Bookish Lens by Maksura

Bookish Lens by Maksura “একটি ভালো বইয়ের ভেতরে লুকিয়ে থাকে হাজার বছরের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা আর মানুষের গভীর অনুভূতির গল্প।”

কথায় আছে সময় এবং স্রোত কারোর জন্য থেমে থাকে না।সময় তার নিয়মে গড়িয়ে যায়, সেই বহমান গতিতে জীবনও চলে যায়।  একটা সময় আমরা ...
25/08/2026

কথায় আছে সময় এবং স্রোত কারোর জন্য থেমে থাকে না।
সময় তার নিয়মে গড়িয়ে যায়, সেই বহমান গতিতে জীবনও চলে যায়।
একটা সময় আমরা যাদের জীবনের সব কিছু ভেবে বসি, সময়ের তাড়নায় মাঝে মাঝে তাদের ছাড়াও জীবন দিব্যি কেটে যায়। দিন যেতে না চাইলেই পারিপার্শ্বিক সব কিছু উপেক্ষা করে জীবনের তাগিদে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়।

আজকের পর্বের সব থেকে উপলব্ধির বিষয় এইটাই।
প্রথম পরিচ্ছদ এর শেষ পর্বের প্রথমাংশ। আগামী তে কি অপেক্ষা করছে তার অধির অপেক্ষা থাকবে।

প্রথম পরিচ্ছদ এর সমাপ্তি লগ্নে, একজন চেয়েও অর্ধাঙ্গিনীর দেয়া একমাত্র স্মৃতি তার দেহ থেকে দূরে সরাতে পারছে না। অপর দিকে সেই অর্ধাঙ্গিনীও যে তার জীবনসঙ্গীকে মনের অজান্তেই মন দিয়ে বসেছে তার নির্দ্ধিধায় সহজ স্বীকারোক্তি করা।

জানি না, আহমেদ কিভাবে কি করতে চাইছে৷ তবে তার উদ্দেশ্য যে সঠিক না, তা অনেক আগেই বোঝা হয়ে গেছে।
আর রইলো জঙ্গল, ঠিকানা খুজে বের করাও হয়ে গেছে। ওকে চ্যাপ্টার থেকে বাইরে না করা পর্যন্ত আরাম পাচ্ছি না।
কায়সানের কথা আর কি বলবো "পুরান পাগলের ভাত নাই, নতুন পাগলের আমদানি"।
যত যাই হোক, ইযান এর জন্য কিন্তু বেস্ট একমাত্র সাইবান-ই।

আসা করছি সাইবান অন্তত দেশ ছাড়বে না। ছাড়লেও সঙ্গী অন্তত তিতলি হবে না। সাইবানের মনে ইরাম এবং ইযান কে এখনও সুপ্ত আশা আছে, টান আছে বিধায় চেয়েও সে হাতের আংটি পর্যন্ত দূরে করতে পারছে না। সাময়িক ধাক্কা কাটিয়ে সেই হয়তো আগে এগিয়ে যাবে তার জীবনসঙ্গীনি এবং সন্তানের কাছে।

গল্পঃ #আমার_আলাদিন
লেখনীতেঃ #জাবিন_ফোরকান

সুন্দর, সাবলীল এবং মার্জিত একটা গল্প।বড়লোক বাবার আস্কারায় সামান্য বিগড়ে যাওয়া ভালোবাসার কাঙাল একটা মেয়ে রুহামা। যার জীবন...
24/08/2026

সুন্দর, সাবলীল এবং মার্জিত একটা গল্প।
বড়লোক বাবার আস্কারায় সামান্য বিগড়ে যাওয়া ভালোবাসার কাঙাল একটা মেয়ে রুহামা। যার জীবনের একটাই চাওয়া কেউ তাকে ভালোবাসুক, আগলে রাখুক।
অপর দিকে বাবা মা হারিয়ে লেখাপড়ার জন্য পরিবার রেখে শহরে আসা একটা ছেলে মর্তুজা। যার জীবনের লক্ষ্য মা'র স্বপ্ন পুরন, একদিন নিজের পরিচয় গঠন। বাস্তবতার সাথে তাল মিলিয়ে চলা। সব কিছুর আগে দেশ এবং দেশের প্রতি একনিষ্ঠতা এবং দায়িত্ববোধ।

