Tasty Table Bhola

Tasty Table Bhola Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tasty Table Bhola, Art, Uttor Chornuabad, Bhola.

ইউনিক কিছু রান্না করতে বারাবরি আমার বেশ ভালো লাগে।তবে এখন আমার একটু আধটু কাকা কি করতে এবং ব্লকের কাজ করতে ভালো লাগে। তাই আপাতত একটু সাইড করে ব্লক কাজে ব্যস্ত 😍😍😍

পুজোর  কুর্তিতে কাজ  শুরু কার লাগ্লে নক করবেন
03/08/2026

পুজোর কুর্তিতে কাজ শুরু কার লাগ্লে নক করবেন

31/07/2026

জ্বীন যদি কোনো নারীর প্রতি আসক্ত হয়ে যায়, তার ভয়াবহতা কী হতে পারে?? কুড়িগ্রামের সত্য ঘটনা!!

কুড়িগ্রামের অনার্স পড়ুয়া তাসনিম নামের এক বোনের বাস্তব ঘটনা। পড়তে এসেছেন যখন, তখন শেষ পর্যন্ত পড়ুন। কারণ এই গল্পের প্রতিটি ঘটনা ধীরে ধীরে আপনাকে এমন এক অন্ধকার বাস্তবতার সামনে দাঁড় করাবে, যেখানে যুক্তি আর ভয়ের সীমারেখা এক হয়ে যায়।

ঘটনাটি আমি তাসনিমের ভাষাতেই বলছি—

ঈশান ভাই, আমি তাসনিম। বাড়ি কুড়িগ্রাম। অনেক ভেবে-চিন্তে আজ আমার দুর্বিষহ জীবনের ঘটনাগুলো লিখতে বসেছি। জানি, আমার সঙ্গে থাকা জ্বীনটি কাউকে কিছু বলা একদমই পছন্দ করে না। যখনই কাউকে বলতে যাই, তখনই সে রেগে গিয়ে আমার ওপর ভয়ংকর অত্যাচার চালায়।

ঘটনাটি বোঝার সুবিধার জন্য পরিবারের কথা একটু বলি। আমার বাবা একজন শিক্ষক। তিনি নিয়মিত নামাজ-কালাম পড়েন। আমার মা একজন ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজার। এক সময় মা খ্রিস্টান ছিলেন। পরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার পর আব্বুর সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়।

একটা সময় আমি খুব সাহসী এবং ভিন্নমতাবলম্বী ছিলাম। জ্বীন-ভূতের গল্প শুনলে হাসতাম। এসবকে মানুষের বানানো কল্পকাহিনি মনে করতাম। এক কথায় বলতে পারেন, আমি জ্বীনের অস্তিত্বই বিশ্বাস করতাম না।

এবার মূল ঘটনায় আসি।

আমার এসএসসি পরীক্ষার কয়েক মাস আগে, প্রতিদিনের মতো স্কুলে গিয়েছিলাম। দুপুর ১২টার দিকে বিপুল স্যার ক্লাস নিতে আসেন। আমি স্যারের দিকে তাকাতেই বুকের ভেতরটা হঠাৎ কেঁপে ওঠে।

আমি যা দেখলাম, তা আজও ভুলতে পারিনি।

স্যারের মুখটা যেন আর মানুষের মতো লাগছিল না। তিনি আমার দিকে চোখ দুটো অস্বাভাবিক বড় করে তাকিয়ে ছিলেন। ঠোঁটে এমন এক বিকৃত হাসি—যেন সেই হাসির ভেতর লুকিয়ে ছিল কোনো অজানা অন্ধকার।

আমি ভয়ে ঘামতে শুরু করি।

পাশে থাকা বান্ধবী বলল,
— "কী রে, তুই এভাবে ঘামছিস কেন? কী হয়েছে?"

আমি কাঁপা গলায় বললাম,
— "স্যারকে দেখ... উনি কী ভয়ংকরভাবে হাসছেন!"

সে অবাক হয়ে বলল,
— "কোথায়? স্যার তো একদম স্বাভাবিক!"

আমি চারদিকে তাকালাম...

