Anonymous Poet

Anonymous Poet আমি মরে গেলে আমার "
এপিটাফে লিখে দিও..!
সে অনেক বছর ঘুমাইনি এখন ঘুমাচ্ছে..?

06/04/2026

‎সে আমাকে জিজ্ঞেস করলো ;
‎আপনি ক্যান আমার প্রেমে পড়লেন না?
‎আমি তারে কইলাম;
‎আপনি সঠিক মানুষ, তাই আপনার প্রেমে পড়িনি।
‎সে আমারে জিজ্ঞেস করলো ;
‎মানুষ ক্যান সবসময় ভুল মানুষের প্রেমে পড়ে ?
‎আমি তারে কইলাম; কষ্ট পাওয়ার লাইগা.!

02/04/2026

[ রাত তিনটের বিষাদগাথা: এক নিঃশব্দ হাহাকারের নাম ]

এখন রাত তিনটে। ঘড়ির কাঁটার টিকটিক শব্দটা ছাড়া আর কোথাও কোনো আওয়াজ নেই। সারা পৃথিবী এখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, অথচ আমার চোখে এক ফোঁটা ঘুম নেই। ঘুমের বদলে আজ চোখে বাসা বেঁধেছে শ্রাবণের ধারা। চোখের কোণে জমা হওয়া সেই নোনা জলগুলো গাল বেয়ে বালিশে মিশে যাচ্ছে, ঠিক যেমন করে আমার সব স্বপ্ন আজ বালুচরে মিশে গেছে। সবাই বলে রাত নাকি শান্তির, কিন্তু আমার কাছে এই রাত তিনটে মানে এক বিভীষিকা। এই সময়েই তো স্মৃতির জানলাগুলো সব একসাথে খুলে যায়, আর তোমার কথাগুলো তীরের মতো এসে বুকে বিঁধতে থাকে।
হাতে থাকা মোবাইলের স্ক্রিনে বারবার তোমার ফেসবুক প্রোফাইলটা খুলছি। তোমার ওই হাসি মাখা ছবিটার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে কখন যে বুকটা হু হু করে উঠছে, টেরই পাচ্ছি না। ছবিতে তোমাকে কতটা সুখী লাগছে, কতটা প্রাণবন্ত! অথচ সেই হাসির কারণ হওয়ার কথা ছিল আমার। আজ আমি তোমার কাছে এক 'অপশক্তি', এক ভয়ের নাম। তুমি আমার ছায়া দেখতে চাও না, আমার অস্তিত্ব মুছে ফেলতে চাও। কিন্তু এই যে আমি এখানে বসে তিল তিল করে শেষ হয়ে যাচ্ছি, আমার এই হাহাকার কি তোমার ছবির ওই হাসিতে একবারও বাধা দেয় না?
জানো, ছবিগুলো দেখলে মনে হয় সব আগের মতোই আছে। সেই চোখের মায়া, সেই চেনা চাহনি—সবই তো এক। শুধু বদলে গেছে আমাদের মাঝখানের পৃথিবীটা। একসময় আমি তোমাকে বলেছিলাম, তোমাকে হারানোর ভয়ে আমি পুরো পৃথিবী ধ্বংস করে দিতে পারি। সেই জেদটা আজ আমার নিজের ওপর প্রতিশোধ নিচ্ছে। আমি আজ পৃথিবীকে নয়, বরং নিজেকেই ধ্বংসের কিনারে নিয়ে দাঁড় করিয়েছি। তুমি ভেবেছিলে আমি তোমার ক্ষতির কারণ হবো, কিন্তু তুমি কি জানো? এই রাত তিনটেয় জেগে থাকা মানুষটা নিজের সবটুকু শক্তি দিয়ে শুধু তোমার মঙ্গলটুকুই চেয়ে যাচ্ছে।
ফেসবুকের ওই চারকোণা স্ক্রিনটা আজ আমার আর তোমার মাঝখানে এক দুর্ভেদ্য দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমি জানি, তুমি হয়তো এখন নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছো, হয়তো তোমার স্বপ্নে আমি নামক কোনো উপদ্রব নেই। আর আমি এখানে বসে তোমার প্রতিটা ছবি জুম করে দেখছি, তোমার পুরনো স্ট্যাটাসগুলো পড়ছি আর ভাবছি—কোথায় ভুল ছিল আমাদের? কেন আমাদের এত সুন্দর মায়াটা আজ এমন তিক্ততায় রূপ নিল? কেন তুমি আমাকে এতটাই ভুল বুঝলে যে আজ আমাকে তোমার জীবনের অন্ধকার অধ্যায় মনে করো?
নিজেকে সামলানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছি, কিন্তু পারছি না। বুকের ভেতরটা কেমন যেন খালি খালি লাগছে, মনে হচ্ছে কেউ যেন কলিজাটা খামচে ধরে আছে। তোমাকে ছাড়া এই রাতগুলো কাটানো যে কতটা অসম্ভব, তা তুমি কোনোদিন বুঝতে পারবে না। তোমার প্রতি এই যে আমার অবুঝ টান, এই যে গভীর মায়া—এটা কোনোদিন ফুরোবার নয়। তুমি আমার ছায়া এড়িয়ে চলতে পারো, কিন্তু আমার এই নিঃশব্দ প্রার্থনাগুলো সবসময় তোমার চারপাশে বাতাসের মতো মিশে থাকবে।
রাত বাড়ছে, অন্ধকার আরও ঘনীভূত হচ্ছে। চোখের জলগুলো শুকিয়ে গিয়ে এখন চোখে এক ধরণের জ্বালা অনুভব করছি। আমি জানি না এই অপেক্ষার শেষ কোথায়, কিংবা আদতে কোনোদিন তোমার মনের সেই ভুলগুলো ভাঙবে কি না। তবে এটুকু জানি, আমি তোমার কোনো ক্ষতি করতে আসিনি। যে মানুষটা তোমার একটা হাসির জন্য নিজের পৃথিবী বাজি রাখতে পারত, সে কোনোদিন তোমার অমঙ্গল চাইতে পারে না।
এখনও জেগে আছি, হয়তো আরও অনেকক্ষণ জেগে থাকব। ভোরের আলো ফুটলে যখন পৃথিবী আবার ব্যস্ত হয়ে যাবে, তখন হয়তো আমি ক্লান্ত হয়ে একটু চোখ বোজাবো। কিন্তু আমার এই না-বলা কথাগুলো, এই রাত তিনটের হাহাকার—এগুলো কোনোদিন পুরনো হবে না। তুমি ভালো থেকো, তোমার ফেসবুকের ওই হাসিমাখা ছবিগুলো যেন সবসময় এমনই উজ্জ্বল থাকে। আর আমার এই চোখের জল না হয় এই নিঝুম রাতের ইতিহাস হয়েই থেকে যাক।