এমনই সম্পূর্ণ বিপরীত ধর্মী দুইটি চরিত্র কিভাবে একই সুতায় বাধা পড়ে। তা নিয়েই লেখা চলমান

গল্পঃ #যেথায়_হৃদয়_থামে
লেখনীতেঃ Kazi Jebunnesa
জনরাঃ সামাজিক, সিভিল ডিফেন্স, রোমান্টিক, সাস্পেন্স
প্রচ্ছদঃ Bookish Lens by Maksura

রাত নামতেই বিশাল মূর্তজার নানাবাড়ির উঠানটা যেন অন্যরকম মায়ায় ভরে উঠল। দিনের কোলাহল থেমে গেছে। আকাশজুড়ে অসংখ্য তারা, মাঝে...
23/08/2026

রাত নামতেই বিশাল মূর্তজার নানাবাড়ির উঠানটা যেন অন্যরকম মায়ায় ভরে উঠল। দিনের কোলাহল থেমে গেছে। আকাশজুড়ে অসংখ্য তারা, মাঝেমধ্যে ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক। ঝোপে ঝোপে জোনাকি পোকা জ্বলছে আর নিভছে।
উঠানের মাঝখানে তিনটা হারিকেন জ্বলছে। হলুদ আলোয় চারপাশটা আবছা-আবছা দেখাচ্ছে। কিছু পোকা উড়ছে আশপাশে। চারদিকে বসন্তের আগমনী বাতাস। উঠানের এক পাশে দুটো হাসনাহেনার গাছ। হাসনাহেনার মিষ্টি গন্ধের জন্য বলা হয়, এই ফুলের গন্ধে সাপ আসে। সেটা মনে হতেই মূর্তজার হাসি পেয়ে গেল।দুই বাড়ির সামনের সিঁড়িতে আর মাঝখানের পাটিতে সবাই গোল হয়ে বসেছে।
মূর্তজাও এসে একটা মোড়ায় বসল। এতগুলো আপন মানুষের মাঝে বসে ওর ভালো লাগছিল।
পাটিতে ওর ভাগ্নি মারুফা আর রুহামা পাশাপাশি বসেছে। পাশেই কামাল মামার মেয়ে কলি বসে আছে। কিছু একটা নিয়ে মেয়েগুলো খুব হাসাহাসি করছে।
রাহাত মাটিতে পা ছড়িয়ে বসে গল্প করছিল।“ভাইজান, পুলিশ হইয়া এখন আমাগো গ্রামে আইলে আগে কেডারে ধরবা?”
মূর্তজা হেসে বলল, “তোকে। তুই তো ছোটবেলায় আশপাশের সবার বাসার আম চুরি করতিস, আর মুরগি।”
“ওইটা আবার অপরাধ? ধুর, ভাইজান! এগুলো হইলো আনন্দ। রুহামা আপাকেও চুরি করা মুরগি এনে খাওয়াব বলছি... তাই না, আপা?” গলা উঁচু করল রাহাত।
রুহামা বলল, “হ্যাঁ, মনে আছে রাহাত ভাই।”
“গাছের আম চুরি করা অপরাধ না? আবার আমার সামনেই মুরগি চুরির পরিকল্পনা!” রাগ হওয়ার ভঙ্গি করল মূর্তজা।
এটা শুনেই চারপাশে হাসির রোল পড়ে গেল।
মূর্তজার ছোট বুবু মুড়ি-মাখা আর পেঁয়াজু পাটিতে রাখতে রাখতে বলল, “মূর্তজা, তুই আগে পুলিশ হ, তারপর এইসব করবি। আর পুলিশ হইলেই কি তুই তো আমাগো কাছে সব সময় মূর্তজাই। এখন সবাই ওদিকে আসো, খাও। নানী বু পিঠা ভাজতেছে।”
বড় বু যোগ করল, “হ, অফিসার-টফিসার হইছিস বলে আমাদের কাছে ভাব নিলে কিন্তু খবর আছে।”
আজ রুহামা এক প্যাঁচ দিয়ে পরা হালকা নীল রঙের শাড়ি পরেছে।
লম্বা চুলগুলো খোলা। কাঁধ পেরিয়ে পিঠ ছাপিয়ে কোমরে নেমে এসেছে। মুখে কোনো সাজ নেই, তবু কেরোসিনের বাতির ম্লান আলোয় মেয়েটাকে অদ্ভুত মায়াময় লাগছিল।
মূর্তজা ধরা পড়ে গিয়ে সঙ্গে সঙ্গে চোখ সরিয়ে নিল। রুহামা সেটা খেয়াল করল।
ছোট বুবু হেসে উঠল, “আরে রুহামা, এই শাড়ি আবার কে পরাইছে?”
“বড় নানু।”
“বাহ! এক প্যাঁচে শাড়িতে সুন্দর লাগছে তো।”
রুহামা লজ্জায় হেসে মাথা নিচু করল।
মূর্তজা না চাইলেও আবার তাকাল।রুহামার চোখ ঠিক তখনই তার চোখে এসে পড়ল।দুজনেই কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে রইল।
তারপর রুহামা খুব ধীরে চোখ নামিয়ে নিল। রুহামার বুকের ভেতরটা অকারণে কেঁপে উঠল। খুব আনন্দ লাগছিল ওর। এই সুন্দর পরিবেশ, এত আপন মানুষ, সবার আন্তরিকতা—সবকিছুই যেন ওর মন ছুঁয়ে যাচ্ছিল। থেকে থেকেই চোখে জল চলে আসছিল।

