AronStory

AronStory I make Entertaining Content. Vlog YouTube Channel-AronStory
YouTube Channel- AronGamingBD. Content Creator

ধানমণ্ডির জাহাজ বাড়ি: ইতিহাস, রহস্য এবং ভাঙনের গল্পধানমণ্ডির লেকপাড়ের পরিচিত দৃশ্য ছিল এক ব্যতিক্রমধর্মী স্থাপত্য — ‘জাহ...
03/05/2025

ধানমণ্ডির জাহাজ বাড়ি: ইতিহাস, রহস্য এবং ভাঙনের গল্প

ধানমণ্ডির লেকপাড়ের পরিচিত দৃশ্য ছিল এক ব্যতিক্রমধর্মী স্থাপত্য — ‘জাহাজ বাড়ি’। জাহাজের মতো দেখতে এই বাড়িটি একসময় দর্শনার্থীদের কৌতূহল আর মুগ্ধতার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেটি হারিয়ে গেছে কেবল স্মৃতির পাতায়। কেন এই বাড়ি ভেঙে ফেলা হলো? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

ভেঙে ফেলার প্রধান কারণ

বহুতল ভবন নির্মাণ পরিকল্পনা:
জাহাজ বাড়ির বর্তমান মালিকপক্ষ সিদ্ধান্ত নেন সেখানে আধুনিক বহুতল ভবন নির্মাণের। ভবিষ্যতে সেখানে আবাসিক ফ্ল্যাট, রেস্টুরেন্ট, সুইমিং পুলসহ নানা সুবিধাযুক্ত একটি আধুনিক কমপ্লেক্স গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়।

ব্যক্তিগত মালিকানা ও উন্নয়ন:
১৫.৮১ কাঠার এই জমি ও স্থাপনাটি ছিল সম্পূর্ণ ব্যক্তি মালিকানাধীন। মালিকের নিজস্ব উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই ভবনটি ভেঙে ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সরকারি কোনো সরাসরি হস্তক্ষেপ না থাকায় এটি সহজেই কার্যকর হয়।

বাড়িটির ইতিহাস ও রহস্য

নাম ও গঠন:
মূল নাম ছিল "চিশতিয়া প্যালেস"। তবে এর অনন্য নকশা — যা একটি বিশাল জাহাজের মতো দেখতে ছিল — এর জনপ্রিয় নাম "জাহাজ বাড়ি" হয়ে দাঁড়ায়। ভবনটির সম্মুখভাগে নৌকার নকশা এবং পেছনে ঐতিহ্যবাহী মন্দিরের ছাদ আকৃতির অবকাঠামো ছিল, যা দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করত।

মালিকের পরিচয়:
বাড়িটির মালিক ছিলেন প্রয়াত একেএম আনোয়ারুল হক চৌধুরী (শের এ খাজা), যিনি ছিলেন একজন আধ্যাত্মিক নেতা এবং চিশতিয়া গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের প্রতিষ্ঠাতা। তার ধর্মীয় অনুরাগ এবং নকশার অভিনব চিন্তাধারা এই বাড়ির স্থাপত্যে প্রতিফলিত হয়েছিল।

সামাজিক প্রতিক্রিয়া

জাহাজ বাড়ি ভেঙে ফেলার খবরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানান প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই দুঃখ প্রকাশ করেন এবং এমন একটি বৈচিত্র্যময় স্থাপত্য সংরক্ষণের দাবিও তোলেন। অনেকেই মনে করেন, রাজধানীতে এমন ইউনিক স্থাপত্য খুব কমই ছিল, এবং এটি ধ্বংস হওয়ায় শহর হারিয়েছে তার একটি বিশেষ চিহ্ন।

অতীতের স্মৃতি

ধানমণ্ডি লেকে হাঁটতে বের হওয়া মানুষেরা একসময় জাহাজ বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলতেন, গল্প করতেন। বাড়িটির রহস্যময় নকশা এবং পরিবেশ এক অদ্ভুত মোহ তৈরি করত। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেটি কেবল ধোঁয়াটে স্মৃতিতে রয়ে গেছে।

©

সার্টিফিকেটের নাম সংশোধন (ঘরে বসেই সংশোধন করুন  ( A to Z) অনেকেই এই সমস্যা নিয়ে গ্রুপে পোস্ট করেন, সংশোধন করার আগে আমি ন...
24/03/2025

সার্টিফিকেটের নাম সংশোধন (ঘরে বসেই সংশোধন করুন ( A to Z)

