08/05/2025
وَ لَقَدۡ بَعَثۡنَا فِیۡ كُلِّ اُمَّۃٍ رَّسُوۡلًا اَنِ اعۡبُدُوا اللّٰهَ وَ اجۡتَنِبُوا الطَّاغُوۡتَ ۚ فَمِنۡهُمۡ مَّنۡ هَدَی اللّٰهُ وَ مِنۡهُمۡ مَّنۡ حَقَّتۡ عَلَیۡهِ الضَّلٰلَۃُ ؕ فَسِیۡرُوۡا فِی الۡاَرۡضِ فَانۡظُرُوۡا كَیۡفَ كَانَ عَاقِبَۃُ الۡمُكَذِّبِیۡنَ ﴿۳۶﴾ [১৬:৩৬]
আর আমি অবশ্যই প্রত্যেক জাতিতে একজন রাসূল প্রেরণ করেছি যে, তোমরা আল্লাহর ইবাদাত কর এবং পরিহার কর তাগূতকে। অতঃপর তাদের মধ্য থেকে আল্লাহ কাউকে হিদায়াত দিয়েছেন এবং তাদের মধ্য থেকে কারো উপর পথভ্রষ্টতা সাব্যস্ত হয়েছে। সুতরাং তোমরা যমীনে ভ্রমণ কর অতঃপর দেখ, অস্বীকারকারীদের পরিণতি কীরূপ হয়েছে।
-আল-বায়ান,
[সূরা নাহল আয়াত ৩৬ ]
মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহাব ইবনে সুলাইমান তামীমী রহিমাহুল্লাহ
শাইখ যখন দিরিয়ায় আসলেন তখন জানতে পারলেন যে, সেখানে এমন একটি খেজুর গাছ রয়েছে, যাকে অঞ্জেল ফাহল বা ফাহলান বলা হতো। এই খেজুর গাছের ব্যাপারে তাদের ধারণা ছিল, কোন মহিলার বিয়ে হতে দেরী হলে কিংবা তাকে বিয়ের জন্য কেউ প্রস্তাব না দিলে সে এ খেজুর গাছটিকে জড়িয়ে ধরলে এবং বলতো: يا فحل الفحول أريد زوجا قبل الحول। হে সকল ষাঁড়ের সেরা ষাঁড়! বছর পূর্ণ হওয়ার পূর্বেই তোমার কাছে একজন স্বামী চাই। তাদের ধারণা ছিল, এভাবে এই গাছকে জড়িয়ে ধরলে অবিবাহিত মহিলাদের দ্রুত বিবাহ সম্পন্ন হত এবং বিয়ে হয়ে গেলে তারা ঐ গাছকেই বিয়ে হওয়ার কারণ মনে করতো। তাদের মূর্খতা এতদূর গিয়ে পৌঁছেছিল যে, কোন মহিলা গাছটিকে জড়িয়ে ধরার পর যখন তার বিয়ের প্রস্তাব আসতো, তখন তারা বলতো, তোমাকে এ গাছটি সাহায্য করেছে। অতঃপর শাইখের আদেশে গাছটিকে কেটে ফেলা হয়। আল্লাহ তা‘আলা শিরকের এ মাধ্যমটিকে চিরতরে মিটিয়ে দিলেন।
দোষ গাছের নয়, দোষ আমাদের—আমরাই শিরকে লিপ্ত৷ আল্লাহ আমাদের সঠিক হিদায়াত দান করুন।
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,
"যদি কিয়ামত এসে পড়ে আর তোমাদের কারো হাতে একটি গাছের চারা থাকে, তবে সে যেন তা রোপণ করে ফেলে, যদি সে তা করতে সক্ষম হয়"