Rabiul Mashrafi Travel Vlog

Rabiul Mashrafi Travel Vlog It's a travel related page with nature and historical place
(1)

18/06/2026

খুলনার ময়লাপোতা কেমন করে সোনাপোতা হোলোঃ
খুলনা শহরের এক পঁচাগলা খাদের আধুনিক রূপান্তরের গল্প!

খুলনাবাসীর কাছে অত্যন্ত পরিচিত এবং নিত্যদিনের যাতায়াতের একটি অবধারিত মোড় হলো 'ময়লাপোতার মোড়'। এটি শেরে বাংলা রোডে অবস্থিত একটি অত্যন্ত ব্যস্ততম চৌরাস্তা। কিন্তু আমরা কি জানি, এই চিরচেনা 'ময়লাপোতা'র সরকারি বা দাপ্তরিক নাম আসলে 'সোনাপোতা'? একটি শ্রুতিকটু ও নেতিবাচক নাম কীভাবে সময়ের বিবর্তনে এক সম্মানসূচক নামে রূপ নিল, তার পেছনে লুকিয়ে আছে এক চমৎকার ঐতিহাসিক সত্য ঘটনা।

যেভাবে এলো 'ময়লাপোতা' নামঃ
ব্রিটিশ আমলে ১৮৮২ সালে খুলনা জেলা প্রতিষ্ঠার পর এবং তৎকালীন পৌরসভা গঠনের শুরুর দিকে, বর্তমান ফারাজী পাড়ার দক্ষিণে তিনটি মরা খালের মোহনায় বিশাল এক নিচু খাদ বা গর্ত ছিল। সে আমলে পুরো খুলনা শহরের যাবতীয় ময়লা-আবর্জনা এনে এই বিশাল খাদটিতে ফেলা হতো। লোকমুখে প্রচলিত, শহরের সব ময়লা এনে এখানে পুঁতে (আঞ্চলিক শব্দে 'পোতা') রাখা হতো বলেই এই এলাকার নাম হয়ে যায় 'ময়লাপোতা'। একসময় এটিই ছিল খুলনা শহরের শেষ সীমানা।

এবার জানি 'ময়লাপোতা' যেভাবে হলো সোনাপোতাঃ
আশির দশকের দিকে শহর আরও সম্প্রসারিত হতে শুরু করে। পরিবেশ রক্ষা ও নাগরিক সুবিধার কথা চিন্তা করে পৌর কর্তৃপক্ষ ময়লার এই বিশাল ভাগাড় বা ডিপোটি সরিয়ে খুলনা শহরের বাইরে (প্রথমে সোনাডাঙ্গা বিল এবং পরে কৈয়ে বাজার এলাকায়) নেয়। এরপর ময়লাপোতা এলাকাটি একটি পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও ব্যস্ত বাণিজ্যিক কেন্দ্রে রূপ নেয়।

আধুনিকায়নঃ
ময়লার ডিপো সরিয়ে নিচু জমি ভরাট করার পর এলাকাটি দ্রুত বদলে যেতে থাকে। গড়ে ওঠে আধুনিক বহুতল ভবন, হাসপাতাল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। যেহেতু 'ময়লাপোতা' নামটি শুনতে কিছুটা নেতিবাচক শোনাত, তাই এই আধুনিকায়নের পর স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও সরকারি উদ্যোগে নেতিবাচক 'ময়লা' শব্দটিকে বদলে সুন্দর ও সম্মানসূচক 'সোনাপোতা' নাম দেওয়া হয়। বর্তমানে এই নামকরণের স্মারক হিসেবে এলাকায় সোনাপোতা মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং সোনাপোতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে।

নাম পরিবর্তন হলেও ঐতিহ্য কেন রয়ে গেল?

কাগজে-কলমে কিংবা বিদ্যালয়ের নামকরণে 'সোনাপোতা' লেখা থাকলেও, খুলনার সাধারণ মানুষের শত বছরের মুখের অভ্যাসের কারণে মোড়টি আজও সবার কাছে 'ময়লাপোতার মোড়' হিসেবেই বেশি জনপ্রিয়। ইতিহাসকে বাঁচিয়ে রাখতে নাম পরিবর্তনের এই পজিটিভ গল্পটি সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। আপনার কাছে জায়গাটি কোন নামে বেশি পরিচিত? ময়লাপোতা নাকি সোনাপোতা? মন্তব্য করে জানান!

