Best Flix

Best Flix Welcome to our page...
Hare you can see action,comedy,funny,Sci-fi,adventure,survival movie clips. L

জ্বীনি লেখকঃ আবির হাসান পর্বঃ ১প্রেস কনফারেন্স এর সামনে বসে আছেন দেশের বিশিষ্ট প্রত্নতত্ত্ববিদ জনাব শোয়েবুর রহমান নয়ন। অ...
03/08/2021

জ্বীনি

লেখকঃ আবির হাসান
পর্বঃ ১

প্রেস কনফারেন্স এর সামনে বসে আছেন দেশের বিশিষ্ট প্রত্নতত্ত্ববিদ জনাব শোয়েবুর রহমান নয়ন। অনেক সাংবাদিক তার ছবি তুলছে। একসময় সে তার চেয়ার থেকে উঠে মাইকের সামনে এসে দাড়ালো উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশ্যে বললেন
- আপনারা সবাই জানেন আমরা এতোদিন কুমিল্লায় খনন কাজ চালিয়ে বেশ চাঞ্চল্যকর কিছু নিদর্শন পেয়েছি।

এই বলে তিনি একটা বোতাম টিপতেই পর্দায় কতগুলো ছবি ভেসে উঠলো।সবাই অবাক চোখে তাকিয়ে দেখতে লাগলো। কতগুলো প্রত্নতাত্ত্বিক জিনিসপত্রের ছবি। তার মধ্যে কয়েকটা দেওয়াল এর আঁকা বিভিন্ন ছবি ছিলো। কয়েকটা ছবি খুব অদ্ভুত কেননা ছবি গুলো একসাথে করলে বিষয়টা এরকম দাড়ায় যে একজন লোক কালো ধোঁয়ার মতন বৃহৎ আকৃতির এক দানব কে একটা ছোট্ট বোতলের ভিতর বন্ধ করছে। বিষয়টা দেখে সবাই অবাক হয়ে গেলো।
- আপনারা যা দেখছেন ঠিকই দেখছেন, আসলে বিষয়টা পুরোপুরি সত্য। আমরাও প্রথমে অবাক হয়ে যাই। এরপর আমরা এইটা নিয়ে রিচার্স শুরু করি এবং জানতে পারি,প্রাচীন আমলের যারা জ্বীনদের বশ করতে পারতো,তাদের কে দিয়ে কাজ করাতো। আমাদের নবী হযরত সুলায়মান (আঃ) এর ও কিছু আনুগত্য জ্বীন ছিলো। পৃথিবীতে এমন কিছু মানুষ ছিলো যারা অবাধ্য জ্বীনদের শাস্তিস্বরূপ কোনো বোতল,প্রদীপ বা আয়নার ভিতর বন্ধি করে রাখতো।

সাংবাদিকদের মধ্যে একজন উঠে বললো

- জ্বীনদের বন্ধি! তাও বোতলে স্যার ক্ষমা করবেন তবে এই বিশ শতাব্দীতে দাড়িয়ে বিজ্ঞানের যুগে এই কথা টা বলা পাগলামি ছাড়া কিছু না।

প্রফেসর নয়ন মুচকি হেসে বললো
- সময়ের পরিবর্তনে মানুষের জীবনধারার পরিবর্তন ঘটে, হ্যাঁ আমরা এখন উন্নত কিন্তু তারপর ও কিছু বিষয় একটা মিথ হয়ে রয়ে গেছে। বিজ্ঞান আমাদের অনেক সাধন করেছে এটা ঠিক কিন্তু কিছু কিছু ঘটনা আছে যার ব্যাখ্যা এখন ও বিজ্ঞান দিতে পারেনি। মানুষ মারা গেলে গড়ে ২১ গ্রাম ওজন কমে যায় এইটা তোমাদের বিজ্ঞান এ প্রমাণিত হয়েছে।কিন্তু এই ২১ গ্রাম ওজন এর কি হয় তার সুস্পষ্ট ইঙ্গিত বা ধারণা এখোনো বিজ্ঞান আমাদের দিতে পারেনি।

একটু থেমে আবার বলতে লাগলো।

- আমরা প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা করি,এবং তার ফলাফল প্রকাশ করি,আমরা হাজার বছরের পুরোনো সভ্যতার নিদর্শন গুলো নিয়ে রিসার্চ করি। যাইহোক আমরা যে নিদর্শন নিয়ে কাজ করছি সেইটা ২_৩ হাজার বছরের পুরোনো। তখনকার সেই মানুষ গুলো ঐ জ্বীনদের হাতে ব্রেসলেট পরিয়ে দিতো এবং তাদের মনিবের আদেশ পালন করতে বাধ্য করতো।