এ কী! সেই হাসি শুধু আমিই দেখলাম। আর কেউ নয়।

সেই ঘটনার এক সপ্তাহ পর, দুপুরের বিরতির সময় স্কুলের পেছনের মাঝারি আকারের একটি তেঁতুল গাছের নিচে আমি আর আমার বান্ধবী গল্প করছিলাম।

হঠাৎ চারপাশের বাতাস যেন ভারী হয়ে গেল।

আমার নাকে এক অসহ্য পচা গন্ধ এসে লাগল।

কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই অনুভব করলাম, আমার পুরো শরীর অবশ হয়ে যাচ্ছে। দাঁড়িয়ে আছি, কিন্তু শরীরের একটি অংশও নাড়াতে পারছি না।

আমি কষ্ট করে বান্ধবীকে বললাম,
— "আমাকে ধর..."

কিন্তু তার দিকে তাকাতেই বুকটা হিম হয়ে গেল।

তার মুখেও সেই অদ্ভুত, ভয়ংকর হাসি...

চোখের সামনে সবকিছু ঝাপসা হয়ে গেল।

তারপর আর কিছু মনে নেই।

জ্ঞান ফিরলে দেখি, আমি বাসায় বিছানায় শুয়ে আছি।

সেদিন রাতে আমি আর আম্মু একসঙ্গে ঘুমিয়েছিলাম।

রাতের কোনো এক সময় হঠাৎ আমার খুব ইচ্ছে হলো মিষ্টি খেতে। এমন অদ্ভুত ইচ্ছে, যেন তখনই না খেলে শান্তি পাব না।

ভাবলাম, পানি খেয়ে আসি।

টেবিলের ওপর রাখা পানির গ্লাসের কাছে যেতেই দেখি—গ্লাসের পাশে চারটি মিষ্টি রাখা।

এক মুহূর্তও না ভেবে খেয়ে ফেললাম।

প্রায় এক ঘণ্টা পর আমার প্রচণ্ড বমি শুরু হলো। পেটে ব্যথা, শরীর দুর্বল।

আব্বু-আম্মু আমাকে ডাক্তার দেখাতে নিতে চাইছিলেন। আমি বললাম,

— "গ্লাসের পাশে যে মিষ্টিগুলো ছিল, সেগুলো খাওয়ার পর থেকেই এমন হচ্ছে। মনে হয় নষ্ট ছিল।"

আমার কথা শুনে আব্বু আর আম্মু একে অপরের দিকে তাকিয়ে রইলেন।

তারপর বললেন,

— "তাসনিম... কোন মিষ্টি? ঘরে তো কোনো মিষ্টিই ছিল না। গ্লাসে শুধু পানি রাখা ছিল।"

আমি যতই বললাম, কেউ বিশ্বাস করল না।

কারণ...

তাদের চোখে সেখানে কোনো মিষ্টি কখনো ছিলই না।

৩ ডিসেম্বর ২০২০।

আমার জন্মদিন।

সেদিন বাবা-মা আমাকে অনেক উপহার দিয়েছিলেন। খুব আনন্দে রাতের দিকে নিজের রুমে ঘুমাতে গেলাম।

রাত আনুমানিক ২টা।

হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেল।

চোখ খুলতেই ডিমলাইটের ক্ষীণ আলোয় দেখলাম...

আমার বিছানার সামনে একটি ঘন কালো ছায়া দাঁড়িয়ে আছে।

আমি চিৎকার করতে চাইলাম।

কিন্তু গলা দিয়ে একটি শব্দও বের হলো না।

হাত-পা সম্পূর্ণ অবশ।

আমি শুধু অসহায়ের মতো তাকিয়ে আছি।

প্রায় এক মিনিট পর ছায়াটি টিপটিপ পায়ে জানালার দিকে এগিয়ে গেল...

আর মুহূর্তের মধ্যেই অন্ধকারে মিলিয়ে গেল।

তখনই বুঝলাম, আমার হাত-পা আবার নড়ছে।

আমি দ্রুত উঠে লাইট জ্বালানোর জন্য পেছনের সুইচবোর্ডের দিকে তাকাতেই...

