Rabiul Mashrafi Travel Vlog

Rabiul Mashrafi Travel Vlog It's a travel related page with nature and historical place
(1)

13/08/2026

৩৫ বছর পর নওয়াব বাড়ির ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচঃ
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''""""
দীর্ঘ ৩৫ বছর পর (সর্বশেষ ১৯৯১ সালের পর) প্রথমবারের মতো ২০২৬ সালের ৬ই এবং ৭ই আগস্ট পুনরায় শুরু হয়েছে।

ঢাকার নবাব পরিবারের নিজস্ব একটি ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চা ছিল এই নৌকা বাইচ। ঢাকার নবাবদের আমলে বুড়িগঙ্গা নদী এবং তাদের পারিবারিক বিশাল বিশাল দীঘি বা পুকুরকে কেন্দ্র করে জমকালো সব উৎসবের আয়োজন করা হতো। মুসলিম যুগের নবাব ও বাদশাহদের নৌবাহিনীর মাধ্যমে বাংলায় মূলত এই জল-উৎসবের গোড়াপত্তন হয়, যা পরবর্তীতে লোক-সংস্কৃতির অংশ হয়ে ওঠে। তারই ধারাবাহিকতায় নবাববাড়ির পুকুরে এই নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা নিয়মিত একটি বাৎসরিক আনন্দ উৎসব হিসেবে উদযাপিত হতো, যেখানে সাধারণ মানুষের ঢল নামতো।

দীর্ঘদিন ধরে নবাববাড়ির এই ঐতিহাসিক পুকুরটির সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কার করা হয়নি। ফলে এটি ব্যবহারের অনুপযোগী ও জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছিল।

নবাব পরিবারের অভ্যন্তরীণ ও প্রশাসনিক জটিলতায় এবং সময়ের আবর্তনে নবাব পরিবারের সদস্যদের ছড়িয়ে-ছিটিয়ে যাওয়া এবং পুকুর বা সম্পত্তির সঠিক পরিচালনা কমিটির দীর্ঘদিনের নিষ্ক্রিয়তা অন্যতম বড় কারণ ছিল।

এর জন্য আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক অনীহাও বড়ো একটা কারণ ছিলো। এতো বড় একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিযোগিতার আয়োজন করার জন্য যে বিশাল প্রশাসনিক ও আর্থিক সমর্থনের প্রয়োজন ছিলো, পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে তা সম্ভব হয়ে ওঠেনি।

পুরান ঢাকার দ্রুত নগরায়ন এবং আধুনিক যান্ত্রিক যুগের ব্যস্ততার কারণে স্থানীয়ভাবে এই প্রাচীন ঐতিহ্যগুলো ধীরে ধীরে স্তিমিত হয়ে পড়েছিল।

দীর্ঘ সাড়ে তিন দশক পর ২০২৬ সালে এসে নবাববাড়ী অ্যাথলিং ও পুকুর পরিচালনা কমিটির বিশেষ উদ্যোগে এবং নবাব পরিবারের বর্তমান সদস্যদের সক্রিয় প্রচেষ্টায় এই ঐতিহ্যবাহী পুকুরটিকে পুনরুজ্জীবিত করা হয়েছে, যার ফলে এই দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নৌকা বাইচ উৎসব আবার নতুন করে প্রাণ ফিরে পাচ্ছে।
রমাঃ- ০৭.০৮.২০২৬/১৬:২০/জুম্মাবার

ইসলাম প্রচারের জন্য মাতৃভূমি ছেড়ে বাংলাদেশে আসা হযরত খান জাহান আলী রহমাতুল্লাহি এর মাজার। ১০.০৪.২০২৪/১৬:৫৬
13/08/2026

ইসলাম প্রচারের জন্য মাতৃভূমি ছেড়ে বাংলাদেশে আসা হযরত খান জাহান আলী রহমাতুল্লাহি এর মাজার। ১০.০৪.২০২৪/১৬:৫৬

06/08/2026

অনেকদিন পর হাতিরঝিল দেখলাম আবার। ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে চমৎকার বিনোদন কেন্দ্র, চোখ জুড়ানো দৃশ্য, মনকে সতেজ করে দেয় চোখকে শান্ত করে।
০৬.০৮.২০২৬/১৩:৪৫/বৃহস্পতিবার