কে কে চিনেন এই জায়গাটা? আমি যাইনি। ছবিতে বাংলাদেশি এক পর্যটক।১৮.০৫.২০২৬
18/06/2026

কে কে চিনেন এই জায়গাটা? আমি যাইনি।
ছবিতে বাংলাদেশি এক পর্যটক।
১৮.০৫.২০২৬

11/06/2026

ঐতিহ্যের গায়ে আভিজাত্যের ছোঁয়াঃ ময়মনসিংহের শশী লজ

অবস্থানঃ
------------
পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের শীতল হাওয়া আর সবুজে ঘেরা প্রাচীন শহর ময়মনসিংহের কেন্দ্রস্থল বাতিরকল এলাকায় বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে আছে এক রাজকীয় স্থাপত্য—'শশী লজ'। স্থানীয়ভাবে এটি 'ময়মনসিংহ রাজবাড়ি' নামেও সমধিক পরিচিত।

ইট-পাথরের দেয়ালে ঘেরা প্রায় নয় একর জমির ওপর নির্মিত এই প্রাসাদটি শুধু একটি ভবন নয়, বরং এটি ব্রিটিশ আমলের জমিদারি আভিজাত্য, সংস্কৃতি এবং এক ট্রাজিক ইতিহাসের জীবন্ত স্মারক।

পরিচিতিঃ
-------------
ইতিহাসের পাতা থেকে শশী লজের ইতিহাস ঘাটলে পাওয়া যায় মুক্তাগাছার বিখ্যাত জমিদার সূর্যকান্ত আচার্য চৌধুরী পরিবারের নাম। ঊনবিংশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে মুক্তাগাছার প্রভাবশালী জমিদার মহারাজা সূর্যকান্ত আচার্য চৌধুরী ময়মনসিংহ শহরে ব্রহ্মপুত্র নদের অদূরে একটি চোখ ধাঁধানো দ্বিতল প্রাসাদ নির্মাণ করেন। তৎকালীন প্যারিস ও ইউরোপের বিলাসবহুল সামগ্রী দিয়ে সাজানো সেই প্রাসাদটি পরিচিত ছিল 'ক্রিস্টাল প্যালেস' বা 'রংমহল' নামে। কিন্তু বিধিবাম! ১৮৯৭ সালের ১২ জুনের বিখ্যাত 'গ্রেট ইন্ডিয়ান আর্থকুয়েক' বা প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্পে সেই মনোরম রংমহলটি সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। মহারাজা সূর্যকান্ত ছিলেন নিঃসন্তান। তিনি শশীকান্ত আচার্য চৌধুরীকে দত্তক নেন। ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত প্রাসাদের স্থানেই সূর্যকান্ত নতুন করে বাইজেন্টাইন ও ইউরোপীয় স্থাপত্যশৈলীর মিশ্রণে আরেকটি ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করেন এবং প্রিয় দত্তক পুত্রের নামানুসারে এর নামকরণ করেন 'শশী লজ'। তবে প্রাসাদের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই ১৯০৮ সালে মহারাজা সূর্যকান্ত মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তীতে তাঁর সুযোগ্য উত্তরসূরি মহারাজা শশীকান্ত আচার্য চৌধুরী ১৯০৫ থেকে ১৯১১ সালের মধ্যে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে এই রাজপ্রাসাদের পুনর্নির্মাণ ও সৌন্দর্যায়ন সম্পন্ন করেন।

