Rakib Shikder

Rakib Shikder ❀๑▬▬▬๑﷽๑▬▬▬๑❀ Always Follow Your Dream and Don't let Anyone Take it From You.�

14/08/2026

হবিগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ডের সুপারভাইজার নিয়োগকে কেন্দ্র করে পুলিশের সামনেই ইউএনও কার্যালয়ে ইউএনওকে কো'পানোর হুমকি দেয় ছাত্রদলের নেতারা!

হবিগঞ্জের ইউএনও একজন নারী৷ কিন্তু কথিত নারীবাদী কাউকেও এখন দেখতে পাচ্ছি না "একজন নারীকে কো'পানোর হু'মকি কিভাবে দেয়"

14/08/2026

এক সময় এই দেশে মুসলমানের ছেলেদের রাস্তা ছেড়ে দিতে হত।

শুধু মুসলমান হওয়ার "অপরাধে"।

বানিয়ে বানিয়ে বলছি না। কাছাকাছি ঘটনা পাবেন আবুল মনসুর আহমেদ এর "আমার দেখা রাজনীতির ৫০ বছর" বইতে।

সেখানে আবুল মনসুর আহমদ এর বেয়াদবির জন্য উনার বাবাকে হিন্দু জমিদারের কাছে হাত জোড় করে মাফ চাইতে হয়েছিল।

৪৭ আপনাকে শুধু স্বাধীনতা দেয় নাই, ৪৭ আপনাকে দিয়েছে মানুষের মর্যাদা।

৪৭ আগ পর্যন্ত আপনি ছিলেন প্রজা।

আপনাকে জমিদারের কাছে যেয়ে তার দয়া ভিক্ষা করতে হত।

দশ হাত দূরে দাঁড়ানো লাগত।

এ দেশে মুসলমানরা লেখাপড়া করতে পারে নাই কেন জানেন?

বেশিরভাগ স্কুলে মুসলমানের বাচ্চাদের বসতে দেওয়া হত না।

অনেক স্কুলে ভর্তিই নিত না।

নাটোরের একটা এলাকায় গেলে দেখবেন মুসলমানের ছেলের নাম গোপাল।

কেন?

কারন ওখানে মুসলমানদের বাচ্চার নাম রাখার অধিকার পর্যন্ত ছিল না। মুসলমানের ছেলে হলে সেই ছেলে কোলে নিয়ে দূরে দাঁড়াতে হত।

হিন্দু জমিদার নিজের ইচ্ছামতো নাম দিয়ে দিতেন।

পাকিস্তান হওয়ার পর এই এলাকাতে কাজী নাজির নামে একজন ম্যাজিস্ট্রেট যান।

তিনিই প্রথম একজনের নাম রাখেন আব্দুর রহমান।

তিনিই প্রথম মুসলমানের ছেলেদের লেখাপড়ার ব্যবস্থা করে দেন।

তার আগ পর্যন্ত মুসলমানের ছেলে হলে স্কুলে জায়গা হত না। অশুচি হয়ে যায় তাই।

৪৭ আপনাকে আপনার নাম দিয়েছে।

৪৭ আপনাকে আপনার লেখাপড়ার সুযোগ দিয়েছে।

৪৭ এর ১৪ আগস্টের আগে আপনি ছিলেন একজন অশুচি প্রজা, ৪৭ এর ১৪ আগস্ট থেকে আপনি প্রজা থেকে নাগরিক হয়েছেন।

এই ইতিহাসগুলো কেউ আপনাকে বলবে না।

বাট আপনার জানতে হবে।

আপনার জানতে হবে, একটা পাকিস্তানের জন্য কেন আমাদের বাপ দাদারা ২০০ বছরের সংগ্রাম করলো?

আপনার দেখতে হবে আসাম, দেখতে হবে কাশ্মীর, দেখতে হবে গুজরাট।

তারপর আপনি বুঝবেন, স্বাধীনতা কত বড়।

আপনার দেখতে হবে আসামের সেই দলিতকে। গরুর মাংস বহনের অভিযোগে যাকে কিছুদিন আগে হত্যা করা হয়েছে।

জিন্নাহ আর শেরে বাংলারা শুধু আপনার নাম দেয় নাই, দিয়েছে আপনার খাওয়ার অধিকারও।

সেই তিতুমীর ,মজনু শাহ, হাজী শরীয়তুল্লাহ, দুদু মিয়া। তিতুমীর রক্ত দিলেন। সেই রক্তে লাল হয়ে গেল বুড়ি গঙ্গার পানি।

দাঙ্গা লাগিয়ে দেয়া হলো।

কোনভাবেই পাকিস্তান হইতে দেওয়া যাবে না।

অত্যাচার জুলুম করে জমিদারি চালানোর এই মজা কে ছাড়তে চায়?