এটা খুলনার একটি পার্কের ছবি। ভ্রমণ প্রিয়গন বলুন এটা কোন্  পার্কের পুকুর? ৩১.০৭.২০২৬/১৪:১২/জুম্মাবার
06/08/2026

এটা খুলনার একটি পার্কের ছবি। ভ্রমণ প্রিয়গন বলুন এটা কোন্ পার্কের পুকুর? ৩১.০৭.২০২৬/১৪:১২/জুম্মাবার

30/07/2026

* মুক্তাগাছা রাজবাড়ী বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলার অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ী। এই স্থাপনার সাথে মুক্তাগাছার বিখ্যাত জমিদার বংশের ইতিহাস ও আভিজাত্য জড়িয়ে রয়েছে।

* মুক্তাগাছা রাজবাড়ী (আট-আনী জমিদার বাড়ি)
ময়মনসিংহ শহর থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার পশ্চিমে মুক্তাগাছা উপজেলা সদরে মুক্তাগাছা রাজবাড়ী অবস্থিত। এটি মূলত মুক্তাগাছার জমিদারদের মূল বাসস্থান ছিল।

* ১৭২৭ খ্রিষ্টাব্দে শ্রীকৃষ্ণ আচার্য চৌধুরী মুক্তাগাছায় এই জমিদারি প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে তাঁর বংশধরেরা প্রায় ১০০ একর জায়গার ওপর এই বিশাল রাজবাড়ীটি গড়ে তোলেন। জমিদাররা ব্রিটিশদের কাছ থেকে 'রাজা' ও 'মহারাজা' উপাধি পাওয়ায় এটি রাজবাড়ী হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

* রাজবাড়ীর প্রবেশমুখেই রয়েছে একটি বিশালাকার সিংহ দরজা। ভেতরে রয়েছে রাজকীয় দরবার হল, কাচারিঘর, সিন্দুক ঘর, মন্দির এবং জমিদারের মায়ের ঘর। এখানে একসময় প্রায় ১০,০০০ বইয়ের একটি বিরল লাইব্রেরি ছিল।

* এই জমিদারদের হাত ধরেই মুক্তাগাছার বিশ্ববিখ্যাত মিষ্টি 'মণ্ডা'-র প্রচলন হয়। বর্তমানে এই প্রাচীন স্থাপনাটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে সংরক্ষিত রয়েছে।

লুকিয়ে থাকা ইতিহাসঃ ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার খেরুয়াজানী ইউনিয়নের হরিপুর দেউলী গ্রামে অবস্থিত ভূঁইয়া বাড়ি জামে মসজিদ প...
30/07/2026

লুকিয়ে থাকা ইতিহাসঃ ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার খেরুয়াজানী ইউনিয়নের হরিপুর দেউলী গ্রামে অবস্থিত ভূঁইয়া বাড়ি জামে মসজিদ প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো একটি ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। ফটো ক্রেডিটঃ জুলফিকার স্বপন
২২.০৫.২০২৬/১৩:১৬/জুম্মাবার

23/07/2026

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার বাঁশাটি অঞ্চলের লক্ষীপুর গ্রামে এক শান্তিময় গ্রামীণ পরিবেশে অবস্থিত একটি অনন্য ও দৃষ্টিনন্দন ধর্মীয় স্থাপত্য হলো লক্ষীপুর মিয়াবাড়ি মসজিদ (Laxmipur Miabari Mosque)। শহুরে কোলাহল থেকে দূরে, বিশাল এক দীঘির কোল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা এই মসজিদটি স্থানীয় মানুষের কাছে অত্যন্ত পবিত্র এবং ঐতিহ্যবাহী এক নিদর্শন হিসেবে পরিচিত। তবে "মিয়া বাড়ি মসজিদ" টির সুনির্দিষ্ট কোনো লিখিত ইতিহাস বা ফলক না থাকায় এর সঠিক নির্মাণ সাল বা এটি কত বছর আগে তৈরি হয়েছে তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দা এবং মিয়া পরিবারের বংশধরদের লোকমুখে প্রচলিত তথ্য অনুসারে, এটি কয়েক দশক পুরোনো।

এর চারপাশের পরিবেশ ছায়াঘন এবং শান্তিময়। মসজিদের ঠিক পাশেই রয়েছে একটি বিশাল ও মনোরম দীঘি, যা এর সৌন্দর্যকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। মসজিদটি গ্রামীণ আবহে বেশ চমৎকার ও নান্দনিক স্থাপত্যশৈলী অনুসরণ করে নির্মাণ করা হয়েছে।

