Mritosh Tatrach

Call Contact the establishment

Mritosh Tatrach Poetry is the Cracked mirror of life.

24/08/2026

মাঝে মধ্যে যখন খুব মরে যেতে ইচ্ছে করে, তখন গান শুনি, সুরের মূর্ছনায় ভেসে যাই নিজের কাছ থেকে। শূন্য মরু-ধ্যানে! মরিচিকার হাতছানি দেখি, নিথর পড়ে থাকি জড়বস্তুর অস্থিরতা ঘিরে

*
গান বিষয়ক গালাগাল

(তালটিয়া, মিরের বাজার / ২৫ অগাস্ট ২৬)

21/08/2026

জুতার অভাবে লোকটির
পা এমন ভাবে ক্ষয়ে গেলো
কোন মুচির পক্ষে যা সারানো সম্ভব নয়

*
ক্ষয়

টঙ্গী/২১ অগাস্ট ২০২৬

21/08/2026

১.
রাতের বাহিরে আরও এক নির্জন রাত, ঘুমের ভেতর গভীর ঘুম। হারিয়ে ফেলার পর যতটুকু ফেরত আসে, ঐটুকু'ই। মাদলেইন, অপেক্ষার প্রবাহে ভাসছি। উজানে যে মাঝি চালায় নৌকা, তার আনন্দ মাটি পায় না

তুমি; আমার হৃদয়ে যার গন্ধ লেগে আছে

প্রিয়তমা, মুদ্রাস্ফীতির ঝড়ে বিধ্বস্ত জীবন
কে যাপন করে বলো? তোমার অপারগতা জানি তাই দূরন্ত ঘোড়ার আস্তাবল থেকে পালিয়েছি। এই মাঠহিন বদ্ধনগর ছেড়ে

প্রেম, কেবল বিচ্ছেদ বয়ে আনে
দেখা, প্রতিবার'ই শেষবার হয়ে যায়

একটি নদি, বিল
ময়ালার উৎপাতে
মরে গিয়ে
হাউজিং সোসাইটিতে
পুনঃজন্ম নেয়
শন শন বাতাস বইছে
আগ্রাসন
প্রশাসন
এ বাতাস
সীমিত, সংকট

স্পর্শের ভেতর যেটুকু ভণিতা
মৃত সাপের উৎকট গন্ধ

*
বিশ আগষ্ট পঁচিশ
তালটিয়া, পূবাইল

২.
'কবিতা'র তেজস্ক্রিয়ায় নিহত একটা লাশ
পাশে নিয়ে বসে আছি, আমারই—

লাশটাকে তুলতে পারছি না
এতো ক্ষীণ কণ্ঠে ডাকছি, কেউ শুনছে না

কিন্তু কি করবো আমি?
এমন অচল! অশ্লীল
কোন কাজেই আসছি না
এমন কি নিজেরও

মায়ের অভিমান, অভিযোগহীন—
বোন ও ভাইয়ের আশ্রয় হতে না পারার মতো অপদার্থ পলাতক
নিজেকে কিভাবে মুক্তি দেবো পাথুরে অসারতা থেকে?

রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে একটা বুলেট কী করা যায় দান? বৈধ আত্মহত্যার অধিকার দাও! আমাকে বাঁচাও— ব্যর্থতার স্তুপে চাপা পড়ে আছি—

*
লাইফ, দিস ইজ ফাকিং ট্যাবু

(২১কামরাঙিরচর২৪)

৩.
দ্যাশে অনেকগুলো কথা প্রচলিত আছে। একটা বললে আরেকটা চলে আসে। কোনটা রেখে কোনটা বলবো? সবগুলোই গুরুত্বপূর্ণ। তার থেকে কি ভালো না, কোনটাই না বলা?

ইস্যুর পর ইস্যু তারপর হিসু তারপর? তার তারপরে?

মাছের কথা উঠলে নদী নালা, খালবিল চলে আসে। গাছ বললে বনভূমি ও মরুভূমি চলে আসে। নগরের গল্পের মাঝখানে নর্দমার গন্ধ পাওয়া যায়। জন্মের আগে যে মরার বিবর্ণমুখ দেখতে পায় তার গতি কি?

প্রশ্ন আর প্রশ্নের প্রসন্নতা। উত্তর আছে পশ্চিমে! পাখিরা কেন যে দক্ষিণে যায়! তৃণভূমিতে বেঁচে আছে শিকারী। কে যে কার শিকার! সবাই গন্তব্যেরদিকে দিকে ছুটছে। আমি বধির, লুলা স্থিরচিত্র হয়ে ঝুলে আছি ফ্লিমের রিলে। যেনো কেউ কোনদিন ফটোটি তুলেনি এমন। ওহে ফটোগ্রাফার,

৩.১
জুতা ছিঁড়ে গেলে
ঘাড়ে চড়ে হাঁটে

(২১ অগাস্ট ২০২৩)

20/08/2026

১.