মুসলমানের ছেলের নাম গোপাল রাখার মজা কে ছাড়তে চায়?

তাই বারবার বুড়ি গঙ্গা আর পদ্মার পানি লাল হয়েছে আমার বাপ দাদাদের রক্তে।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান আসলো।

আল্লামা ইকবাল পাকিস্তান নাম উচ্চারণ করে মারা গেলেন। বাট সেই মশাল নিয়ে সামনে চলে আসলেন নবাব সলিমুল্লাহ খান, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, আর কায়েদে আজম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহরা।

জমিদারদের হাত থেকে মুক্ত হয়ে আমরা পেলাম নতুন পতাকা, নতুন মানচিত্র।

প্রজা থেজে আমরা হয়ে উঠলাম নাগরিক।

আমরা কথা বলতে শিখলাম, অধিকার চাইতে শিখলাম।

শুরুটা ৪৭ এই।

এরপর এলো ৫২।

এলো ৭১।

এলো ২৪।

বাট আগুনটা ঐ ৪৭ এর ১৪ ই আগস্টেই জ্বলেছিল।

আমাদের প্রথম স্বাধীনতা দিবস আজ।

আমাদের প্রজা থেকে নাগরিক হওয়ার দিন আজ।

আজকের পর থেকে সব স্কুলে আমরা ভর্তি হতে পেরেছি, আজকের পর থেকে নিজেদের খাবার খাওয়ার জন্য কোন জমিদারের পারমিশন আমাদের নিতে হয় নাই।

৪৭ এর স্বাধীনতার প্রতিটা যোদ্ধাকে আমি সালাম জানাই।

সালাম জানাই, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক আর কায়েদে আজম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহকে।

আজকের দিনটা আমাদের কাস্মীর না হওয়ার দিন।

আজকের দিনটা আমাদের আজাদীর দিন।

দিল্লির গোলামী থেকে মুক্ত হওয়া মাশরেক আর মাগরেবের সমস্ত সন্তানকে জানাই এই অসহ্য সুন্দর আজাদীর শুভেচ্ছা!!

🟥 মেগা ইনপুট 🟥দীনেশ ত্রিবেদী হাত বাড়িয়ে দিলেন। তারেক রহমানও হাসিমুখে সৌজন্যের হাত বাড়ালেন। এবং ঠিক সেই মুহূর্তে...মাত...
10/08/2026

🟥 মেগা ইনপুট 🟥

দীনেশ ত্রিবেদী হাত বাড়িয়ে দিলেন। তারেক রহমানও হাসিমুখে সৌজন্যের হাত বাড়ালেন। এবং ঠিক সেই মুহূর্তে...মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ভগ্নাংশে...ইতিহাসের পাতায় খোদাই হয়ে গেল এক নীরব আধিপত্যের চিত্র। দীনেশ ত্রিবেদী অত্যন্ত সুকৌশলে তার হাতটি রাখলেন তারেক রহমানের হাতের ঠিক ওপরে। তারেক রহমানের হাতটি রয়ে গেল নিচে, যেন এক অদৃশ্য ভারে চাপা পড়ে আছে।

ক্যামেরার ফ্ল্যাশগুলো জ্বলে উঠতে শুরু করল অবিরাম।

আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে কোনো কিছুই কাকতালীয় নয়। এখানে প্রতিটি পদক্ষেপ, চোখের প্রতিটি পলক, হাসির প্রতিটি রেখা এবং সবচেয়ে বেশি...বডি ল্যাঙ্গুয়েজ বা শারীরিক ভাষা...আগে থেকে নির্ধারিত থাকে।

কূটনীতিতে কিছু অলিখিত 'এটিকেট' বা শিষ্টাচার আছে, যা রাষ্ট্রের ক্ষমতা ও অবস্থানের নীরব ঘোষণা দেয়। করমর্দনের সময় যাঁর হাত ওপরে থাকে, মনস্তাত্ত্বিকভাবে সেই রাষ্ট্রই ডমিনেট বা আধিপত্য বিস্তার করে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, যিনি একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের নির্বাহী প্রধান। আর দীনেশ ত্রিবেদী হলেন ভারতের একজন প্রতিনিধি মাত্র...হাইকমিশনার। ওই হাইকমিশনার কোনোভাবেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর হাতের ওপর নিজের হাত রেখে আধিপত্যের বার্তা দিতে পারেন না।

