Yeasin Serazy

Yeasin Serazy সহকারী শিক্ষক (বিপিএড)
কুঞ্জেরহাট দাখ?

আয়কর, রিটার্ণ এর প্রজ্ঞাপন।
07/07/2025

আয়কর, রিটার্ণ এর প্রজ্ঞাপন।

27/06/2025
27/06/2025
27/06/2025
27/06/2025
27/06/2025

জাতীয়করণ নয়, এমপিওভুক্তির আওতায় আসছে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা-

আপডেট :- ২৭ জুন ২০২৫,

এস এম আব্বাস:- আন্দোলনের মুখে চলতি বছরের শুরুতে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলো এমপিওভুক্ত ও পর্যায়ক্রমে জাতীয়করণের ঘোষণা দিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, আপাতত এসব মাদ্রাসা সরকারি হচ্ছে না। যদিও বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার মতো স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকরা এমপিওভুক্ত হিসেবে বেতন-ভাতা পাবেন। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

এমপিও নীতিমালার বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (মাদ্রাসা) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন ‘এমপিও নীতিমালা করা হয়েছে। ইবতেদায়ির শিক্ষকরা বেসরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের মতোই সুযোগ-সুবিধাসহ বেতন-ভাতার সরকারি অংশ পাবেন।’

জানা গেছে, বুধবার (২৫ জুন) স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা পরিচালনার জন্য ‘স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা স্থাপন, পাঠদান, স্বীকৃতি, পরিচালনা ও জনবল কাঠামো এবং এমপিও নীতিমালা, ২০২৫’ জারি করা হয়েছে।

এর আগে ২০১৮ সালে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার জনবল কাঠামো ও বেতন-ভাতা সংক্রান্ত নীতিমালা করেছিল কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ। যদিও সেই নীতিমালা অনুযায়ী সুযোগ-সুবিধা পাননি শিক্ষকরা। তবে নতুন নীতিমালা কার্যকর হলে এমপিওভুক্ত হওয়ার পর শিক্ষকরা সরকারি বেতনের অংশ পাবেন।

বর্তমানে ইবতেদায়ি মাদ্রাসার প্রধানরা মাসিক সাড়ে ৩ হাজার টাকা ও সহকারী শিক্ষকরা মাসিক ৩ হাজার ৩০০ টাকা অনুদান পান। শিক্ষকদের আন্দোলনের মুখে গত ২৮ জানুয়ারি ইবতেদায়ি মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত এবং পর্যায়ক্রমে জাতীয়করণ করার ঘোষণা দিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গত ৫ মার্চ সাবেক শিক্ষা উপদেষ্টা ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদের শেষ কর্মদিবসে এডুকেশনাল ইনস্টিটিউট আইডেন্টিফিকেশন নম্বরধারী (ইআইআইএন) ১ হাজার ৫১৯টি ইবতেদায়ি মাদ্রাসা এমপিওভুক্তির প্রস্তাব অনুমোদন দেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৪ সালে মোট ১৮ হাজার ১৮৯টি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার নিবন্ধন দেয় সরকার। একইসময়ে বেসরকারিভাবে প্রতিষ্ঠিত প্রাথমিক বিদ্যালয়কেও নিবন্ধন দেওয়া হয়। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতোই ১৯৯৪ সালে ১ হাজার ৫১৯টি মাদ্রাসাকে ৫০০ টাকা করে অনুদান দেওয়া শুরু হয়। একই সময় সমান অনুদান পাওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে সরকারি করা হয়েছে। আর সেই ১ হাজার ৫১৯টি মাদ্রাসাকে এখনও সামান্য অনুদানই দেওয়া হচ্ছে।

বিগত সরকার ২৬ হাজার ১৫৯টি নিবন্ধিত প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারিকরণ করে। আর প্রাথমিক সমমানের স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা বেতন কাঠামোর আওতায় আসেনি। তাদের দেওয়া হয় সামান্য অনুদান।

এমপিও নীতিমালা

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা স্থাপন, পাঠদান, স্বীকৃতি, পরিচালনা ও জনবল কাঠামো মেনে এমপিওভুক্ত করবে সরকার। নীতিমালা অনুযায়ী, নতুন করে ইবতেদায়ি মাদ্রাসা স্থাপনেরও সুযোগ রয়েছে।