_Sarjis
_ Anonymous Poet

02/04/2026

পূর্ণজন্ম বলতে কিছুই নেই !
_Sarjis
_Anonymous poet

01/04/2026

[ নিঃশব্দ দহনের দিনলিপি: এক অপূর্ণ মায়ার উপাখ্যান]

আজ অনেক দিন হয়ে গেল তোমার কণ্ঠস্বর শুনি না, তোমার ওই মায়াবী মুখটা দেখি না। সময় যেন থমকে দাঁড়িয়ে আছে এক অদ্ভুত বিষণ্ণতায়। ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টাচ্ছে, দিন যাচ্ছে, রাত আসছে—কিন্তু আমার পৃথিবীটা সেই দিনটিতেই আটকে আছে, যেদিন তুমি শেষবার আমার দিকে তাকিয়েছিলে। জানো, সবচেয়ে বেশি কষ্ট হয় তখন, যখন শুনি তুমি এখন আমার ছায়াটুকুও দেখতে চাও না। যে মানুষটার অস্তিত্ব একসময় তোমার পুরো আকাশ জুড়ে ছিল, আজ সেই মানুষটা তোমার কাছে একটা বিস্বাদ স্মৃতি? এই সত্যটা মেনে নেওয়া যে কতটা কঠিন, তা হয়তো আমি কাউকে কোনোদিন বোঝাতে পারব না।
আমি জানি না কেন তোমার প্রতি আমার এই মায়াটা দিন দিন বেড়েই চলেছে। লোকে বলে সময় নাকি সব ক্ষত সারিয়ে দেয়, কিন্তু আমার ক্ষেত্রে সময় যেন নুন হয়ে আমার ক্ষতে আছড়ে পড়ছে। আমি প্রতিদিন তিল তিল করে নিজেকে শেষ করে দিচ্ছি। আয়নার সামনে দাঁড়ালে আজ নিজেকেই চিনতে পারি না। চোখের নিচে কালসিটে পড়া এই মানুষটা কি আসলেই আমি? যে একসময় হাসতে জানত, স্বপ্ন দেখতে জানত? আজ আমার সব স্বপ্ন, সব ইচ্ছা যেন তোমার ওই অবহেলার অতল গহ্বরে তলিয়ে গেছে। তোমাকে ছাড়া এক মুহূর্ত ভালো থাকা তো দূরের কথা, প্রতিটি নিঃশ্বাস নিতেও আজ বুক ফেটে কান্না আসে।
কেন এই মায়া? কেন এই টান? আমি তো চেয়েছিলাম তোমাকে সুখী করতে। আমি তো বলেছিলাম তোমার জন্য পুরো পৃথিবীকে ধ্বংস করতে পারি। সেই কথাগুলো হয়তো আজ তোমার কাছে আতঙ্কের কারণ, তুমি হয়তো আমাকে আজ এক 'অপশক্তি' ভাবো। কিন্তু বিশ্বাস করো, আমার সেই জেদটা ছিল তোমাকে হারানোর ভয় থেকে। আমি তোমাকে আগলে রাখতে চেয়েছিলাম এক পাগলাটে প্রেমিকের মতো। আজ সেই পাগলামিটাই আমার জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। তুমি আমাকে ভুল বুঝে দূরে সরে গিয়েছো, আর আমি আজ নিজের ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে তোমার ফেরার পথ চেয়ে আছি।