অন্য এক সাংবাদিক তাকে জিগ্যেস করলো
- তারমানে স্যার আপনি বলতে চান আলাদীনের প্রদীপ বলতে কিছু সত্যিই আছে? আমরা এতোদিন এটা কল্পকাহিনী হিসেবে জেনে এসেছি।
- দেখুন এই কথাটা আমি বলছিনা,বলছে এই দেওয়ালে পাওয়া হাজার বছরের পুরোনো এই চিত্রগুলো। তবে আমরা এখন ও তেমন কিছু পাইনি এই চিত্রগুলো ছাড়া যেটা এই বিষয়টাকে ক্লিয়ার করবে,তবে আমরা আমাদের খোঁজ এবং গবেষণার চালিয়ে যাচ্ছি এটার উপর। আমরা হয়তো সামনে আরও নতুন কোনো তথ্য পেতে পারি। সবাই কে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ।

এইবলে প্রফেসর নয়ন কক্ষ ত্যাগ করলেন।

ভিতরের কক্ষে গিয়ে হাই সিকিউরিটিতে থাকা একটা বাক্স খুললেন,বাক্সে ভিতরে লাল পর্দাটা তুলতেই একটা বড় সোনালি রং এর প্রদীপ হাতে নিলেন। তারপর তিনি তার ম্যানেজার কে ডাকলেন।

- প্রেস কে যা বলার সেটা বলে দিলাম, এরথেকে বেশি বললে সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। আর এই প্রদীপ এর ব্যাপারে আগেই কিছু বলা যাবেনা
- কেনো স্যার
- আমরা জানিই না এর ভিতরে কি আছে, তো যদি এইটার বিষয়ে জানাজানি হয়ে যায় তাহলে এইটা সরকার নিয়ে নিবে তারপর যদি এটা কাঙ্ক্ষিত জিনিস না হয় তাহলে সরকার এই পুরো খনন কার্যের টাকা ফিরিয়ে নিবে,যেটা আমাদের জন্য দুঃস্বপ্নের থেকে বড় কিছু না। তাই আগে আমাদের এইটা নিয়ে গবেষণা করতে হবে।
- জ্বী স্যার
- আমাদের এখনই এইটাকে এখান থেকে সড়িয়ে ফেলতে হবে। কারণ প্রেসের লোকজন চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। তাদের নজরে পরলে বিষয়টা গোলমেলে হয়ে যাবে।
- জ্বী স্যার, আমি এখুনি কড়া সিকিউরিটি মাধ্যমে এইটাকে সড়িয়ে ফেলছি
- নাহ,এই ভুলটা করবে না,কারণ এইভাবে করলে রাস্তায় চেকপোস্ট এ পুলিশ আটকাবে,যেরা করবে শেষমেশ চুরির দায় উঠবে,
- তাহলে কি করবো স্যার
- আপনি কুরিয়ার করে পাঠিয়ে দিন,ঐটা ভালো হবে।
- জ্বী,আপনি যা বলেন
- হ্যাঁ তাড়াতাড়ি করো এবং জিনিসপত্রের লিস্ট থেকে এইটার নাম সড়িয়ে দাও।
- আচ্ছা স্যার।

- দেখ,আমার আঙ্কেল আমার জন্য ঢাকা থেকে ব্রান্ড এর ব্যাট,বল পাঠিয়েছেন। এইবার খেলায় সর্বোচ্চ রান আমি এই রিয়াদ ই করবে (রিয়াদ)
- বাহ,ভাই বাহ! কত্ত সুন্দর ব্যাট। কই দেখিতো (তানভীর)
- এই নে দ্যাখ!
- কই আমার হাতে দে তো
- যা একটা বল কর

এই বলে রিয়াদ বলটা শাওন এর দিকে ছুড়ে মারলো, বোলিং সাইডে দাড়িয়ে থাকা শাওন বলটা ক্যাচ ধরে হাঁটতে লাগলো। রিয়াদ স্ট্যাম্প এর সামনে দাড়িয়ে ইশারা করতেই শাওন বল করার উদ্দেশ্যে দৌড়ে এসে বল করতেই রিয়াদ দু পা সামনে এগিয়ে ব্যাট দিয়ে সজোরে বলে আঘাত করায় বলটি সোজা ডিপ কভার পয়েন্ট বরাবর উড়ে গেলো।

- ওয়াও কি হিট করেছিস ভাই তুই!(তানভীর)