দেখি, বিছানার এক কোণায় একজন বৃদ্ধ বসে আছেন।

তাঁর চোখদুটো আমার দিকেই স্থির।

আমি আবার চিৎকার করতে যাব...

ঠিক তখনই তিনি ধীরে ধীরে মুখ খুললেন।

আর তাঁর জিহ্বা...

অস্বাভাবিক লম্বা হয়ে আমার গলার দিকে এগিয়ে এল।

এরপর আর কিছু মনে নেই।

আমি অজ্ঞান হয়ে যাই।

জ্ঞান ফিরলে দেখি সকাল হয়ে গেছে।

আব্বু, আম্মু, আমার আঙ্কেল আর একজন হুজুর দাঁড়িয়ে আছেন।

হুজুর আমার মাথায় হাত রেখে দোয়া-কালাম পড়ছিলেন।

আমি এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছিলাম যে নিজের শরীরেও কোনো শক্তি অনুভব করছিলাম না।

তিনি কিছু তাবিজ, তেল আর পড়া পানি দিয়ে বললেন,

— "আজ চিকিৎসা করলাম। কাল বুঝতে পারব, ওর সঙ্গে কিছু আছে কি না।"

কিন্তু পরদিন...

সেই হুজুরই বললেন,

— "এই রোগী আমার দ্বারা সামলানো সম্ভব নয়। আপনারা অন্য কোথাও নিয়ে যান।"

আমরা সবাই হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম।

এরপর টানা সাত মাস আর কিছুই হয়নি।

আমরা ভেবেছিলাম সব শেষ।

কিন্তু বুঝিনি...

এটা ছিল ঝড় শুরু হওয়ার আগের অস্বাভাবিক নীরবতা।

সেই সাত মাসের মধ্যেই আমার এসএসসি পরীক্ষাও শেষ হয়।

তারপর...

একদিন আমাদের এক কাজিনের নানু মা.রা যান। পুরো পরিবার সেখানে গিয়েছিলাম।

সব কাজ শেষ করে সন্ধ্যার দিকে বাসায় ফিরলাম।

রাত ১২টার দিকে ঘুমিয়ে পড়ি।

স্ব|প্নে দেখি...

স্কুলের সেই তেঁতুল গাছের নিচে একজন দাঁড়িয়ে আছে।

নীল রঙের ঢিলেঢালা পোশাক।

মুখের অর্ধেক কা|পড়ে ঢাকা।

হাত দুটো অস্বাভাবিক কালো।

নখগুলো লম্বা...

অমানুষিক।

সে শুধু তাকিয়ে হাসছিল।

হঠাৎ বজ্রের মতো গলায় বলল,

— "আজ যে হুজুর তোর চিকিৎসা করেছিল... তার সন্তান মা.রা যাবে। যে এতদিন আমাকে তোর কাছ থেকে দূরে রেখেছিল... এবার কেউ আর পারবে না।"

তারপর সে বলল,

— "আমার চোখের দিকে তাকাও।"

আমি ভয়ে তাকালাম।

আর তখনই...

তার চোখের ভেতরে আরেকটি জগৎ খুলে গেল।

আমি নিজেকে দেখলাম একটি ছোট নৌকায়।

চারদিকে সীমাহীন নীল সমুদ্র।

উত্তাল ঢেউ।

আকাশ আর পানির মাঝখানে শুধু আমি...

আর একজন অচেনা পুরুষ।

তার শরীর সুঠাম। পরনে নীল ঢিলেঢালা পোশাক। মুখে এক অদ্ভুত শান্ত ভাব—যেন সে এই ঝড়েরও অধিপতি।

ঢেউয়ের তাণ্ডবে নৌকাটি বারবার ডুবে যাওয়ার উপক্রম হচ্ছিল।

আমি আতঙ্কে তাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলাম।

সে কিছু বলল না।

শুধু বোবা মানুষের মতো হাতের ইশারায় বুঝিয়ে দিল—

"আমি আছি... তোমার কিছু হবে না।"

তার স্পর্শে এক অদ্ভুত নিরাপত্তা ছিল...