গল্পঃ #যেথায়_হৃদয়_থামে
লেখনীতেঃ Kazi Jebunnesa

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিবেশির মেয়ের প্রেমে পড়া ফুপাতো ভাইয়ের প্রেমের সুন্দর পরিনতির জন্য অজ্ঞাত ফোন কলের মাধ্যমে সেই মেয়ের ব...
23/08/2026

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিবেশির মেয়ের প্রেমে পড়া ফুপাতো ভাইয়ের প্রেমের সুন্দর পরিনতির জন্য অজ্ঞাত ফোন কলের মাধ্যমে সেই মেয়ের বিয়ে ভেঙে দেওয়ার ফলাফল স্বরূপ কি হতে পারে আগামীতে?
দুই পরিবারের দ্বন্দ্ব কি আরও বৃদ্ধি পাবে, নাকি এই প্রণয়ের মাধ্যমে সমাপ্তি হবে। জানতে হলে পড়ে ফেলুন...

গল্পঃ #দেওয়ালপারের_দ্বন্দ্ব
লেখনীতেঃ Tashfiah's diary
গল্পের লিংকঃ
https://www.facebook.com/share/p/199AuDuSrn/

22/08/2026

বাহার এর সওদাগর বাড়িতে প্রথম পদার্পণ। চিত্রার বাহার কে প্রথম দেখা। চিত্রা সওদাগরের বাহারে চিত্রা থেকে রঙ্গনা হয়ে ওঠার প্রথম যাত্রা নিয়ে একটা চমৎকার পর্ব। যা ছিলো না ফেসবুকে প্রকাশিত অংশে, আর নাই বা আছে বইয়ের পাতায়।
যারা জানতে চাও, চট জলদি পড়ে নাও।

পর্বে প্রিয় লাইনঃ
❝পৃথিবীতে মানুষই নিখুঁত না আর তো ঘর! আমার সমস্যা নেই। ধুলোবালি আমার বন্ধু। পথের মানুষ ধূলোকে ভয় পায় না❞

গল্পঃ #চিত্ত_চিরে_চৈত্রমাসের_শুভারম্ভ
লেখনীতেঃ মম সাহা - Momo Saha
পর্ব লিংকঃ
https://www.facebook.com/share/p/18J2rJPAs5/

22/08/2026

বাবা ও ছেলের সম্পর্ক মানেই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, নিরব ত্যাগ আর আজীবনের বন্ধন। একজন বাবা যেমন সন্তান কে ছায়ার মতো আগলে রাখেন, তেমনই একজন ছেলে বাবার শক্তিতেই এগিয়ে যেতে শেখে।

আহমেদ এর কাঁধটা সাইবানের ছোটবেলায় যেমন পাহাড়ের মতো নিরাপদ মনে হতো, আজও জীবনের এই প্রতিকূলতায় এসেও সেই ভরসাটুকু আগের মতোই পেয়ে যাচ্ছে...

তাদের বন্ডিং এর অংশ গুলো পড়ায় অপেক্ষায়। এবং সেই অংশের প্রতিচ্ছবি স্বরূপ সাইবান এবং ইযান কে দেখায় ইচ্ছা...