আধুনিক ও প্রাচীন ভাবধারার মিশ্রণে তৈরি এই মসজিদে মুসল্লিদের ইবাদতের জন্য সব ধরনের সুন্দর ব্যবস্থা রয়েছে। এর প্রবেশদ্বার এবং চারপাশের পরিবেশ অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন ও সুসংগঠিত। শান্ত পরিবেশে নামাজ আদায় এবং দীঘির পাড়ে কিছু সময় কাটানোর জন্য এটি স্থানীয় মানুষের পাশাপাশি ভ্রমণপিপাসুদের কাছেও বেশ সমাদৃত।

যাতায়াত ব্যবস্থাঃ

ময়মনসিংহ সদর থেকে মুক্তাগাছা হয়ে সড়কপথে সহজেই বাঁশাটি অঞ্চলের লক্ষীপুর গ্রামের এই মিয়াবাড়ি মসজিদে পৌঁছানো যায়। গ্রামীণ আঁকাবাঁকা ও মনোরম রাস্তা ধরে সিএনজি, অটোরিকশা বা নিজস্ব যানবাহনে এখানে যাওয়া যায়। ভ্রমণ তারিখঃ ২২.০৫.২০২৬/১৪:০১/জুম্মাবার

16/07/2026

মুক্তাগাছার রানী এখানে বসেহাওয়া খেতেন। ২২.০৫.২০২৬

09/07/2026

কুড়িল বিশ্বরোড শহরের বুকে একটি চমৎকার মিনি পর্যটন কেন্দ্র হতে পারে। অথবা এই পুকুরটা ঘিরে এখানে একটা পার্ক হতে পারে। ১২.০৬.২০২৬/১৫:৩২/জুম্মাবার

02/07/2026

লুকিয়ে থাকা ইতিহাসঃ ৩০০ বছরেরও বেশি পুরোনো মুক্তাগাছার ভূঁইয়া বাড়ি জামে মসজিদ!

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার খেরুয়াজানী ইউনিয়নের হরিপুর দেউলী গ্রামে অবস্থিত ভূঁইয়া বাড়ি জামে মসজিদ প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো একটি ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন।

এটি একটি সংরক্ষিত পুরাকীর্তি এবং প্রাচীন মসজিদ। এই মসজিদ সম্পর্কে ঐতিহাসিক সত্য তথ্য দিয়ে এর ইতিহাস তুলে ধরছি।

নির্মাণকালঃ‌ মসজিদটি ঠিক কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তার সঠিক কোনো লিখিত ইতিহাস জানা নেই। তবে এর দেয়ালে খোদাই করা তথ্য অনুযায়ী, আজ থেকে প্রায় ৩০০ বছর আগে ১১৩৫ বঙ্গাব্দে (১৭২৮ খ্রিষ্টাব্দে) মসজিদটি প্রথমবার সংস্কার করা হয়েছিল।

এর ইট ও দেয়ালের প্রাচীন শৈলী দেখে ইতিহাসবিদরা ধারণা করেন এটি মোঘল স্থাপত্য বা মুসলিম সুলতানী আমলের শুরুর দিকে নির্মিত। তৎকালীন ব্রিটিশ-বিরোধী ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের সময় এই অঞ্চলে ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে আসা কোনো মহাসাধক এটি নির্মাণ করে থাকতে পারেন।

এটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কর্তৃক সংরক্ষিত ময়মনসিংহের ১১টি বিশেষ পুরাকীর্তির একটি। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ১৯ আগস্ট ২০১৯ সালে এটিকে অফিসিয়ালি পুরাকীর্তি হিসেবে গেজেটভুক্ত করে।
দুই গম্বুজ বিশিষ্ট এই মসজিদটির প্রধান আকর্ষণ এর সমআকৃতির দুটি বিশাল গম্বুজ।

প্রাচীন এই মসজিদে মোট ১১৮টি পিলার বা স্তম্ভ রয়েছে। এর দেয়ালগুলো অত্যন্ত মজবুত এবং প্রায় ৩৬ ইঞ্চি।
-রমা-
২২.০৫.২০২৬

Address

Gulshan Circle/2
Dhaka
1212

Telephone

+8801711620058

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rabiul Mashrafi Travel Vlog posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Rabiul Mashrafi Travel Vlog:

Shortcuts

Share