রিয়াদ বলের দিকে তাকিয়ে রইলো বলটা নিচে পরছে,এবং এসে আমার হাতে পরলো
রিয়াদ,শাওন,তানভীর এবং বাকিরা তাকিয়ে দেখতে লাগলো। আমি বলটা ক্যাচ নিয়ে বললাম
- যতই দামি ব্যাট আর ভালো পিচে খেলিস না কেনো,তুই রিয়াদ looser, looser ই থাকবি।
কথাটা বলেই আমি আর আমার পাশে থাকা তাসিম হাসতে লাগলাম।এইটা দেখে রিয়াদ রাগে আগুন হয়ে আমাদের দিকে আসতে লাগলো।
- ওই তুই looser কাকে বললি কে!
- কেনো রিয়াদ তুই ছাড়া এখানে আর কাকে দেখছিস
- হা হা হা (তাসিম)

এই বলে আমি আর তাসিম হাসতে লাগলাম। রিয়াদ তো প্রচন্ড রেগে গেলো।
এরমধ্যেই তানভীর এসে বললো,
- রিয়াদ,যেমন সব বল নো বল হয়না,তেমনি সবাই কমেন্ট ছুড়ে মারলেই ড্যামি মরিশন হয়না।

এই বলে ওরা হাসতে লাগলো। আমার যে কতটা রাগ উঠছে বলে বুঝাতে পারবো না
- কে looser ঐটা ম্যাচ ই বলে দিবে,(রিয়াদ)
- হ তাইলে হয়ে যাক ম্যাচ(আমি)
- ব্যাট বল সব আমার,তো আমরা প্রথমে ব্যাট করবো
- হুমম মামুবাড়ির আবদার তো,
- কোনো প্রশ্ন
- এতোই যখন ইচ্ছা তখন নিজে নিজে খেল,খরচ কমবে রিয়াদ
- ঐ কয়েন বের কর,টস হবে

সাদ কয়েন বের করে টস করতে যাবে এরমধ্যেই আমাদের স্পোর্টস টিচার মিজান স্যার চলে আসলো।
- একি তোমরা কি করছো এখানে,
- এই স্যার আমরা (আমি)
-ও ও ক্রিকেট, আমিও খেলবো।

রিয়াদ আমার কানে ফিসফিসিয়ে বললো
- কিন্তু খেলা তো আমাদের মধ্যে হওয়ার কথা ছিলো।
- কি স্যার,কোথায় আমরা রিয়াদের লেভেলের চুনোপুঁটি আর কোথায় আপনি সাকিব আল হাসান।
স্যার খুশি হলেন কিন্তু রিয়াদ খেঁপে গেলো
- হ্যাঁ কোথায় আমরা আবিরের মতন ঘরে বসে লুডু,ষোলগুটি খেলার প্লেয়ার আর কোথায় আপনি,আমাদের সাথে খেললে আপনার ট্যালেন্টের ইনসাল্ট ঘটবে।

স্যার শুনে হেসে দিলো কিন্তু আমার মাথা রাগে আগুন হয়ে আছে। আমি আমার শার্টের হাতা কাচিয়ে বলতে লাগলাম

- মিজান স্যার,আপনি আম্পায়ার হন টস করুন টস,দেখাচ্ছি এই রিয়াদ কে ধচ্যাম্পিয়ন কাকে বলে।
- হ্যাঁ আমি আম্পায়ার হবো এবং তোমাদের মধ্যে যারা ভালো খেলবে ওদের আমি কলেজ টিমে এ্যাড করবো

আমি ও রিয়াদ একে অপরের চোখে ক্ষীণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি, দুজনার চোখেই রাগ চোখের চাওয়ার মধ্যে ই জেনো আমাদের মাঝে অনেক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়ে গেছে এই অবস্থা। স্যার টস করার জন্য কয়েন বের করলেন, "হেড'' এবং টস এ হেড আসলো।রিয়াদ টস জিতে ব্যাটি শুরু করে দিলো,আমি বল হাতে নিয়ে দৌড়ে যেই বল টা,করতে যাবো শেষ মূহুর্তে অমনি হাত দেখিয়ে থামিয়ে দিলো রিয়াদ, কোনো মতে থামলাম।
- একি রিয়াদ শেষ সময় ব্রেক লাগালে কেনো
রিয়াদ নিজের গ্লাভস খুলে টাইট করে লাগালো,পা দিয়ে পিচে কয়েকটা আচর দিলো
- হো হো রিয়াদ কি স্টাইল! (শাওন)

