Any's page

Any's page এ পেজে হাতের সেলাই করা নকশিকাঁথা, বেবি কাঁথা, বালিশের কুশন, রুমাল ইত্যাদি পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ

আল্লাহ মানুষকে অসম্ভব কষ্ট সহ্য করার ক্ষমতা দিয়েছেন। একজন শায়খ সবসময় বলতেন, দুনিয়াকে এমন ভাবে তৈরী করা হয়েছে যাতে এটি প্...
19/05/2026

আল্লাহ মানুষকে অসম্ভব কষ্ট সহ্য করার ক্ষমতা দিয়েছেন। একজন শায়খ সবসময় বলতেন, দুনিয়াকে এমন ভাবে তৈরী করা হয়েছে যাতে এটি প্রতি মূর্হতে তোমাকে দূঃখ কষ্ট দিবে। এটা অন্যতম বড় পরীক্ষা।

মানুষ মাত্রই চায় তার দূঃখ কষ্ট সাথে সাথে চলে যাক, এমন কিছু হোক যাতে তার আশেপাশের মানুষ গুলো অনুভব করে যে সে ভীষণ কষ্ট হচ্ছে। সে চায় তার কষ্ট নিয়ে সবাই তাকে সান্ত্বনা দিক, কথা বলুক।

প্রিয় ভাই/বোন, বিশ্বাস করুন, আপনার কষ্ট আপনি যতটা বুঝতে পারছেন তা এভাবে আর কেউ বুঝবেও না। হয়ত আপনি ভাবছেন আল্লাহ কে বলছেন তা ও কেন কষ্ট যাচ্ছে না? এটা ভেবে হতাশ হবেন না। হয়তো আল্লাহ আপনার ধৈর্য্যের পরীক্ষা নিতে চাচ্ছেন, নতুবা চাচ্ছেন আপনি দুআ কবুল করানো জন্য আরো বেশি নেক কাজ করুন।

প্রিয় ভাই/বোন, ক্ষতি নেই, হারাবার ও কিছু নেই। দুনিয়ার জীবন বড়ই সংক্ষিপ্ত। এক আল্লাহর উপর ভরসা করতে শিখুন।

আর জেনে রাখুন, যারাই আপনার প্রতি করা অবিচার, প্রতারণা, জু'লুম করেছে, তাদের এর প্রতিদান নিয়েই যেতে হবে; দুনিয়া কিংবা আখিরাত; শাস্তি পেতেই হবে। তাই সবর করুন। নিজেকে সান্ত্বনা দিন। বেশি বেশি দুআ করুন!

লেখা : সংগৃহীত

19/05/2026

এ সমাজে বাস্তবতা যে কতো কঠিন....

যিলহজ্জের ১০ দিনের আমল প্ল্যান -১ম দিনআজ থেকেই নিয়ত করি -  এই ১০ দিন আল্লাহর জন্য নিজেকে বদলানোর চেষ্টা করবো।• পাঁচ ওয়াক...
18/05/2026

যিলহজ্জের ১০ দিনের আমল প্ল্যান -

১ম দিন
আজ থেকেই নিয়ত করি - এই ১০ দিন আল্লাহর জন্য নিজেকে বদলানোর চেষ্টা করবো।
• পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ঠিক সময়ে পড়া
• বেশি বেশি ইস্তিগফার করা
• অন্তত ১ পারা কুরআন তিলাওয়াত
• সকাল-সন্ধ্যার যিকির করা

২য় দিন
আজ যিকিরের দিকে একটু বেশি গুরুত্ব দিই।
• আল্লাহু আকবার
• আলহামদুলিল্লাহ
• লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ
• সুবহানাল্লাহ

এই তাকবীরটিও বেশি বেশি পড়ি -
“আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ।”

ফাঁকে ফাঁকে পড়তে থাকি।

৩য় দিন
আজ নিজের অন্তরকে নিয়ে ভাবি।
• কারো প্রতি রাগ বা হিংসা থাকলে দূর করার চেষ্টা
• কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমা চাওয়া
• নিজের বদঅভ্যাস কমানোর নিয়ত করা

৪র্থ দিন
আজ কুরআনের সাথে সময় কাটাই।
• তিলাওয়াত
• অর্থ পড়া
• একটি আয়াত হলেও বুঝে আমল করার চেষ্টা