স্থাপত্যশৈলী ও নান্দনিকতার বিবরণঃ
-------------------------------------------------
শশী লজের মূল ফটকটি অর্ধ-বৃত্তাকার এবং এর ওপর সারিবদ্ধভাবে শোভা পাচ্ছে ১৬টি গম্বুজ। ফটক পেরিয়ে ভেতরে ঢুকতেই চোখে পড়ে এক বিশাল সবুজ লন বা মাঠ। এই মাঠের ঠিক মাঝখানে রয়েছে শ্বেতপাথরের তৈরি একটি নয়নাভিরাম ফোয়ারা। এই ফোয়ারার কেন্দ্রবিন্দু ছিল ইতালি থেকে আনা গ্রিক দেবী ভেনাসের একটি মার্বেল পাথরের তৈরি ভাস্কর্য, যা বছরের পর বছর ধরে দর্শনার্থীদের মূল আকর্ষণ ছিলো। মূল ভবনটি একতলা হলেও এর আয়তন ও ভেতরের কারুকাজ যেকোনো বহুতল ভবনকে হার মানায়। প্রাসাদের ভেতরে রয়েছে ২৪টি সুপরিসর কক্ষ। প্রতিটি কক্ষের দরজা ও জানালায় ব্যবহার করা হয়েছে রঙিন কাচের চমৎকার সব নকশা। ভবনের ভেতরে পা রাখলেই দেখা মিলবে কাঠের নিখুঁত মেঝে বিশিষ্ট বিশাল একটি হলরুমের, যা এককালে জমিদারি ঝাড়বাতির আলোয় মুখরিত 'বলরুম' বা থিয়েটার হল হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ভবনটির ঠিক পেছন দিকে রয়েছে একটি শান্ত পুকুর। এই পুকুরের পশ্চিম পাড়ে মার্বেল পাথরের তৈরি সুদৃশ্য ঘাট এবং ঘাট ঘেঁষে নির্মিত একটি দোতলা স্নানঘর (বাথিং প্যাভিলিয়ন) রয়েছে। লোকমুখে প্রচলিত আছে, জমিদার পত্নী বা রানিমাতারা এই স্নানঘরে বসে পুকুরে রাজহাঁসের জলকেলি দেখতেন।

সংস্কৃতি ও আধুনিকতায় শশী লজঃ
----------------------------------------------
শশী লজ শুধু রাজনিবাসই ছিল না, এটি ছিল তৎকালীন পূর্ব বাংলার শিল্প ও সংস্কৃতির অন্যতম কেন্দ্র। নামী-দামী ব্রিটিশ রাজকর্মকর্তা থেকে শুরু করে দেশীয় অভিজাতদের পদচারণায় মুখর থাকত এই প্রাঙ্গণ। কালের বিবর্তনে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হলে, ১৯৫২ সাল থেকে ভবনটি সুদীর্ঘকাল ধরে 'ময়মনসিংহ মহিলা শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র' (Women Teachers Training College) হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। তবে এর প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব বিবেচনা করে ২০১৫ সালের ৪ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ভবনটি সম্পূর্ণ অধিগ্রহণ করে এবং বর্তমানে একে একটি সংরক্ষিত পুরাকীর্তি ও জাদুঘর হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।বাংলা সাহিত্যের কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের বিখ্যাত ধারাবাহিক নাটক 'অয়োময়'-এর শুটিং এই শশী লজেই হয়েছিল। নাটকের সেই দোর্দণ্ড প্রতাপশালী 'মির্জা সাহেব'-এর বাড়ি হিসেবে শশী লজকে টিভির পর্দায় দেখেছে এ দেশের কোটি মানুষ।

শেষ কথাঃ
---------------
শশী লজ কেবল চুন-সুরকির দেয়াল নয়, এটি ময়মনসিংহের গৌরবময় ইতিহাসের এক জীবন্ত দলিল। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শত শত পর্যটক ও ইতিহাসপ্রেমী মানুষ এই রাজবাড়ির সৌন্দর্য দেখতে ছুটে আসেন। সময়ের থাবায় ও সংস্কারের অভাবে এর কিছু কাঠের কাজ ও ঝাড়বাতি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও, এর আভিজাত্যের আবেদন এখনো বিন্দুমাত্র কমেনি। সরকারি ও বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটিকে প্রমোট করা গেলে এটি বাংলাদেশের পর্যটন খাতের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হয়ে থাকবে।
২২.০৫.২০২৬/১৭:২২/জুম্মাবার

কালনী পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদ। সুন্দর এই মসজিদটি পূর্বাচলের কালনী বাজারের পশ্চিম পাশে। ৩০.০৫.২০২৬১৩:২১/শনিবার
08/06/2026

কালনী পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদ। সুন্দর এই মসজিদটি পূর্বাচলের কালনী বাজারের পশ্চিম পাশে। ৩০.০৫.২০২৬
১৩:২১/শনিবার