শর্ত শিথিল

শিক্ষায় অনগ্রসর, ভৌগলিকভাবে অসুবিধাজনক, পাহাড়ি এলাকা, হাওর এলাকা, বিচ্ছিন্ন দ্বীপ, বস্তি এলাকা, নারী শিক্ষা, সামাজিকভাবে অনগ্রসর গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন, পাঠদান, অ্যাকাডেমিক স্বীকৃতি ও এমপিও দেওয়ার ক্ষেত্রে শর্ত শিথিল করবে সরকার।

ম্যানেজিং কমিটি

ইবতেদায়ি মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটিকে উপজেলা পর্যায়ে অনুমোদন দেবেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক।

ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সচিব পদাধিকারবলে মাদ্রাসা প্রধান। এছাড়া শিক্ষক প্রতিনিধি একজন, শিক্ষার্থীর অভিভাবক প্রতিনিধি একজন, উদ্যোক্তা বা প্রতিষ্ঠাতা একজন, দাতা সদস্য একজন, উপজেলা পর্যায়ে হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোনীত একজন, আর সিটি করপোরেশন বা শহরে হলে জেলা প্রশাসক মনোনীত একজন সরকারি কর্মচারী সদস্য হিসেবে থাকবেন। উপজেলা হলে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের মনোনীত এবং জেলা শহরে হলে জেলা শিক্ষা অফিসারের মনোনীত একজন সদস্য থাকবেন ম্যানিজিং কমিটিতে।

ম্যানিজিং কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন শিক্ষকদের ভোটে এবং অভিভাবক সদস্য নির্বাচিত হবেন অভিভাবকদের ভোটের মাধ্যমে। ম্যানেজিং কমিটি গঠনের পর প্রথম সভায় প্রধান শিক্ষক এবং শিক্ষক প্রতিনিধি ছাড়া অন্য সদস্যদের মধ্য থেকে সভাপতি নির্বাচিত হবেন। কমিটির মেয়াদ হবে প্রথম সভা থেকে তিন বছর। ম্যানেজিং কমিটি বেসরকারি স্কুল-কলেজের মতোই কাজ করবে।

জনবল কাঠামো

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার জনবল কাঠোমোতে বলা হয়—প্রধান শিক্ষক একজন, সহকারী শিক্ষক সাধারণ একজন, সহকারী শিক্ষক বিজ্ঞান একজন, সহকারী শিক্ষক আরবি একজন, সহকারী শিক্ষক ক্বারী একজন এবং একজন অফিস সহকারী থাকবেন।

এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়া

অ্যাকাডেমিক স্বীকৃতির পর স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। এ জন্য প্রতিষ্ঠানের নামে নামজারি করা জমি, নিজস্ব ভূমিতে অবকাঠামো, হালনাগাদ ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের প্রমাণপত্র, অ্যাকাডেমিক স্বীকৃতির প্রমাণপত্র ও অন্যান্য শর্তসাপেক্ষে মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের নির্দেশনার আলোকে আবেদন করতে হবে। তবে সব শর্ত পূর্ণ করলেও এমপিওভুক্তির নিশ্চিত হবে না বলে নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়।

এমপিওভুক্তির জন্য অতিরিক্ত সচিবকে সভাপতি করে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি থাকবে। কমিটির সুপারিশে এমপিওভুক্ত করবে মন্ত্রণালয়।
-;সংগৃহীত

16/06/2025

যে ৬ মডেলের ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা-

আসন্ন উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের জন্য ছয়টি নির্দিষ্ট মডেলের সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা। একইসঙ্গে বলা হয়েছে, এসব ক্যালকুলেটর নন-প্রোগ্রামেবল হওয়ায় পরীক্ষায় অসাধু উপায় অবলম্বনের কোনো ঝুঁকি নেই।

সোমবার (১৬ জুন) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এসএম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষরিত জরুরি স্মারকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, অনুমোদিত ক্যালকুলেটরের মডেলগুলো হলো— এফএক্স-১০০এমএস, এফএক্স-৯৯১ইএস, এফএক্স-৫৭০এমএস, এফএক্স-৮২এমএস, এফএক্স-৯৯১ইএক্স ও এফএক্স-৯৯১এমএস। এছাড়া শিক্ষার্থীরা চাইলে সাধারণ ক্যালকুলেটরও ব্যবহার করতে পারবেন।

এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে নতুন নির্দেশনা
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ক্যালকুলেটরের মডেল যাচাই করে নিতে পারবেন। পরীক্ষার সুষ্ঠুতা বজায় রাখতে কেবল অনুমোদিত মডেল ব্যবহারের বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সতর্ক করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বোর্ডের প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২৬ জুন শুরু হয়ে চলবে ১০ আগস্ট পর্যন্ত। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১১ থেকে ২১ আগস্ট পর্যন্ত।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি প্রসঙ্গে
31/12/2024

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি প্রসঙ্গে

অভিনন্দন ও শুভকামনা রইল
08/10/2024

অভিনন্দন ও শুভকামনা রইল

আবেদন করারও যোগ্যতা নেই, অথচ ১২ বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তিনিঅভিযুক্ত শিক্ষক ইউসুফ/সংগৃহীতপ্রকাশ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২...
29/09/2024

আবেদন করারও যোগ্যতা নেই, অথচ ১২ বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তিনি

অভিযুক্ত শিক্ষক ইউসুফ/সংগৃহীত

প্রকাশ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪

লিয়াকত আলি বাদলঃ- এসএসসিতে অঙ্কে “সি গ্রেড” ও এইচএসসিতে ইংরেজিতে “ডি গ্রেড” পেয়েছিলেন ইউসুফ। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে আবেদন করার যোগ্যতা ছিল না তার। তবে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে ১২ বছর দাপটের সঙ্গে শিক্ষকতা করছেন তিনি। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে তোলপাড় চলছে।

জানা গেছে, এই শিক্ষক এসএসসিতে জিপিএ-৩.৫০, এইচএসসিতে ৩.১ পেয়েছেন। অথচ নিয়োগের বিষয়ে পত্রিকায় দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ ছিল, অবশ্যই এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় যেকোনো একটিতে জিপিএ-৪ (এ) পেতে হবে এবং স্নাতকে প্রথম শ্রেণি (ন্যূনতম ৩.৫) থাকতে হবে।

অথচ আবেদন করার শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকার পরও নিয়োগ কমিটি কোন ক্ষমতার বলে তাকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল, আর তিনি ১২ বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে কীভাবে শিক্ষকতা করছেন- এমন প্রশ্ন তুলে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক গোলাম রব্বানী।

২০১১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় দৈনিক সমকাল পত্রিকায় দেওয়া বিজ্ঞপ্তি/ঢাকা ট্রিবিউন
২০১১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় দৈনিক সমকাল পত্রিকায় দেওয়া বিজ্ঞপ্তি/ঢাকা ট্রিবিউন

তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর আবেদন জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে শিক্ষকতা থেকে তাকে আপাতত বিরত রাখার আবেদনও করেছেন।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী আলমগীর চৌধুরী লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি ঢাকা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, পুরো বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

লিখিত অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০১১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সংবাদমাধ্যমে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগে (বর্তমানে যার নাম দেওয়া হয়েছে ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ) প্রভাষক/সহকারী অধ্যাপক পদে একজনকে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। অন্য বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের কথা বলা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, প্ল্যানিং কমিটি গঠন না করেই শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়। যা আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির শর্তাবলির আলোকে আবেদনকারীদের যোগ্যতা যেন যাচাই-বাছাই করা না হয়; সে জন্যই প্লানিং কমিটি গঠন করা হয়নি। এই বিভাগে শুধুমাত্র একটি পদের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলেও বাছাই বোর্ড তিন প্রার্থীকে স্থায়ীভাবে নিয়োগের সুপারিশ করে- যা বেআইনি। শুধু তাই নয়, বিজ্ঞপ্তির শর্ত অনুযায়ী ইউসুফের যোগ্যতা পূরণ না হলেও তাকে অন্যায়ভাবে ভাইবা কার্ড ইস্যু করা হয়। নিয়োগ বাছাই বোর্ডে ছিলেন বেরোবির উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুল জলিল মিয়াসহ পাঁচজন। বাছাই বোর্ডের সদস্যরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হলেও ইউসুফকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করেন।