আমি আবার ফিরে গিয়ে দৌড়ে এসে বল করলাম,রিয়াদ ডিফেন্স করার জন্য ব্যাট পাতার আগেই বল স্ট্যাম্প এ লেগে বেল পরে যায়,রিয়াদ এর কপালে হতাশার ছোপ মানেই আমার আনন্দ! হুড়রে! বলে লাফিয়ে উঠলাম
- সাব্বাস! আবির,স্পেশাল বলে স্পেশাল উইকেট (সাদ)
এবার ব্যাট করতে আসবে তানভীর,খেলাট জমে উঠছে কিন্তু ততক্ষণে বৃষ্টি নেমে আসলো। আর আমাদের বাধ্য খেলাটা ওখানেই বন্ধ রাখতে হলো,খেলা বন্ধ হলো তো কি হলো রিয়াদ কে পচানোর সুযোগটা ছাড়লাম না।

রাস্তায় গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মধ্যে হাঁটছি,মনটা ভালো নেই পাশে তাসিম আছে

- ছাড় না ভাই এমনিতেও রিয়াদ এর পরাজয় নিশ্চিত ছিলো। ওর চৌদ্দ গোষ্ঠীর কপাল ভালো যে বৃষ্টি টা হলো,নইলে
- হুহহ আজ একটা দারুণ সুযোগ ছিলো ব্যাটা রিয়াদ কে দেখিয়ে দেয়ার

- আল্লাহর কাছে লাখ শুকরিয়া যে বৃষ্টি টা হলো,নইলে গো হারা হারতাম (শাওন)
- ঐ তুই আমার দলে নাকি ঐ আবিরের দলে
- থাক না,কেনো নিজেদের মাঝে ঝগড়া করছিস, শচীন যতবার শূন্য রানে আউট হয়েছে ততোগুলো ম্যাচ ও খেলেনাই।
- ব্যাটা আবির বেশি বাড়া বাড়ছে! আমার সব কাজের মাঝে চলে আসে, ইসস আমি যদি সেই আলাদীনের আশ্চর্য প্রদীদ পেতাম তাইলে আমিও দেখিয়ে দিতাম আমিও কারোর থেকে কম না (রিয়াদ)

- এই রিয়াদ কে যতক্ষন না শায়েস্তা করতে পারছি না ততক্ষণ আমার শান্তি নাই তাসিম,আমার শান্তি নাই। যদি আমার কাছে আলাদীনের সেই প্রদীপ পেতাম তাহলে!ইসসস

এই বলে ফুটপাতে পরে থাকা একটা বোতলে লাথি মারলাম। বোতলটা ছিটকে গিয়ে বাইক চালিয়ে যাওয়া একটা লোকের মাথায় আচমকা পরতেই বাইকটা ডানপাশে কাত হয়ে পরতেই সামনে থেকে আসা একটা কুরিয়ার ভ্যানের সাথে সংঘর্ষ হলো। কুরিয়ার ভ্যান চালক হঠাৎই ব্রেকচাপায় রাস্তায় খুব ঘর্ষণ হলো, টায়ারের দাগ পরে গেছে রাস্তার উপর। এবং ল্যামপোস্টেরর সাথে ধাক্কা খেলো। নিমিষেরই লোক জনের ভিড় জমে গেলো। মোটরবাইক চালানো লোকটা একটুর জন্য গুরুতর এক্সিডেন্ট এর হাত থেকে বেঁচে গেলো। আমি ভয়ে তাসিমের হাতটা ধরে ফেললাম।

- আবির! এখন আর এখানে থাকাটা ঠিক হবেনা! মানে মানে কেটে পরি
- চল, ভাই

- ভাই রিয়াদ! আবির,তাসিম ওরা চুপিসারে কোথায় যাচ্ছে
- চল গিয়ে দেখি,

আমরা পাশ কাটিয়ে চলে যাবো অমনি আমার,চোখ পরলো কুরিয়ার ভ্যানের পেছনের দরজাটা খোলা এবং দরজার ভিতর থেকে একটা ছোট বক্স কিছুটা দুরে পরে আছে। বক্সটার দিকে তাকিয়ে থাকতেই আমার কেমন জেনো অদ্ভুত লাগছে,আমি বক্সটার দিকে এগিয়ে যেতে লাগলাম। যেই তুলতে যাবো তখনই আমার উপর কারোর ছায়া পরে আছে,আমি মাথা তুলে তাকাতেই দেখলাম রিয়াদ দাড়িয়ে আছে।

- রাস্তায় পরে থাকা জিনিস তুলতে নেই,এই শিক্ষা টা কি পাওনি!
আমি ধীরে ধীরে উঠে দাড়িয়ে বললাম
- নাহ পাই নাই, তাতে তোর কি
- অবশ্য তোর এই স্বভাব কখনো ই যাবেনা এখন সড়ে দাড়া,এইটা আমি প্রথমে দেখছি
- অন্যের জিনিস কে নিজের বলে চালিয়ে দেয়া এই শিক্ষা টা কোন সনামধন্য কলেজ থেকে শিখেছিস।
- আমি এইটা নিয়ে খুলে দেখবো,তারপর দিয়ে দিবো।
- দিয়ে যখন দিবি খোলার দরকার কি,চল আমিই দিয়ে দেই