আমরা না করলেও ধুরন্ধর ত্রিবেদী হোমওয়ার্ক করেই এসেছেন। নয়াদিল্লির চাণক্যরা তাকে শিখিয়েই পাঠিয়েছিলেন, কীভাবে একটি দেশের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধরের সামনে দাঁড়িয়ে নিজের রাষ্ট্রের মনস্তাত্ত্বিক শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে হয়। তিনি ঠিক সেভাবেই হাত রাখার এই মাস্টারপ্ল্যানটি সুনিপুণভাবে এক্সিকিউট করেছেন।

কূটনীতির দুনিয়ায় এই দৃশ্য নতুন কিছু নয়। যারা বৈশ্বিক রাজনীতির খবর রাখেন, তাদের চোখের সামনে তখন ভেসে উঠছে অতীতের কিছু বিখ্যাত দৃশ্য।

মনে পড়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সেই আমেরিকা সফরের কথা? ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে দেখা করতে গিয়েছিলেন তিনি। ট্রাম্প, যিনি তার আধিপত্যকামী করমর্দনের জন্য বিশ্ববিখ্যাত, তিনি মোদির হাত নিজের মুঠোর ভেতর নিয়ে ওপরে হাত রেখেছিলেন। এর মাধ্যমে ট্রাম্প সারা বিশ্বকে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন যে, এই সম্পর্কের সমীকরণে 'বিগ বস' কে।

আবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর সেই ঐতিহাসিক ঘটনার কথা ভাবুন। ওই ভিডিওটি তো বিশ্ববিখ্যাত। কে কার ওপরে হাত রাখবে, কে কাকে ডমিনেট করবে...এটা নিয়ে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে হাত নিয়ে রীতিমতো ধস্তাধস্তি হয়েছিল। কারণ তারা জানেন, ক্যামেরার এই একটি ফ্রেম আগামী কয়েক দশকের জন্য তাদের দেশের ভাবমূর্তি নির্ধারণ করে দেবে।

বাংলাদেশে তারেক রহমানের আশেপাশে এমন একজন লোকও কি ছিলেন না, যিনি এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ের আগে তাকে ব্রিফ করবেন? তাকে শিখিয়ে দেবেন যে, আন্তর্জাতিক পরিসরে হাত মেলানোর সময় ঠিক কীভাবে নিজের হাতের অবস্থান ধরে রাখতে হয়?

কূটনীতি শুধু চুক্তির কাগজে স্বাক্ষর করা নয়; কূটনীতি হলো সেই ক্রুশিয়াল মুহূর্তগুলো, যেখানে সামান্য একটু হাত রাখার তরিকাতেই বাইরের বিশ্ব আপনাকে, আপনার রাষ্ট্রকে এবং আপনার মেরুদণ্ডকে জাজ করে।

আমাদের দেশের কূটনীতিক বা পরামর্শদাতারা যেন এক অদ্ভুত ঘোরের মধ্যে বাস করছেন। তারা কি আন্তর্জাতিক রাজনীতির এই সূক্ষ্ম কিন্তু তীক্ষ্ণ চালগুলো দেখতে পান না? নাকি দেখেও না দেখার ভান করেন?

বড় বড় আন্তর্জাতিক চুক্তি বা দরকষাকষির টেবিলে জেতার আগে, এই ছোট ছোট মনস্তাত্ত্বিক জায়গাগুলোতে জিতে আসতে হয়। আপনি যদি করমর্দনেই হেরে যান, তবে চুক্তির টেবিলে আপনি আর কী দরকষাকষি করবেন?

10/08/2026

ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল বিগত সরকার—তা জনমনে রয়েছে।

কিন্তু ঠিক কীসের ভিত্তিতে ‘র’-এর প্রধান বাংলাদেশে আসে—এটি সাধারণ মানুষের মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগায়।

যে গোয়েন্দা সংস্থার বিরুদ্ধে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে ষড়যন্ত্র ও সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে এবং যাদের বিরুদ্ধে দেশে গুম-খুনসহ নানা কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে, সেই সংস্থা কীভাবে আবারও র প্রধান বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আসার অ্যাক্সেস পায়?

তাহলে কি সরকারের সঙ্গে ‘র’-এর কোনো সমঝোতা বা চুক্তি হচ্ছে?

এর ফলে কি আবারও দেশে কোনো স্বৈরশাসনের পথ তৈরি হবে?

নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য কোনো কোনো চক্রান্ত?

প্রশ্নগুলো এখনো অজানা।
তবে জনগণের জানার অধিকার আছে—কী জন্য তার বাংলাদেশে আসা এবং এর ফলাফল বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও জনগণের স্বার্থে কী প্রভাব ফেলবে?

