ShoppingZone

ShoppingZone shopping zone

05/02/2025

Wow

05/02/2025

05/09/2024
10/07/2024

সঙ্গ দোষে লোহা ভাসে
゚ #সময়ের_প্রতিশোধ

03/07/2024

বিসিএসের ভাইভা দিতে গিয়ে লক্ষ করলাম এক ভদ্রলোক আমাকে বেশ কিছুক্ষণ যাবত অনুসরণ করছেন। আমি বুঝতে পারছিলাম না কে?

হয়তো পরিচিত কেউ হবে। বেশ দূরে থাকায় চেহারা স্পষ্ট না। কিছুক্ষণ সেদিকে চোখ গেলেও আমার মেয়ে নায়রার কান্নায় আমার সম্বিত ফিরে আসলো।

আমার অনার্স ফাইনাল ইয়ারে বিয়ে হয়। বিয়ের পরপরই বাচ্চা পেটে আসে। অনার্স পরীক্ষাটা বাবু পেটে নিয়েই দিয়েছিলাম।

এরপর পড়াশোনায় মন দিতে বেশ কষ্ট হয়েছিল তবে আমার স্বামী যায়েদ আমাকে পিছু হটতে দেয়নি। সাহস যুগিয়েছে প্রখর। সে সাহস আর সাপোর্ট আর আমার অক্লান্ত পরিশ্রমেই বিসিএসের ভাইবা পর্যন্ত আসা।
নায়রাকে সামলাতে সামলাতে যায়েদের দিকে তাকাতেই সে হালকা হেসে বলল,

--- এত চিন্তিত হবার কিছু নেই। অবশ্যই ভালো হবে ভাইভা। আর নিশ্চিন্ত মনে সব প্রশ্নের উত্তর দিবে। নায়রার জন্য কোনো চিন্তা করবে না আমি ওর খেয়াল রাখব।

আমি হালকা হেসে উত্তর দিলাম,

--- সেটা আমি জানি। নায়রাকে তুমি আমার থেকে ভালো সামলাতে পারো। আমি মরে গেলেও নায়রার জন্য চিন্তা নেই।

যায়েদ আমার দিকে রাগী চোখে তাকিয়ে ধমকের সুরে বলল,

--- একদম এ কথা বলবে না। আল্লাহর কাছে বলো আমরা দুজনেই যেন নায়রার উত্তম অভিভাবক হয়ে একসাথে পাশে থাকতে পারি। নায়রাকে সুন্দর পথে পরিচালিত করতে পারি। আমাদের দুজনকেই যেন আল্লাহ একইসাথে তাঁর কাছে নিয়ে যান।

যায়েদের কথাগুলো বেশ শীতল করে মন। তিন বছর হয়েছে বিয়ের। মান অভিমানের অনেক পালা আসলেও যায়েদ কখনও আমার সাথে উচ্চ বাক্যে কথা বলেনি। বরং বুঝিয়েছে, ভুলগুলো শুধরে দিয়েছে। শাসন করলেও সেটা সুন্দর করে গুছিয়ে করেছে। আমি শুধু এ মানুষটাকে প্রতিদিন আবিষ্কার করি নতুন নতুন ছন্দ তালে। একটা মানুষ এত ভালো কী করে হয়! কী করে সে এত সাপোর্টিভ হয়! কথাগুলো ভেবে হালকা নিঃশ্বাস ছেড়ে বললাম,

--- আল্লাহ যেন কবুল করে নেন।

বলেই নায়রাকে যায়েদের কোলে দিলাম। যায়েদ নায়রাকে সামলাতে লাগল। আমি একটু এগিয়ে গেলাম।

সামনে যেতেই ভদ্রলোকের দিকে আমার চোখ পড়ল। বুকের ভেতরে একটা হালকা ধাক্কা লাগল আমার।

উনিই সে ভদ্রলোক যার সাথে আমার সম্পর্ক ছিল তিন বছরের।

বেকার ছেলেটাকে কোনো কারণ ছাড়াই ভালোবেসেছিলাম। সম্পর্ক থাকাকালীন সময় আমি তার সাথে বেশি দেখা করতাম না।