৫ম দিন
আজ দোয়ার দিন।
• নিজের জন্য
• পরিবারের জন্য
• উম্মাহর জন্য
মন খুলে আল্লাহর কাছে চাই।

৬ষ্ঠ দিন
আজ সদকার প্রতি গুরুত্ব দিই।
• সামর্থ্য অনুযায়ী দান
• কাউকে সাহায্য করা
• হাসিমুখে কথা বলাও সদকা

৭ম দিন
আজ নফল ইবাদতের দিকে মনোযোগ দিই।
• তাহাজ্জুদ
• সালাতুদ দুহা
• বেশি বেশি নফল সালাত

৮ম দিন
আজ নিজেকে একটু হিসাব করি।
• আমার কোন গুনাহটা বেশি হচ্ছে?
• কোন অভ্যাসটা আল্লাহ অপছন্দ করেন?
সেগুলো ছাড়ার চেষ্টা করি।

৯ম দিন - আরাফার দিন 🫶
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলোর একটি।
• রোযা রাখা
• বেশি বেশি দোয়া
• তাওবা ও ইস্তিগফার
• কুরআন তিলাওয়াত
• যিকিরে সময় কাটানো

১০ম দিন - ঈদুল আযহা 🌸
• ঈদের সালাত আদায়
• কুরবানি করা
• কুরবানির গোশত হকদারদের মাঝে বন্টন
• আল্লাহর শুকরিয়া আদায়
• পরিবার ও প্রিয়জনদের সাথে সুন্দর সময় কাটানো

এই ১০ দিন শুধু আমলের না, নিজেকে বদলে ফেলারও সুযোগ।
হয়তো এই দিনগুলোই হতে পারে আল্লাহর কাছে ফিরে আসার শুরু ইনশাআল্লাহ।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে যিলহজ্জের এই বরকতময় দিনগুলো সুন্দরভাবে কাজে লাগানোর তাওফীক দান করুন।
আমিন...!

ইয়া আল্লাহ 🤲আমাদের সকলকে জিলহজ্জের ১০ দিনের জন্য আফিয়াতের সাথে কবুল করুন। আমাদের গুনাহগুলোকে ক্ষমা আপনার অল্প সংখ্যক নেক...
18/05/2026

ইয়া আল্লাহ 🤲
আমাদের সকলকে জিলহজ্জের ১০ দিনের জন্য আফিয়াতের সাথে কবুল করুন। আমাদের গুনাহগুলোকে ক্ষমা আপনার অল্প সংখ্যক নেক বান্দাদের সাথে আমাদেরকেও কবুল করুন যাদের কথা আপনি পবিত্র কুরআনে বলেছেন।

বছরের শ্রেষ্ঠ ১০টি রাত হলো রমজানের শেষ দশক, আর বছরের শ্রেষ্ঠ ১০টি দিন হলো জিলহজ্বের প্রথম দশক। আল্লাহর কাছে এই ১০ দিনের আমল অনেক প্রিয়। জিলহজ্ব মাসের প্রথম ১০ দিনে আমরা যে আমলগুলো করতে পারি—

১। জিলহজ্বের প্রথম ৯ দিন নফল রোজা রাখা; বিশেষ করে আরাফার দিন :

জিলহজ্বের প্রথম দশকে রোজার বিষয়ে উম্মুল মুমিনীন হযরত হাফসা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন, ❝চারটি আমল রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনো ছাড়তেন না। আশুরার রোজা, জিলহজ্বের প্রথম দশকের (অর্থাৎ প্রথম নয় দিনের) রোজা, প্রত্যেক মাসের তিন দিনের রোজা, ফজরের আগে দুই রাকাত সুন্নত নামাজ।❞
— সুনানে নাসায়ী : ২৩৭৪; সহীহ ইবনে হিব্বান : ৬৪২২; মুসনাদে আহমাদ : ২৬৩৩৯।

রাসূল (ﷺ) বলেন, ❝আরাফার দিনের রোজার বিষয়ে আমি আল্লাহর নিকট আশা করি যে, তিনি এর দ্বারা বিগত বছর ও আগামী এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেবেন।❞
— সহীহ মুসলিম : ১১৬২