04/06/2026

ঐতিহ্যের খোঁজে- আলেকজান্ডার ক্যাসেল: একটি হিরণ্ময় ভ্রমণগাঁথা

গত ২২ মে ২০২৬, রোজ শুক্রবার, ‘সেভ দ্য হেরিটেজ অব বাংলাদেশ’ (Save the Heritage of Bangladesh)-এর স্নেহময় ছায়ায় আমরা গিয়েছিলাম এক সুপ্রাচীন ঐতিহ্যের পুণ্যভূমিতে। আমাদের গন্তব্য ছিল ময়মনসিংহের বুক চিরে দাঁড়িয়ে থাকা এক জাদুকরি স্থাপত্য—আলেকজান্ডার ক্যাসেল, যা স্থানীয় বিদগ্ধজনদের কাছে 'লোহার কুঠি' নামেও সমধিক পরিচিত।

ইতিহাসের আলোছায়াঃ
ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে, তথা ১৮৭৯ সালে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার প্রভাবশালী জমিদার মহারাজা সূর্যকান্ত আচার্য চৌধুরী এই প্রাসাদটি নির্মাণ করেন। তৎকালীন ভারতসম্রাট সপ্তম এডওয়ার্ডের ময়মনসিংহ আগমনকে স্মরণীয় করে রাখতে এবং তাঁর বিশ্রামের নিমিত্তে এই সুরম্য প্রাসাদটি গড়ে তোলা হয়। সম্পূর্ণ ভবনটিতে লোহার বিপুল ও শৈল্পিক ব্যবহারের কারণে এটি লোকমুখে ‘লোহার কুঠি’ নাম ধারণ করে।

স্থাপত্যের নান্দনিকতাঃ
আলেকজান্ডার ক্যাসেলের দিকে তাকালে গ্রিক ও রোমান স্থাপত্যশৈলীর এক অপূর্ব মিতালি চোখে পড়ে। একটি সুউচ্চ মার্বেল পাথরের বেদির ওপর দাঁড়িয়ে আছে এই দোতলা প্রাসাদটি। ভবনের প্রবেশদ্বারে রয়েছে গ্রিক থামের আদলে তৈরি বিশাল স্তম্ভ এবং বারান্দায় রয়েছে লোহার তৈরি শৈল্পিক রেলিং। একসময় এই প্রাসাদের সম্মুখে দুটি সিংহমূর্তি এবং গ্রিক দেবদেবীর ভাস্কর্য শোভা পেত, যা আজ কালের গর্ভে বিলীন হলেও তার আভিজাত্যের সাক্ষ্য এখনো বহন করে চলেছে।

মনিষীদের পদধূলিঃ
এই লোহার কুঠির প্রতিটি ইটে জড়িয়ে আছে ইতিহাসের একেকটি সোনালী অধ্যায়। ১৯২৬ সালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ময়মনসিংহ পরিদর্শনে এসে এই প্রাসাদে অবস্থান করেছিলেন। শুধু রবীন্দ্রনাথই নন, মহাত্মা গান্ধী, লর্ড কার্জন, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস এবং নবাব স্যার সলিমুল্লাহর মতো কালজয়ী ব্যক্তিত্বদের পদধূলিতে ধন্য হয়েছে এই ঐতিহাসিক প্রাসাদটি।

আমাদের ভ্রমণ অভিজ্ঞতাঃ
‘সেভ দ্য হেরিটেজ অব বাংলাদেশ’-এর কর্ণধার অধ্যাপক সাজ্জাদুর রাশেদ স্যারের তত্ত্বাবধানে এই পরিচ্ছন্ন উদ্যোগ আমাদের শুধু একঘেয়ে যান্ত্রিক জীবন থেকে মুক্তি দেয়নি, বরং আমাদের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে আমাদের শিকড়ের। শুক্রবারের সেই শান্ত স্নিগ্ধ বিকেলে আলেকজান্ডার ক্যাসেলের প্রাঙ্গণে পা রাখতেই মনে হয়েছিল আমরা যেন টাইম মেশিনে চড়ে এক শতাব্দী অতীতে ফিরে গেছি। প্রাসাদের জীর্ণ দেওয়ালে হাত রেখে আমরা অনুভব করার চেষ্টা করেছি ফেলে আসা রাজকীয় দিনগুলোকে। হেরিটেজ রক্ষা ও সংরক্ষণের এই তাগিদ আমাদের হৃদয়ে এক গভীর দেশপ্রেম ও দায়বদ্ধতার জন্ম দিয়েছে। কালের অবহেলায় কিছুটা মলিন হলেও, আলেকজান্ডার ক্যাসেল আজও আমাদের গৌরবময় অতীতের এক জীবন্ত স্মারক।