বছরে দুই, তিনবার দেখা করতাম।

এর বিশেষ একটা কারণ ছিল টাকা।

আমি জানতাম আমাদের দেখা হলে টাকা খরচ হবে। রিকশায় ঘুরতে গেলেও ১০০-২০০ টাকা খরচ হবে। তাই দেখার সংখ্যাটা বছরের দুই থেকে তিনবারের থেকে বৃদ্ধি পেত না।

আর যতবার দেখা হত রিকশা ভাড়া গুলো আমার থেকেই দিতাম।

কারণ তার বাবার দেওয়া মাসে ৫ হাজার টাকা তার খাওয়া খরচেই চলে যেত। রিকশা ভাড়া আমি দিলেও দেখার সংখ্যা এত কম কেন প্রশ্ন জাগতে পারে।

এর উত্তর হলো বছরে দু তিনবার দেখা করে রিকশা ভাড়া আমি দিলে সেটা তার সম্মানে তেমন লাগবে না বা বুঝবেও না।

কিন্তু প্রায়শয় দেখা করে রিকশা ভাড়া আমি দিলে সেটা তার সম্মানে লাগতে পারে। তাই এ পন্থা অবলম্বন করেছিলাম। আর এমনিতেও সে পড়াশোনা করত সিলেটে আমি থাকতাম ঢাকায়। লং ডিসটেন্স হওয়ায় প্রায়শয় দেখা করাও সম্ভব ছিল না।

আমি তার কাছে খুব দামি কিছু চাইতাম না। একটা ছোট্ট কিটকাট দাবি করতাম। বলতাম আমার জন্য কিটক্যাট না আনলে তোমার সাথে কথা নেই। তার কাছে এ কিটক্যাট দাবি করার পেছনে কারণ ছিল সে যেন আমাকে দামি গিফট দিতে না পারায় মন খারাপ না করে, সে যেন ভাবে আমি এতেই অনেক খুশি।

কারণ তাকে মাঝে মাঝে আফসোস করতে দেখতাম তার বড়লোক বন্ধু তার প্রেমিকাকে এই সেই দেয় সে আমাকে দিতে পারে না। সরাসরি না বললেও আকার ইঙ্গিতে বুঝাত। তার এ পরিতাপ কমানোর কৌশল হিসেবে কিটকাট চাইতাম।

অপরদিকে তার মিতব্যয়ীর বাবার অনেক টাকা থাকা সত্ত্বেও বিলাসিতার জন্য টাকা তাকে দিত না। দেখা যেত কোনো দামি শার্ট তার ছিল না।

তাই মাঝে মাঝে ভার্সিটি যাওয়ার রিকশা ভাড়াটা জমিয়ে পায়ে হেঁটেই চলে যেতাম।

এতে প্রতিদিন আমার ২০ টাকা বেঁচে যেত। সে টাকা জমিয়ে যখন ১৫০০- ২০০০ হত তখন সেটা দিয়ে তার জন্য শার্ট কিনতাম। এ শার্টের টাকাটা জমাতে আমার মাস তিন থেকে চারেক সময় লেগে যেত।

মাঝে মাঝে এর চেয়ে বেশি সময়ও লাগত। তবুও তাকে একটা শার্ট কিনে দেওয়াতে ভীষণ পরিতৃপ্তি পেতাম। আনন্দ হত ভীষণ। সে আবার সে শার্টটা রেখে দিয়ে বলত বিসিএসের ভাইভা দিবে এটা পরে। সেদিন তার স্বপ্নটাকে আগলে রাখার জন্য সাহস দিয়েছিলাম।

সে সময়টা আমার জন্য পার করা ভীষণ কঠিন ছিল। বাসা থেকে বিয়ের চাপ দিত। একের পর এক বিয়ে নির্দ্বিধায় ভেঙে যেতাম। মাঝে মাঝে বাসা থেকে ভীষণ মারও খেতাম। সে কল দিলে মনের অজান্তেই কান্না চলে আসত। তবুও তাকে চাপ দিতাম না। শরীরের যন্ত্রণা নিয়ে কান্না থামিয়ে কথা বলতাম। সে কিছুটা আন্দাজ করে বলত

--- তুমি কি কাঁদতেছো?

আমি মুখে হালকা হাসির ফিনিক তুলে বলতাম,

--- ধুর বোকা ঠান্ডা লেগেছে আমার।

--- ঔষধ খাও।

--- খাব পরে।

--- আচ্ছা তোমার যদি ভালো বিয়ের প্রস্তাব আসে বিয়ে কি করে ফেলবে?