২। সামর্থ্য থাকলে হজ্জ ও উমরাহ করা :

আল্লাহ তা'আলা বলেন, ❝তাতে রয়েছে স্পষ্ট নির্দশনসমূহ, মাকামে ইবরাহীম। আর যে তাতে প্রবেশ করবে, সে নিরাপদ হয়ে যাবে এবং সামর্থ্যবান মানুষের উপর আল্লাহর জন্য বায়তুল্লাহর হজ্জ করা ফরজ। আর যে কু*ফরী করে, তবে আল্লাহ তো নিশ্চয় সৃষ্টিকুল থেকে অমুখাপেক্ষী।❞
— সূরা আল-ইমরান : ৯৭

৩। সামর্থ্য থাকলে কুরবানি করা :

❝কাজেই তুমি তোমার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে নামায আদায় কর এবং কুরবানী কর।❞
— সূরা আল-কাউসার : ২

৪। চুল ও নখ না কাটা :

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, ❝যখন তোমরা জিলহজ্ব মাসের (নতুন চাঁদ দেখতে পাও) আর তোমাদের কেউ কুরবানি করার ইচ্ছা করে, তবে সে যেন তার চুল না ছাটে ও নখ না কাটে।❞
— সহীহ মুসলিম : ১৯৭৭

৫। আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে তাওবাহ করা :

এ দিন গুলোতে তাওবাহ করে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করার একটি সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
❝হে মোমিনগণ! তোমরা আল্লাহর নিকট তাওবাহ কর—বিশুদ্ধ তাওবাহ; সম্ভবত তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের মন্দ কাজগুলো মোচন করে দেবেন এবং তোমাদের জান্নাতে প্রবেশ করাবেন যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত। সে দিন আল্লাহ লজ্জা দেবেন না নবীকে এবং তার মোমিন সঙ্গীদেরকে, তাদের জ্যোতি তাদের সম্মুখে ও দক্ষিণ পার্শ্বে ধাবিত হবে। তারা বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের জ্যোতিকে পূর্ণতা দান কর এবং আমাদেরকে ক্ষমা কর, নিশ্চয় তুমি সর্ব বিষয়ে সর্বশক্তিমান।❞
— সূরা আত-তাহরীম : ৮

৬। অধিক পরিমাণে আল্লাহর যিকির করা :

আল্লাহ ত'আলা বলেন, ❝যাতে তারা তাদের কল্যাণময় স্থানগুলোতে উপস্থিত হতে পারে এবং তিনি তাদেরকে চতুষ্পদ জন্তু হতে যা রিজিক হিসেবে দান করেছেন তার উপর নির্দিষ্ট দিনসমূহে আল্লাহর নাম স্মরণ করতে পারে।❞
— সূরা আল-হাজ্জ : ২৮

অধিকাংশ আলেম বলেছেন : এ আয়াতে নির্দিষ্ট দিন বলতে জিলহজ্বের প্রথম দশ দিনকে নির্দেশ করা হয়েছে। এ সময়ে আল্লাহর বান্দাগণ বেশি বেশি করে আল্লাহর প্রশংসা করেন, তার পবিত্রতা বর্ণনা করেন, তার নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করেন, কুরবানির পশু য*বেহ করার সময় আল্লাহর নাম ও তাকবীর উচ্চারণ করে থাকেন।
হাদিসে আছে চারটি বাক্য আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়।
ক. সুবহানাল্লাহ, খ. আলহামদুলিল্লাহ, গ. লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ঘ. আল্লাহু আকবর। এ দিনগুলোতে এ যিকিরগুলো করা যেতে পারে।

৭। বেশি বেশি তাকবীর, তাহলীল ও তাহমীদ পাঠ করা :

রাসুল (ﷺ) বলেন, ❝আল্লাহ তা‘আলার নিকট জিলহজ্বের দশ দিনের আমলের চেয়ে মহান এবং প্রিয় অন্য কোনো দিনের আমল নেই। সুতরাং, তোমরা সেই দিনগুলোতে অধিক পরিমাণে
তাসবিহ ( سُبْحَانَ اللّٰهِ ), সুবহানাল্লাহ
তাহমিদ ( ٱلْحَمْدُ لِلَّٰهِ ), আলহামদুলিল্লাহ
তাহলিল ( لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ ) লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ
ও তাকবির ( اللّٰهُ أَكْبَر ) আল্লাহ আকবার, পড়ো।❞
— মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৪৬; (হাদিসটির সনদ সহীহ)