গল্পঃ #আমার_আলাদিন
লেখনীতেঃ #জাবিন_ফোরকান

আহমদঃ আমি যা করেছি সব তোর জন্য করেছি। যার গায়ে আমার একফোঁটা রক্ত নেই, তার জন্য আমি নিজের রক্তের সাথে বেঈমানি করেছি। বাব...
21/08/2026

আহমদঃ আমি যা করেছি সব তোর জন্য করেছি। যার গায়ে আমার একফোঁটা রক্ত নেই, তার জন্য আমি নিজের রক্তের সাথে বেঈমানি করেছি। বাবার অনুভূতি কী এটাকেই বলে, চ্যাম্প?
-------------
ঠিক এমনটাই কি সাইবান আর ইযান মধ্যে হতে পারে না? ইযান ওতো সাইবান এর রক্ত না। কিন্তু, ১ম সন্তান, যে তাকে বাব্বা ডেকেছে। তারাও কি আহমেদ এবং সাইবান এর মতো চ্যাম্প হতে পারে না?

পার্থক্য তো এইটাই সাইবান সামিয়া এবং আহমেদ এর কারোর সন্তান না। কিন্তু ইযান ইরামের সন্তান। সে ক্ষেত্রে বলবো, ইরাম তো আগে ইযান এর মা তারপর সাইবান এর স্ত্রী এর রূপ পেয়েছে।

তাহলে, আহমেদ আর সাইবানের যে বন্ডিং, সেইটা কি সাইবান এবং ইযানের মধ্যে হওয়া উচিত না?

আমার মতে অবশ্যই উচিৎ। কারণ সাইবান ইযান কে পেয়েছে ৩ মাস বয়সের পরে থেকে। তারপরেও তাদের মাঝে যে অদৃশ্য একটা টান তা অন্য সবকিছু কে পেছনে ফেলতে বাধ্য।

আরেকটা কথা, এখানে সাইবান এবং ইরাম দুইজনই সমান ভুক্তভোগী। তাই তাদের দুইজনের উচিৎ দুইজনকে আগলে রাখা। অন্তত ইযান যেনো তাদের মতো ভবিষ্যৎ নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বীত না ভোগে।

গল্পঃ #আমার_আলাদিন
লেখনীতেঃ #জাবিন_ফোরকান

❝কিছু অভিযোগ আছে, কিছু অভিমান আছে আছে কিছু বেহিসাবি আচরণ চোখ সরিয়ে নাও, মন ফিরিয়ে দাও তবুও তোমাকেই চাই আমরণ।❞বইঃ চৈতালি ...
20/08/2026

❝কিছু অভিযোগ আছে, কিছু অভিমান আছে আছে কিছু বেহিসাবি আচরণ চোখ সরিয়ে নাও, মন ফিরিয়ে দাও তবুও তোমাকেই চাই আমরণ।❞

বইঃ চৈতালি চিরকুট
লেখকঃ প্রভা আফরিন
প্রকাশনীঃ গ্রন্থ্য রাজ্য

নিজ ঘরে গিয়েই টেবিলের ড্রয়ার খুলে রঙচটা ধুলোপড়া শামুকের খোলসটি হাতে নিয়ে ভাবুক হয়ে বসে। আপনমনে বলতে থাকে,“বুঝলি রে নেপু,...
20/08/2026