যতদূর জানতে পেরেছি তোমার অনেক ভালো ভালো বিয়ের প্রপোজাল আসছে। রিসেন্ট একজন আর্মি অফিসার আর ইডুকেডেট ক্যাডার আসছে। বাসা থেকে তোমাকে চাপ দিচ্ছে না?

--- বাসা থেকে চাপ দিলে আমি ম্যানেজ করে নিব। তবে তোমাকে এসব কে বলল?

--- তোমার কাজিন বললো।

--- বাদ দাও সেসব কথা।

--- ছেড়ে চলে যাবে না তো?

--- ছাড়ার জন্য হাত ধরিনি। এত অনিশ্চয়তা কিসের?

এভাবেই দিন গড়িয়ে মাস,মাস গড়িয়ে বছর পার হলো। তার বিসিএস হলো। দুই পরিবারের কথা হলো। তার পরিবার আমাদের বাসায় আসার ঠিক আগের দিন ফোন করে জানাল,

--- তাদের বিসিএস ক্যাডার ছেলের জন্য একজন যোগ্য বউ দরকার।

আমার মতো ন্যাশনালে অনার্সে পড়ে মেয়ে তাদের ছেলের বউ হওয়ার যোগ্য না। আমি তখন চুপ ছিলাম। তাকে কল দিয়ে জিজ্ঞেস করলাম,

--- তোমারও কী একই কথা?

সে হালকা গলায় বলল,

--- পরিবারের বাইরে যেতে পারব না।

আমি নিঃশব্দ কান্না করে মুখে হাসি দিয়ে বলেছিলাম,

--- শুভ কামনা রইল। একটা সময় আমাকে হারাবার অনিশ্চয়তায় থাকা মানুষটাও আজকে আমাকেই তার জীবন থেকে মুছে ফেলছে। ভালো থাকবে।

--- আমাকে ক্ষমা করে দিও।

--- ভুল করোনি ক্ষমা করবো।

আমার ভুল হয়েছিল তোমায় চিনতে।

বলেই কলটা কেটে অনেকক্ষণ কেঁদেছিলাম। তার হাত ধরে কখনও হাঁটিনি আমি। সবটা রেখে দিয়েছিলাম পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ হবার অপেক্ষাতেই। মনে মনে বলতে লাগলাম,

--- যে হাত আমি ধরতেই পারিনি সে হাত দূরে চলে গেলেই বা কী? কিন্তু মনের ভেতরে তো তাকে জায়গা দিয়ে দিয়েছিলাম সে জায়গা শূন্য করতে পারব তো?

সেদিন মাত্রারিক্ত কেঁদেছিলাম। পরিবারের কেউ কিছু বলেনি। কাঁদার সুযোগ করে দিয়েছিল। সেদিনের পর আর কাঁদিনি।
এর মধ্যে তার বিয়ে হয়। বেশ জমাকালো আয়োজনও হয়। আমি শুধু দেখে গিয়েছিলাম। সেদিনের পর থেকে যোগাযোগ নেই তার সাথে।

তারপর কী করে এক বছর পার হলো জানি না। ক্ষত শুকিয়ে যন্ত্রণা কমে গেল। দেখা হলো যায়েদের সাথে। মানুষটাকে প্রথম দেখায় আমি ভালোবেসেছিলাম। পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ হলাম। এরপর গুটি গুটি করে তিনটা বছর পার করে ফেললাম। তাকে পেয়ে সব ভুলে গেলাম।

আজকে প্রাক্তনকে এত কাছ থেকে দেখেও তেমন অনুভূতি কাজ করছে না কারণ সব অনুভূতি এখন যায়েদকে ঘিরে।

তবে তাকে দেখে অতীতের খারাপ সময়টা খানিকের জন্য চোখে ভেসে উঠেছিল।

তবে সে খারাপ সময় এসেছিল বলেই আজকের ভালো সময় উপভোগ করতে পারছি।

যায়েদ হয়তো বিসিএস ক্যাডার না তবে সে আমার মনের আঙিনায় ভালোবাসার সদ্য প্রস্ফুটিত হওয়া ফুল। আমি ভাইভা রুমে ঢুকলাম।

