Abed motivation

Abed motivation Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Abed motivation, Art, ২১৭, কলমারচর (প্রাইমারি স্কুল সংলগ্ন), কলমারচর, কেরানীগঞ্জ মডেল, Dhaka, Bhawal.

🌿 আত্মশুদ্ধির পথে | On the Path of Self-Purification
🕌 আল্লাহর পথে আহ্বান | Calling to Allah
🌙 আখিরাতের প্রস্তুতি | Preparing for the Hereafter
📖 কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে | Based on the Qur'an & Authentic Sunnah

06/08/2026

"... *কখনও কখনও ইলম শেখার জন্য কিছু ‘জাহেল’ লোকও আসে এবং তালীম-তরবিয়ত গ্রহণ না করে ‘জাহেল’ই বের হয়ে যায়*।...
.. শুধু দাড়ি না থাকার বা ছোট থাকার উপর ভিত্তি করে কীভাবে একজনকে ‘বেআমল’ ও ‘বেআখলাক’ বলে দেওয়া হল? কারো সম্পর্কে এই কথা সঠিক হলেও তো এ কারণে তাকে ‘দাড়িহীন’ বলা যায় কিংবা বলা যায়, ‘দাড়ির মতো একটি সুন্নতে ওয়াজিবার তরককারী’। কিন্তু একেবারে আমল-আখলাক কিছুই নেই এটা কীভাবে বলা যায়? তারা যেন অনুগ্রহ করে উস্তাদে মুহতারাম হযরত মাওলানা তকী উছমানী দামাত বারাকাতুহুম-এর সহীহ বুখারীর দরসী তকরীর ‘ইন‘আমুল বারী’ প্রথম খন্ডে ‘বাব আদ্দীনু ইউসরুন’ পড়ে নেন। ইনশাআল্লাহ এর দ্বারা ‘গুলূ’ থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যাবে এবং চিন্তা-ভাবনায় ভারসাম্য আসবে।

সেখানে হযরত একটি ঘটনা উল্লেখ করেছেন। চেচনিয়ায় রূশবাহিনীর আক্রমণ চলছিল। সেখানকার মজলুম মুসলমানদের জন্য সাহায্যের বিভিন্ন প্রচেষ্টা চলছে। এ সময় হযরতের একজন পুরানো দোস্ত, অত্যন্ত দ্বীনদার, সাক্ষাতের জন্য আসেন। আলোচনা প্রসঙ্গে হযরত তাকে বললেন,‘চেচেনিয়ার মুসলমানদের জন্য কিছু সাহায্য পাঠানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, ইচ্ছে হলে তুমিও এতে শামিল হতে পার।’ ওই দোস্ত বললেন, এই চেচেনিয়ার লোকেরা তো দ্বীনদার নয়! না মুখমন্ডলে দাড়ি আছে, না তাকওয়া-পরহেযগারীর কোনো চিহ্ন, কিছুই নেই!

হযরত বলেন, ‘আমার এত বিরক্তি লাগল যে, খোদার বান্দা, মানুষের সম্পর্কে কুধারণারও তো একটা সীমা-পরিসীমা থাকে!

‘ওই মুসলমানরা বছরের পর বছর রাশিয়ার জুলুম-অত্যাচারের শিকার, শুধু এই জন্য যে, তারা কালেমা লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ পাঠ করে, আর তুমি বল, তাদের দাড়ি নেই!

‘আল্লাহকে ভয় কর, একজন কালেমা পাঠকারী শুধু কালেমার কারণে জুলুম-অত্যাচারের শিকার হচ্ছে, আর তুমি বলছ, দাড়ি নেই, তাই সে সাহায্য পেতে পারে না। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।’

এই ঘটনা উল্লেখ করে হযরত রাহ. বলেন, ‘এমন কেন? শরীয়তে (র বিধানাবলিতে) কি কোনো পর্যায়ক্রম নেই? সবচেয়ে বড় জিনিস দাড়ি! এটা থাকলেই চলে! এরপর গীবত করুক, মিথ্যা অপবাদ দিক, লেনদেনে হাজার সমস্যা থাকুক, অন্যের হক মারুক, যা ইচ্ছা করুক, দাড়ি যেহেতু আছে অতএব ‘দ্বীনদার’! ‘দ্বীনদারের’ অর্থ আমরা ধরে নিয়েছি ‘দাড়িওয়ালা’। দ্বীনদার অর্থ দ্বীনের অনুসারী। তো এরা দ্বীনদারির সম্পূর্ণ অর্থ দাড়ির মধ্যে সীমাবদ্ধ করে দিয়েছে!