এই বলে আমি যেই বক্স টা নিতে যাবো অমনি আমার হাত দুটো ধরে ফেললো রিয়াদ।
- একবার বলছি না যে আমি দিয়ে আসবো
- বেস তো,রাস্তায় পরে আছে তুলে নে।
এই বলে আমি ঝট করে বক্স টা তুলে নিলাম, রিয়াদ আমার হাতের বক্স টা টেনে ধরে বললো
- দে আমাকে দে
- আয় নিয়ে নে
- ছেড়ে দে আবির
- ছাড়ার জন্য তো ধরিনি
- ভালো হবে না কিন্তু বলে দিচ্ছি
- আমিও দেখে নিবো,তুই আমার কোন মন্দ টা করিস।
- ছাড়
- না ছাড়বো না

শুরু হলো বক্স নিয়ে টানাটানি। একবার রিয়াদ ওর দিকে বক্স টানে এবং একবার আমি আমার দিকে টানি। তাসিম আর তানভীর দুজন দুজনার কাঁধে হাত রেখে আমাদের চিয়ার করে যাচ্ছে

"আবির! আবির!......রিয়াদ! রিয়াদ!"

আমাদের দুজনার টানাটানিতে বক্সটা জেনো গরম হয়ে উঠছে।
- কিরে হাতটা গরম হয়ে যাচ্ছে কেনো
- কেমন জেনো পোড়াপোড়া গন্ধ পাচ্ছি
- হ্যাঁ আমিও

হঠাৎই আমাদের হাতের বাক্সটায় আগুন জ্বলে উঠলো। আমরা ভয়ে বক্স টা ছুড়ে ফেলে রাস্তায় বসে পরলাম ভয়ে৷ বক্স টা নিচে না পরে শূন্যে ভেসে উঠলো। বক্স টা পুড়ে ছাই হয়ে গেলো। বক্সের ভিতর থেকে একটা সোনালি রংয়ের প্রদীপ বেড়িয়ে এলো। আমি,রিয়াদ,তাসিম,তানভীর সবাই অবাক চোখে তাকিয়ে দেখতে লাগলাম। হঠাৎই প্রদীপের মধ্যে থেকে সাদা ধোঁয়া বের হতে লাগলো। এইটা দেখে আমি আর রিয়াদ একে অপরকে জড়িয়ে ধরলাম। একসময় সাদা ধোঁয়া বের হতে হতে প্রদীপ টা ঝনঝন করে নিচে রাস্তায় পরে গেলো। আমি আর রিয়াদ ভয় পেয়ে গেলাম। সাদা ধোঁয়া টা আমাদের মাথার উপর বিরাট বড় একটা দানবের আকার ধারণ করতে লাগলো।

,
,
,
To Be Continued....

ভালো লাগলে জানাবেন। গল্পটা বেশি বড় না। আপনাদের সবার মতামত পেলেই গল্পটা কনটিনিউ করবো। ধন্যবাদ
#আবির

................ পরী...................... পর্ব:  ০১লেখক: আবির হাসান{ বিঃদ্রঃ এই গল্পটা একটু অন্যরকম, একটু বাস্তবতা নিয়ে...
08/03/2021