ভাইভা টা দেওয়া শেষ করে লক্ষ্য করলাম সে এখনও দাঁড়িয়ে আর যায়েদ একটু দূরে নায়রাকে যেন কী দেখাচ্ছে কান্না থামানোর জন্য। আমি তাকে উপেক্ষা করে যায়েদের দিকে যেতে নিলে সে নীচু গলায় আমাকে পিছু ডেকে বলল,

--- সেদিন তোমাকে ঠকনো উচিত হয়নি। আমি ভালো নেই। অনেক খোঁজ নিয়ে এখানে এসেছি কারণ জানতাম তুমি ভাইভা দিতে আসবে। দুই বছর হলো আমার ডিভোর্স হয়েছে। এরপর তোমার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে জানতে পারি তুমি বিয়ে করে নিয়েছো। তবে তোমার কাছে ক্ষমা না চাইলে আমি হালকা হতে পারতাম না। তাই ক্ষমা চাইতে এসেছি। এ দু বছর আমি অনুতাপে কুঁড়ে কুঁড়ে মরেছি।

সেদিন বিসিএসের মোহে ডুবে গিয়েছিলাম আমি। তোমার মতো রত্নকে দূরে সরিয়ে কাঁচকে কাছে টেনে নিয়েছিলাম। আর আজ সে কাঁচের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে আজ আমার ভেতরটা যন্ত্রণার আগুনে পুড়ে ছাড়খাড় হয়ে যাচ্ছে।

আমি কোনো জবাব দিলাম না। তার কথাকে উপেক্ষা করেই যায়েদের কাছে গেলাম। নায়রাকে কোলে নিয়ে বললাম

--- ভাইভা ভালো হয়েছে।

--- যাক আলহামদুলিল্লাহ। আচ্ছা ঐ ভদ্রলোক কে? তোমার সাথে কথা বলছিলো?

হালকা হেসে জবাব দিলাম,

--- যার জন্য তোমাকে আমি পেয়েছি। তোমার ভালোবাসায় নিজেকে সিক্ত করেছি। কিছু না পাওয়া হয় বিশেষ কিছু পাইয়ে দেওয়ার জন্য। সে ছিল সে না পাওয়া আর তুমি হলে আমার পরম যত্নে পাওয়া সে বিশেষ কিছু।

যায়েদ আমার হাতটা শক্ত করে ধরল। সে আমার অতীত জানে। আর এটাও জানে আমার মনে সে ছাড়া আর কোনো মানুষের বিচরণ নেই।

দুজনেই হালকা হাসলাম একে অপরের দিকে তাকিয়ে।

বেশ তৃপ্তি এ হাসিতে। নেই কোনো ক্লান্তি, নেই কোনো কষ্ট, নেই কোনো যন্ত্রণা। শুধু আছে পরম ভালোবাসা। আজকে সেই ন্যাশনালে পড়া মেয়েটায় বিসিএস ক্যাডার হতে যাচ্ছে। মেয়েটা জানে তার ভাইভা অনেক ভালো হয়েছে।

বিসিএসটা তার হয়ে যাবে। আর আজকে সে মেয়েটা পরম সুখী তার জীবনসঙ্গী নিয়ে। সে জানে তার এ বন্ধন সহজে ছিন্ন হবে না। কারণ তার এ বন্ধন গড়ে উঠেছিল ভালোবাসার পরম ছোঁয়ায় কোনো লেনদেনের যাতাকলে না।

সময় কখনও ছাড় দেয় না। সময়ের সাথে সবটা গ্রহণ করে নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হয়। সময়েই সময়ের প্রতিশোধ নিয়ে নেয়।

#সময়ের_প্রতিশোধ

লেখনীতে- শারমিন আঁচল নিপা

(কেমন লাগলো অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। ধন্যবাদ)
©

® ছবিটি গুগল থেকে নেওয়া।

02/07/2024

গল্প-১
বাবা গোসলে, মা রান্না ঘরে আর ছেলে টিভি দেখছিল। এমন সময় দরজায় ঘণ্টা বাজল। ছেলে দৌড়ে গিয়ে দরজা খুলে দেখল, পাশের বাসার করিম সাহেব দাঁড়িয়ে।
ছেলে কিছু বলার আগেই করিম সাহেব বললেন, ‘আমি তোমাকে ৫০০ টাকা দেব, যদি তুমি ১০ বার কান ধরে উঠবস কর।’
বুদ্ধিমান ছেলে অল্প কিছুক্ষণ চিন্তা করেই কান ধরে উঠবস শুরু করল, প্রতিবার উঠবসে ৫০ টাকা বলে কথা।
শেষ হতেই করিম সাহেব ৫০০ টাকার নোট ছেলের হাতে ধরিয়ে দিয়ে চলে গেলেন।
বাবা বাথরুম থেকে বের হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ‘কে ছিল দরজায়?’
‘পাশের বাসার করিম সাহেব’, উত্তর দিল ছেলে।
‘ও’, বললেন বাবা, ‘আমার ৫০০ টাকা কি দিয়ে গেছেন?’

