Dachangnu Chowdhury

Dachangnu Chowdhury শব্দ দিয়ে আঘাত করো না ☘️♥️
(2)

লুঙ্গি, ধুতি খুলে যায় তাই পরি না!! অনেকদিন ধরে একটা বিষয় খেয়াল করছি। হয়তো অনেকের কাছে ভালো নাও লাগতে পারে। তাই পূর্বেই ক...
09/08/2026

লুঙ্গি, ধুতি খুলে যায় তাই পরি না!!

অনেকদিন ধরে একটা বিষয় খেয়াল করছি। হয়তো অনেকের কাছে ভালো নাও লাগতে পারে। তাই পূর্বেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। দেখুন, সংস্কৃতি চর্চা নির্ভর করে পুরুষ ও নারী উভয়ের উপর। শুধুমাত্র নারীরা পিনন-হাদি বা থামি পরলেই জাতির অস্তিত্ব টিকে থাকে না। পুরুষদেরও নিজেদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক লুঙ্গি বা ধুতি পরিধান করা দরকার। প্রায় সময় দেখা যায়, কোনো বিয়ের আমন্ত্রণে, কোনো আদিবাসী সংক্রান্ত প্রোগ্রামগুলোতে, কোনো সমাবেশগুলোতে নারীরা থামি পরে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু বেশিরভাগ পুরুষেরা সেখানে পরে আসেন প্যান্ট,শার্ট৷ যেন ওটাই তাদের কাছে সবচেয়ে কমফোর্টের একটি বিষয়।
(সবাই নয়, কেউ কেউ ব্যতিক্রম আছেন। লুঙ্গি পরে আসেন, সাথে থাকে ঐতিহ্যবাহী ব্যাগ। স্বিগ্ধ ও সুন্দর লাগে তাদের) 🌼🥰

কিন্তু বাস্তবতা হলো, নারীরাও যে খুব খুশি নিয়ে থামিটা পরেন এমন নন। তাদেরও কষ্ট হয়, বারবার ঠিক করতে হয়, সবার সামনে ঠিক করাও যায় না, মাঝে মাঝে অস্বস্তি কাজ করে৷ তবু তারা পরেন জাতির প্রতি টান থেকেই। কিংবা পরাটা উচিত বলে মনে করেই।

কিন্তু পুরুষদের ক্ষেত্রে দিন দিন এ চর্চাটা কমে আসছে। বিহারে গেলেও প্যান্ট শার্ট, কোনো নবীন বরণ বা বিদায় অনুষ্ঠানে গেলেও প্যান্ট শার্ট, এমনকি আদিবাসী দিবসের মতো গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানেও সবাইকে লুঙ্গি বা ধুতি পরতে দেখা যায় না। যদি তাদের জিজ্ঞেস করা হয় কেন তারা পরেন নি? তাহলে তাদের উত্তর থাকে, "পরতে পারি না, খুলে যায় বা চলাফেরায় অসুবিধা হয়।" কিন্তু এটা কি উদ্বেগের বিষয় নয়?

সংস্কৃতি তখনই টিকে থাকে যখন এটি দৈনন্দিন জীবনে অনুশীলন করার প্রচেষ্টা করা হয়। যদি নানা অজুহাতে ছেলেরা লুঙ্গি পরাটাকে এড়িয়ে চলেন তাহলে একপাক্ষিক সংস্কৃতিচর্চা তৈরি হবে যা মোটেই কাম্য নয়।

অনেক বড় বড় প্রোগ্রাম যেটি আদিবাসী সংস্কৃতির সাথে সম্পর্কিত, সেখানেও দেখি, পুরুষ অতিথিদের প্রায়ই কোর্ট-টাই বা প্যান্ট-শার্ট পরে আসেন। মাঝে মাঝে তাদের গলায় শুধু ঐতিহ্যবাহী ড্রেসের উত্তরীয় ঝুলে। সেই অনুষ্ঠানে নারীদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরা দেখে তারা প্রশংসাও করেন। কিন্তু নিজের দিকে তাকাতে যেন তারা ভুলেই যান। মাঝে মাঝে তাদের বক্তব্যে ওঠে আসে, নারীদের উপরেই জাতি রক্ষার বড় দায়িত্ব। তারাই জাতির হাল ধরে থাকে। তাই তাদেরই সংস্কৃতি চর্চাটা বেশি করা উচিত। কিন্তু আসলেই কি তাই? একজন শিশুর কাছে যেরকম মা ও বাবা উভয়ই সমান গুরুত্বপূর্ণ তেমনি একটি জাতির অস্তিত্বও নারী ও পুরুষ উভয়ের উপর নির্ভরশীল।