................ পরী...................... পর্ব: ০১
লেখক: আবির হাসান
{ বিঃদ্রঃ এই গল্পটা একটু অন্যরকম, একটু বাস্তবতা নিয়ে লিখতে চাইছিলাম , আশা করি ভালো লাগবে আপনাদের কাছে }
,..........
— ওর মধ্যে ভয়ংকর দুষ্টু ঘৌল প্রবেশ করেছে ,(মাওলানা)
— এখন কি করতে পারি বলুন মাওলানা সাহেব, আমার একমাত্র মেয়ে, ( সিদ্দীক সাহেব)
তানিয়ার রুমের ভিতর থেকে ভাংচুরের আওয়াজ আসতে লাগলো, গোঙ্গানির শব্দ আসতে লাগলো,
— তুই চলে যা এখান থেকে ভালো থাকতে,নইলে এই পরিবারের কেউ বেঁচে থাকবে না, চলে যা তুই !!!
— মাওলানা সাহেব দয়া করে আমার মেয়েকে বাঁচান ( রুনা বেগম)
— আপনাদের মেয়ের উপর ঘৌল জ্বীন এর নজর পরেছে, আমি দেখছি আপনারা সবাই এখান থেকে চলে যান৷
সিদ্দীক সাহেব, রুনা বেগম তাড়াতাড়ি রুম থেকে চলে গেলো৷ মাওলানা সাহেব তসবি পড়া অবস্থায় দরজায় হাত রাখতেই দরজা খুলে গেলো, তানিয়া কে বিছানায় বেঁধে রাখা হয়েছে, হাত পা নেড়েচেড়ে ছটফট করতেছে ৷ শাহাদাত তার কাপড়ের ব্যাগের ভিতর থেকে একটা কালো লম্বা কাচের বোতল বের করে মাওলানা সাহেবের হাতে দিলো
— দেখ ভালোয় ভালোয় এই মেয়েটাকে ছেড়ে দে, আর চুপচাপ এই বোতলের ভিতর চলে আয়,
তানিয়ার চোখদুটো ক্রমশ রক্তিম বর্ণ ধারণ করতে লাগলো, একটা ভয়ানক হাসি দিয়ে বললো,
— তোর মতন একজন হুজুর আমাকে তাড়াবে, তোর মতন বহুত হুজুর আসছে আর গেছে কেউ কিচ্ছুটি করতে পারেনি আমাকে, এখোনো সময় আছে চলে যা এখান থেকে নইলে তোর বংশ নির্বংশ করে দিবো....
— কে কার বংশ নির্বংশ করবে সেটা এখনই দেখা যাবে
মাওলানা সাহেব শাহাদাত এর দিকে তাকিয়ে বললো
— শাহাদাত তুমি আজান দাও.......
শাহাদাত আজান দেয়া শুরু করলো
আর মাওলানা সাথে সাথে সূরা পড়া শুরু করলো, সূরা জ্বীন এর কিছু আয়াত আর আয়াতুল কুরসী, আজান এর সাথে সাথে তানিয়ার ছটফটানি আরো বেড়ে গেলো আর তার সাথে মাওলানা আরো জোড়ে
সূরা পড়তে লাগলো, এদিকে তানিয়ার শরীরে মনে হচ্ছে আগুন জ্বলতে লাগলো, চিৎকার করতে লাগলো তানিয়ার চিৎকার শুনে রুনা বেগম দরজার দিকে আসবে এরমধ্যেই সিদ্দীকি সাহেব তার হাত ধরে আটকে দিলো, এবার তানিয়ার চোখদুটো কালো হতে শুরু করলো আজান শেষ হওয়ার সাথে সাথে তানিয়ার মুখ থেকে কালো একটা ধোঁয়া বের হয়ে সোজা বোতলের মধ্যে ঢুকে গেলো৷ মাওলানা সাহেব তাড়াতাড়ি গিয়ে বোতলের মুখ টা আটকে একটা তাবিজ বেঁধে সাথে সাথে কাপড়ের ব্যাগে ভরে নিলো, দরজা খুলে মাওলানা সাহেব এবং শাহাদাত বেড়িয়ে আসলো,
— মাওলানা সাহেব আমার মেয়ে.....( রুণা বেগম)
— আপনি ভিতরে যান, অজ্ঞান আছে এখন, কিছুক্ষণ এর মধ্যেই জ্ঞান ফিরে আসবে, একটি জমজম কুপের পানি খাইয়ে দিবেন যদি থাকে, আর হ্যাঁ রাত্রে ঘুমানোর সময় দোয়া পরে নিজের বাম দিকে তিনবার থুথু দিবে তারপর জেনো ঘুমায়, আর এর ব্যাবস্থা আমি নিজে করবো
— আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, মাওলানা সাহেব( সিদ্দীক সাহেব)
— আল্লাহ কে জানান, তিনি ই আপনাদের রক্ষা করবেন, আমি আসি, এখন
— আসসালামু আলাইকুম