আবার সেই নিরাপত্তার ভেতরেই ছিল ব্যাখ্যা করা যায় না এমন এক অচেনা টান।

ঠিক তখনই আকাশ ফুঁড়ে বিশাল এক ঢেউ আমাদের দিকে ধেয়ে এলো।

আমি ভয়ে আরও শক্ত করে তাকে আঁকড়ে ধরলাম।

সে তার গায়ের নীল চাদর খুলে আমাকে পুরোপুরি ঢেকে ফেলল।

মুহূর্তের মধ্যে উন্মত্ত ঢেউ চাদরের ওপর আছড়ে পড়তে লাগল।

চাদরের নিচে আমরা দু'জন একে অপরের এতটাই কাছে ছিলাম, যেন পৃথিবীতে আর কেউ নেই।

সমুদ্রের গর্জন, শীতল বাতাস আর মৃ.ত্যুভয়ের মাঝেও তার বুকের স্পন্দন আমি স্পষ্ট অনুভব করছিলাম।

কতক্ষণ এভাবে ছিলাম জানি না।

হঠাৎ অনুভব করলাম...

আমাদের শরীরের ওপর আর সেই পোশাক নেই।

মনে হচ্ছিল সবকিছুই যেন উত্তাল স্রোত কেড়ে নিয়েছে।

সে তখনও আমাকে ঢেকে রেখেছিল।

কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়...

কয়েক মুহূর্ত আগেও যে সমুদ্র মৃ.ত্যু ডেকে আনছিল, সেটি এখন সম্পূর্ণ শান্ত।

আর আমি...

আমি আর ভয় পাচ্ছিলাম না।

বরং অদ্ভুত এক মোহে তার দিকেই তাকিয়ে ছিলাম।

সেই দৃষ্টিতে এমন কিছু ছিল, যা ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব।

ঠিক তখনই সবকিছু অন্ধকার হয়ে গেল।

স্ব|প্ন ভেঙে দেখি...

সকাল হয়ে গেছে।

আব্বু দরজায় দাঁড়িয়ে বললেন,

— "মা, তুই ঠিক আছিস?"

আমি বললাম,

— "হ্যাঁ... কেন?"

তিনি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন,

— "যে হুজুর তোর চিকিৎসা করেছিলেন, তিনি গত রাতে স্ব|প্নে দেখেছেন, একজন অচেনা লোক তাকে বলছে, ' ঐ মেয়েটাকে চিকিৎসা করার শাস্তি হিসেবে তোর সন্তানকে নিয়ে যাব।'"

আমি কিছু বলার আগেই আব্বু কাঁপা গলায় বললেন—

"আজ ভোরে হুজুর আর তাঁর স্ত্রী ঘুম থেকে উঠে দেখেন... সত্যিই তাঁদের ছোট সন্তানটি বিছানায় মৃ.ত অবস্থায় পড়ে আছে।"
..ঈশান ভাইয়া, সেদিন পর্যন্তও আমি বুঝতে পারিনি, এটি কেবল শুরু ছিল।

এরপর যা ঘটেছিল, তা আমার জীবনকে এমন এক অন্ধকারে ঠেলে দেয়, যেখান থেকে ফিরে আসা আদৌ কি সম্ভব...?

চলবে...

30/07/2026

কেউ ব্লকের কাজ করাতে চাইলে নক দিতে পারেন

ব্লক প্রিন্ট করা হয়েছে
30/07/2026

ব্লক প্রিন্ট করা হয়েছে

কাস্টমারের দেয়া ছবি
29/07/2026

কাস্টমারের দেয়া ছবি

কারো পুরনো জিন্স শার্ট টি শার্ট  রিসাইকেল করতে চাইলে আমাদেরকে নক করুন
29/07/2026

কারো পুরনো জিন্স শার্ট টি শার্ট রিসাইকেল করতে চাইলে আমাদেরকে নক করুন

10/04/2026

সেল দেয়ার জন্য আচার বানিয়ে নিজেই খেয়ে ফেলছি।
এই আচার এত বেশি মজা হয়।
এই নিয়ে আমি ২য় বার একি কাজ করেছি।

Address

Uttor Chornuabad
Bhola
8300

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tasty Table Bhola posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category