30/07/2026

(আর্থিক সহযোগিতার জন্য বিশেষভাবে) উপযুক্ত সেই সকল গরীব, যারা নিজেদেরকে আল্লাহর পথে এভাবে আবদ্ধ করে রেখেছে যে, (অর্থের সন্ধানে) তারা ভূমিতে চলাফেরা করতে পারে না। তারা যেহেতু (অতি সংযমী হওয়ার কারণে কারও কাছে) সওয়াল করে না, তাই অনবগত লোকে তাদেরকে বিত্তবান মনে করে। তুমি তাদের চেহারার আলামত দ্বারা তাদেরকে (অর্থাৎ তাদের অভ্যন্তরীণ অবস্থা) চিনতে পারবে। (কিন্তু) তারা মানুষের কাছে না-ছোড় হয়ে সওয়াল করে না। তোমরা যে সম্পদই ব্যয় কর, আল্লাহ তা ভালো করেই জানেন।

(সূরা আল বাকারা, আয়াত নং: ২৭৩)

তাফসীর

হযরত ইবনে আব্বাস (রাযি.) থেকে বর্ণিত আছে, এ আয়াত ‘আসহাবে সুফফা’ সম্পর্কে নাযিল হয়েছে। ‘আসহাবে সুফফা’ বলা হয় সেই সকল সাহাবীকে, যারা দ্বীনী ইলম শেখার জন্য নিজেদের জীবন ওয়াকফ করে দিয়েছিলেন। তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে মসজিদে নববী সংলগ্ন চত্বরে পড়ে থাকতেন। দ্বীনী ইলম শেখায় নিয়োজিত থাকার কারণে জীবিকা সংগ্রহের সুযোগ পেতেন না। তাই বলে যে তারা মানুষের কাছে হাত পাততেন তাও নয়। দারিদ্র্যের সকল কষ্ট হাসিমুখে বরণ করে নিতেন। এ আয়াত জানাচ্ছে, অর্থ সাহায্য লাভের বেশি উপযুক্ত তারাই, যারা সমগ্র উম্মতের কল্যাণ সাধনের মহতি উদ্দেশ্যে কোথাও আবদ্ধ হয়ে থাকে এবং নিদারুণ কষ্ট-ক্লেশ সত্ত্বেও কারও সামনে নিজ প্রয়োজনের কথা প্রকাশ করে না।

তাফসীরে তাওযীহুল কুরআন।

25/07/2026

হযরত উবাদা ইবনে সামিত (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
যে ব্যক্তি রাতে ঘুম থেকে জেগে উঠে এই যিকিরটি পড়ে, তারপর বলে: "হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন" অথবা অন্য কোনো দুআ করে, তার দুআ কবুল করা হয়। এরপর যদি সে উযূ করে সালাত আদায় করে, তবে তার সালাতও কবুল করা হয়। — সহীহ আল-বুখারী
আরবি দুআ
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، الْحَمْدُ لِلَّهِ، وَسُبْحَانَ اللَّهِ، وَلَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ.
বাংলা উচ্চারণ
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাই'ইন ক্বাদীর। আলহামদু লিল্লাহি, ওয়া সুবহানাল্লাহি, ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, ওয়া লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
এরপর বলবে:
আরবি
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي
বাংলা উচ্চারণ
আল্লাহুম্মাগফির লী।
অর্থ
হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন।
এরপর নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী যে কোনো বৈধ দুআ করলে, আল্লাহ তাআলা তা কবুল করেন। এরপর উযূ করে দুই রাকাত বা তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করলে, সেই সালাতও কবুল হওয়ার সুসংবাদ এই হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে এই বরকতময় আমল নিয়মিত করার তাওফীক দান করুন। আমীন।

23/07/2026

আল্লাহ তাআলার সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার আহ্বান

আল্লাহ তাআলার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক গভীর করা একান্ত প্রয়োজন। একদিকে তিনি আমাদের রব, মালিক ও প্রতিপালক, আর আমরা তাঁর বান্দা। অন্যদিকে মুমিনের হৃদয় আল্লাহর ভালোবাসায় পরিপূর্ণ থাকে; তিনি আমাদের সর্বাধিক প্রিয় সত্তা। তাই মহান স্রষ্টা ও বান্দার এই সম্পর্কের মধ্যে যেমন আনুগত্য ও দাসত্ব থাকবে, তেমনি থাকবে আন্তরিক ভালোবাসা, আকুলতা ও নিবেদন।