নিজ ঘরে গিয়েই টেবিলের ড্রয়ার খুলে রঙচটা ধুলোপড়া শামুকের খোলসটি হাতে নিয়ে ভাবুক হয়ে বসে। আপনমনে বলতে থাকে,“বুঝলি রে নেপু, বেডি মানুষ আসলে সুবিধার জাত না। নয়তো তুইই বল, ওই পেত্নীটা এতো বছর ধরে এটা যত্ন করে রেখেছিল কেন? এদিকে আবার আমায় সে সহ্য করতে পারে না। ওদিকে আবার আরিফের সাথে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমায় যদি সহ্য নাই করতে পারবে তবে কেন সে... মর*তে গিয়ে এটা সাথে রাখবে?"
নেপোলিয়নের সাড়াশব্দ না পেয়ে তার ভাবুক সত্ত্বা ফের আড়ালে যায়। সাধারণত সে বাড়ি এলে নেপোলিয়ন এসে তার কাধে ওঠে কামড় দেয়, তার পিছু পিছু হাঁটে। ব্যতিক্রমী ঘটনায় সে চিন্তিত হয়ে বারান্দায় যায়। সেখানে গিয়ে তার চক্ষু চড়কগাছ হয়। নেপোলিয়ন তার অনুমতি ছাড়াই মেয়ে পটিয়ে খাঁচায় এনে ঘর বেঁধেছে। বউয়ের গায়ে মাথা ঘসে ঠোঁটে করে খাবারও খাইয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। ফারহান ধমকে বলে,“কী রে নেপু! তোর সাহস তো কম না। আমাকে না জানিয়ে বউ এনেছিস! তোর এই বিয়ে আমি মানি না।"
তার ধমকে নেপোলিয়ন পাত্তা না দিলেও তার বউ ভয় পেয়ে ডানা ঝাপটাতে শুরু করলো। গুটিয়ে এক কোণে বসে রইল। নেপোলিয়ন তাকে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করে। টানা টানা স্বরে বলে,“আই লাভ উউউ..."
যেন বাপের মতামতকে কাঁচকলা দেখাচ্ছে সে। ফারহান আরেকটু এগিয়ে গিয়ে লক্ষ্য করলো মেয়ে পাখিটির পেটের দিকটা ফোলা। ফারহান হতভম্ব হয়ে বলল,“এটা তুই কী করে করতে পারলি রে নেপু? বিশ্বাসঘাতক মির্জাফর। তোকে ত্যাজ্য করবো। বাপের এখনো গতি হয় নি এদিকে উনি বাচ্চাও পয়দা করে ফেলছেন। চরিত্রহীন ছেলে কোথাকার।"

গল্পঃ #দেওয়ালপারের_দ্বন্দ্ব (পর্বঃ ১৩)
লেখনীতেঃ Tashfiah's diary
পর্ব লিংকঃ
https://www.facebook.com/share/p/1UbKgX8sZj/

গগনে মেঘেদের আনাগোনা। বৃষ্টি আসার অশনিসংকেত। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি থেকে তা ঝমঝমিয়ে নামল। বিজলি চমকে উঠল ক্ষণিক পল। বৃষ্টি ...
19/08/2026

গগনে মেঘেদের আনাগোনা। বৃষ্টি আসার অশনিসংকেত। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি থেকে তা ঝমঝমিয়ে নামল। বিজলি চমকে উঠল ক্ষণিক পল। বৃষ্টি ধ্বনি চারদিকে তরঙ্গিত হচ্ছে। টপটপ ফোঁটায় ফোঁটায় বৃষ্টি পড়ছে হামিদের গায়ে। ঘামে ভেজা দেহাবরণ ভিজে চুপচুপে হয়ে গেল মুহূর্তেই। কাঁপন টের পেল শরীরে। হামিদ পাত্তা দিল না, পাত্তা দেয়ার সময় তার নেই। পুরো জমিতে কয়েকবার চক্কর লাগাতে হবে। অন্যের জমি, অন্যের হালের বলদ। হামিদ সেখানে কৃষাণ শ্রমিক। লাঙল দিয়ে হালচাষ করতে করতে হামিদের দুহাতে ঘা দেখা দিয়েছে। কর্দমাক্ত নরম মাটি পেরিয়ে যখন বলদের পেছনে ছুটে চলে সেসময় আর হাঁপিয়ে ওঠার ফুসরৎ মেলে না। টাকার চিন্তা ও ঘরে পঙ্গু মেয়ের উৎকন্ঠায় পায়ের গতি বাড়ায়। শরীরের পুঞ্জীভূত শক্তি ফুরিয়ে যাওয়ার মুহূর্তে আবারও নতুন উদ্যমে এগিয়ে চলে। নিজের ঘা যুক্ত হাত কিংবা পায়ের দিকে নজর দেয়ার সময় তার নেই। শিউলি গতরাতে না বললে সে এসব খেয়ালও করতো না। তাকে প্রচুর টাকা জোগাতে হবে। ঝড়, বৃষ্টি, বাদলা এসব তাকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। অমানসিক হাড়ভাঙা খাটুনি শেষে এ কাজে তার দৈনিক মজুরি পঞ্চাশের ওপার হওয়া মুশকিল। জিরিয়ে নিতে গেলে সেই মজুরির পরিমাণও যদি কমে যায়!

গল্পঃ #শিউলি_ফুল
লেখনীতেঃ তাজরীন ফাতিহা

[এই বাস্তব চিত্র গুলোর জন্যই এই গল্পটা আমার এতো পছন্দ হয়েছে।]

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bookish Lens by Maksura posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category