গ্রামের উচু নিচু রাস্তা দিয়ে রিকশার করে মাওলানা আর শাহাদাত আসছিলো,সন্ধে হয়েগেছে প্রায়
— মাওলানা সাহেব , একটা কথা বলি!
— বলো
— আপনি অনেক দুষ্টু জ্বীন বন্ধি করেছেনে আজ করলেন, আপনি খুব সাহসী, ভয় করে না আপনার
— কে বলছে করে না, আজও তো আমার খুব ভয় করছিলো, একটু ভুল হলেই সমস্যা হতে পারতো, জ্বীনরা মানুষের ভয়টাকে ব্যাবহার করে,
— আচ্ছা
— এইটা তো প্রকাশ্য জ্বীন, একশ্রেনীর জ্বীন বাদে বাকি সব জ্বীন মানুষের ক্ষতি করে, আমার ভয় লাগে ঐ সমস্ত জ্বীন দের যারা শয়তানের আগ্রবাহক এবং মানুষকে ভুল পথে প্রচারিত করে ...... একজন মানুষকে শয়তান বানিয়ে ফেলে, তার ঈমান নেক আমল ধ্বংস করে.......
মাওলানা সাহেব এবং শাহাদাত কথা বলতে লাগলো, উচুঁ নিচু রাস্তা দিয়ে রিক্সা চলতে লাগলো ব্রিজের উপর উঠতেই হঠাৎই উচু কিছুর সাথে রিক্সার চাকার ধাক্কা লাগায় একটা ঝাঁকি হলো এবং শাহাদাত এর সাদা কাপরের ব্যাগের ভিতর থেকে একটা কালো বোতল নিচে পরে গড়িয়ে ব্রিজ থেকে নদীতে পরে গেলো , নদীর তলদেশের একটা পাথরের আঘাতে বোতলটা ভেঙ্গে গেলো আর ভিতর থেকে সাদা একটা আলো বের হয়ে আসতে লাগলো, সেই আলোটা নদীর পানিকে চমকিয়ে দিচ্ছে
,
— কিরে,ওয়াশরুমে ঢুকে কি নৃত্য শিরি করেছিস,তাড়াতাড়ি এসে Breakfast করে আমায় উদ্ধার কর!!
কোনো মতে টা বেড়িয়ে এসে সোজা ডাইনীং রুমে বসে পড়লাম,মাথা থেকে তখনও গড়িয়ে গড়িয়ে পরছিলো,
— একি,এই অবস্থায় আসছিস কেনো?
— তুমি তো বিপদে পরেছো,তাই তোমায় উদ্ধার করতে এসেছি,
আম্মু মাথায় হাত রেখে বলতে লাগলো!
— হায় আল্লাহ! এ কি অবস্থা! এত্তো বড় ছেলেকে এখোনো যদি মায়ের সব কাজ দেখিয়ে দিতে হয়,"
আম্মু টাওয়েল দিয়ে মাথা মুছে দিতে লাগলো,আর আমি গপগপ করে ব্রেকফাস্ট টা মুখে পুরতে লাগলাম
ব্যাগ টা কাঁধে নিয়ে সিড়ি দিয়ে ঝরঝর করে নেমে যেতে লাগলাম ঘড়িতে সাড়ে নয়টা বাজে, আমাকে প্রথম ক্লাশ যেভাবেই হোক করতেই হবে,প্রথম ক্লাশে সে আসবে,আহহ...! কি মজা হবে,ওর চোখে তাকালে হারিয়ে যাই সেই দূর, সুদূর, বহুদূর ...! আহহ! কি সুন্দর হালকা গোলাপী ঠোঁট, দেখলি মনে হয়,স্ট্রবেরি, আহহ! সিল্কি চুল হঠাৎই ফুসসস করে একটা শব্দ হলো শব্দটার ফলে কল্পনা জগত থেকে বাস্তবে ফিরে আসলাম,
সাইকেল টা থেমে গেছে,পিছনের চাকা পাংচার হয়েছে,
— ধ্যাত, এই পাংচার হওয়ার ও সময় পায়নি! সব ঝামেলা আমার কপালে এসেই জুটলো,আমার সাথেই এসব কেনো হয়,
অগত্যা সাইকেল রেখে হেঁটে হেঁটে ই কলেজের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলাম,
ক্লাশ শুরু হয়ে গেছে,কিন্তু ১০ মিনিট লেইট
ব্যাস তাও ক্লাশ নিচ্ছি লো ম্যাথ স্যার এ,
কান ধরে দাড়া করিয়ে রাখলেন, বিষয়টা একটু লজ্জাজনক ছিলো, গতকাল আরিফ অনেক লেট করে আসছিলো তারপরও স্যার ওরে কিছু বলেনি, ক্লাশের ফাস্ট বয় তো, কলেজের নাম উজ্জলকারী ছাত্র, আর কোথায় আমি, আর ক্লাশের সবাইও খুব মজা পায় যখন ব্যাকবেঞ্চার দের কান ধরে দাড় করায়, ঐ তাসিম ও আসছে, ওরে ও দাড় করিয়ে রাখলো, আমার best friend, এখন পরিবার পূর্ণ হলো, একা একা দাড়িয়ে থাকার লজ্জাটা একটু ঘুচলো, স্যার "সরলরেখা" করাচ্ছেন , সামান্তরিকের তিনটি বিন্দুর স্থানাঙ্ক দেওয়া আছে অপরঅপর বিন্দুর স্থানাঙ্ক বের করতে হবে,