আল্লাহ তাআলাকে মনের গভীর আকুতি নিয়ে ডাকতে হবে। এ প্রসঙ্গে হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী (রহ.)-এর একটি আমলের কথা উল্লেখ করা হয়। তিনি পরামর্শ দিয়েছেন, প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর প্রথমে একবার "আল্লাহু আকবার" বলুন। এরপর তিনবার "আস্তাগফিরুল্লাহ" পড়ুন। তৃতীয়বার "আল্লাহ" শব্দের শেষ অংশ কিছুটা দীর্ঘ করে আন্তরিকতার সঙ্গে উচ্চারণ করুন।

এরপর এই দোয়াটি পড়ুন—

اللهم أعني على ذكرك وشكرك وحسن عبادتك

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আ'ইন্নী 'আলা যিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুসনি 'ইবাদাতিকা।

অর্থ: “হে আল্লাহ! আপনি আমাকে আপনার স্মরণ, আপনার কৃতজ্ঞতা আদায় এবং সর্বোত্তমভাবে আপনার ইবাদত করার তাওফিক দান করুন।”

23/07/2026

মৃত্যু সবচেয়ে বড় উপদেশ।
Death is the greatest reminder.

যে হৃদয় মৃত্যুকে স্মরণ করে, সে পাপ থেকে দূরে থাকে এবং আখিরাতের জন্য প্রস্তুতি নিতে শেখে। আজই নিজেকে প্রশ্ন করুন—আমি কি আমার রবের সাক্ষাতের জন্য প্রস্তুত?

23/07/2026

প্রশ্ন: আমি গুনাহ ছাড়তে পারছি না। তওবা করতে না করতেই গুনাহটি আবার সংঘটিত হয়ে যায়। এমতাবস্থায় কি করণীয়?
উত্তর: তাওবা করার পর যদি আবার সেই গুনাহ হয়ে যায় তাহলে আবার খাঁটি দিলে তাওবা করে নিতে হবে। আল্লাহ তাওবা কবুল করবেন। আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া যাবে না। আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন, (হে রাসুল! আপনি) বলুন, হে আমার বান্দারা! তোমরা যারা নিজেদের প্রতি অবিচার করেছো- (তোমরা) আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না; আল্লাহ সব গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন। তিনি তো ক্ষমাশীল ও দয়ালু।' -(সুরা যুমার : আয়াত, ৩৯)

তাওবার উপর অটল থাকার জন্য আপনার জন্য কয়েকটি পরামর্শ
১. যেসব কারণে গুনাহের প্রতি আগ্রহ জাগে সে সব থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। যেসব পরিবেশে এবং যাদের সংস্রবে গেলে এই গুনাহ বারবার হয়ে যায়, সে পরিবেশ ও সে সাথীদেরকে এড়িয়ে চলুন। এবং নিজেকে কোনো খাঁটি আল্লাহওয়ালার কাছে সোপর্দ করুন, এটি আপনার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। এর দ্বারা ইনশাল্লাহ তওবার উপর অটল থাকতে পারবেন। তওবার উপরে অটল অবিচল থাকার জন্য

২. সর্বদা দুরুদ শরীফ ও ইস্তেগফার পড়তে থাকুন। (আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদ। আল্লাহুম্মাগ ফিরলী।)

৩. অন্যায় থেকে বিরত থাকার জন্য, নেক কাজের শক্তি-সাহস ও হিম্মতের জন্য বেশি বেশি পড়ুন-

لا حول ولا قوة الا بالله العلي العظيم

লা-হাওলা ওয়ালা- কুওয়াতা ইল্লা- বিল্লা-হিল আলিয়্যিল আযীম।

৪. গুনাহের প্রতি মনের আকর্ষণ থেকে বাঁচার জন্য বেশি বেশি পড়ুন-

اللهم ألهمني رشدي و أعذني من شر نفسي

আল্লাহুম্মা আলহিমনী রুশদী, ওয়া আইযনী মিন শাররি নাফসী।

রেফারেন্স: শাইখ উমায়ের কোব্বাদী
সিনিয়র মুহাদ্দিস, মাদরাসা দারুর রাশাদ, মিরপুর
খতীব, বাইতুল ফালাহ জামে মসজিদ, মিরপুর

Address

২১৭, কলমারচর (প্রাইমারি স্কুল সংলগ্ন), কলমারচর, কেরানীগঞ্জ মডেল, Dhaka
Bhawal
1310

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abed motivation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category