28/10/2025
ভৈরবের ছাত্র-যুবকরা অপরাধী না, ওরাই প্রস্তাবিত ভৈরব জেলার সৈনিক!
পূর্বঘোষিত শান্তিপূর্ণ অবরোধ কর্মসূচি চলাকালীন, শত শত মানুষের উপস্থিতিতে ট্রেনচালক ও রেলের দায়িত্বশীলরা অতি উৎসাহে হুইসেল বাজিয়ে ট্রেন চালানোর চেষ্টা করেন। এই ঘটনায় মুহূর্তেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
ক্ষুব্ধ জনতার একাংশ প্রতিক্রিয়া জানায়, আর কিছু অপ্রাপ্তবয়স্ক তরুণ উত্তেজিত হয়ে পাথর নিক্ষেপ করে — যাদের তাৎক্ষণিকভাবে আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ থামিয়ে দেন।
অথচ এখন দেখা যাচ্ছে —এই ঘটনার দোহাই দিয়ে ভৈরবের প্রস্তাবিত জেলা আন্দোলনের ছাত্র-যুবকদের নামে মামলা করা হয়েছে! যারা মাঠে থেকে ভৈরববাসীর ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য কাজ করছিলো, তাদেরই এখন অপরাধী বানানোর চেষ্টা চলছে!
শোনা যাচ্ছে, বিশেষ বাহিনী তাদের বাড়ি বাড়ি খুঁজছে! এটা কি ন্যায়? এটা কি বিচার?
প্রশ্ন একটাই — এই ছাত্র-যুবকরা কি অপরাধী? এই ছাত্র-যুবকরা কি সন্ত্রাসী?
না ভাই!
এরা ভৈরবের সন্তান, যারা প্রস্তাবিত ভৈরব জেলা বাস্তবায়নের স্বার্থে নিজ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাঠে আছে। এই ছাত্র-যুবকরা কেউ নতুন না —ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে এরা রাজপথে ছিল, রাষ্ট্রের দমন-পীড়নের মুখে থেকেও
দেশের স্বার্থে আন্দোলন করেছে, বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছিল, নিপীড়ন সহ্য করেছে।
আর আজ, সেই একই ছেলেগুলো নিজ এলাকার স্বার্থে, প্রস্তাবিত ভৈরব জেলার দাবিতে আবারও মাঠে নামছে — কিন্তু এখনো বাড়ি ছাড়া, আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে!
এটা লজ্জার, এটা অন্যায়!
ভৈরবের বিবেকবান মানুষদের উদ্দেশ্যে বলি —আপনি যদি সত্যি ভৈরবকে ভালোবাসেন, ভৈরব জেলা বাস্তবায়ন চান, তাহলে এই ছাত্র-যুবকদের পাশে থাকুন। না পারলে অন্তত চুপ থাকুন, দোষারোপ করবেন না। কারণ এই আন্দোলন কোনো দলের না — এইটা ভৈরববাসীর প্রাণের দাবি।
ভৈরবের ছাত্র-যুবকরা অপরাধী না — ওরাই জেলার সৈনিক! ওদের পাশে থাকাই ভৈরবের প্রতি ভালোবাসা।
আজকে নৌপথ অবরোধের কর্মসূচি। কেউ কেউ ভাবছে আন্দোলন নাকি থেমে যাবে! কিন্তু মনে রাখবেন — আন্দোলন থেমে যাওয়া মানে আমাদের দাবি অযৌক্তিক ছিল। আমরা তা হতে দেবো না!
আমরা বিশ্বাস করি — দল-মত নির্বিশেষে সবাই মিলে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালিয়ে গেলে ভৈরববাসীর এই ন্যায্য দাবি একদিন বাস্তব হবেই ইনশাআল্লাহ।