ইউসুফ এসএসসিতে জিপিএ- ৩.৫০, এইচএসসিতে ৩.১ পেয়েছেন। এসএসসিতে অঙ্কে পেয়েছেন “সি” এবং এইচএসসিতে ইংরেজিতে “ডি” পাওয়া এই ব্যক্তি স্নাতকে দ্বিতীয় শ্রেণি পেয়েছেন। আবেদনকারীদের মধ্যে অনেক যোগ্য প্রার্থী থাকলে বাছাই বোর্ড সুপারিশ করেনি। শুধু তাই নয়, সুকৌশলে নিয়োগ বাছাই বোর্ড বেরোবি আইনের ২৯ নম্বর ধারা লঙ্ঘন করে একটি প্রভাষক পদে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও দুইজন এবং অধ্যাপক পদে একজনসহ তিনজনকে নিয়োগ করার সুপারিশ করে, যা বাস্তবসম্মত ছিল না।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ইতিহাস বিভাগে একটি স্থায়ী পদের কথা উল্লেখ থাকলেও তিনজনকে স্থায়ী পদে নিয়োগ করার সুপারিশ করা ছিল নজিরবিহীন ঘটনা। সুপারিশকারীরা উল্লেখ করেছেন, আবেদনকারীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, প্রকাশনা ও সাক্ষাৎকারে দক্ষতার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়। মজার বিষয় হলো, নিয়োগদানের সুপারিশের সব লেখা টাইপ করা থাকলেও প্রভাষক পদে “এক” শব্দটি কলম দিয়ে কেটে “তিন” লিখে দেওয়া হয়- যা অনভিপ্রেত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

এ বিষয়ে অভিযোগকারী বেরোবির ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক গোলাম রব্বানী ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “বেরোবির মতো বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন যোগ্যতাহীন ব্যক্তিকে কীভাবে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো- এটা আমাদের শিক্ষক সমাজের জন্য লজ্জার। যে ব্যক্তি এসএসসি-এইচএসসির একটিতেও জিপিএ-৪ পাননি। শুধু তাই নয়, এসএসসিতে অঙ্কে সি, এইচএসসিতে ইংরেজিতে ডি পায়- তার শিক্ষকতা করার কোনো অধিকার নেই। সে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের নামে প্রতারণা করছে।”

তিনি অবিলম্বে তার নিয়োগ বাতিল এবং শিক্ষকতার দায়িত্ব থেকে সরানোর আবেদন করেছেন বলে জানান।

এই বিষয়ে ইউসুফ দাবি করেন, “নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি শর্তাবলীর ঘ-তে বলা হয়েছে, ‘কোনো পরীক্ষায় বি গ্রেডের নিচে অথবা তৃতীয় বিভাগ/শ্রেণি গ্রহণযোগ্য হবে না’। এই অনুযায়ী আমি আবেদনের যোগ্য। সেজন্যই আমাকে বাছাই বোর্ড সুপারিশ করেছে।”

বিজ্ঞপ্তিতে শর্তাবলীর (গ) নম্বর শর্তে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার যেকোনো একটিতে ন্যূনতম “এ” (৫.০০ পয়েন্ট ভিত্তিক গ্রেড সিস্টেমে সিজিপিএ/জিপিএ ন্যূনতম ৪.০) থাকতে হবে- এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এটা সার্কুলারের দুর্বলতা। এর দায় আমার নয়।”

এইচএসসি পরীক্ষা 2024 এর জরুরী বিজ্ঞপ্তি। জেএসসি /সমমান ও এসএসসি /সমমান পরীক্ষার নম্বর এবং এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৪ এর প্রবেশ...
04/09/2024

এইচএসসি পরীক্ষা 2024 এর জরুরী বিজ্ঞপ্তি।

জেএসসি /সমমান ও এসএসসি /সমমান পরীক্ষার নম্বর এবং এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৪ এর প্রবেশ পত্রের ফটোকপি কলেজে জমা দিতে হবে।

ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণীর বর্তমান কারিকুলাম বই থেকে ২০১২ সালের আলোকে বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া হবে।
04/09/2024

ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণীর বর্তমান কারিকুলাম বই থেকে ২০১২ সালের আলোকে বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া হবে।

Address

Lalmohan Pourasava
Bhola
8330

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Yeasin Serazy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Yeasin Serazy:

Share

Category