এবং আরাফার দিন অর্থাৎ জিলহজ্বের ৯ তারিখ ফজর থেকে শুরু করে ১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর একাকী বা জামাতে নামাজ আদায়কারী, নারী অথবা পুরুষ— প্রত্যেকের জন্য একবার তাকবিরে তাশরিক —
(اَللهُ أَكْبَرُ، اَللهُ أَكْبَرُ، لَاإِلَهَ إِلاَّ اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ، اللهُ أَكْبَرُ وَلِلهِ الحَمْدُ)
পাঠ করা ওয়াজিব। পুরুষরা উচ্চ আওয়াজে বলবে, আর নারীরা নিচু আওয়াজে।
— ইবনু তাইমিয়্যাহ, মাজমু‘উ ফাতাওয়া : ২৪/২২০; ইবনুল কায়্যিম, যাদুল মা‘আদ : ২/৩৬০; ইবনু আবিদিন, রাদ্দুল মুহতার : ৩/৬১।

৮। সকল প্রকার গুনাহ থেকে বিরত থাকা :

চারটি সম্মানিত মাসের একটি হলো জিলহজ্ব; তাই এই মাসের সম্মানে যথাসম্ভব সকল গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা।

আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ❝নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট সংরক্ষিত ফলকে (বছরে) মাসের সংখ্যা বারোটি—আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে। তার মধ্যে চারটি (মাস) সম্মানিত। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান; সুতরাং এর মধ্যে তোমরা (গুনাহ করার মাধ্যমে) নিজেদের প্রতি অত্যাচার করো না।❞
— সূরা আত-তাওবা : ৩৬

৯। বেশি বেশি নফল ইবাদত করা :

এই দিনগুলো বছরের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ, তাই অধিক পরিমাণে নেক আমল করা।

রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ❝আল্লাহ তা‘আলার নিকট জিলহজ্বের (প্রথম) দশ দিনের আমলের চেয়ে অধিক মর্যাদাপূর্ণ ও প্রিয় অন্য কোনো আমল নেই। সাহাবিগণ বললেন, ‘ইয়া রাসুলাল্লাহ! আল্লাহ রাস্তায় জি*হা/দও কি এর চেয়ে উত্তম নয়?’ তিনি বললেন, না। আল্লাহর রাস্তায় জি*হা/দও নয়। তবে যে ব্যক্তি তার জান ও মাল নিয়ে (জি*হা/দে) ঝাঁপিয়ে পড়লো এবং এর কোনো কিছু নিয়েই আর ফিরে এলো না (অর্থাৎ, শহীদ হয়ে গেলো, তার কথা ভিন্ন)।❞
— সহীহ বুখারী : ৯৬৯; মুসনাদে আহমাদ : ৬৫০৫; আবু দাউদ : ২৪৩৮।

❝জিলহজ্ব মাসের ১ম ১০ দিনের ফরজ ইবাদত অন্যান্য মাসের ফরজ ইবাদতের তুলনায় অধিক মর্যাদার। এই দশদিনের নফল ইবাদত অন্যান্য মাসের নফল ইবাদতের চেয়ে শ্রেষ্ঠ।❞
— ইবনু রজব, ফাতহুল বারি : ৯/১৫

১০। বেশি বেশি দান-সাদাকাহ করা :

দান-সাদাকাহ এমনিতেই গুরুত্বপূর্ণ নেক আমল। বিশেষ দিনে এর গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়। তাই জিলহজ্ব মাসে দান-সাদাকাহ করা বিশেষ সওয়াবের কাজ ও ফজিলতপূর্ণ আমল। অন্যের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার মর্যাদা সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, ❝যারা নিজের সম্পদ দিনে বা রাতে প্রকাশ্যে অথবা গোপনে আল্লাহর পথে খরচ করে তাদের পুরস্কার তাদের প্রতিপালকের কাছে আছে। তাদের কোনো ভয় নেই। তাদের কোনো চিন্তাও নেই।❞ — সূরা বাকারা : ২৭৪