শিক্ষণীয়বিষয়
আপনার ধারদেনার তথ্য শেয়ারহোল্ডারদের থেকে গোপন করবেন না। এতে অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা থেকে রক্ষা পাবেন।

গল্প-২
সেলসম্যান, অফিস ক্লার্ক ও ম্যানেজার দুপুরে খেতে যাচ্ছিলেন। পথে তাঁরা একটি পুরোনো প্রদীপ পেলেন।
তাঁরা ওটাতে ঘষা দিতেই দৈত্য বের হয়ে এল।
দৈত্য বলল, ‘আমি তোমাদের একটি করে ইচ্ছা পূরণ করব।’
‘আমি আগে! আমি আগে!’ বললেন অফিস ক্লার্ক, ‘আমি বাহামা সমুদ্রপারে যেতে চাই, যেখানে অন্য কোনো ভাবনা থাকবে না, কাজ থাকবে না।’
‘ফুঃ...!!’ তিনি চলে গেলেন।
‘এরপর আমি! এরপর আমি!’ বললেন সেলসম্যান, ‘আমি মায়ামি বিচে যেতে চাই, যেখানে শুধু আরাম করব।’
‘ফুঃ...!!’ তিনিও চলে গেলেন।
‘এখন তোমার পালা’, দৈত্য ম্যানেজারকে বলল।
ম্যানেজার বললেন, ‘আমি ওই দুজনকে আমার অফিসে দেখতে চাই।’

শিক্ষণীয়বিষয়
সব সময় বসকে আগে কথা বলতে দেবেন। তা না হলে নিজের কথার কোন মূল্য থাকবে না।

গল্প-৩
একটি ইগল গাছের ডালে বসে আরাম করছিল।
এমন সময় একটি ছোট খরগোশ ইগলটিকে দেখে জিজ্ঞেস করল, ‘আমিও কি তোমার মতো কিছু না করে এভাবে বসে আরাম করতে পারি?’
ইগল উত্তর দিল, ‘অবশ্যই, কেন পারবে না।’
তারপর খরগোশটি মাটিতে এক জায়গায় বসে আরাম করতে থাকল। হঠাত্ একটি শিয়াল এসে হাজির, আর লাফ দিয়ে খরগোশকে ধরে খেয়ে ফেলল।

শিক্ষণীয়বিষয়
যদি কোনো কাজ না করে বসে বসে আরাম করতে চান, তাহলে আপনাকে অনেক ওপরে থাকতে হবে।

গল্প-৪
একটি মুরগি ও একটি ষাঁড় আলাপ করছিল।
‘আমার খুব শখ ওই গাছের আগায় উঠব, কিন্তু আমার এত শক্তি নেই’, মুরগিটি আফসোস করল।
উত্তরে ষাঁড়টি বলল, ‘আচ্ছা, তুমি আমার গোবর খেয়ে দেখতে পার, এতে অনেক পুষ্টি আছে।’
কথামতো মুরগি পেট পুরে গোবর খেয়ে নিল এবং আসলেই দেখল সে বেশ শক্তি পাচ্ছে। চেষ্টা করে সে গাছের নিচের শাখায় উঠে পড়ল।
দ্বিতীয় দিন আবার খেল, সে তখন এর ওপরের শাখায় উঠে গেল।
অবশেষে চার দিন পর মুরগিটি গাছের আগায় উঠতে সক্ষম হলো।
কিন্তু খামারের মালিক যখন দেখলেন মুরগি গাছের আগায়, সঙ্গে সঙ্গে তিনি গুলি করে তাকে গাছ থেকে নামালেন।