মাঝে মাঝে মনে হয়, আমি যদি আসলেই খারাপ হতাম, তবে হয়তো আজ এত কষ্ট হতো না। অপরাধবোধ বা ঘৃণা থাকলে মানুষ সহজে ভুলে যেতে পারে, কিন্তু এক বুক মায়া নিয়ে কাউকে ভোলা অসম্ভব। তুমি আমার ছায়া দেখতে চাও না, অথচ আমি সারারাত জেগে তোমার একটা পুরনো মেসেজ বারবার পড়ি। তোমার দেওয়া সেই ছোট ছোট স্মৃতিগুলোই এখন আমার বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন। আমি জানি তুমি এখন অনেক শান্তিতে আছো, তোমার জীবনে হয়তো আমার কোনো প্রয়োজন নেই। কিন্তু আমার জীবনের প্রতিটা পাতায় যে তোমার নাম লেখা হয়ে গেছে, তা আমি ছিঁড়ে ফেলব কীভাবে?
নিজেকে শেষ করে দেওয়াটা হয়তো সহজ, কিন্তু তোমাকে ভুলে যাওয়াটা তার চেয়েও হাজার গুণ কঠিন। আমি প্রতিদিন নিজের সাথে যুদ্ধ করি। মনকে বোঝাই—সে তো আর ফিরবে না, সে তো তোমাকে ঘৃণা করে। কিন্তু এই অবুঝ মনটা কোনো যুক্তি মানে না। সে শুধু চেনে তোমার ওই মায়াবী হাসি আর তোমার সেই কণ্ঠস্বর। তোমার প্রতি এই টানটা এখন একটা নেশার মতো হয়ে গেছে, যা আমাকে ধীরে ধীরে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আমি জানি না এই পথের শেষ কোথায়, তবে আমি বুঝতে পারছি যে আমি আর আগের মতো নেই।
তুমি কি একবারও অনুভব করো না আমার এই নিঃশব্দ হাহাকার? তোমার কি একবারও মনে পড়ে না সেই দিনগুলোর কথা, যখন আমরা একে অপরের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিলাম? হয়তো পড়ে না। কারণ মানুষ যখন কাউকে অপশক্তি বা ভয়ের কারণ মনে করে, তখন সে কেবল নিজেকে বাঁচাতেই ব্যস্ত থাকে। কিন্তু আমি তোমাকে কথা দিচ্ছি, আমার এই ধ্বংস হয়ে যাওয়া কোনোদিন তোমার ক্ষতির কারণ হবে না। আমি নীরবে নিজেকে শেষ করে দেব, তাও তোমার চলার পথে কোনোদিন কালো ছায়া হয়ে দাঁড়াবো না।
ভোরের আলো ফোটার আগে যখন চারপাশটা একদম নিঝুম থাকে, তখন মনে হয়—যদি অলৌকিক কিছু ঘটত! যদি তুমি বুঝতে পারতে যে আমার ভেতরে কোনো বিষ নেই, আছে কেবল এক সাগর মায়া। কিন্তু বাস্তবতা বড় নিষ্ঠুর। তুমি আজ অনেক দূরে, আর আমি আজ নিজের তৈরি করা এই মায়ার জালে নিজেই বন্দী। নিজেকে শেষ করার এই মিছিলে আমি আজ একা এক পথিক। তবুও, দূর থেকে তোমার জন্য এক আকাশ শুভকামনা রইল। তুমি ভালো থেকো, তোমার পৃথিবীটা আলোয় ভরে উঠুক। আর আমার এই মায়া না হয় আমার সাথেই শেষ হয়ে যাক।
_Sarjis
_ Anonymous Poet

Address

Chattogram
Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Anonymous Poet posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category