03/01/2026
একটি নতুন বিশ্বের ক্ষমতায়ন বা নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার নিয়ে প্রথম কথা বলেছিলেন প্রাক্তন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ সিনিয়র। সেই আশির দশকে। সেই তখন থেকে তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পায়তারা শুরু হয়। বর্তমান আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, রাশিয়ার পুতিন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইস্রাইলের নেতানিয়াহু সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবে রুপ দিতে মাঠে নেমেছে গত কয়েক বছর যাবত।
দক্ষিন আমেরিকার ভেনেজুয়েলায় সশস্ত্র আক্রমন এবার দক্ষিন আমেরিকাকে টেনে আনবে এই অশুভ শক্তির মহিরুহরা। উত্তর আমেরিকাকে বৃহত্তর আমেরিকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে মাঠে নেমেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ভেনেজুয়েলা দিয়ে শুরু। ১৮শ'র ম্যানিফেস্ট ডেস্টিনির মত পশ্চিম মূখি সশস্ত্র যুদ্ধ যেমন আদি আমেরিকান ও মেক্সিকো থেকে জায়গা দখল ও জেনোসাইড ঘটিয়েছিলো তৎকালীন উত্তর আমেরিকা, ঠিক সেভাবেই এবার দক্ষিনমূখি অভিযান শুরু।
নাইজেরিয়ায় বোমাবর্ষন তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধের আরেকটি চ্যাপ্টার। আফ্রিকার দূর্লভ মিনারেল ও তৈল/গ্যাস কুক্ষিগত করতে আমেরিকার পায়তারা। অনেক আগের থেকেই ফ্রান্স আফ্রিকাকে চুষে চুষে খাচ্ছিলো। সাথে ছিলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশ। এবার আমেরিকার পালা।
ইউক্রেনে যুদ্ধ বাঁধিয়ে এই পশ্চিমা বিশ্ব ব্যস্ত রেখেছে রাশিয়াকে। কিন্তু ইউরোপেও যুদ্ধ লাগলো বলে।
তাইওয়ান নিতে চায়নার আগ্রাসন, জাপান-চায়না বাকবিতণ্ডা, ভারতের আভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতা, বাংলা-পাক সম্পর্কের পূণ:জাগরন, মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্র গুলোর বিপুল পরিমানে অস্ত্র, উড়োজাহাজ, বোমারু বিমান, ও যুদ্ধজাহাজ ক্রয়, এবং একে অপরের প্রতি হিংসা (উদাহরণ: ইয়েমেনের বিরুদ্ধে সৌদি, সৌদির বিরুদ্ধে ইউ এ ই ও ইরান, সিরিয়ায় ইস্রাইলী পদচারনা (উদাহরণ: গোলান হাইটস), তুরস্ক ও ইস্রাইলের যুদ্ধংদেহী মনোভাব, ইত্যাদি তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধের দামামাকে বাস্তবায়ন করছে।
তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধে আপনাকে স্বাগতম। এই বিশ্বযুদ্ধ সরাসরি সম্প্রচার করবে ক্যাবেল টিভি মিডিয়া, ও সমগ্র ইন্টারনেট।
আপনাদের অংশগ্রহণ সকলের কাম্য! জ্বালিয়ে দাও, পুড়িয়ে দাও!!!