শিক্ষণীয়বিষয়
ফাঁকা বুলি (বুল শিট) হয়তো আপনাকে অনেক ওপরে নিয়ে যেতে পারে, কিন্তু আপনি বেশিক্ষণ ওখানে টিকে থাকতে পারবেন না।

গল্প-৫
একটি পাখি শীতের জন্য দক্ষিণ দিকে যাচ্ছিল। কিন্তু এত ঠান্ডা ছিল যে পাখিটি শীতে জমে যাচ্ছিল এবং সে একটি বড় মাঠে এসে পড়ল।
যখন সে মাঠে পড়ে ছিল, একটি গরু তার অবস্থা দেখে তাকে গোবর দিয়ে ঢেকে দিল। কিছুক্ষণ পর পাখিটি বেশ উষ্ণ অনুভব করল। যখন গোবরের গরমে সে খুব ঝরঝরে হয়ে উঠল, আনন্দে গান গেয়ে উঠল।
এমন সময় একটি বিড়াল পাশ দিয়ে যাচ্ছিল, পাখির গান শুনে খুঁজতে লাগল কোথা থেকে শব্দ আসে। একটু পরই সে গোবরের কাছে আসে এবং সঙ্গে সঙ্গে গোবর খুঁড়ে পাখিটিকে বের করে তার আহার সারে।

শিক্ষণীয়বিষয়
১. যারা আপনার ওপর কাদা ছোড়ে, তারা সবাই-ই আপনার শত্রু নয়।
২. যারা আপনাকে পঙ্কিলতা থেকে বের করে আনে, তারা সবাই-ই আপনার বন্ধু নয়।
৩. এবং যখন আপনি গভীর পঙ্কিলতায় নিমজ্জিত, তখন মুখ বেশি না খোলাই শ্রেয়।❤️❤️

Collected.............

29/06/2024

💢💢আপনার সন্তানকে অভাবের বদলে 'আভিজাত্য' শেখান।তাকে মন ও মননে বড়ো হতে শেখান। তাকে সাধ্যের মধ্যে থেকে যতটুকু পারেন,দামী জিনিসপত্র কিনে দেন। এডগার এলেন পো কিংবা আইজ্যাক বশেভিস সিঙ্গারের বই জন্মদিনে গিফট করেন।

তাকে সামান্য রাখাল বালকের ব্যাংকার হওয়ার গল্প না বলে এরদোয়ান কিংবা বাইডেনের গল্প বলেন।'মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়ো হয়',এই চরম সত্যটা ছোটবেলায় তার মাথায় গেঁথে দেন।

তাকে বলেন,যেকোন কাজ সন্মানের।শুধু চেয়ারে বসাই পড়ালেখার উদ্দেশ্য নয়। চিন্তার মুক্তি না হলে,পিএইচডি করেও কোন ফায়দা নেই।নিজের বিবেকের কাছে তাকে সৎ থাকার শিক্ষা দেন।

তাকে বলেন,এই দেশই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দেশ না।পৃথিবীতে আরো অনেক বড়ো বড়ো দেশ,জাতি,মানুষ,সভ্যতা আছে। প্রচুর ভ্রমণকাহিনী পড়তে দেন।দশ,বারো বছর বয়স হলেই যেন তার ভিতর সুইজারল্যান্ডের ইন্টারলেকেন কিংবা কাশ্মীরের কোন সকাল দেখার স্পৃহা তৈরি হয়।

বাচ্চাদের অভাব শিখাবেন না।অভাবী মানুষ পৃথিবীকে কিছু দিতে পারে না।এদের জীবন কাটে ধুঁকে ধুঁকে।খরকুটোর মতো বেঁচে থাকা আসলে কোন 'জীবন' না। টাকায় দরিদ্র হওয়া কোন অপরাধ না। অপরাধ হলো,নিজের চিন্তা ভাবনাকে 'গরীব' করে রাখা।

যারা আপনার সন্তানের উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে খাটো করে দেখে,তারা হতাশাগ্রস্ত লোক।এদের কাছ থেকে ৫০০ হাত দূরে থাকুন।🙄🙏