রবিউল মাশরাফী
লেখক, সংগঠক ও সংবাদ পাঠক
বাংলাদেশ বেতার
২২.০৫.২০২৬/১৭:২২/জুম্মাবার

03/06/2026
28/05/2026

ফুলবাড়িয়ায় ২৫০ বছর পুরনো ঐতিহাসিক খান বাড়ি মসজিদ।

ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়ীয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের জোরবাড়ীয়া গ্রামের পূর্বভাটিপাড়া এলাকায় এই মসজিদটি অবস্থিত।

নির্মাণকাল: মসজিদটি আনুমানিক ১২০০ হিজরি (মোতাবেক ১৭৮৫ খ্রিষ্টাব্দে) নির্মিত হয়। এটি প্রায় আড়াইশ বছরের পুরোনো একটি প্রাচীন মুঘল স্থাপত্য নিদর্শন।

প্রতিষ্ঠাতা: তৎকালীন এলাকার প্রভাবশালী ও দানবীর ব্যক্তি হায়াত খান (মতান্তরে আয়াত খান) মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন। মৃত্যুর আগে তিনি মসজিদের নামে ৭ একর জমি ওয়াকফ করে যান।

স্থাপত্যশৈলী ও গঠন:

এটি একটি এক গম্বুজবিশিষ্ট দৃষ্টিনন্দন বর্গাকার মসজিদ।

চুন-সুরকি ও বিশেষ গাছের কষ দিয়ে নির্মিত এর দেয়ালগুলো প্রায় ৪০ ইঞ্চি পুরু, যার ফলে প্রচণ্ড গরমেও ভেতরের পরিবেশ শীতল থাকে।

মসজিদের চার কোণে ৪টি পিলার রয়েছে, যার উপরিভাগ কলস আকৃতির নকশায় অলংকৃত। জনশ্রুতি অনুযায়ী, এর সুক্ষ্ম অলংকরণের জন্য তৎকালীন সময়ে ফ্রান্স থেকে কারিগর আনা হয়েছিল।

চারপাশের পরিবেশ: মসজিদটির সামনে শানবাঁধানো ঘাটসহ প্রায় ১ একরের একটি বড় পুকুর এবং পেছনে ৫২ শতাংশের আরেকটি পুকুর রয়েছে। দুই পাশে রয়েছে গ্রামীণ কবরস্থান। সামনের পুকুরের পানিতে মসজিদের গম্বুজের প্রতিচ্ছবি এক অপরূপ দৃশ্যের সৃষ্টি করে, যা দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা আসেন।

আলেকজান্ডার ক্যাসেল, ময়মনসিংহ।‌ এটা একটা লাইব্রেরী। রবীন্দ্রনাথ এখানে এসেছিলেন। ২২.০৫.২০২৬/১৭:১৪/শুক্রবার
27/05/2026

আলেকজান্ডার ক্যাসেল, ময়মনসিংহ।‌ এটা একটা লাইব্রেরী। রবীন্দ্রনাথ এখানে এসেছিলেন। ২২.০৫.২০২৬/১৭:১৪/শুক্রবার

  save the herirtages of Bangladesh এর উদ্যোগে এবং অধ্যাপক সাজ্জাদুর রাশেদ ভাইয়ের তত্বাবধানে দেখে এলাম ময়মনসিংহ, মুক্ত...
24/05/2026

save the herirtages of Bangladesh এর উদ্যোগে এবং অধ্যাপক সাজ্জাদুর রাশেদ ভাইয়ের তত্বাবধানে দেখে এলাম ময়মনসিংহ, মুক্তাগাছার প্রায় ৩৬০ বছর পুরনো খান বাড়ি মসজিদ। ২২.০৫.২০২৬/১২:০২/জুম্মাবার

Address

Gulshan Circle/2
Dhaka
1212

Telephone

+8801711620058

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rabiul Mashrafi Travel Vlog posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Rabiul Mashrafi Travel Vlog:

Share