অনেকেই এই সমস্যা নিয়ে গ্রুপে পোস্ট করেন, সংশোধন করার আগে আমি নিজেও এই গ্রুপে খোজ নিয়েছি। এখন নিজে এই কাজটি করে যেই অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি সেটার আলোকে এই গ্রুপের ভান্ডারকে সমৃদ্ধ করার আমার এই আর্টিকেলটি লেখা।

কিছু বেসিক তথ্য দিয়ে শুরু করছি

* সংশোধন অনলাইন/অফলাইন দুভাবেই করা যায়। তবে দালাল বা কোন প্রকার থার্ড পার্টি ছাড়া ঝামেলামুক্ত ভাবে কাজ করার জন্য অনলাইন আমার সাজেশনে থাকবে। কারণ এখানে হাতে ফ্রম ফিলাপ করার কিছু নাই। হাতে লিখলে আপনার ভুল ওরা ধরবেই। এই জন্য অনলাইন করা সুবিধাজনক। আপনাকে দৌড়াদৌড়ি/পরিশ্রম কিছুটা কম করতে হবে। তাই আমি আজকে শুধু অনলাইন প্রসেস নিয়ে লিখবো।

আমি গতকালকে (০৯/১০/১৯ ইং) আমার সংশোধিত সার্টিফিকেট হাতে পেয়েছি। তাই প্রথমেই আমার খরচের হিসাব দেই তাহলে পরবর্তী কাজ সহজে বুঝতে পারবেন।

*পত্রিকায় বিজ্ঞাপন- ৩০০ টাকা
*নোটারি পাবলিক -৫০০ টাকা (কম বেশি লাগতে পারে)
*আবেদেন ফি ৫৫৮×2= ১১১৬ টাকা (এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি)
সার্টিফিকেট উত্তলন ফি ৫৫৮×২= ১১১৬ টাকা (২টি)

আমার মোট খরচঃ ৩০৩২ টাকা

ট্রান্সপোর্ট বাবদ আরো কিছুটা খরচ হবে। তবে ২ টি সার্টিফিকেটের জন্য মোটামোটি ৩০০০-৩৫০০ টাকা খরচ হবে।

#নোটারি_পাবলিক
নাম বা জন্মতারিখের ভুল সংশোধনের জন্য প্রথমে আইনজীবীর মাধ্যমে নোটারি বা এফিডেভিট করাতে হবে।প্রার্থীর নিজের নাম সংশোধনের ক্ষেত্রে তার বয়স যদি ১৮ বছরের বেশি হয়, তাহলে তিনি নিজেই এফিডেভিট করতে পারবেন। প্রার্থীর বয়স যদি ১৮ বছর পূর্ণ না হয় বা প্রার্থী যদি তার মা-বাবার নাম সংশোধন করতে চান, তাহলে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে প্রার্থীর বাবা কর্তৃক প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা নোটারি পাবলিকের কাছ থেকে এফিডেভিট করতে হবে।

#পত্রিকায়_বিজ্ঞাপন
হলফনামা সম্পাদনের পর একটি দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীর সার্টিফিকেট নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম, শাখা, পরীক্ষার সাল, পরীক্ষাকেন্দ্রের নাম, রোল নম্বর, বোর্ডের নাম এবং জন্মতারিখ উল্লেখ করে যা সংশোধন করতে চান (প্রার্থীর নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম বা জন্মতারিখ) তা সংক্ষেপে উল্লেখ করতে হবে।

এই ২ টি কাজ সম্পাদন করার পর আপনি যেই স্কুল বা কলেজে লেখাপড়া করেছেন সেটির সাহায্য লাগবে। (অনলাইন আবেদনের ক্ষেত্রে এর কোন বিকল্প নেই)

এবার আপনি উপরে উল্লেখিত ২ টি কাগজ + আপনার বাবা-মা নাম সংশোধন হলে উনাদের সার্টিফিকেট বা ন্যাশনাল আইডি কার্ড /আপনার নিজের হলে জন্ম সনদ নিয়ে সরাসরি আপনার প্রতিষ্ঠানে চলে যান। এই কাজটি আপনি বাসায় বসে করতে পারবেন না,,কারণ এটি কলেজের EIIN ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে করা হয়। এর একটিই সুবিধা আপনাকে শিক্ষা বোর্ডে যেতে হচ্ছে না,,নিজের স্কুল থেকেই কাজ হয়ে যাবে। টপিকে ফিরে আসি,,

