছি।এখন আর দেরিতে ঘুম ভাঙলে শুনতে হয় না—আমি কিছু শিখিনি। অসুস্থ হলে অপমান শুনতে হয় না, নিজের মতো ক...
23/04/2026

অবশেষে আমি ডিভোর্স পেয়েছি।
এখন আর দেরিতে ঘুম ভাঙলে শুনতে হয় না—আমি কিছু শিখিনি। অসুস্থ হলে অপমান শুনতে হয় না, নিজের মতো করে বাঁচতে পারি।
এখন আমি নিজের মতো পোশাক পরতে পারি, নিজের মতো হাসতে-কাঁদতে পারি। কারও অনুমতি লাগে না শ্বাস নিতে, কারও ভয় নেই প্রতিবাদ করার। আর সবচেয়ে বড় কথা—কেউ আমাকে আর আঘাত করে না, অপমান করে না।
কিন্তু এখানেই শেষ নয়।
এখন সমাজের নতুন বিচার শুরু হয়েছে—
👉 আমি নাকি সংসার করতে পারিনি
👉 আমি নাকি বেশি সহ্য করতে পারিনি
👉 আমার চরিত্র নিয়েও প্রশ্ন ওঠে
👉 কেউ কেউ সুযোগ খোঁজে, অসম্মান করে
তখন প্রশ্ন জাগে—
যখন আমি কষ্টে ছিলাম, তখন কোথায় ছিলেন সবাই?
যখন অপমান, কষ্ট, নির্যাতন সহ্য করছিলাম—তখন কেউ পাশে ছিল না কেন?
সবাই শুধু শেষটা দেখে বিচার করে, শুরুটা কেউ জানতে চায় না।
আমি আজও বলি—
আমি নিখুঁত নই, কিন্তু আমি বেঁচে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
নিজেকে হারিয়ে ফেলার চেয়ে, বেরিয়ে আসা কি ভুল?
🔴 একটা মেয়েকে বিচার করার আগে তার পুরো গল্পটা জানুন।
🔴 সব সহ্য করাই শক্তি না—কখনো কখনো বেরিয়ে আসাটাই সবচেয়ে বড় সাহস।

পাকিস্তানের এক যুবক একই সঙ্গে ‘মা-মেয়েকে’ বিয়ে করেছেন। আরো বিস্ময়কর ব্যাপার, যে দুই নারীকে তিনি বিয়ে করেছেন, তাদের এ...
23/04/2026

পাকিস্তানের এক যুবক একই সঙ্গে ‘মা-মেয়েকে’ বিয়ে করেছেন। আরো বিস্ময়কর ব্যাপার, যে দুই নারীকে তিনি বিয়ে করেছেন, তাদের একজন তার নিজের চাচী ও অন্যজন তার চাচীর মেয়ে অর্থাৎ চাচাতো বোন।
বিয়ে বলতে আমরা জানি চার হাতের মিলন। চার হাত বলতে দুটি হাত পাত্রের, অন্য দুটি হাত পাত্রীর। এমনটাই হয়ে থাকে। কিন্তু, সম্প্রতি পাকিস্তানে এমন একটি বিবাহ অনুষ্ঠিত হয়েছে যেখানে একসঙ্গে ছয় হাতের মিলন ঘটেছে। শুনতে যতই অদ্ভুত লাগুক না কেন, পাকিস্তানের এক যুবক এক সঙ্গে দুই নারীকে বিয়ে করেছেন।
৩০-এর কাছাকাছি বয়সি এ মূলতানি যুবকের নাম ইয়ুসুফ খান। তার চাচী তার চেয়ে বয়সে বড়। বছর কয়েক আগে তার চাচী বিধবা হন। যুবতী মেয়েকে নিয়ে তারপর থেকে একাই ছিলেন তিনি। হঠাৎই তার প্রাক্তন শ্বশুরবাড়ির তরফে নারীর কাছে ইয়ুসুফ অর্থাৎ তারই ভাশুরপোকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়। তিনি সম্মত হন।
এদিকে তার মেয়েও ইতোমধ্যে বিবাহযোগ্যা হয়ে উঠেছে। পারিবারিক আলোচনায় স্থির হয়, মেয়েরও বিয়ে হবে ইয়ুসুফেরই সঙ্গে। একই দিনে একই অনুষ্ঠানে মা ও মেয়েকে বিয়ে করে নেন ইয়ুসুফ। তাঁর খুড়তুতো বোন অবশ্য তাঁর চেয়ে বয়সে ছোট।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমে এই নিয়ে প্রকাশিত খবর থেকে জানা যাচ্ছে, বিষয়টি নিয়ে পাত্র-পাত্রীর পরিবারে কোনও অস্বস্তি তো নেই-ই, বরং ইয়ুসুফের বাবা ছেলের এই পদক্ষেপে অত্যন্ত খুশি। সামাজিকভাবেও ইউসুফকে মর্যাদা দেওয়া হচ্ছে। মনে করা হচ্ছে, দুই ‘অসহায়’ মহিলাকে ‘উদ্ধার’ করে একেবারে ‘পুরুষোচিত’ কাজই করেছেন ইয়ুসুফ।
কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে। দুই কনের হাত ধরে বসে থাকা বরবেশী ইয়ুসুফের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে নিন্দা। পাকিস্তানে মহিলাদের সামাজিক অবস্থান যে কতখানি অবনমিত, এই ঘটনা তারই নিদর্শন— এমনটাই মনে করছে সোশ্যাল মিডিয়া।
👉 “এটি একটি সংবাদ প্রতিবেদন; সামাজিক মাধ্যমে এ নিয়ে ভিন্নমত ও সমালোচনাও চলছে।

হোটেলে টানা ৮ ঘণ্টা কাজ করে মাত্র ৫০০ টাকা পেয়েছিলেন সামান্থা!
23/04/2026

হোটেলে টানা ৮ ঘণ্টা কাজ করে মাত্র ৫০০ টাকা পেয়েছিলেন সামান্থা!