29/06/2024

★জীবন চলার পথে কথা গুলো কাজে লাগবে---
১. কখনো বাসে জানালার পাশে বসে মোবাইল টিপবেন না। কখন নিয়ে যাবে,
টের পাবেন না।
-
২. রিকশাতে বসে কোলে ব্যাগ রাখবেন না। পাশ থেকে মটরসাইকেল কিংবা গাড়িতে করে এসে হ্যাচকা টান দেবে।
-
৩. রাস্তায় কিছু খাবেন না, কিছুই না। দূরপাল্লার যাত্রা হলে বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে আসুন অথবা প্যাকেটজাত কিছু খান।
পাশের যাত্রী কিছু দিলে খান না, তাতে কি?
হয়তো যে পানি বা ডাব কিনলেন, বা
অন্যকিছু তাতেই থাকতে পারে ঔষধ।
-
৪. ট্রেন জার্নিতে দরজার পাশে, দুই বগির পাশে দাড়াবেন না। কিংবা যতোই ভালো লাগুক দরজায় দাঁড়িয়ে সিগারেট খাবেন না। ট্রেনের ছাদে চলাচল যতোই রোমান্টিক লাগুক, যে গ্যাং গুলো ছিনতাই করে, তারা খুবই নির্দয় এবং বেপরোয়া। অনেক
যাত্রীর লাশ পাওয়া যায় সারাদেশের ট্রেন লাইনের আশেপাশে। বেশিরভাগই বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন
করে ফেলা হয়।
-
৫. কপাল খারাপ হলে ছিনত্যাইয়ের শিকার হবেন। ধরা যাক হলেন। কি করবেন ? ছিনতাইকারী বেশ কয়েকজন। আপনি একা, চারপাশে কেউ নেই। আপনাকে ঘেরাও করে রেখেছে। আপনার পকেটে দামী ফোন। এসবক্ষেত্রে ভালো হয় ফোনের মায়া ত্যাগ করা। কারণ যারা ছিনতাইকারী তাদের বেশিরভাগই নেশাগ্রস্থ।
আপনার জীবনের দাম পৃথিবীর যেকোনো দামী ফোনের চেয়েও অনেক বেশি।
-
৬. বান্ধবী বা মেয়ে বন্ধুর সাথে রেস্টুরেন্ট বা পার্কে যাচ্ছেন। হঠাৎ দেখবেন আপনার চারপাশে একদল ছেলের আবির্ভাব। এরা কিন্তু একটা গ্যাং।
দেখবেন আপনাদের নিয়ে নানান রকম আজে বাজে কথা বলছে, বাজে ইঙ্গিত দিচ্ছে। আসলে ওরা চাইছেই আপনাকে উত্তেজিত করে একটা
ঝামেলায় বাধাতে।
এতে ওদের লাভ, সেটা
কিরকম ?
ধরাযাক আপনি মাথা গরম করে ঝামেলায় জড়ালেন। ওরা আপনাকে অপমান করেছে বলে আপনি পাল্টা কিছু বললেন বা করলেন। এই পেয়ে
গেলো সুযোগ। ওরা তখন বাইরে থেকে নেতা গোছের কাউকে ধরে আনবে। যিনি এসেই আপনাকে আপনার বান্ধবীর সামনেই নানান
রকমভাবে জেরা করবে। তারপর বিচারে আপনাকেই দোষী বানিয়ে দেবে।
অত:পর মিটমাট করার নাম করে আপনার কাছ থেকে জরিমানা
বাবদ টাকা পয়সা কিংবা দামী ঘড়ি, ফোন অথবা ল্যাপটপটা রেখে দেবে। তাই এসব জায়গায় কথা বাড়ানো
মানেই ঝামেলা ডেকে আনা। আর নির্জন জায়গা হলে এদের দেখা মাত্রই সরে পড়ুন।
-
৭. ভোররাতে ঢাকা এসে পৌঁছেছেন। সাহস দেখিয়ে রাস্তায় নেমে পড়তে যাবেন না। বাসস্টপে বা ট্রেন স্টেশনেই অপেক্ষা করুন। সকালে যখন রাস্তায় যথেস্ট মানুষ থাকবে তখন বের হন।
-
৮. ট্রেন স্টেশনে বা সদরঘাটে নিজে নিজে বয়ে নিয়ে যেতে পারেন না এমন বোঝা নিয়ে এসেছেন তো মরেছেন। মাথায় করে পৌঁছেব দেয়ার নামে আপনার কাছ থেকে চাদার মতো
৪০০-৫০০ টাকা খসিয়ে ছাড়বে কুলিরা। তাই সাবধানে থাকুন,