আল্লাহ তা'আলা আমাদের সবাইকে এই আমলগুলো সহীহ নিয়তে আমল করার তাওফিক দান করুন।

লেখা : মাহমুদুল হাছান

#সীরাহ

একজন ভালোবেসে ফুল দিলো....... আমিও ভালোবেসে বইয়ের ভাঁজে গুজিয়ে দিলাম।  বলে কি ম্যাম......আপনাকে ভালোবেসে দিলাম।
17/05/2026

একজন ভালোবেসে ফুল দিলো.......
আমিও ভালোবেসে বইয়ের ভাঁজে গুজিয়ে দিলাম।

বলে কি ম্যাম......আপনাকে ভালোবেসে দিলাম।

নারীর পর্দা মানে শুধুই পোশাক নয়, বরং পোশাক হলো সামগ্রিক পর্দার একটি অংশ। পোশাক ছাড়াও সামগ্রিক পর্দার অন্যান্য অংশগুলো হল...
17/05/2026

নারীর পর্দা মানে শুধুই পোশাক নয়, বরং পোশাক হলো সামগ্রিক পর্দার একটি অংশ। পোশাক ছাড়াও সামগ্রিক পর্দার অন্যান্য অংশগুলো হলো—

১. ঘরের মধ্যে অবস্থান!
পর্দার সবচাইতে প্রথম অংশ হলো যে,
নারী অত্যাবশ্যকীয় কোনো প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে যাবে না।

২. ফ্রি-মিক্সিং থেকে পর্দা!
অর্থাৎ পরিপূর্ণ বোরকা পরিধান করলেও একজন নারী পর-পুরুষের মাঝে অবস্থান করবে না। গাইরে মাহরাম পুরুষ থেকে সে সর্বদা নিজেকে দূরে রাখবে। এমনকি বাড়ির ভেতরের গাইরে মাহরাম পুরুষদের
থেকেও পর্দা করবে অবশ্যই।

৩. চোখের পর্দা!
দৃষ্টির হেফাজত করাও পর্দার একটি অংশ। ঘরের মধ্যে হোক, কিংবা ঘরের বাইরে, কোনো নারী কোনো পর পুরুষের দিকে বাসনার সাথে তাকাবে না।

৪. কন্ঠের পর্দা!
গাইরে মাহরাম পুরুষের সাথে বিনা প্রয়োজনে সে কথা বলবে না। আর অত্যাবশ্যকীয় কোনো প্রয়োজনে কথা বলতে হলে সে গাম্ভির্যের সাথে কথা বলবে। কখনোই সুন্দর কণ্ঠে কথা বলবে না।

৫. সফরের পর্দা!
অত্যাবশ্যকীয় প্রয়োজনে নারীকে সফর করতে হলে, সে সর্বদা তার কোনো মাহরাম পুরুষের সাথে সফর করবে। সে কখনোই একাকী কিংবা কোনো গাইরে মাহরাম পুরুষের সাথে সফর করবে না।

৬. নির্জনতা থেকে পর্দা!
নিজের কোনো মাহরাম পুরুষ ছাড়া সে অন্য কোনো গাইরে মাহরাম পুরুষের সাথে এমনভাবে অবস্থান করবে না, যাতে সেখানে কেবল তারা দু'জনেই থাকে।

৭. সুগন্ধি থেকে পর্দা!
নারী সুগন্ধি মেখে এমন জায়গায় যাবে না, কিংবা এমন জায়গায় অবস্থান করে সুগন্ধি মাখবে না, যাতে করে স্বামী ছাড়া সুগন্ধির ঘ্রাণ অন্য কেউ পেয়ে যায়।

লেখা : সংগৃহীত

#সীরাহ

আলহামদুলিল্লাহ, শুকরিয়া আমার রবের, যিনি আমার জন্য  #শারিন সফি অদ্রিতা আপুর  #যিলহজ্জের আমল ডায়েরি বইটি কোন এক শুভাকাঙ্ক্...
14/05/2026