কারো উপর একপাক্ষিক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে না দিয়ে আসুন, উভয়ে মিলে একটি শক্তিশালী ভিত তৈরি করি যার কারণে রক্ষা পাবে জাতিগত ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পোশাক। এমন একটি সমাজ বা অভ্যাস গড়ে তুলি যেখানে পুরুষেরা যেমন নিজের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে তেমনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে নারীরাও। কমে আসুক বিকৃত সংস্কৃতির চর্চাটা।

সকলকে আদিবাসী দিবস-২০২৬ এর নিরন্তর শুভেচ্ছা।

08/08/2026

গাছ লাগানো একটি পুণ্যের কাজ 😍☘️

প্রতিনিয়ত গরম পড়ছে। অসহ্য গরম। কিন্তু গাছের পরিমাণ কমে আসছে দিনদিন। এসি না লাগিয়ে গাছ লাগালে এ সমস্যাটা অনেকাংশে দূর হত। প্রকৃতি আর উন্নয়ন- এ দুটোকে একসাথে চলতে দেয়ার উপলব্ধিটা করার সময় এখন আমাদের এসে গেছে।

ভিডিওর শেষের ক্লিপটা আমার পছন্দের🌼

ধন্যবাদ ♥️

তখনই প্রাণ খুলে হাসি যখন আমার আশেপাশে আমার পছন্দের মানুষগুলো থাকে🌼😍হাসি জিনিসটা খুবই মূল্যবান। আমরা সবার সামনে হাসি না। ...
07/08/2026

তখনই প্রাণ খুলে হাসি যখন আমার আশেপাশে আমার পছন্দের মানুষগুলো থাকে🌼😍

হাসি জিনিসটা খুবই মূল্যবান। আমরা সবার সামনে হাসি না। হাসলেও হয়তো ভদ্রতার খাতিরে মুচকি হাসি দিয়ে থাকি। কিন্তু ভেতর থেকে হাসি তখনই আসে যখন আমরা মনে করি, আমাদের আশেপাশের মানুষগুলো নিরাপদ আর কেয়ারিং ☘️♥️

06/08/2026

অথেনটিক মুংডির স্বাদ 😋💥

রাঙামাটির কল্যাণপুরে পেট্রোল পাম্পের পাশে AchuGong মুংডির দোকানে গিয়েছিলাম। চেষ্টা করেছি অথেনটিক রিভিউ দিতে। অপেক্ষা করছি আরেকবার যাবো বলে। চাইলে রাঙামাটিবাসীরা আমাকে দাওয়াত দিতে পারেন 😍😁

The beauty of Khagrachhari ☘️I am proud of my hometown 💥♥️
05/08/2026

The beauty of Khagrachhari ☘️

I am proud of my hometown 💥♥️

গাছ লাগালাম☘️🌼করলিয়া প্রকল্পের উদ্যোগে মাটিরাঙ্গা-রামগড় সীমান্ত সড়কে প্রায় ৭০০ টি চারা( কৃষ্ণচূড়া, সোনালু, জারুল) লাগালা...
02/08/2026

গাছ লাগালাম☘️🌼

করলিয়া প্রকল্পের উদ্যোগে মাটিরাঙ্গা-রামগড় সীমান্ত সড়কে প্রায় ৭০০ টি চারা( কৃষ্ণচূড়া, সোনালু, জারুল) লাগালাম খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরাসহ জেলা পরিষদের সদস্য ধনেশ্বর ত্রিপুরা, গুইমারা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান হরিপদ ত্রিপুরা, মাটিরাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম এবং মাটিরাঙ্গার ধনিরাম পাড়ার কার্বারী ধরনী ত্রিপুরা মহোদয়দের সাথে।

এ সময় প্রকল্পের টেকনিক্যাল অফিসার, মনিটরিং অফিসার, উপজেলা ক্লাইমেট ফ্যাসিলিটেটর, নারী জলবায়ু সহনশীল কমিটির নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধি ও স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।