স্যার মদ্যবিন্দুর স্থাণাঙ্ক বের করে করছিলেন, আমি বোর্ডের দিতে তাকিয়ে রইলাম, হঠাৎই মাথায় আসলো mcq যেহেতু আরো শর্টকাট এ করা যায়, AB বাহুর স্থানাঙ্কের অন্তর CD বাহুর স্থাণাঙ্কের সমান হবে, 15-20 সেকেন্ডেই শেষ করা যায়, ধ্যাত সব যে ভাবছি, আমরা ব্যাকবেঞ্চার, এইসব কি আমাদের কাজ,
এদিক ওদিক উকি মেরে দেখতেছি, এতি ইশা কোথায়, ক্লাশ শেষে মারিয়াম এর কাছে জানতে পারলাম আজ ও আসেনি
— এব্বাই কই ইশা আসেনাই তো( তাসিম)
— তুই কোনো টেনশন করিস না , বিকেলে পার্কে আসবে, ( আমি)
— সাদ রে নিয়ে আসবো নে ,আর এব্বাই সব কিছুর বন্দোবস্ত করে ফেলছি
— যাক, ভালো হলো
বাড়ি ফিরলাম, বিকেলে ঘড়িতে দেখলাম 5 টা বাজে! হ্যাঁ আমাকে যেতে হবে,
ইশা র জন্য এই গিফট টা কিনলাম,আজ তো ওর জন্মদিন, সন্ধা ৬টায়৷ ও নিশ্চয় ই wait করছে, অটো,CNG কিছুই পাচ্ছি না,একটা রিক্সা নিলাম, একদিকে আমাদের রিলেশনের আজ একবছর পূর্ণ হয়েছে,ইশা কে গতবছর ওকে জন্মদিনে ই প্রপোজ করছিলাম, ইশার 20+ মিস কল, সারপ্রাইজ দিবো, আজ তাইতো কালই বলে ফেলছিলাম যে 5:30 মধ্যে,হয়তো এলেও গেছে, ইসস 5:25 বেজে গেছে
— এই রিক্সা যাবেন?
— কই যাইবেন ?
— এই মুক্তিযোদ্ধা পার্কে,
উঠে পরলাম,ইশা wait করছে নিশ্চয়ই, নিশ্চয়ই বকবে আমাকে,late হলো কেনো? In fact সবাই আমাকে বকেই যায়, মাঝে মাঝে মাঝে মনে হয় সবার বকা খাওয়ার জন্যই হয়তো আমার জন্ম!আর আমাকে বকাটাই মনে হয় সবার রোজকার একটা পেশা, তবেআম্মু আর ইশা এইদুজনার বকুনির মধ্যে আলাদা একটা বিষয় আছে,
এরূপ কল্পনা করতে করতেই পৌছে গেলাম পার্কের সামনে,ভাড়া মিটিয়ে একটু একটু করে দৌড়ে ভিতরে ঢুকলাম,
কোথায় আছে,তাও তো আমাকে খুঁজতে হবে! হয়তো রাগ করে বসে আছে, সাদ ফোন দিলো
— কি কই তোরা, আমরা এখানের কাজ শেরে ফেলছি, আরেকটু পরই আতশবাজি ফাটাবো, Green room টা বুকিং করে ফেলছে তাসিম, ৬ টা তো বাজতে চলছে, ইশা রে নিয়ে তাড়তাড়ি ,( সাদ)
— আর একটু wait কর... ফোনটা কেটে দিলাম,
ঐতো ইশা,নিশ্চয়ই রাগ করে ওখানে দাড়িয়ে আছে যাই দেখি রাগটা ভাঙ্গাই ............
১ ঘন্টা পর..........
নদীরপাড়ে বসে আছি হঠাই পিঠে ধাক্কা দিয়ে সাদ আর তাসিম এসে পাশে বসলো
— সেই কখন থেকে তোরে ফোন দিচ্ছি,কোনো উত্তর নাই,
— এব্বাই এখন 7:30 বাজে সেই বিকেল 4 টা থেকে তোদের waitting করতে করতে .... আর ইশা কোথায়,( তাসিম)
— সত্যিই তো ইশা কোথায়
— কি হলো বল বল,
— ইশা আসবে না ভাই ....... আসবে না ও
,
,
To Be Continued
ভালো লাগলে জানাবেন
#আবির

31/01/2021

একবিছানায় শুয়ে বললাম,
ভাইয়া চলেন সুইসাইড করি।
বড়ভাইয়াঃকরলে এতদিনে করতাম। মা বাবার কি হবে।

28/11/2020

Best Action Scene

Address

Textile Road
Barisal
8200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Best Flix posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Best Flix:

Share