আলহামদুলিল্লাহ, শুকরিয়া আমার রবের, যিনি আমার জন্য #শারিন সফি অদ্রিতা আপুর #যিলহজ্জের আমল ডায়েরি বইটি কোন এক শুভাকাঙ্ক্ষী বোনের মাধ্যমে কবুল করছেন।আল্লাহ আপনি আপুদেরকে দুনিয়াও আখিরাতে উত্তম জাঝা দান করুন।
"জাঝাকিল্লাহ খইরান ফিদ্দুনীয়া ওয়াল আখিরাহ।"

হাদিয়া #তুহফাতুল ইলম বুক শপ থেকে 'স্টেট ফাস্ট" এ সার্ভিস দেওয়া হয়। আলহামদুলিল্লাহ আজ বিকেলে হাদিয়া হাতে পেলাম। হাদিয়া নিতে গিয়ে মনের মধ্যে ভয়..... আমি কি হাদিয়ার যথাযথ হক আদায় করতে পারব কিনা !..... হাত কাঁপছিল....
আল্লাহ আমাকেও উত্তম আমল ও যথাযথ হক আদায় করার তাওফিক দিন। "ওয়ামা তাওফিকি ইল্লাবিল্লা।"
এ বছর রমাদ্বানের মাঝখানে শারিন আপুর কোন এক পোস্ট পড়ে আমার ভালো লাগা থেকে আপু পেইজ ফলো দেওয়া........এর পর থেকে আপুর সাথে আমার আত্মার সম্পর্ক গড়ে ওঠে....সত্যি বলতে এর আগে আপুকে তেমন চিনতাম না।এখন
আপুর প্রতিটা লেখা, আমার জন্য রিমান্ডার। রমাদান ডায়েরির প্রতিটা দোয়া যেন আমার জন্য মহাওষুধ।
কেন জানেন,আমার রবের কাছে আমি ঠিক যে দোয়াগুলো করতে চাইতাম কিন্তু আমার দ্বারা পয়েন্ট টু পয়েন্ট মনে রেখে প্রোপারলি করা হয়ে ওঠতো না আর আপু ঠিক এই দোয়াগুলোই রমাদান ডায়েরিতে করেছেন, যে দোয়া আমাকে, আমার রবের সাথে কথা বলতে, সম্পর্ক মজবুত করতে সাহায্য করছে, দোয়াগুলো মনের শান্তি। যদিও আপু রমাদান ডায়েরি আমার কাছে ছিলো না এবং এখনও নেই কিন্তু আপু যে এফবি তে একেকটা দোয়ার পাঠ দিত,আমি গেলারিতে নিয়ে রাখতাম,আর অনেক অনেক দোয়া করা এবং মুখিয়ে থাকতাম কখন আসবে আরকটা দোয়ার পাঠ,আর তখন মনে হতো আপুর বইটি যদি আমার থাকত .......এভাবে কেটেছিল আমার রমাদান।
একাকিত্ব, কষ্ট,সবর, দোয়া সব মিলিয়ে আল্লাহ কবুল করলে এই বছর আমি আমার জীবনের শ্রেষ্ট রমাদান কাটিয়েছি। আলহাদুলিল্লাহ।
কিছু দিন আগে আপুর পেইজে যখন দেখতে পায়, আপুর 'যিলহজ্জের আমল ডায়েরি'আসতেছে তখন থেকেই আল্লাহর কাছে দোয়া করতেছি। আলহামদুলিল্লাহ আমার রব আমার জন্য ব্যবস্হা করে দিছেন।
আমার জীবনে আজকে প্রথম অনলাইন থেকে হাদিয়া পেলাম।আলহামদুলিল্লাহ।যদিও বই পড়ি না বা হাদিয়া পায়নি তেমন না..... সব অফলাইনে।
আপুদের জন্য অনেক অনেক দোয়া রইল।

একজন দ্বীনহীন পুরুষের জন্য একজন দ্বীনদার নারীর দ্বীনও নষ্ট হয়ে যায়.........বুঝতে গেলে অনেক ভারী একটা কথা।
13/05/2026

একজন দ্বীনহীন পুরুষের জন্য একজন দ্বীনদার নারীর দ্বীনও নষ্ট হয়ে যায়.........বুঝতে গেলে অনেক ভারী একটা কথা।

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Any's page posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category