যাইতে চাইছিলাম দক্ষিণে
হাওয়া এসে উত্তরে পাঠায়ে দিলো

অথচ দক্ষিণের মেঘ আসলো না মধ্যেবর্তী বিরাণ চরে
অপেক্ষার দরজা খুলে বসে থাকা চাতাল
আসার কথা ছিলো; যদিও

না আসা সকালের জন্য
ছাদের কার্ণিশে জমে থাকা অন্ধকার
কাকের ডানায় ডানায় চক্কর কাটে
যদিও এ ভ্রমন ছিলো শুধু মেঘ পালকে ভেসে যাওয়া
রোদে পুড়ে গেলো সব

অষ্টগ্রাম থেকে কষ্টগ্রাম অব্দি
হাওয়া ও হাওরের ঢেউ
ছোট নৌকার মতো দুলতে থাকে বিনাশ

যেতে তো চেয়েছি রাজার গাঁয়ে
প্রজার প্রবঞ্চনায় পাকখাই বৃত্ত থেকে বৃত্তে
যেমন সাইকেলের চাকা ঘুরতে ঘুরতেও বৃত্তের ব্যাস থেকে বেরুতে পারে না
*

#বিষআটবিষ

২.
বন্ধু, বন্দুক হও
আমি হবো গুলি
খুলি তাদের উড়িয়ে দেবো
তার আগে খুলতে হবে চোখের ঠুলি

২.১
খুচরা পয়সার মতো অচল বেঁচে থাকা এই জীবন
রংধনু মিলিয়ে যাচ্ছে সন্ধ্যার উচ্ছাসে
চক্কর কাটছে কাক ও চিল

অমাবশ্যার অতল অন্ধকারের বশ্যতায় ডুবে যাবো
পাথরকণা যেমন টুপ করে ডুবে যায়

(২০ অগাস্ট ২০২১)

৩.
নীল হরিণ
ঢুকে যাচ্ছে হলুদ বনে
গহীনে, জেগে আছে সাদাশেয়াল
তার লেজের ভাঁজে ভাঁজে

বনমোরগের হুঁকা হুয়া গান
আর ইঁদুরেরা ওৎ পেতেছে

আমার লাশ, আমি কাঁধে চড়ে আছি

কলোনির কোলে
ওলে লে লে, লে

ভিষণ একলা মাঠ
ধূ ধূ বসে আছি
খয়েরি মেঘের পিঠে

হলুদ হরিণের বনে
নীল গাছ,

*
বিষউদ্যান২৪

৩.১
*
শ্রাবণ! খয়েরি মেঘ ঝরে পড়ে ছিলো। রাজপথ ভিজেছিলো রক্তে আর মিশে হলো সমুদ্র। মহাপ্লাবন হলো— কর্তৃত্ববাদী সাইকোপ্যাথ ভেসে গেলো সে ঝড়ে— ঝড় মানে ধ্বংসযজ্ঞ

পলি পাড়ে উর্বরতা কেন্দ্রিভূত হয়ে জমে আছে,






(একই তারিখে স্মৃতি)

04/05/2026

এ্যাকুরিয়ামে চুবিয়ে রেখেছি পূর্ণদৈর্ঘ্য চাঁদ
গোল্ডফিস চেটেপুটে খেয়ে নিচ্ছে

হাতের জ্বলতে থাকা শেষ বিড়িটা পুড়ে যাচ্ছে

এই উভচর সংকটে
মুতে রক্ষা করতে পারি পাকস্থলি ও কিডনিকে
যদিও সমস্তকিছু লুট হয়ে গেছে ঐকিক নিয়মে
সরল অংকের ভেতর লসাগু গসাগুর ঘসামাজা
টেনসের পারপাস সার্ভ করতে করতে
ফুটবল খেলার মাঠ হাওয়া হয়ে গেছে
ঘুড়ির আধুনিকায়নে

এসব পাত্তা না দিয়ে বরং
মশাদের সাথে মেয়রের দুর্বলতা বিষয়ক বৈঠক করা উত্তম

*
#চারপাঁচবিশবিষ

03/05/2026

প্রেমে নাকি কামে কাতর হে—

বিষ্টি। পদ্ম(প)লাশ নাচে

হাওয়ায় দোলে

দূষিত মন আমার

ফ্যাক্টেরীর বর্জ্যে ভাসে

সুন্দরী গাছের যতো বিরহ

মেখে বিকেল আসে

মেঘের স্বরে

হাঁসেরা পেখম মেলে

ফিরে যায়

ধ্যানি রাতের অন্ধকারে

*
সুন্দরী গাছের যতো বিরহ
(৩মে২৩)

14/04/2026

ব্যাকুলতার বিষাদ সন্ধ্যার বর্ণিল অন্ধকার
আমি যেনো আমিহীন

সাপের খোলস পাল্টানো নির্জনতা ভেঙে
ঢুকে পড়েছি মরু গোলাপের সুগন্ধি ব্যবসায়

বণিকের দূরদৃষ্টি, আলোর গতিতে ছড়িয়ে পড়ে
সম্ভব্য হাতাহাতির করুন দৃশ্যে ক্যামেরার ফোকাস
ফোসকার মত ঝলমলে

ইনিংসের পতন ভয়, পরাজিত করে দেয়
অনাকাঙ্খিত যা কিছু, গোপন আকাঙ্খা

রাজা হতে চাইলে খোজা হও আগে
করের কালাচাঁদ, আধিপত্য বিস্তারকারী পিচাশ
হিংসা বিভেদ বিচিত্র সংকটের সমাহার

তুমি! লাবণ্য ছড়িয়ে আছো
আমি প্রাচীন অন্ধ

কেন যে দেখেছি ঐ রুপ!
আমি! চির বেদনার্ত মালতি ফুল

পরিত্যক্ত বাথটাবের জল
কাকে ভেজাবে?

ব্যাঙ্গের মতো শান্ত কুয়ো
কেন কাঁপি থরথর?

*
১৪ এপ্রিল ২০২৩

04/03/2026

নিম্নে বর্ণিত অন্ধকার

Address

উদ্ভাস্তু
Dhaka
1000

Telephone

+8801307770848

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mritosh Tatrach posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Mritosh Tatrach:

Shortcuts

Share

Category