ভাবতেই ভালো লাগছে, একদিন এ চারাগুলো বড় হয়ে সীমান্ত সড়কের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবে ☘️🌼

30/07/2026

সুন্দর একটি দিন কাটলো তৃণমূল উন্নয়ন সংস্থার সাথে 🌼

"পার্বত্য চট্টগ্রামে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার বিরুদ্ধে এডভোকেসি ও মিডিয়া ক্যাম্পেইন" এ অংশগ্রহণ করেছি। পার্বত্য চট্টগ্রামের সিএসও-সিবিও নেটওয়ার্ক এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এমপাওয়ারমেন্ট প্রকল্প-এর সহযোগিতায় তৃণমূল উন্নয়ন সংস্থা (টিইউএস) এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে। প্রকল্পটি নাগরিকতা: সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ড (সিইএফ)-এর মাধ্যমে সুইজারল্যান্ড, কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক সহায়তায় পরিচালিত হচ্ছে।

তৃণমূল উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক রিপন চাকমা, প্রকল্প ব্যবস্থাপক শাশ্বতী দেওয়ান এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারিয়া সুলতানাসহ জ্ঞানীগুণী ব্যক্তিবর্গের বক্তব্যে অনেককিছু শিখার সুযোগ হয়েছে।

আমরা অনেকে জানি না, ব্যক্তিগত সীমারেখা কী। ব্যক্তিগত সীমারেখা হলো এমন কিছু নিয়ম বা সীমা, যা একজন মানুষ নিজের স্বাচ্ছন্দ্...
30/07/2026

আমরা অনেকে জানি না, ব্যক্তিগত সীমারেখা কী।

ব্যক্তিগত সীমারেখা হলো এমন কিছু নিয়ম বা সীমা, যা একজন মানুষ নিজের স্বাচ্ছন্দ্য, সম্মান, নিরাপত্তা ও মানসিক শান্তি রক্ষার জন্য নির্ধারণ করে। এটির মাধ্যমে সে অন্যদের জানিয়ে দেয়—কোন আচরণ সে গ্রহণ করবে, আর কোনটি করবে না।
যেমন ধরুন - আপনি রাত ১০টার পর ফোনে কথা বলতে চান না। সেটা আপনি অন্যদের জানালেন—এটি ব্যক্তিগত সীমারেখা। আপনি চান না, আপনার ছবি কেউ অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করুক, আপনি তাদের নিষেধ করে দিলেন। এটাও ব্যক্তিগত সীমারেখা।
কিন্তু খুবই দুুঃখের ব্যাপার হলো, আমরা নিজেরাই যেমন ব্যক্তিগত সীমারেখা রাখছি না, অন্যরাও অন্যদের ব্যক্তিগত সীমারেখাকে প্রতিনিয়ত লঙ্ঘন করছেন।

বিশেষ করে, মেয়েদের কথাই যদি বলি। অনেক কিশোরী বা তরুণীরা এখনও বুঝতে পারছেন না, কী ধরনের ছবি বা ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় দেয়া উচিত, কোনগুলো দেয়া উচিত না। এমন কিছু অঙ্গভঙ্গির ভিডিও বা ছবি তারা আপলোড করেন যা ভবিষ্যতে তাদের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। আবার, কিছু অতি উৎসাহী পুরুষও অন্যদের ব্যক্তিগত সীমারেখা বুঝেন না। তারা অনেক নারীর ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া নিয়ে এমন নোংরা ভাষায় সমালোচনা করেন যেটি মোটেই উচিত নয়। বিশেষ করে নারীদের পোশাক-আশাক বা শালীনতা নিয়ে কিছু পুরুষ অতিমাত্রায় ভাবেন এবং জ্ঞান দিতে চান। অথচ তারা বুঝেন না, কাউকে কঠোর ভাষায় শেখাতে গিয়ে তিনি কারো ব্যক্তিগত সীমারেখায় হাত দিয়ে ফেলছেন।

