13/08/2025
আমি আমার স্ত্রী এবং কোন সন্তানকে টিকা দেইনি আলহামদুলিল্লাহ! এসব টিকার ভয়ংকর দিকের ব্যাপারে আমাদেরকে ছাত্র জামানাতেই সতর্ক করতেন আমাদের উস্তাদ মুফতি মনসূরুল হক হাফি.
লেখাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, পড়ার অনুরোধ রইল!
---------------------------------------------------
শিশুদেরকে পোলিও টিকার নামে যা দেয়া হয়, তার মূল কাজ বংশবৃদ্ধিকে দুর্বল করা আর মেয়েদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার নামে নয় বছর বয়স থেকে যে টিকাগুলো দেয়া শুরু হয়, সেগুলো জরায়ুর ভেতরকে সংকুচিত করে ফেলে (বেশি সন্তান ধারণ ও প্রসবকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য)! অন্যদিকে সিজার হচ্ছে তাদের মরণাস্ত্রের চূড়ান্ত সফলতা। এ লক্ষ্য ভ্রান্ত মাফিয়ারা কয়েকটি ধাপে কাজ করে থাকে-
১. ছোটবেলায় গণহারে পোলিও টিকা প্রদান
২. টিকার মাধ্যমে ৯–১৪ বছরের মেয়ে শিশুদের জরায়ুর ভেতরটাকে সংকুচিত ও বেশি সন্তান ধারণে অক্ষম করা
৩. সরকারি ক্লিনিকগুলো থেকে আয়রন ট্যাবলেট থেকে শুরু কিছু বিশেষ কিছু ভিটামিন দেয়া হয়– যেগুলো মূলত গর্ভজাত শিশুর অস্বাভাবিক মুটোভাব করে। ফলে সিজার করাটা অত্যাবশ্যক হয়ে ওঠে। আর সিজারের মাধ্যমে যেভাবে অধিক সংখ্যক বাচ্চার জন্মদান অসম্ভব, ভ্রান্ত মাফিয়াদের মিশন সফল!
বর্তমানে দুধের অভাব শিশুদের মধ্যে দুধ স্বল্পতার মূল কারণ জন্ম নিয়ন্ত্রণের বড়ি সেবনা, মহিলাদের দুধের সম্পর্ক গ্ল্যান্ডের সাথে সমস্যা (একটা আরেকটার সাথে সম্পর্ক)। জন্ম নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সময় ট্যাবলেট ব্যবহার করা হয়, গ্ল্যান্ডের দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবের কারণে দুধ তৈরির প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত তথা বাধাগ্রস্ত হয়। পরবর্তীতে বাচ্চা হলেও মায়ের বুকে পর্যাপ্ত দুধ তৈরি হয় না।
বাচ্চা পর্যাপ্ত দুধ না পেলে আবার ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। তখন বিভিন্ন ড্রাগের মাধ্যমে দুধ বাড়ানো হয় বটে, কিন্তু সেই দুধের গুণগত মানে গুটি থেকে যায়। ফলে সেই দুধ খেয়ে বাচ্চা বারবার অসুস্থ হয়। শুরু হয় একই সমস্যার ভিন্ন কোনো রূপ নিয়ে ডাক্তারের চেম্বারে দৌড়াদৌড়ি..! এভাবে চলতে থাকে বছরের পর বছর। আল্লাহর সৃষ্টি মানুষ হয়ে যাচ্ছে ড্রাগ মাফিয়াদের হাতে পুতুল!