সবকিছুর উত্তর একমাত্র সরকার দিতে পারে!

09/08/2026
ভারতকে সজীব ওয়াজেদ জয় সরাসরি লাইভে বলছেন বাংলাদেশে হস্তক্ষেপ করতে! কিন্ত প্রথম আলো+ডেইলি স্টার কিংবা মেইনস্ট্রিমের ৯৭% ম...
07/08/2026

ভারতকে সজীব ওয়াজেদ জয় সরাসরি লাইভে বলছেন বাংলাদেশে হস্তক্ষেপ করতে! কিন্ত প্রথম আলো+ডেইলি স্টার কিংবা মেইনস্ট্রিমের ৯৭% মিডিয়া এটা নিয়ে কিছু বলে না! দুই চারটা গোলা বারুদ কাপায়ে দেওয়া রিপোর্ট করতে পারে না!

ধরেন বিএনপি-জামায়াত বা এনসিপি যদি পাকিস্তান, আমেরিকা এমনকি চীনকে বলতো হস্তক্ষেপ করতে (যেটা কোনওদিন বলবে না)...তাহলে প্রথম আলো-ডেইলি স্টার এবং মেইনস্ট্রিম কি করতো? ভাবা যায়?

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কি এটাই যে ভারত দিলে আরাম? আর বাকিদের ক্ষেত্রে হারাম!

এই হিপোক্রেসিগুলো এখনকার জনগন খুব ভালোভাবে অবশ্যই খেয়াল করে! এই জেনারেশন আগের মতো হাবদু আর বাবদু নাই!

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা যদি ভারতের দালালি হয়, তাহলে বাংলাদেশ নামের দেশটা তো জন্ম নেওয়ার দরকার ছিল না, আমরা ভারতেই থাকতাম, উপমহাদেশ সবাই আরেকটু ভালো থাকতাম!

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিভিন্ন কারণে ক্লিশে হয়ে যাচ্ছে!

এটার কথিত স্টেক হোল্ডাররা লজিকাল গ্রাউন্ডে আগাতে পারছে না!

লজ্জাস্থানটা দেখা যাচ্ছে পরিস্কার!

05/08/2026

বিএনপি ও জুলাই

উত্তরায় তখন গভীর রাত। সাদা পোশাকে এসে অস্ত্রধারীরা তুলে নিয়ে গেল সালাহউদ্দিন আহমেদকে। চোখ বাঁধা, হাত বাঁধা।পরদিন থানায...
05/08/2026

উত্তরায় তখন গভীর রাত। সাদা পোশাকে এসে অস্ত্রধারীরা তুলে নিয়ে গেল সালাহউদ্দিন আহমেদকে। চোখ বাঁধা, হাত বাঁধা।

পরদিন থানায় ছুটে গেল পরিবার। সব শুনে থানার ওসি পানের পিক ফেলে বললেন, ‘এমন কোনো খবর তো নেই আমাদের কাছে। দেখেন গিয়ে, নিজেই কোথাও চলে গেছেন হয়তো।’

সালাহউদ্দিন তখন পাঁচ ফিট বাই দশ ফিটের একটা কুঠরির আয়নাঘরে। ৬১ দিন। প্রতি মুহূর্তে মৃত্যুর প্রহর গুনেছেন। তারপর এক রাতে সীমান্ত পার করে ফেলে দেওয়া হয় শিলংয়ে। অবৈধ অনুপ্রবেশের মামলায় বন্দিত্ব, ৯ বছরের আইনি লড়াই শেষে অবশেষে খালাস।

১১ বছর পর সেই সালাহউদ্দিন আহমেদ আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। যে থানা একদিন তার পরিবারের অভিযোগ ফিরিয়ে দিয়েছিল, গুমের তদন্তের পুরো দায়িত্ব আজ সেই থানারই হাতে তুলে দিতে আইন বানাচ্ছেন তিনি নিজে। বাদ পড়ছে স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন।

যে দরজায় গিয়ে একদিন তার পরিবার ফিরে এসেছিল খালি হাতে, ভবিষ্যতে গুমের প্রতিটা ভুক্তভোগীকেও যেতে হবে সেই একই দরজায়। যে যন্ত্রণার ভেতর দিয়ে তাকে হেঁটে যেতে হয়েছিল, আজ সেই যন্ত্রণাই তিনি আইন বানিয়ে লিখে যাচ্ছেন অন্যের সন্তানের জন্য।
কপি।

Address

Bagerhat Town
1206

Telephone

+8801710860182

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rakib Shikder posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Establishment

Send a message to Rakib Shikder:

Shortcuts

Share