এরকম আরো দারুণ দারুণ জিনিস আমি শিখেছি গত ২৮ জুলাই ২০২৬ ইং তারিখে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে তৃণমূল উন্নয়ন সংস্থার "পার্বত্য চট্টগ্রামে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার বিরুদ্ধে এডভোকেসি ও মিডিয়া ক্যাম্পেইন" এ গিয়ে। ২-৩ ঘণ্টার এ সেশনে বুঝলাম, পৃথিবীতে যতকিছু বৈষম্য হচ্ছে তার মূলে রয়েছে ক্ষমতা। যার ক্ষমতা বেশি সে ক্ষমতাহীনকে শোষণ করছে এবং এটি চক্রাকারেই চলতে থাকে। একটি গবেষণাপত্র নিয়ে সেখানে আলোচনাও হয় যেখানে বলা হয় পার্বত্য চট্টগ্রামে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা শুধুমাত্র একটি সামাজিক সমস্যা নয়; বরং এটি ভৌগোলিক দুর্গমতা, সামাজিক বৈষম্য, প্রচলিত বিচারব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা, সেবার অপ্রতুলতা এবং নীতিগত ঘাটতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বিশেষ করে নারী ও কন্যাশিশু, আদিবাসী নারী এবং প্রতিবন্ধী নারীরা বহুমাত্রিক বৈষম্য ও সহিংসতার ঝুঁকিতে রয়েছেন। বক্তারা বলেন, বিদ্যমান আইন ও নীতিমালার কার্যকর বাস্তবায়ন, সচেতনতা স্বাস্থ্য, মনোসামাজিক, আইনি ও পুনর্বাসন সেবা, দ্রুত বিচার ব্যবস্থা, সাংস্কৃতিকভাবে সংবেদনশীল সেবা এবং স্থানীয় নেতৃত্ব ও সিএসও-সিবিও নেটওয়ার্কের সক্ষমতা বৃদ্ধি ছাড়া লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। পলিসি ব্রিফে সরকারের প্রতি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ভুক্তভোগী-কেন্দ্রিক সেবা সম্প্রসারণ, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি, পার্বত্য চট্টগ্রামভিত্তিক কৌশল ও পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ নিশ্চিতকরণ এবং দ্রুত বিচার ব্যবস্থা জোরদারের সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগী, এনজিও, সিএসও, প্রথাগত নেতৃত্ব এবং জাতিসংঘ সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। তৃণমূল উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক রিপন চাকমা, প্রকল্প ব্যবস্থাপক শাশ্বতী দেওয়ান এবং ইউএনও মহোদয় ফারিয়া সুলতানা স্যার উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানটিকে আরো সমৃদ্ধ করে তুলেছিলেন। এছাড়াও এ অনুষ্ঠানে সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যমকর্মী, নারী নেত্রী, যুব প্রতিনিধি এবং উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

একটি দারুণ সেশনে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য "তৃণমূল উন্নয়ন সংস্থা"-খাগড়াছড়ি কে ধন্যবাদ ❣️🙏

উল্লেখ্য, এমপাওয়ারমেন্ট প্রকল্প-এর সহযোগিতায় তৃণমূল উন্নয়ন সংস্থা (টিইউএস) এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে। প্রকল্পটি নাগরিকতা: সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ড (সিইএফ)-এর মাধ্যমে সুইজারল্যান্ড, কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক সহায়তায় পরিচালিত হচ্ছে।



শুভ সকাল! 💛সকলকে আষাঢ়ী পূর্ণিমার শুভেচ্ছা 🌼জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক 🙏
29/07/2026

শুভ সকাল! 💛

সকলকে আষাঢ়ী পূর্ণিমার শুভেচ্ছা 🌼
জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক 🙏

সঞ্চালনা একটা নেশার মতো 🥰🌼এটি এমন একটি নেশা যেটা করতে আমি কখনো বিরক্তবোধ করি না। বরং দারুণ উপভোগ করি। অনুষ্ঠান শেষে যখন ...
25/07/2026

সঞ্চালনা একটা নেশার মতো 🥰🌼

এটি এমন একটি নেশা যেটা করতে আমি কখনো বিরক্তবোধ করি না। বরং দারুণ উপভোগ করি। অনুষ্ঠান শেষে যখন মাননীয় ভিসি মহোদয়ের নিকট হতে প্রশংসার কথা আরেক ম্যামের মাধ্যমে শুনি, তখন আমার পরিশ্রমগুলো যেন মুহূর্তে ভালোবাসায় রূপ নিয়েছিল।

তাং- ২৩ জুলাই ২০২৬, প্রীতিলতা হল 🧡

Address

University Of Chittagong
Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dachangnu Chowdhury posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Dachangnu Chowdhury:

Shortcuts

Share