01/06/2026
নাক্কির পোলার কাহিনী নাক্কির পোলার এক সময় থাকার যায়গা ছিল না বৈদেশ থাকত তার বড় ভাইর মাইড়ের ভয়ে নাক্কির পোলা আমাদের বাসায় চুরের মত ছুটি কাটাইয়া বৈদেশ চলে যেত এভাবেই তার দিনাতিপাত হইত। একদিন তার ঘর আলোকিত করে এক ছেলে সন্তান আসল আমরা খুব খুশি তাও হাসপাতাল থেকে আমাদের বাসায়।তার সন্তানের হাসপাতালের বিল ১২৭০০ টাকা তাও পরিশোধ করা অসম্ভব ছিল। আমার বাবা অনেক ম্যাকানিজম করে ৭৯০০ টাকা দিয়ে শেষ করে। তখন আমার বাপ তার বাপের কাম করছিল। এখন শহরে বাড়ি আছে বাড়িওয়ালা হইছে। নাক্কির পোলা থেকে চৌকির পোলা হইছে যাই হউক গল্প এখানে ও শেষ হয় নি লিখে শেষ করা যাবে না আস্তে আস্তে বলব মাঝ খানে আর একটা ক্যারেকটার নিয়ে গল্প বলি রামু কাকা রেইসকোর্স তার নিজস্ব বাড়ি মুচি র কাজ করত এখন সে রামু কাকা নেই। সারাজীবন জুতা সেলাই করত আমাদের জুতাও ওনি পলিস মালিসের কাজ করত কতটা সরল মানুষ ছিল রামু কাকা হঠাত রামু কাকা আর নাক্কির পোলার জীবন কাহিনীর পার্থক্য টা মনে পড়ে গেল ভাবলাম শেয়ার করে দেই। মোড়াল অফ দা স্টোরি হল বিটোইন টু ক্যারেকটার নাক্কির পোলা ভিএস রামু কাকা। নাক্কির পোলা আমারে টোক্কায় পাইয়া লই নাক্কির পোলা