এই কাগজগুলো রেডি করে আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে জানান। উনি আপনার প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কম্পিউটার অপারেটরকে অনলাইন আবেদন করার জন্য নির্দেশনা দিবেন৷ তখন সে আপনার ডুকুমেন্ট স্ক্যান করে আবেদন করে দিবে এবং আপনার ফোনে ম্যাসেজ চলে আসবে সাথে সাথে। তারপর উনি আপনাকে সোনালি ব্যংকে আবেদন ফি জমা দেওয়ার জন্য একটা রশিদ দিবেন। ৫৫৮ টাকা জমা দিতে হবে (প্রতিটির জন্য)। টাকা জমা দেওয়ার পর রশিদ অবশ্যই যত্ন করে রাখবেন। আবেদন ফি জমা না দিলে আপনার আবেদন গৃহীত হবে না। আবেদন ফি জমা করার পর আপনার জন্য এডুকেশন বোর্ডের ওয়েবসাইটে আলাদা একটা প্রোফাইল ক্রিয়েট হবে।

(লগ ইন লিংক: https://efile.dhakaeducationboard.gov.bd/index.php/name/lastupdate )

সেখানে লগ ইন করে আপনি আপনার মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই করে সর্বশেষ অবস্থা ট্রেক করতে পারবেন। টাকা জমা দেওয়ার পর ঝিম ধরে ৩ মাস বসে থাকুন। আপনার আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে ৩ মাস বা এর বেশি সময় লাগবে। যখন কাজ শেষ হবে তখন আপনার ফোনে ম্যাসেজ চলে আসবে এবং আপনি আপনার প্রোফাইলে লগ ইন করবেন। সেখানে আপনার জন্য নতুন একটা অপশান আসবে "ডুকুমেন্ট উত্তলন"। সেই অপশনে গিয়ে আপনি ডকুমেন্টস উত্তোলনের আবেদন করবেন। এবার কলেজে যাওয়ার প্রয়োজন নেই, কারণ এখন আপনার কাছে সেই সাইটে লগ ইনের জন্য পাসওয়ার্ড আছে। সেখানে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে যেই ডকুমেন্ট উত্তোলন করতে চান সেটার জন্য ঘরে বসে আবেদন করুন৷ (যদি বাসায় ককম্পিউটার না থাকে তবে যেকোন কম্পিউটারের কাজ করে এমন দোকানে এই কাজ করতে পারবেন) আবেদন করার পর উত্তোলন ফি বাবদ ৫৫৮ টাকার সোনালি ব্যংকে পে করার জন্য একটা ডকুমেন্টস পেয়ে যাবেন। সেটা নিয়ে ব্যাংকে যান। আগের মতোই ফি জমা দিন। কাজ শেষ, এবার ১ সপ্তাহ অপেক্ষা করুন। তারপর আপনার ফোনে ম্যাসেজ আসবে আপনার ডকুমেন্টস রেডি। তখন আপনি আবার আপনার প্রোফাইলে লগ ইন করে উত্তোলন করার চুড়ান্ত ডকুমেন্টস আছে সেটা ডাউনলোড করে প্রিন্ট করুন। এবার আপনাকে প্রথমবারের মতো শিক্ষা বোর্ডে যেতে হবে। সেখানে গিয়ে ৪ নম্বার ভবনের ৫ তালায় আপনার অরিজিনাল সার্টিফিকেট জমা দিন। এর পর দিন বিকালে আবার সেই অফিসে যান,, চুড়ান্ত ডুকুমেন্টস+ ব্যাংকে যে ফি জমা দিছিলেন সেটার মুল কপি জমা দিয়ে বুঝে নিন আপনার নতুন সংশোধিত সার্টিফিকেট।

আমার সম্পূর্ণ প্রসেসটা শেষ হতে ১৪৩ দিন সময় লেগেছে। তাই অনলাইনে কোন প্রকার তদবীর ছাড়া + অতিরিক্ত কোন টাকা প্রদান ছাড়া কাজটা করতে হলে আপনাকে একটু ধের্য ধরতেই হবে। আর মনে রাখবেন,,আপনি বৈধ উপায়ে কাজ করলে যে তৃপ্তিটা পাবেন সেটা আর কিছুতে পাবেন না। আর এখন এটা আরো সহজ, কারো টেবিলে ফাইল নিয়ে দৌড়ানোর প্রয়োজন নেই। সবাই সচেতন হলেই প্রতিটা দপ্তর হবে দূর্ণীতিমুক্ত।

আমরা সপ্ন দেখি দূর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশের।
# পোস্টটি জনস্বার্থে শেয়ার করুন
👉হাফিজুর রহমান

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AronStory posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to AronStory:

Share