দরদাম করে তারপর কুলি ঠিক করুন।
-
৯. নিউমার্কেট বা নীলক্ষেতের মত জায়গায় কেনা কাটা করতে গেলে খুবই সাবধান। কৌতুহলের
বশে কোনো কিছুর দাম জিজ্ঞেস করলেও
এখানে আপনাকে পাল্টা দাম বলার জন্য জোরাজুরি করবে। মনে রাখবেন এখানে মেজাজ দেখিয়ে লাভ নাই, এখানকার দোকানীরা সংঘবদ্ধ হয়ে কাজ করে।
-
১০. বাসে উঠলে প্যান্টের পিছনের পকেটে মোবাইল, মানিব্যাগ এসব কিছু রাখা নিরাপদ না।
দেখবেন ভিড়ের মাঝে বাসে ওঠতেছেন যে কেউ টান মেরে নিয়ে যেতে পারে টের ও পাবেন না। তাই সামনের পকেটে এসব জিনিস রাখুন।
-
১১. বাণিজ্যমেলা, চিড়িয়াখানা, চন্দ্রিমা উদ্যান কিংবা শিশুপার্কে গিয়ে দাম খুব ভালো করে না জেনে কিচ্ছু খাবেন না। দেখা যাবে একটা সিংগাড়া কিংবা আধা প্লেট বিরিয়ানি খাইয়ে ৪০০-৫০০টাকার বিল ধরিয়ে
দেবে আপনাকে।
-
১২. রাতে ঘোরাঘুরি না করাই ভালো। ছিনত্যাইকারী ধরলেতো কথাই নেই। এমনকি ‌( কিছু বিপদগামী)পুলিশ ( সক‌লেই নয় )ধরলেও বিপদ। যতই নির্দোষ হন, পুলিশ যদি বুঝতে না চায়
আর আপনাকে আটকে রাখার নিয়ত যদি থাকে, তাহলে আপনার কিছুই করার থাকবে না।
-
১৩. বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে আছেন, হঠাৎ একটা মাইক্রোবাস এসে থামলো আপনার সামনে। সেটা প্রাইভেট গাড়িও হতে পারে। আপনাকে চালক
বলবে সে গ্যারেজে ফেরার পথে বাড়তি কিছু ‘ট্রিপ’ নিচ্ছে। খুব অল্প ভাড়ায় আপনাকে পৌছে দেবার কথা বলবে। আপনি উঠবেন না। মেয়ে
হলেতো আরো আগে না।
-
১৪. রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছেন। হঠাৎ ভদ্রবেশি কেউ এসে, সে হতে পারে ছেলে বা মেয়ে বা বয়ষ্ক পুরুষ কিংবা মহিলা, আপনার ফোন চাইলো।
বললো, উনার কোন একটা সমস্যার কথা, এক্ষুনি একটা ফোন দিতে হবে কাউকে। আপনি বিশ্বাস করে ফোনটা দিলেন, দেখবেন পরক্ষণেই হুট
করে বাইকে উঠে হাওয়া।
-
১৫. সাথে সবসময় আইডি কার্ডের ফটোকপি সাথে রাখুন। বিপদে পড়লে খুব কাজে দেয়। হয়তো কোনো দূর্ঘটনা ঘটেছে, অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছেন, তখন যারা
উদ্ধার কাজে আসবে তারা আপনার পরিবার পরিজনকে জানাতে পারবে।
-
১৬. নতুন বিবাহিত হলে এবং স্ত্রীকে সাথে নিয়ে ঘুরতে এলে কাবিননামার ছবি মোবাইলে তুলে রাখুন। কখন কোন কাজে লেগে যাবে বুঝতেও
পারবেন না।
সবচেয়ে বড় কথা, সবসময় সতর্ক
থাকুন, চোখ কান খোলা রাখুন।
মনে রাখবেন, দোয়া পড়ে বাহির হবেন।

আপনার নিরাপত্তা আপনারই হাতে।
এই বিষয়ে আপনারা সতর্ক থাকবেন।

নিজে সতর্ক ও সচেতন থাকুন এবং অন্যকেও সতর্ক ও সচেতন করুন।

শিক্ষা ও তথ্য কেন্দ্র

( সংগৃহীত )

Address

South Tarabunia
Barishal
8550

Telephone

+8801575094203

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ShoppingZone posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to ShoppingZone:

Share