সকালবেলা। একটা ছোট গ্রামের বাড়িতে একজন মানুষ চুপ করে বসে আছে মেঝেতে। মাথায় হাত দিয়ে, চোখ লাল। তার নাম রহিম। বয়স ৩৫। দুই ...
22/04/2026

সকালবেলা। একটা ছোট গ্রামের বাড়িতে একজন মানুষ চুপ করে বসে আছে মেঝেতে। মাথায় হাত দিয়ে, চোখ লাল। তার নাম রহিম। বয়স ৩৫। দুই সন্তানের বাবা।
তার সামনে একটা ছবি। তার স্ত্রী শারমিনের ছবি।
রহিমের হাত কাঁপছে। সে নিজের কপালে চাপড় মারছে আর ফিসফিস করে বলছে, “কীভাবে বিশ্বাস করলাম... কীভাবে...”
শারমিন ছিল তার সবকিছু। বিয়ে হয়েছিল ১২ বছর আগে। রহিম সারাদিন পরিশ্রম করে টাকা জমিয়েছে। জমি কিনেছে, বাড়ি করেছে, সোনা-দানা কিনেছে—সবকিছু শারমিনের নামে। কারণ সে বিশ্বাস করত, “স্ত্রী মানে সংসারের অর্ধেক। সব তার নামে থাকলে সে খুশি থাকবে।”
কিন্তু গত কয়েক মাস ধরে শারমিন বদলে যাচ্ছিল। বেশি বাইরে যেত, ফোনে অনেকক্ষণ কথা বলত, রহিমের সাথে কম কথা বলত। রহিম ভেবেছিল হয়তো মন খারাপ। তাই আরও বেশি যত্ন করত।
একদিন সত্যটা বেরিয়ে এল।
শারমিন তার প্রেমিকের সাথে পালিয়ে গেছে। শুধু তাই নয়—সে রহিমের সব টাকা, জমি, সোনা, ব্যাংকের টাকা—সবকিছু নিজের নামে করে নিয়ে গেছে। এমনকি বাবা-মাকে বলেছে, “রহিম আমাকে মারধর করে, আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করে।”
রহিম এখন একা। বাড়িতে শুধু দুটো সন্তান আর তার ভাঙা হৃদয়। সে ছবিটা বুকে চেপে ধরে কাঁদছে।
“আমি তো তোকে সব দিয়েছিলাম... সব তোর নামে করেছিলাম... তুই কেন এমন করলি?”
প্রতিবেশীরা বলছে, শারমিন এখন তার প্রেমিকের সাথে অন্য শহরে আছে। সব সম্পত্তি তাদের দখলে।
রহিমের বাবা-মা অসুস্থ। তারা ছেলের এই অবস্থা দেখে নিজেরাও ভেঙে পড়েছে।
কিন্তু সবচেয়ে কষ্টের বিষয়টা হলো—রহিম এখনো বিশ্বাস করতে পারছে না যে, যে মেয়েকে সে জীবনের সবকিছু দিয়ে ভালোবেসেছিল, সে তাকে এভাবে শেষ করে দিতে পারে।
রহিমের চোখ দিয়ে পানি পড়ছে। সে শুধু একটা কথাই বারবার বলছে...
“আমার সবকিছু নিয়ে গেল... কিন্তু আমার সন্তান দুটোকে কেন রেখে গেল না?”

কাঠমিস্ত্রি বাবার মেয়ে ৬০০ তে ৬০০ নম্বর পেয়ে রেকর্ড করলেন
21/04/2026

কাঠমিস্ত্রি বাবার মেয়ে ৬০০ তে ৬০০ নম্বর পেয়ে রেকর্ড করলেন

সাতক্ষীরায় স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে দিলেন ২য় স্ত্রী
21/04/2026

সাতক্ষীরায় স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে দিলেন ২য় স্ত্রী

এই শিক্ষিকা ছোট মেয়েটিকে শিখাছে তোমার শরীর এর কোন কোন জায়গাতে হাত দিয়ে আদর করার কথা বলে আত্মীয়-স্বজন চাচা খালু বা অন্য ...
20/04/2026

এই শিক্ষিকা ছোট মেয়েটিকে শিখাছে তোমার শরীর এর কোন কোন জায়গাতে হাত দিয়ে আদর করার কথা বলে আত্মীয়-স্বজন চাচা খালু বা অন্য কেউ কোন জায়গাতে হাত দিলে বুঝতে পারবে কে কোন ধান্দা নিয়ে তোমার শরীরে হাত দিয়েছে খারাপ মতলব আছে নাকি ভালো মতলব এই গুলো বুঝতে পারবে, এই শিক্ষিকা শিখাছে, এটা অনেক ভালো কাজ।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Taza Newz posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share